আমরা বন্ধু'র ইফতার আড্ডা
সবাই একসাথে বসে একদিন ইফতার করবো বলে ২৯/০৮/১০ তারিখ রবিবার নিকেতনে ভাস্করদার অফিসে আয়োজন করা হলো জম্পেস এক ইফতার আড্ডার। ভাস্করদা আগেই ছিলো অফিসে। অফিসটা দারুণ পছন্দ হইছে। রায়হান ভাই, টুটুল খাবার দাবার নিয়ে আগেই চলে গেলো। বিলাই ও এর মধ্যেই চলে এসেছিলো। মাসুম ভাই আর বিমা একা চিনবে না বলে আমি আর তাতাপু তাদের দুজনকে কাওরান বাজার থেকে নিয়ে গেলাম, পৌঁছলাম ইফতারে ২০ মিনিট আগে।মেসবাহ ভাই লালদা কে নিয়ে হলুদ মোটর সাইকেলে আমি দুষ্ট ছেলে লেখা ফতোয়া পরে আমাদের পিছন পিছন হাজির হলো। ইফতার শুরু হওয়ার পর আসলো মুক্ত বয়ান।রোযার মাস সংযমের মাস তাই ব্যাপক খানাপিনা করা যাবে না বলে কে একজন যেনো ফতোয়া দিয়েছিলো।তাই খুব বেশী খাবার দাবারের ব্যবস্তা হরা হয়নি। শুধু জুস, ৪ রকমের মিষ্টি (তারমধ্যে জেবীনের হাতে বানানো মজাদার পায়েস ছিলো), মুড়ি, ছোলা, পিয়াজু, আলুর চপ, সবজি পাকোরা, হালিম এবং চা।
ভাস্করদা: এত্ত খাবার! সব তো খাবে না, অনেক থাকবে ...আমি পরে আরাম করে খাবো।
ইফতার আইটেম
রায়হান ভাই একজনের নাম নিয়া জিকির করতেছে

দাঁতে ছোলা লেগে আছে কিনা মাসুম ভাই এটা সবাইকে দেখতে বলতেছে

সবাই খেয়ে এক্টুখানি হালিম ছিলো বাটিতে সেটা খেতে চাইলাম তাও রায়হান ভাই নজর দিচ্ছে

তাতাপু: ক্যাপ্টেন ববি

বিমা: জেবীন , তোমার পায়েশ খুব মজা হইছে।শুধু আমারে একদিন খাওয়াইবা?
সব আড্ডার এইটা একটা কমন দৃশ্য
বিলাই: শাওন, লালদা
উনি কে ফতুয়ায় লেখা আছে
ভাবুক লাল ভাই
খাওয়া আর জম্পেশ আড্ডা। অনেক খেয়ে আড্ডা শেষ করে সবাই ফিরে গেলো। কিন্তু মনে রয়ে গেলো আনন্দের এক আমেজ।সেই আমেজ একসাথে রাখবে বন্ধুদের।আবার কোন এক সময় সেই টানে একত্রিত হবে সবাই।
ছবি কৃতজ্ঞতাঃ মুক্ত বয়ান





এই পোস্টটার জন্য অপেক্ষায় ছিলাম। জয়িতা'পুকে তাই ইস্পিশাল থ্যাংক্স..
ছবি এত কম কেন এবং পোস্ট এত ছোট কেন? রিয়েলি নট ফেয়ার।
মাইনাস, আমি কই ??

আরে এইটা ফটু দিতে পারি নাকি টেস্ট করলাম। আরো যোগ করমুনে। একটু পরে।
ছবি নাম্বার-১@ভাস্কর দা রে দেখে মনে হচ্ছে মহা চিন্তিত কারন ইফতারীর আগে টেবিলের যে অবস্থা আর শেষ হলে যে কি করবে???
ছবি নাম্বার-৩@ কারে নিয়া জিকির করে তার নাম কি? সকালে দেখলাম কার ইয়ে(
) আমলের ছবি চায়তেছিল।
ছবি নাম্বার-৪@মাসুম ভাই কি কোন জায়গা থেকে ঘি উঠায় নিয়ে আসছে?????/
ছবি নাম্বার-৫@ আমার আম্মার এক কাজিন ছিলো সে নাকি ছোটবেলাতে ইলিশ মাছ দিয়ে ভাত খাইলে ওই মাছের কাঁটা প্যান্টের পকেটে নিয়া ঘুরতো আর মাঝে মাঝে চাটতো।জয়িতা ফুপির এই ছবিটা দেখে তাই মনে হচ্ছে ভ্যানেটি ব্যাগে দি সার্চ লাগাইলে ওই হালিমের বাটির টুকরা পাওয়া যেতে পারে।
ছবি নাম্বার-৮@ এইতো জান আমি এক্ষনি আসতেছি।আর বলো না ইফতারীটা একটুও ভালো হয় নাই।
রাসেল, এই ছবিটা এফবি থেকে কপি করলেন?মামলা হবে আপনার নামে। এই গল্প আমারে বলে আবার ব্লগেও দিলেন? শুনেন, যা খাওয়ার খেয়ে আসছি, ব্যাগে করে বাটির টুকরা এনে কি লাভ বলেন?না খেলে তো খাবার নষ্ট হতো, তাতে গুণাহ হতো।
মামলা হামলার ডর আমারে দেখাইয়া লাভ নাই।

