খুঁজি তোরে আপন মনে
ঘুম হয়নি রাতে।চোখ জ্বলছে। এ আর নতুন কি!ঘুমের সাথে মন এবং রাত কোন একটা গোপন সন্ধি করে নিয়েছে।আমাকে ভুলিয়ে ভালিয়ে জাগিয়ে রাখে।প্রতি রাতের মতো ইচ্ছে করছিলো তোমাকে একবার ফোন করি কিন্তু আমি জানি তুমি ঘুম ঘুম গলায় বলবে, 'হ্যালো! কি হইছে?'আমি বলব 'কিছু না। এমনি।' তাই শুনে তুমি অতীব নীরস মানুষের মতো বলবে 'ও আচ্ছা! ঘুমাও। ' মাঝে মাঝে এত রাগ হয়! এত বুদ্ধু কেন তুমি? আরো একটু ক্রিসপি, আদুরে, গুডিগুডি হলে কি এমন ক্ষতি হতো!
সকাল হওয়ার জন্য অপেক্ষায় ছিলাম সারারাত।ভাবছিলাম দিনটা কিভাবে কাটাবো :SS। একবার মনে হচ্ছে বইমেলায় যাই, হাত ধরে হাঁটব আর বই কিনব, তারপর রিক্সায় ক্যাম্পাসটা একবার ঘুরবো।আবার মনে হচ্ছে দূরে কোথাও যাই, নিরিবিলি কোন একটা যায়গায় ছুঁয়ে বসে থাকি চুপচাপ।ফাল্গুন এলেই মন এমন অস্থির হয় কেন কে জানে! হাওয়ায় ভেসে বেড়াতে চায়।
একমাস আগে তোমাকে বলেছি, পহেলা ফাল্গুনে যত কাজ থাকুক তুমি, আমি ঘুরে বেড়াবো ।এর মধ্যে তুমি আমার সাথে কোন ক্যাচাল করবে না। ঠিক একটা ক্যাচাল বাধিয়ে দিলে তুমি। আসলে তুমি তো বাধাওনি, আমি বাধিয়েছি।মাঝে মাঝে একটু আধটু ঝগড়া না হলে কেমন পানসে লাগে।কিন্তু এবার তো মিটমাট হচ্ছিলো না। যতই দিন যায় মন খারাপ হতে থাকে।ভাবছিলাম আমি তো রাগ করেছি, রাগ করলে কি আর তোমার সাথে ঘুরতে যাওয়া যাবে!এসব ভেবে রাগে দুঃখে চুল টেনে ছিঁড়ি।হঠাৎ এক সপ্তাহ পর তোমার সাথে যখন দেখা হলো, তুমি ভাব করলে যেনো কিছুই হয়নি।অনেকটা সময় কাটানোর পর ফিরে আসার সময় তুমি ভাবলেশহীনভাবে সুন্দর রেপিং এ মোড়ানো একটা প্যাকেট আমার হাতে ধরিয়ে দিলে জানতে চাইলাম, এতে কি আছে? তুমি বললে, বাসায় নিয়ে দেখো, বোমা নেই। কি ভাব! বাসায় যাওয়ার আগেই সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে রেপিং পেপারটা খুলে দেখলাম ...লেমন ইয়েলো রং এর একটা তাঁতের শাড়ী।চুপচাপ বারান্দায় দাঁড়ালাম একটু সময়।শাড়ীটা ধরে থেকে মনে হচ্ছিলো তুমি যেনো অনেক আদরে চুলে হাত বুলাচ্ছ। ভাবতে ভাবতেই দু'চোখ ভরে গেলো।
