ইউজার লগইন

টুকটুক গল্প-৫

১. এবার ঈদে বাড়ি যাওয়া হয়নি। যদিও ঈদ যে একটা বিশেষ দিন সেই বিশেষ দিনের আনন্দ সেই কোন শৈশবেই ফেলে এসেছি। তবু টের পেলাম বাবা-মায়ের কাছ থেকে দূরে থেকে দিনটাতে বুকের ভেতরের বাতাসাটা অনেক বেশী ভারী হয়ে যায়।ঈদের দিনের ভোরবেলা থেকে সারাদিনে বাবা- মায়ের কার্যকলাপে মনে হলো আমি সাত সমুদ্র তেরো নদীর ওপারে আছি। কিন্তু কিছু ঝামেলায় আটকে থাকতে হলো কিছুদিন। এর মধ্যেই ঈদের একদিন পর ঘুম থেকে উঠেই বাড়ির উদ্দেশ্যে বের হলাম বাসা থেকে।বাসা থেকে সায়দাবাদ যেতে তিনবার রিক্সা সিএনজি বদলাতে হলো। অবশেষে সায়দাবাদ থেকে বাসে উঠলাম ভালোভাবেই। কাঁচপুরের আগে একটা বাস নষ্ট হওয়াতে সেই বাসের কয়েকটা যাত্রী আমাদের বাসে উঠালো। তাদের মধ্যে তিনজন মানুষ এমন যাদের আমরা বলি হিজড়া। দেথে বুঝার কোন উপায় নেই, দুইজন শাড়ি পড়েছে, একজন সালোয়ার কামিজ পড়েছে। সালোয়ার কামিজ পড়া মানুষটা দেখতে খুবই সুইট। হঠাৎ দেখলাম সামনে বসা একটা লোককে সে
থাপ্পড় মারছে, ঘুষি মারছে। প্রথমে ভাবলাম লোকটা হয়তো তাকে কিছু বলেছে। পরে দেখলাম খুবই কুৎসিত গালাগালি করছে মানুষটা। আমার খুব লজ্জা লাগছিলো। ঠিক ওই মূহুর্তেই বাসে দাঁড়ানো একটা মেয়ে বললো একটু সরে দাঁড়াতে কারণ সে ঠিকমত দাঁড়াতে পারছে না, আর সে মেয়েটার গাল ধরে কুরুচিকর অঙ্গভঙ্গি করলো। মেয়েটা চিৎকার করাতে বাসের লোকজন সেই মানুষটাকে থামতে বললো কিন্তু সে এবং তার দুই সঙ্গী গালাগালি করতেই থাকলো।

দেখলাম মেয়েটার চোখ বেয়ে টপটপ পানি পড়ছে। এত খারাপ লাগছিলো! আগে এদরে দেখলে মনে হতো প্রকৃতি এত নিষ্ঠুর কেন? মায়া হতো খুব।সেদিন আমার খুব ভয় লাগছিলো।ভেলানগর গিয়ে আমার পাশে বসা মেয়েটা নেমে যেতই আমি একটা লোককে বললাম, ভাইয়া, আমার পাশের সিটে বসেন। নাইলে এরা একজন বসবে। আমার ভয় লাগছে। সাথে সাথেই একজন এসে পাশে বসলো আবার আরেকজনকে ডাকছে মাঝখানে বসতে। আমি উঠে দাঁড়িয়ে গেলাম। সেদিন যদি আমি এমন ঘটনা নিজে না দেখতাম তাহলে অন্যকেউ এসব মানুষদের নিয়ে কটু কথা বললে আমার রাগ হতো। কিন্তু সেই দিনটা আমার খুব আতংকে কেটেছে, আরেকটা মেয়েকে আমি দেখেছি পুরোটা পথ সে আতংক, আর কেমন ক্রোধ নিয়ে পার করেছে।আর বাসের এতগুলো মানুষের একজনও একটা কটু কথা বলেনি, ধমক পর্যন্ত দেয়নি, বরং ওদের শান্ত থাকতে বলেছে। আমাদের দেশের মানুষেরা কত সহনশীল, সহানুভূতিশীল! এক বন্ধুকে অনেকটা রাগ, ক্ষোভ নিয়েই বললাম ঘটনাটা। সে বললো, তোমার গড তো কি তাদের প্রতি সুবিচার করেছে? তাহলে তাদের কি দায় পড়েছে যে তোমার সাথে ভালো আচরণ করতে হবে! শুনে মনটা খারাপ হলো খুব। Sad

