ইউজার লগইন

কবিতা পড়ার প্রহর

চোখের উপর হাত উল্টো করে চেপে শুয়ে আছে অদিতি। ঘড়ির কাঁটা টিকটিক করে বাজছে। একটু আগেই সে ঘড়িতে সময় দেখলো রাত ১২.৪০ মিনিট। অদিতি ভাবছে, প্রতিদিন অরিত্রর সাথে তার দেখা হয় না, তবু একই শহরে থাকে, অকারণেই একটু পর পর কথা হয় ফোনে, অকারণ এস এম এস। মনে হয় দুজন দুজনের পাশেই আছে।অরিত্র গতকাল রাতের বাসে চট্রগাম গিয়েছে তার অফিসিয়াল কাজে।ঢাকায় না ফেরা পর্যন্ত অদিতির মন অস্থির থাকবে।মোবাইল ফোনটা আরেক হাতে ধরে আছে। ফোন করতে ইচ্ছে করলেও করতে পারছে না কারণ অরিত্রর সাথে তার দুজন সহকর্মীও আছে। তারা রাতের খাবারের পর আড্ডা দিচ্ছে, সেটা অদিতিকে এস এম এস করে জানিয়েছে।হাত সরিয়ে চোখ মেলে দেখতে ইচ্ছে করছে না কত রাত হলো।হঠাৎ মোবাইল বেজে উঠলো।অদিতি খুব আদুরে গলায় বললো...
-হ্যালো!
-কি করো?ঘুমাওনি কেনো?
-তোমার সাথে কথা বলতে ইচ্ছে করছিলো যে!মনে হচ্ছে অনেক দূরে তুমি।
অরিত্র একটু হাসলো। অদিতি ভাবছে, কি সুন্দর করে হাসে ছেলেটা, মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকতে হয়।ইচ্ছে করে দু'হাত দিয়ে আলতো করে গাল ছুঁয়ে দিতে।অরিত্র বলে ...
-কি ভাবছো?আছি তো। সারাক্ষণ তোমার কাছেই থাকি।

এইবার হাত দাও, টের পাচ্ছো আমার অস্তিত্ব, পাচ্ছো না?
একটু দাঁড়াও, আমি তৈরী হয়ে নেই।
এইবার হাত দাও, টের পাচ্ছো আমার অস্তিত্ব, পাচ্ছো না?

অদিতি মুগ্ধ হয়ে শুনছিলো। অরিত্র থামতেই সে বললো,

-টের পাচ্ছি তোমাকে। তোমার নিশ্বাস টের পাচ্ছি।

অরিত্র আবার শুরু করে...

একবার ডাক দিয়ে দেখো আমি কতোটা কাঙ্গাল
কতো হুলুস্থূল অনটন আজন্ম ভেতরে আমার
তুমি ডাক দিলে নষ্ট কষ্ট সব নিমিষেই ঝেড়ে মুছে
শব্দের অধিক দ্রুত গতিতে পৌঁছুবো
পরিণত প্রণয়ের উৎসমূল ছোঁব
পথে এতটুকু দেরীও করবো না।

-ঘুমাবে না অদিতি?অনেক রাত হলো।২.২০ বাজে।
-আরেকটু থাকো। একটু সময়।কবিতার রাত হোক আজ।
-হুম।

অপূর্ণতায় নষ্টে কষ্টে গেলো
এতোটা কাল, আজকে যদি মাতাল জোয়ার এলো
এসো দু'জন প্লাবিত হই প্রেমে
নিরাভরন হবে সখা যুগল স্নানে নেমে
থাকবো ব্যকুল শর্তবিহীন নত
পরস্পরের বুকের কাছে মুগ্ধ অভিভূত।

গভীর রাতের নীরবতা ভেঙ্গে ভরাট গলায় কবিতা আবৃত্তি একটা এক গভীর ঘোরে নিয়ে গেলো অদিতিকে।জীবন অনেক সুন্দর।আঁচল ভরে ঢেলে দেয় মায়া, ভালোবাসা।
অরিত্র আবার শুরু করে