ঘরে এসে শাড়ীর ভাঁজ খুলে হাত বুলালাম। আমি কল্পনায় দেখতে পাচ্ছিলাম তুমি শাড়ীটা কেনার সময় আমাকে ভাবছিলে।চোখ, মন ভরা ভালোবাসা নিয়ে দেখছিলে আমাকে। এত মায়া, আদর নিয়ে তুমি ছুঁয়ে থাকো বলেই তো আমি এখনও ভালো থাকি।স্বপ্ন দেখি। স্বপ্রের পরতে পরতে রং এর আঁচর লাগাই।স্বপ্নগুলো ফিকে হলে আবার রং লাগাতে বসি। আজ অনেক দুরে থাকবে তুমি,যত দুরে থাকলে হাত বাড়িয়ে কাউকে ছোঁয়া যায় না, কল্পনার মতো করে কাউকে কাছে পাওয়া হয় না।কাজ শেষে ঘরে ফেরার সময় খোঁপায় ফুল জড়ানো, হাত ভর্তি চুড়ি পড়া কোন তরুনীকে তার প্রিয় মানুষের পাশে দেখে হয়তো আবারো কোন স্বপ্ন আঁকবে মন। এভাবেই কেটে যাবে দিন রাত। বিশ্বাস করো তবু আমি ভালো থাকি, ভালো থাকবো, জীবন জুড়ে তোমার ছায়া আছে বলে।
তোমাকে যখন দেখি, তার চেয়ে বেশি দেখি
যখন দেখি না
শুকনো ফুলের মালা যে-রকম বলে দেয়
সে এসেছে
চড়ুই পাখিরা জানে
আমি কার প্রতিক্ষায় বসে আছি
এলাচের দানা জানে
কার ঠোঁট গন্ধময় হবে
তুমি ব্যস্ত, তুমি একা, তুমি অন্তরাল ভালোবাসো
সন্ন্যাসীর মতো হাহাকার করে উঠি
দেখা দাও, দেখা দাও,
পরমুহূর্তেই ফের চোখ মুছি
হেসে বলি,
তুমি যেখানেই যাও, আমি সঙ্গে আছি!





সব মাসই তোমার জন্য ফাগুন মাস হোক।
পাঞ্জাবী পড়ে আসছেন আজকে! কথা তো সেরকমই ছিলো।
জয়িতা'পু, যা লিখলেন ঘায়েল হয়ে গেলুম। কেউ কখনো এরম কৈরে বললো না। আফসুস।
কবিতাও ম্রাত্মক!
কিরম করে যেনো বলছে! আমি কিন্তু গল্প লেখার ছলে আপনার নিজের কথা লেখা কাহিনী গুলা পড়ছি।
মীর, অনেকদিন পোষ্ট দেন না। এটা কিন্তু অপরাধের পর্যায়ে পড়ে যাচ্ছে।আজ একটা নতুন পোষ্ট দেন। পিলিজ লাগে।
কেউ চুলে হাত বুলিয়েছে এখনো? @ জয়িতা'পু
পুলাপাইন দেখি নাফরমান কথা কয়!
কেউ মানে কার কতা কন?এই যেমন ধনের লীনাপা?
লীনা'পু ঐদিন বলসে কিন্তুক একটা কথা। আমার গল্পটায়। বিষয়টায় হৈল, বন্ধু-বান্ধব শুধু চুলে হাত দেয়া ক্যান, চুল ম্যসেজ করে দিলেও লাভ নাই।
এইতো মীর ঠিক লাইনে আছে। আরো অনেক কথা আসতে পারে, মীর আমাদেরকে সামালকে
কুন লাইন লীনাপা?
ম্যাসেন্জারে আসো। প্রাইভেটলি বলি
মেসেঞ্জারে তো নাই আপনি।
মন্টা উদাস। অফিস করতে ভাল্লাগে না। মেয়েরা সাজুগুজু করে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
তিনি তো ব্লগেও নাই। গেল কই?
উনি বসরে ম্যানেজ করতে গেছেন। বিকালে ঘুরানি দিতে পারি যেনো।
ম্যনেজ হৈলে বিন্দুতে ক্লিকাইতে বৈলেন।.।
লাভ আছে তো। ঘুম পাইয়া যায়।
বিশ্বাস না হইলে লীনাপারে জিগান। এসব দেখে রায়হান ভাই , মাসুম ভাই, টুটুল হিংসা করে।আর মেসবাহ ভাই হুদাই ধমকাধমকি করে।
আজকে জয়িতা'পু খালি স্লিপ কাটতেসে। আমার কথাটার উত্তরই দেয় না।
মন্টা উদাস রে!এই দিনে কামলা দিলে স্লিপ তো কাটবোই। আমার কি দুষ?