"দেখো, ভালু করে দেখো। খাওয়াও একটা আর্ট, মানে শিল্প
"
আমরা বন্ধু ব্লগে একটাই সমস্যা, কুনু মাইনাস দেওয়ার সিস্টেম নাই
জয়িতা তোমার ড্রেস সেন্স অসাধারণ! মনে হচ্ছে একদম শরতের শিউলি!
তানবীরা বেঁচে আছে, এবং দেশেই আছে!!! তাকে দুর্দান্ত মানিয়েছে উইজডম কম্বিনেশনে।
================================
বাকী কাউরে দেখলাম না। রোজারমজানের দিন বেগানা পুরুষ দেখা ঠিক না।
থ্যাংকু নুশেরাপু সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
নুশেরাপা ঢাকা কবে আসবেন ???
আপনার জন্য পেট পুড়ায়। (চকলেটের প্যাকেট ছাড়া আসলে কিন্তু পেট পুইড়া ছাই হইয়া যাবে)
খুব বেশী খাবার-দাবারের ব্যাবস্থা হয় নাই শুধু ৪ রকমের মিষ্টি। আহারে কত কম খাবার। তোমাগো কত কষ্ট হইছে !!!!
হ । অনেক কষ্ট হইছে। এত খাবার কি খাওয়া যায় বলো?৪ রকমের মিষ্টির সাথে দেখো আরো কত খাবার!
সবতের প্যাট খ্রাপ করব। অভিশাপ দিলুম
পেট তো খারাপ হয় নাই। অভিশাপ কাজে আসলো না। আপনার জন্য আফসুস।
আমার অফিস টাইমে সবাই খালি আড্ডা দেয়। সবাইরে মাইনাস।
সামু ব্লগের রাজাকাররাও কোন দিন আমার ঘাড়ের একটা পশম ছেড়ার সাহস পায় নাই আর আমু'র চেতনাধারী পোলাপাইন এক কোপে আমার কল্লাটাই নাই কইরা দিসে! মাইন্ড খাইলাম তবুও আপনেগো লগে আর এপতাড়ি খাইতে কখনো কোথাও যামুনা। ভয় পাইছি।
লাল ভাই ভয় পাইয়েন না। কল্লা আছে। দিতাছি। আপনি হইলেন আমাদের বিখ্রাত লাল ভাই। আপনি আমাদের সাথে না গেলে তো আমরাও মাইন্ড খামু।
সবকিছুর সারমর্ম এইটাই। ইফতারাড্ডাপার্টিকে অভিনন্দন