একবার আমার মাথায় হাত রাখো, সুপ্রসন্ন হও
এই দগ্ধ বুকে করো শ্রাবণের অঝোর বর্ষণ
আমি শ্যামল সবুজ বৃক্ষ হয়ে উঠি।
তুম শুদ্ধ করো আমার জীবন, আমি হই সূর্যোদয়
আমি হই উদিত আকাশ
আমি হয়ে উঠি প্রতিটি শিশুর হাতে প্রথম বানান-শেখা বই
হয়ে উঠি ভোর বেলাকার পাখিদের গান,
আমার জীবন তুমি শুদ্ধ করো, আমি হই নতুন সবুজ
কোনো দ্বীপ।

-এবার ঘুমাও মেয়ে।আমাকে সকালে বের হতে হবে।কাল রাতের বাসে আসবো।
-হুম। ভালো থেকো।গুড নাইট।
ফোনটা মাথার কাছেই রাখে অদিতি। তারাশঙ্করের নায়কের মতো ভাবে, জীবন এত ছোট কেন?

(উৎসর্গ- তাতাপু, লীনাপা, মীর, রাসেল)

পোস্টটি ২০ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

লীনা দিলরুবা's picture


আহা! আহা! প্রেমে গদগদ পোষ্ট পড়ে উদাস হলাম Love

স্মরণ করার লিগা THNX

জ্যোতি's picture


উদাস হইলেন কেন?নেন কফি খান। Welcome

হাসান রায়হান's picture


ইচ্ছা ছিল একটা প্রেম করার। কিন্তু এত প্যাচাল পারতে হয়! মাথা ধরা অবস্থা। Broken Heart

শওকত মাসুম's picture


আহা! কত কিছু মনে কমন পড়ে যাচ্ছে। Smile

শহর আর সভ্যতার ময়লা স্রোত ভেঙে তুমি যখন চৌরাস্তায় এসে
ধরবে আমার হাত, তখন তোমার মনে হবে এ-শহর আর বিংশ শতাব্দীর
জীবন ও সভ্যতার নোংরা পানিতে একটি নীলিমা-ছোঁয়া মৃণালের শীর্ষে
তুমি ফুটে আছো এক নিষ্পাপ বিশুদ্ধ পদ্ম-
পবিত্র অজর।

জ্যোতি's picture


তাই নাকি?কাহিনী মনে হচ্ছে খুক খুক। নৃত্য
কবিতার জন্য ধইন্যা পাতা

শওকত মাসুম's picture


এত হাসি কোথায় পেলে
এত কথার খলখলানি
কে দিয়েছে মুখটি ভরে
কোন বা গাঙের কলকলানি |
কে দিয়েছে রঙিন ঠোঁটে
কলমী ফুলের গুলগুলানি |
কে দিয়েছে চলন বলন
কোন সে লতার দোল দুলানী |

কাদের ঘরে রঙিন পুতুল
আদরে যে টইটুবানি |
কে এনেছে বরণ ডালায়
পাটের বনের বউটুবানী |
কাদের পাড়ার ঝামুর ঝুমুর
কাদের আদর গড়গড়ানি
কাদের দেশের কোন সে চাঁদের
জোছনা ফিনিক ফুল ছড়ানি |

তোমায় আদর করতে আমার
মন যে হলো উড়উড়ানি
উড়ে গেলাম সুরে পেলাম
ছড়ার গড়ার গড়গড়ানি |

রাসেল আশরাফ's picture


পোস্ট পড়ে মনে হলো বসন্ত আসতেছে।

আর রায়হানভাইয়ের সাথে একমত।রাতের ঘুম কামাই করে প্রেম মাইনষে করে??

লীনা দিলরুবা's picture


রায়হান ভাই নাইলে বিয়া টিয়া করে ফেলছে রাসেল আবিয়াত্যা কিতা কয় চোখ টিপি

রাসেল আশরাফ's picture


আংগুর ফল চুকা।তাই এইসব কই মনের দুঃখে।

১০

আহমেদ মারজুক's picture


ইহা রাসেল ভাইয়ের মুখের কথা মাত্র মনের কথা নয় ।

১১

জ্যোতি's picture


ঘুম কামাই কইরা মাইনষে তাইলে সারারাইত নেটে কি করে?