সুখে আছেন। অফিসের আরামে বসে কামলা দিচ্ছেন। আমাকে এখন সদরঘাটে যেতে হবে। বাকল্যন্ড বাঁধ, আহসান মঞ্জিল, ওয়াইজঘাট এলাকায় টিটিসিএম'র কাজ করতে হবে।
আপনের কি মজা! ঘুরবেন। আমার কুনু মজা নাই। আমি বইসা কামলা দিমু ।
যে জায়ঘাগুলার কথা বললাম, সেখানে ঘুরা মজার? আপ্নেরে একদিন নিয়া যামু রাখেন। তখন নিজেই বুঝবেন!
আইচ্ছা। সদরঘাটে অনেক নৌকা। একটু ঘুইরেন আমাদের পক্ষ থেকে। উকিজ?
আপ্নে তো নৌকা চালাইতে পারবেন না। পারলে মজা হৈত।
আমি নৌকা চালাতে পারলে তো তেরিবেরি করলে ধাক্কা দিয়া ফেলে দিতাম।
দিছিলো ?@জয়ীতা'পু
যেভাবে লেখসেন বাস্তবে সেভাবে কোনো মেয়ে কোনো ছেলেকে নিয়ে ভাবে না। কেবল ফিকশন রাইটিংএর ক্ষেত্রেই এরকম পরাবাস্তব বিষয় চিন্তা করা যায়। যেমন আপনি চাইলে একটা মেয়েকে নিয়ে স্রেফ বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়ে সারা পৃথিবী ঘুরে আসতে পারেন। কিন্তু সেটা বাস্তবে সম্ভব না।
যেভাবে লিখছি বাস্তবে কোন মেয়ে কোন ছেলেকে নিয়ে এর চেয়েও অনকে অনেক বেশী ভাবে। পেলাগুলার মন তো ষ্টীল দিয়া বানানো তাই তারা বোঝে না।
এ জগতে কত অজানারে...
তাইলে মেয়েরা যখন একটা ভালো সম্পর্ক আসলেই পুরোনোজনের কাছ থেকে দৌড়ে পালায় সেটাকে কি বলবেন? ব্যতিক্রম?
ব্যতিক্রম তো থাকবেই। তাই না?ছেলেরা কি পালায় না? তারা কেন ভাবে না একটা মেয়ে এক প্রথিবী মায়া নিয়ে শুধু তার জন্য পথ চেয়ে ছিলো!
অধিকাংশ মেয়ের ক্ষেত্রে এই ব্যতিক্রমটাই কঠিন সত্য। ব্যপার্স না। ছেলেরা আরো বেশি পালায়। যে কারণে দুইজন মানুষের মধ্যে সম্পর্ক কখনোই আশাপূরণ করতে পারে না। প্রাইম অ্যফেকশন বলে আসলে কিছু নাই।
আমার দাবি তাইলে মাইনা নিছেন?
এহহহহহহহহহহ। আইছে! আমি তো ছিলাম না যখন এসব কইলেন। জীবনে নানা ধরনের অভিজ্ঞতা হয়। আপনি নাকি এখনো শিশু।অতএব এখনই সিদ্ধান্তে পৌঁছাইয়েন না, বড় হলে এমন ধারণা বদলাতেও পারে তো!
বলেন কাল কোথায় লাঞ্চ করবেন।ক্রাপ কিন্তু ব্যাগে নিছি।
কন তো এই জায়গাটা কুনখানে...