একটা সেহরি পার্টি করেন, সেখানে যামু। ইফতার পার্টিতে যামু না।
আসছি!!
আমার মনে হয় শিরোনামডা তুমি ভুল লেখছ । শিরোনাম হওয়া উচিত ছিল " আমরা বন্ধুর মডেলদের ফটোসেশন, সাথে ইফতারাড্ডা " । এক একজন কডিন মডেল আর কডিন কডিন পোজ
লোকজন এতো যে খাইতে পারে ; ছেঃ !
(অবশ্য, আঙ্গুর জিনিসটা মিষ্ট !)
লুকজন ভালু না। কত খায়রে!আঙ্গুর মিষ্টি। কাল খাইছিলাম ইফতারে। ফটুক দিলে তো কইবেন কত খাই আমরা!
জয়িতা ননদিনী,
হেভি মাইন্ড খাইলাম,ভাবীরে জানাইলানা ও ইফতারির খবর.!
ভাবী, মাইন্ড খাইয়েন না। আমরাও তো মাইন্ড খাইতে পারি যে আপনি ইফতারে আসলেন না! পোষ্ট তো ব্লগে ছিলো, আর কিভাবে খবর দেই বলেন?
মাইনাস!
(
মুকুল কেমন আছ? এতদিন পর তোমাকে ব্লগে দেখলাম আর এসেই মাইনাস দিলা? আফসুস।
আশে পাশেই থাকি। লগইন করা হয়ে উঠে না আরকি! তুমি তো জানোই, আমি কিরাম আইলসা!
আশেপাশে থাকলে তো দেখতাম। তোমারে তো দেখি না। লগইন করো, পোষ্ট দাও। অনেকদিন তোমার কবিতা পরি না মুকুল। এত আইলসা হলে কি চলপে? জীবনে কত কি বাকী এখনও!
কবিতা লেখা তো ছাড়ছি সেই বছর দেড়েক হইছে। কবিতা এখন আর আসে না।
কবিতা আসেনা কেন?
অভিজ্ঞতার অভাবে!
তোমারই কারণে
শূন্য থেকে
আবার শুরু করা।
...
তোমারই ভরসাতে
নিয়ম ভেঙ্গে
আবার নিয়ম গড়া।
তবু হঠাৎ কেনো
স্বপ্ন ভাঙে
প্রশ্ন জাগে
কেন এতটা পথ
এসে দেখি
তুমি নাই, পাশে নাই, কিছু নাই...
এটা কার কবিতা মুকুল? এফ বি তে দিছ দেখলাম।
এইটা জেমসের একটা গানের অংশ।
ছবিগুলা কার, একবারও কইলেন না।

ছবিগুলা যে মুক্তর এটা বলা উচিত ছিলো, ভেবেছিও অনেকবার কিন্তু আপডেট করার আলসেমি ছিলো। ঠিক করে দিলাম। বাপের বাড়ি নাইওর কেমন চলছে মুক্ত?
সেইরকম আমোদে আছি। খাই- দাই আর ঘুমাই। দেখেন না, ইদানীং আর নেটে থাকিও না...

আহা বাসা, আহা বাসা...
আহারে নিজের বাসা! কেয়ে আমাদের জন্য কিছু নিয়ে এসো। নাইওর গেলে খাবার নিয়ে আসতে হয়।
মুক্ত কি বিয়া কইরা ঢাকাতে ঘর জামাই থাকে নাকি?
চট্টগ্রামের বাপের বাড়ি নাইওর খাইতে গেছে।

হ, ঢাকায়ই ভার্সিটির লগে বিয়া বইছিলাম আর্কি।
তয়, দজ্জাল শ্বশুর- শ্বাশুড়ি!!
হের লিগ্গাই মাঝে মইধ্যে সুযোগ পাইলে নাইওর আসি আর্কি!! 
আহারে। দজ্জাল শ্বশুর- শ্বাশুড়ি কি মাইর দেয় মুক্ত?খাইতে দেয় না? তাইতো বলি ছেলেটা এত রোগা হলো কেন?
বিয়া বসলে তো দজ্জাল শ্বশুর- শ্বাশুড়িই পাইবা।
খায়রুন সুন্দরীর কথা মনে পইড়া গেল!!!!!!!
মুক্ত বিয়া বসল কবে?
মুক্ত কই গেলো?
ও মুক্ত ও মুক্ত তুমারে জয়িতা ফুপি বুলায়

"ইয়েস মিস"
আজি হইতে শতবর্ষ পরে...
ভার্সিটির লগে। 
থুক্কু.. কি কইতে কি কই!!!
আজি হইতে পঞ্চবর্ষ পূর্বে!!!
এ কোন কলিকাল আইলো পোলায় বিয়া বসছে আর জীবন সংগীর নাম বলে ভার্সিটি!!!!!!!!!!!!!!!!!!

চেহারাগুলোর এই স্বতস্ফুর্ততাই ......আমারবন্ধুর জয়গান।
আপনাদের দেখি আনন্দের কোন সীমা নাই ...
আমারে ক্যাপ্টেন ববি বলার কারন কি ?
(
আমি কখনো নায়ক পাবো না? নাকি আমি লং ড্রেসের সাথে বাথরুমের স্লিপার পরে ঘুরি?
(
পরবর্তী রোজা এবং ইফতারের অপেক্ষায় থাকলাম।
মন্তব্য করুন