১২

আহমেদ মারজুক's picture


আমি পেপার পড়ি । নেটটা আছে বলেই বেঁচে থাকা ।

১৩

জ্যোতি's picture


মেসেঞ্জারে, ফেসবুকে যে কেউ পেপার পড়ে ঝানতাম না। চোখ টিপি

১৪

আহমেদ মারজুক's picture


অনেকে ফেসবুকে অনেক লিঙ্ক অ্যাড করে পেপের থেকে তাই ফেইস বুক খুলে দেখা অন্য কোন উদ্দেশ্য নাই এই পৌঢ় প্রারম্ভে ।

১৫

রাসেল আশরাফ's picture


হ আমিও পেপার পড়ি।

১৬

জ্যোতি's picture


মেসেঞ্জারে কি পেপার পড়েন?লিংকু দিয়েন তো! আমিও পড়বো।

১৭

রাসেল আশরাফ's picture


এই নেন

১৮

জ্যোতি's picture


মাইর গুল্লি

১৯

রাসেল আশরাফ's picture


''আইন নিজের হাতে তুলে নিবেন না''

২০

আহমেদ মারজুক's picture


অন্যের হাতে মিসইউজ হতে কতক্ষণ ?

২১

আহমেদ মারজুক's picture


জন্ম জনম গেলো বিরহে কাটিয়া ।

২২

জ্যোতি's picture


সান্তনা টিসু

২৩

আহমেদ মারজুক's picture


ইমো দেখে রবীন্দ্র স্যারের গান " হে ক্ষণিকের অতিথি" শুনতে শুরু করেছি ।

২৪

মেসবাহ য়াযাদ's picture


সঠিক সময়ে পোলা-মাইয়াগো বিয়া না হৈলে যা হয়, আর কী !!!
সান্তনা

২৫

জ্যোতি's picture


বড় ভাইরা ভাই বোনদের প্রতি দায়িত্ব পালন না করলে যা হয় আর কি!

২৬

আহমেদ মারজুক's picture


সহমত

২৭

নুশেরা's picture


ওরে খাইছে! কাক্না তুমি কুথায়!!

অরিত্রকে তো আজকাল প্রায়ই দেখা যায় Wink , অদিতি এই পোস্টের পর ফিরে না এসে পারেই না! তাদেরকে একসঙ্গে দেখতে চাই এভাবে

মজা

নৃত্য

২৮

জ্যোতি's picture


Smile

২৯

অদিতি's picture


নুশেরা আপা, কেমন আছেন?

৩০

নীড় সন্ধানী's picture


খাইসে, এটা কি কাব্যরোমান্টোপন্যাসিকা!!! Shock Shock Shock

হুক্কা Fishing

৩১

জ্যোতি's picture


Welcome THNX

৩২

লিজা's picture


মাত্র তিনটা কবিতা দিয়া প্রেমালাপ ? মানি না মানবো না । এত সুন্দর লতুপুতু প্রেম আরেকটু চলতে পারতো, আরো কয়েকটা কবিতা সহ । Day Dreaming

৩৩

জ্যোতি's picture


Smile
ফাঁকিবাজি করলাম। Tongue
পরে আবার কিছু সাথে যোগ করে দিতে চেষ্টা করবো। Smile

৩৪

মাহবুব সুমন's picture


গুল্লি

৩৫

নাজমুল হুদা's picture


নিটোল প্রেমে টোল পড়েছে নানান জায়গায় বানান বিভ্রাটের কারণে, যেমনঃ

পরেণত প্রণয়ের উৎসমূল ছোঁব
পথে এতটুকু দেরীও করবো না।

'পরেণত'-কে কোনভাবে উদ্ধার করা গেলনা ।
চট্টগ্রাম যদি চট্রগাম হয় বা অদিতি যদি আদিতি হয় বা ঘড়ির কাঁটা টিকটিক করে না চলে যদি টকটক করে চলে, তা কোনমতে সামাল দিতে পারি, কিন্তু তাতে পাঠে মনোযোগ বিঘ্নিত হয় । অতএব - - - -