বুঝছি কাইল্কা যে আমারে আসলেই বিপদগ্রস্থ জীবন যাপন কর্তে হবে সেইটা বুঝে ফেলছেন।
২ টা বড় কমেন্ট হারায়া গেলো। নেটবাজি ক্ষ্যান্ত দিতে হবে।
এটা কি শেরাটন হোটেলের পাশে?ছবিটা খুব সুন্দর লাগছে। কিন্তু আজ মগবাজার থেকে ফার্মগেট হয়ে আসার পথে লাইটিং দেখে কেমন জবর জং লাগছিলো।এমনিতেই ঢাকায় এত লাইট জ্বলে, তার মধ্যে নীল আলো কেমন চোখে লাগছিলো।আপনার ছবিটা দেখে খুব ভালো লাগছে। আরো কিছু ছবি দেন, জমা রাখি।
কাল আপনার বিপদ কেন?কে মাইর দিবে?
আহা! আহা!
বিরহ ততক্ষণই ভালো যতক্ষণ চোখ বন্ধ করলে প্রত্যাশিত মুখটি ভেসে ওঠে, সেটিতো হচ্ছে-হচ্ছে এবং হচ্ছেই।
শুভ বসন্ত আপুমনি।
কি আছে জীবনে! চলেন জম্পেস একটা ঘুরা দেই আজ। উরাধুরা। আবার তো এক বছর পর আসবে এই দিন।আমার খুববববব পছন্দের দিন।
ঘুরেন ঘুরেন.. আপনাদেরই তো দিন! আমার তো.....
ওনেক হিংসা
আহা! পুরা মন পুড়ানি আর মায়া জাগানিয়া আল্লাদি লেখা!.।।।
শুভ বসন্ত মুবারক!!
থ্যাংকু জেবীন।
মুবারক কেডা?তুমার পরিচিত?কিছুই দেখি জানাও না।
বসন্ত ছুঁয়ে যাক তোমাকে।
বসন্ত থেকে দূরে থাকি। আল্লাহ মাফ করো।
কেমন আছ মুকুল?
ভালো নাই। ভালোবাসা আমার সয় না।
এভাবে বলো না মুকুল। ভালো থাকো্। একদিন কেউ তোমার দুহাত ভরে দেবে ভালোবাসায়। তুমি হাত মুঠো করতে পারবা না।শুভকামনা বন্ধু।
টিস্যু কয় বক্স ভিজাইলেন?
উথলানো আবেগভরা পোস্টে পুরাই মাৎ । বসন্তের রঙ সারাটি বছরকে রাঙিয়ে রাখুক ।
ধন্যবাদ হুদা ভাই।
সখীর হৃদয় কুসুম কোমল_
কার অনাদরে আজি ঝরে যায়!
কেন কাছে 'আস'- কেন মিছে 'হাস',
কাছে যে আসিত সে তো আসিতে না চায়।
সুখে আছে যারা সুখে থাক তারা,
সুখের বসন্ত সুখে হোক সারা_
দুখিনী নারীর নয়নের নীর
সুখীজনে যেন দেখিতে না পায়
তারা দেখেও দেখে না,
তারা বুঝেও বোঝে না,
তারা ফিরেও না চায়।
আহা।
অনেক ধন্যবাদ অরিত্র। আপনাকে ফাল্গুনের শুভেচ্ছা।
বসন্ত এলেই সবাই
লেখা দুর্দান্ত
বসন্ত এলেই সবাই
সব দোষ তাইলে বসন্তের। বসন্তটা যেনো কে?
পড়ার জন্য ধন্যবাদ উলটচন্ডাল।আপনাকে ফাল্গুনের শুভেচ্ছা।
আচ্ছা, একটা কথা বলেন তো- আপনি যে সেই মোঘল আমলে ফটোওয়াকের প্রস্তাব দিছিলেন তার কী হল?