৩৬

আরাফাত শান্ত's picture


এতো প্রেম কোন খান থিকা উপচায়া পড়ে তাই ভাবতেছি Puzzled

৩৭

আহমেদ মারজুক's picture


অসাধারণ । ৫০ ভাগ পড়ে বুঝলাম পুরোটা পড়া মানে প্রেমের সাগরে ডুবে মরতে হবে । দারুণ একটা অনুভূতিকে উপজীব্য করে এ মহান প্রেমময় উপস্থাপনা মনে হচ্ছে । ক জনের মনে কুলায় এমন করে চিন্তা করবার ! ধন্যবাদ জয়িতা এমন কিছু উপহার দেবার জন্য ।

৩৮

শর্মি's picture


কথোপকথন খুব দ্রুত শেষ হয়ে গেল মনে হল। ভালো লেগেছে।

৩৯

মীর's picture


উৎসর্গ দেখে উৎফুল্ল হলুম। মোবাইল ফোনই আমাদের দেশে প্রেমের বারোটা বাজাইছে। এর আগে কত চমৎকার প্রেম হতো। দুইজনের এক ঝলক একটু দেখা, হয়তো একটা বই আদান-প্রদান, তার ভেতর একটা চিঠি। সে চিঠিটাও সারপ্রাইজে ঠাসা। সব গিলে খেয়েছে গ্রামীণফোন।
যাক্ কবিতা পোস্ট দেখে নোলা সকসকাচ্ছে। Smile

৪০

তানবীরা's picture


জয়ি, উৎসর্গে নাম দেখে স্বর্গে গেলাম কিন্তু পুরাই ফাঁকি। এই কবিতাতো সব পড়া। ডায়লগ কোথায় শুনি? পাজি মেয়ে। Stare

কাকতালীয় হলো পরবর্তী তিতলি সায়ানের জন্যে আমি এই গানটা ভাবছিলাম Big smile

৪১

নাম নাই's picture


আল্লাহ বাচাইছে আমার এইরকম কোন প্রেমিক ছিলনা, ফোনের মধ্যে কবিতার প্যানর প্যানর শুনলে আমার হাই তুলতে তুলতে খবর হইয়া যাইত!

কবিতা বুঝিনা, কিন্তু বাকি পোস্টে পেলাস!

৪২

তানবীরা's picture


সবাই তাই বলে কিন্তু গ্রামীন ফোন সুপার বাম্পার ব্যবসা করে Tongue

৪৩

নাম নাই's picture


গ্রামীন ফোন কবিতার বদৌলতেই ব্যবসা করতেছে কইতে চান? Thinking

৪৪

তানবীরা's picture


কবিতা শোনানেওয়ালা আর ওয়ালীদের কারণে Wink

৪৫

মীর's picture


তানবীরা'পুর কথা ঠিক। খবর না হৈলে কি আর মানুষ হাই তোলার মর্ম বোঝে? Wink

৪৬

তানবীরা's picture


ঠাকুর ঘরের কলা বাতাসে খাওয়া হয় Tongue

৪৭

নাম নাই's picture


তোমরা এইগুলা কি কও কিছু বুঝিনা Worried

৪৮

মীর's picture


আপ্নের ওরিড হওনের কাম নাই।
আপু তো বলসেই, ঠাকুর ঘরের কলা বাতাসে খাওয়া হয়। Big smile Big smile

৪৯

নাম নাই's picture


বাতাস কলা খাইব ক্যান!

৫০

তানবীরা's picture


মজা

৫১

মীর's picture


৫২

নাম নাই's picture


কোক

৫৩

আহমেদ মারজুক's picture


ব্যবসা হলেও তো দিয়েছে অনেক ।

৫৪

তানিয়া বখশ's picture


খুব ভালো লাগলো জয়িতা। "আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে" এই ক্ষনে প্রানটা বড় হাহাকার করে উঠলো।

৫৫

নাজ's picture


Fishing

৫৬

একলব্যের পুনর্জন্ম's picture


মজা

বাহ মজার তো !!! Big smile Big smile

৫৭

সাহাদাত উদরাজী's picture


হাহাপেফা

৫৮

মীর's picture


আপনার নাম আছে এমন একটা কবিতা খুঁজে পাইসি,

ওই চোখ থেকে, মেয়ে, ঝরে জ্যোতি।
তোমার ফসল দেখে ইচ্ছে হয় কায়মনোবাক্যে স্তুতি
করি শেষ পারমাণবিক বিস্ফোরণ অবধি।
সাঁতারে অভিজ্ঞ তবু দেখি নাই এরকম খরস্রোতা নদী।
ওই অসম্ভব গীতিকারভারাতুর গ্রীবা
দেখে বুঝলাম কাকে বলে সৌন্দর্যের পরম প্রতিভা।
কিন্তু যেই আসি হৃদয়ের কাছে
দেখতে পাই তোমার চোখের কোণে
একবিন্দু কালো অশ্রু পেরেকের মতো গেঁথে আছে।

৫৯

আজম's picture


অনেক সুন্দর লেখা...

৬০

বাতিঘর's picture


জটিল লাগলো চোখ টিপি

৬১

অদিতি's picture


এর মানে কি? Shock

৬২

নীড় _হারা_পাখি's picture


সুন্দর হইছে। তয় কবিতা নিয়া কিপটামি করা ঠিক হয় নাই। আর একটু গেলে কি হইতো।মাত্র তো ২তা ২০ বাজলো রাত শেষ হইতে তো আর বেশি বাকি ছিল না ।কাজ ঠিক করেন নাই।আগামি বার ফোনে ফুল নাইট কাটাইতে কইয়ে্ন ।এট লিস্ট আরো কিছু কবিতা যোগ হইব।

৬৩

মীর's picture


নেন, দাগার ক্ষতিপূরণ। এইটা ফুপারটা না। ফুপা বলসে নতুন পোস্ট না দিলে ওইটা না দিতে। নিজে নিজে তো লিখতে পারি না। অনেক আগে একবার এক মহান ব্যক্তির লেখা পড়ে উদ্ধুদ্ধ হয়ে চেষ্টা করেছিলাম। হয় নাই কিছুই, সেটাই ধরিয়ে দিলাম। বন্ধু-বান্ধবকে তো দেয়াই যায়, তাই না?

উল্লাপাড়ার সাঁওতালদের ছোট্ট গ্রামে
যে সর্দার তার বউ-এর গলাটি কেটে গামছা বেঁধে তুলে দেয় পুলিশের হাতে,
সে আদালতে বলেছিল, হুজুর ছোড়ি মোহা কে বলে;
দেখো সর্দার, আমার ওপর তুই যদি চটে গিয়ে থাকিস
তবে আর কোনো মেয়েছেলেকে নে না,
এই দুনিয়াতে আমি তো এক-ই-ঠো লড়কী নই,
আর তোকে যদি আমার ভালো না লাগে
তবে তুই-ও তো এক-ই-ঠো মর্দ নোস,
তুই বেছে নে তোরটা
আমি বেছেনি হামার-ঠো।
ঐসী বেতমিজ, হারামজাদী আমার মুখের ওপর এমন বাত বললে,
আমি যদি তার মুন্ড না কর্তন করি তো হুজুর
আমার সম্মান কি রইলো মোটে?
শুনে গোরা জজ সাহেব বলেছিলেন,
ঐ বুঝলে তো পাগলও সারে।

আমি আফগান গাঁয়ের মেঠোপথে
প্রতিদিন বিকেলে মাইলখানেক একা একা হাঁটি।
কখনো মঈনুস-উস-সুলতানে এসে আমাকে শুধায় নি
তোমার কি হয়েছে?
আমার বিবি বলেছে, বাচ্চা গম মীখরুদ।
বাবা তোমার কি মন খারাপ?

---
ঢাকা
২৩ জুন ২০১০

৬৪

জ্যোতি's picture


খাইছে। এইটারে বলেন হয় নাই কিছু? Shock মাইর
ফুপারে বলেন আরো কিছু কবিতা দিতে। তারপর পোষ্টান।

৬৫

হামিদা's picture


কবিতা পড়ার প্রহর দেখি ভালো কাটছে

৬৬

জ্যোতি's picture


Big smile Tongue

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

জ্যোতি's picture

নিজের সম্পর্কে

.