পহেলা ফাগুন নিয়ে একটা যৌথ ফটোব্লগ করলে কেমন হয়? সবাই ছবি তুলে ফ্লিকারে জমা দিল। তারপর এমবেড করে দিলাম। যার যা ইচ্ছা তুলল, খালি কমন থিম থাকুক পহেলা ফাল্গুন। চারুকলায় এখনো নিশ্চয় অনুষ্ঠান হয়।
আমি তো বলেছি কিন্তু আমি তো ফটোগ্রাফার না।৬ ফুট লম্বা ফটোগ্রাফার রায়হান ভাইরে পটায়া নিযা গিয়া এর মধ্যে ছবি তুলে আসেছে।
পহেলা ফাগুন নিয়ে একটা যৌথ ফটোব্লগ করলে খুব ভালো হয়। খুব ভালো।চারুকলায় তো অনুষ্ঠান হয়ই। আজও হচ্ছে নিশ্চযই। যাই একটু ঘুরা যায় কিনা দেখি।
মধুর বসন্ত এসেছে মধুর মিলন ঘটাতে।
মধুর মলয়-সমীরে মধুর মিলন রটাতে॥
কুহক লেখনী ছুটায়ে কুসুম তুলিছে ফুটায়ে,
লিখিছে প্রণয়-কাহিনী বিবিধ বরন-ছটাতে।
হেরো পুরানো প্রাচীন ধরণী হয়েছে শ্যামলবরনী,
যেন যৌবন-প্রবাহ ছুটিছে কালের শাসন টুটাতে;
পুরানো বিরহ হানিছে, নবীন মিলন আনিছে,
নবীন বসন্ত আইল নবীন জীবন ফুটাতে॥
থ্যান্কু অরিত্র
থ্যঙ্কু অরিত্রদা'
নাউজুবিল্লাহ।
অসাধারণ
ভাল্লাগসে
থ্যাংকু
বনের ফাগুন মনে লাগুক ....
মনে তো সবসময়ই ফাগুন।
তোমার ফাগুন দেখে খুব ভাল্লাগছে।
অসাধারন। ও মাগো, কি ব্যাপার স্যাপার!
নাহ, ভাল-মন্দ অনেক কিছু কৈতে মঞ্চায়... কমুনা
ভালো বলেন, মন্দ বইলেন না মাইনষের সামনে।
হাজার চেষটা করলেও আপনার মত করে ভালবাসতে পারবো বলে মনেহয় না!
ওনেক ভালো লাগলো।
আজীবন সুখে কাটুক....
মাইয়া কয় কি! টুটুল কি এমনেই পাগল হইছে নি! এহহহ আমরা যেন কিছু জানি না!
ভালো থাকো আপু।
কিন্তু শাড়ি পেয়ে কী বলছিলো তোমার নায়িকা? এসব কী, কেন শুধু শুধু টাকা নষ্ট করলা, আমার তো শাড়ি আছে, এসব আর করবা না, এসব করা ঠিক না................।
নাকি অন্য কিছু?
তোমার ভেতরের মায়া ও ভালবাসা তোমার লেখায় দারুণ ভাবে চলে আসে। আমি এভাবে পারি না।
আমি কি ছাতামাথা লেখি , এর সাথে আপনরার লেখার তুলনা দেন!লজ্জা পাইলাম।
আমার নায়িকা কেমনে হয়! কি কন এসব!গুলাছেন দেখি!মনে ফাগুনের ছোঁয়া লাগছে ?
পুরাই ফালগুনিয়া পোষ্ট হইছে জয়িতা, লুতুপুতু রক্স।
আপনি ই তো দিতে বললেন সুইটু।
' সব মাসই তোমার জন্য ফাগুন মাস হোক' (কপিরাইট রায়হানভাই)।
পুরা রোমান্টিক পোস্ট, মনটাই রোমান্টিক হয়া গেল!!
ভালোবাসা খুব খারাপ জিনিস, একটা শরমের ব্যাফার! (কপিরাইট লালদা।)
লেখা পড়ে, একটা ছড়া মনে আসলো কেন জানি...........
আমি যাই বঙ্গে
আমার কপাল যায় সঙ্গে।
লেখা যথার্থ ফাগুনিয়া হয়েছে

কপালে কি হইছে নীড়দা?কিছু মনে পড়ে?
খাইছে !!! এতো দেখি ভয়ানক রুমান-ঠিক লেখা। এইরাম আবেগ-ভালুবাসা নিয়ে ঘুমাও কেমনে ?
ঘুমাই না তো! জেগে জেগে মশা মারি।
কিন্তু তুমি কই থেইকা আসলা?নাকি এইটা তুমার ভূত?কেউ খবর দেয় না যে তুমি বেঁচে আছ।
আমিতো জানতাম মশারা ডরে তোমার ধারে-কাছেও আসে না
আমি বেঁচে থাকলেতো তোমারে কেউ খপর দিবে !!! ভূত হয়ে লোকজনের ঘাড় মটকানোর চাকরি নিছি
আমারে কেউ ডরায় না এই দুইন্যাত। আফসুস।
এমুন ভূত হইয়ো না। মাঝে মইধ্যে চেহারাডা দেখাইয়ো।
মাঝে মাঝে আসিতো কিন্তু অফলাইনে
আহা পুরাই রোমান্টিক।খুব পছন্দ হইসে
অনেক সুন্দর! আবেগ ভরা!
ঐটা কদম ফোয়ারার ছবি। ওখানে পুরা আসে নাই।

পুরা একটা রোড-রোলার সারাদিন যাওয়া-আসা করসে আমার উপর দিয়ে। ৫০ মাইলের কাছাকাছি শুধু গাড়িই চালাইসি। লীনা আপুর কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। দাওয়াত মিস্ করার জন্য। অবশ্য আমার সাহস খুবই কম।

মাসুম ভাইও খুঁজছে? এইবেলা মনে হয় আত্মগোপনে চলে যেতে হবে। বস্-দের মুখোমুখি হওয়া সহজ নয়।
নেন একটা টাটকা ছবি...
বাহ দারুণ তো! জট্রিল! থ্যাংকু। নেন বরই খান।কই ছিলেন সারাদিন?
আমরা লাফাইয়া আর চিৎকার কইরা আজ শেষ।
স্টেডিয়ামে গেছিলেন? বাবাহ্ গ্রেট!
হুমমমমমমমমম গ্রেট। লাফাইয়া ঘাড় ব্যাথা।
লীনাপুর কাছে ক্ষমা চায় কেন মীর!!! মীররে কি আমি দিব্বি দিছি?
মীর মীরের মত থাকুক, আমি সবাইরে সবার মত থাকতে দেবার পক্ষে।
কদম ফুল তো দারুণ লাগতেছে, শাপলা চত্বর দিয়াইতো ফিরলাম, এই সাজটা খেয়াল করিনাই।
আজকে আমরা যারা স্টেডিয়াম এ ঢুকতে পারছিলাম তারা কোন একটা পূণ্য কাজ কোনদিন করছি তাই আজকের এই সৌভাগ্য হৈছে
বাংলাদেশ আজ বিশ্বকে যা দেখালো তা ভাষায় প্রকাশ অযোগ্য। এক কথায় বললে----
ওয়াও!!!!!!!!!!!!!!!!
থিংকিউ। দ্যট্ ইজ হোয়াই আ লাইক য়ু মোস্ট।

আপ্স ন' ডাউন্স খেলবেন?
এইখানে আমার সীট কই"?

আমি আর জয়ি একপাশে, মীর অন্যপাশে
তেরিবেরি করলে যে আমি ধাক্কা দিয়া ফালায় দিমু এইটা কি মীর জানে?
মীররে ধাক্কা দিবি !! তুই না মীরের বালিকা
আমার মাথায় একটা আইডিয়া আসছিলো।
আপনাদের জন্য তো বলতেই পারলাম না...
ধরে নেন আমরা কোন কথা বলি নাই, নেন এইবার আইডিয়ার কথাটা বলেন ......
সেইটা আর বলে লাভ নাই
বিন্দুতে ক্লিকায়ে একটা বিশেষ গান শুনেন।.।
ইয়ে লীনা আপু চাকরি ছাড়া যাবে না কিন্তু।
নানান কারণের সঙ্গে আরেকটা কারণ যোগ হৈল।
বললেনতোনাই আবার দিলেন গানের লিঙ্ক, গ্রামীণ এর পঁচা লাইন ক'দিন ধরে খুব স্লো যাচ্ছে। গ্রামীণ এর নেট লাইন নিয়া একটা গল্প বলি।
আমার জামাইও এই লাইন ইউজ করে। একদিন তার ওখানে নেট খুব স্লো, সে হেল্প লাইনে ফোন করলো। এক কিন্নর কন্ঠি সেই ফোন রিসিভ করলো এবং নাকি সুরে টেনেটেনে বললো, স্য্য্যারর আপনাড় কমপ্লেইইইন আমাদেড় আইটি জোনে ট্রান্সফাড় কড়ে দিলাম, আশাকড়ি ঠিক হয়ে যাব্বে। আপনাখে আড় কি হেল্প কড়তে পাড়ি স্য্য্য্যারর? আমার জামাই সিরিয়াস সুরে বললো, হ্যা আপনি আমাকে আরেকটি হেল্প করতে পারেন, আপনি আর এভাবে ড় ড় করে রোবটের মত করে কথা বলবেননা, ঠিকাছে? সেই কিন্নরী কয়, ঠিকাছে স্য্য্য্যারর আমি আপনাড় কমপ্লেইনটা আমাদেড় ম্যানেজমেন্টখে ঝানিয়ে দেবো
গান লোড হৈতাছে
থ্যাঙ্কস।
অন্জন আমার পছন্দের। ওর মেরী অ্যান একসময় দিনরাত শুনতাম।
ওর কাঞ্চনজঙ্ঘাটা বেস্ট।
সমস্যার সমাধান হইলো কিউবি প্রিপেইড। সস্তায় ভালো সার্ফিং।
হ এইটাও দারুণ।
আমি নিবো কিউবি! বাংলালায়ন বাদ দিয়া কিউবি নিলে আমারে অফিস থেকে ছাটাই
করবো
হ। আপনেরা আড্ডান আর গান শোনেন। আমি বসে ঠাস ঠাস করে মশা মারি আর নেটের যন্ত্রণায় কান্দি।
থাক্ আর কাইন্দেন না

কোক খান
আমিও পক্ষে। আমি যেমন নিজের মতো থাকতেই পছন্দ করি।
তবে আমি একদিন রাতে ঘোরারও পক্ষে
ঘুরতেছিতো
ছবি দেখেন। পোস্টটা আরো ভারী করে দিই।

শাহবাগের আইল্যন্ডে একটা নৌকা ফেলে রাখা হয়েছে। ছবি তোলার জন্য যেই না শাটার টিপছি আর সঙ্গে সঙ্গে সামনে দিয়ে একটা ছেলে পার হয়ে গেল। এক মূহুর্তের জন্য খোলা লেন্সের সামনে ছেলেটার অবয়ব পড়ার ফলে ভুতুড়ে একটা কান্ড ঘটে গেল।
আরে দারুণতো! ভুতুড়েই বটে।
মজার ঘটণা।।
আমি আর জয়িতাতো এই পথ দিয়েই ফিরলাম
এইটা নামায়ে শুনেন। অতো হিসাব মিলায় লাভ কি?
আপনে কি এখনো ঘুমান??
আমি তো অফিসে, ঘুমানের কপাল কই।রাস্তায় ভয়াবহ জ্যাম।এক এলাকা পুলিশ ঘিরে রাখছে, সেই এলাকায় ঢুকতে যেয়ে কি যে বিপদে পড়ছি!
ঐ কপাল আমগো দুইজনের কারোই নাই। খালি মনে হয় লীনা আপুর আছে। পুলিশের কর্ডনের মধ্যে ঢুকার ট্রাই নিসিলেন ক্যান?
কালকে ফুপা একটা কথা বললোহ্।
লীনাপা মনে হয় টিভিত যাওনের শুটিং করে।
পুলিশের কর্ডনের মধ্যে ঢুকছিলাম কাজে কিন্তু পড়ছি পেজগিতে।
ফুপায় কি বললো?নতুন কবিতা?দিয়া দেন জলদি।
ফুপার ফুন নম্বরটা দিয়েন তো!
মন্তব্য করুন