২. আজ আগারগাঁও থেকে সন্ধ্যার পর নিউমার্কেট আসার জন্য বিকল্প বাসে উঠলাম। শিশুমেলার কাছে আসতেই এক ট্রাফিক পুলিশ হাত উঁচু করে বাস থামালো। ভাবলাম বোধ হয় ট্রাফিক পুলিশ নিজেই বাসে উঠবে কিন্তু দেখলাম একজন বয়স্ক মহিলাকে উনি বাসে উঠিয়ে দিলেন। মনটা ভরে গেলো। সন্ধ্যার পর পথ চলতে নিরাপদ বোধ করিনা, এমনকি দীর্গ সময় হয়তো পথে দাঁড়িয়ে থাকি একটা সি এন জি পেতে, কিন্তু দেখা যায় সি এনজি ড্রাইভার পা তুলে বসে থাকলেও যাবে কিনা সেই উত্তরও দেয়না,পঞ্চাশ টাকার ভাড়া দুইশত টাকা চায়। হয়ত আশেপাশেই পুলিশ আছে কিন্তু কেউই মাথা ঘামায় না।পুলিশদের থেকে সাহায্য পাব এমন ভাবনা তাই খুব একটা মনে আসেনা। আজ এই পুলিশটাকে দেখে মনে হলো সবাই কেন এমন হয়না? সর্বত্র নির্বিঘ্নে, নিরাপদে চলতে পারা তো আমাদের অধিকার।এইটুকু অধিকার আদায় হবে এই ভাবনাটাও আমাদের স্বপ্নে থাকে। রাজা আসে , রাজা যায়, প্রজাদের চোখের জল ঝড়ে আর শুকায়, মুছে যায় না একেবারে। রাজার মন্ত্রী বলে, দ্রব্যমূল্যের দাম বেড়েছে পেটের সাইজ কমান, কম খান। বলতে পারে না যে, আপনাদের খাওয়ার দরকার কি? দুপয়সার মানুষ খেলেই কি আর না খেলেই কি! সব খাদ্য তো আমাদের দরকার, আমাদের ক্ষুধা যে মেটে না! যে হারে দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়ছে সাধারণ মানুষের বিনোদন দূরে থাক, তিনবেলা ঠিকমত খাবার যোগার করার ভাবনায়ই হয়ত কেটে যায় দিনরাতের প্রায় সবটুকু সময়। যে মানুষটার আয় বাড়েনি, যার ন্যুনতম প্রয়োজনটুকু মেটাতেই সবটুকু আয়ের প্রতিটা পাই/আনা হিসাব করে মেলাতে হয় সে বাড়তি দামটুকু দিবে কি করে? সরকার বোধহয় মানুষকে বুঝাতে চায় যে মন্ত্রী/এমপি/চেলারা চুরি করতে করতে সবকিছুই নিজের করে ফেলতে চায় তবু সাধারণ মানুষ কেন এসব দেখেও শিখে না যে চুরি বিদ্যাটাই বড় বিদ্যা!

৩. একসময় হুমায়ুন আহমেদের গল্প, উপন্যাসের বিরাট ভক্ত ছিলাম। নতুন বই বের হলেই কি যে খুশী লাগতো! হুমায়ুন আহমেদের গল্প/ উপন্যাসের নায়িকা চরিত্রগুলা আমার ভীষণ পছন্দ।কি গভীর মমতায় ভরা একেকটা চরিত্র। ইদানীং এই লেখকের লেখা আর তেমন ভালো লাগতো না। কাঠপেন্সিল, রঙপেন্সিল .... যা ই পড়ি ভালো লাগেনি একদম।লেখকের ক্যান্সার হওয়ার পর আমেরিকায় গিয়ে পত্রিকার জন্য যে লেখাগুলি লিখছেন সেগুলো খুব মন দিয়ে পড়ি এবং ভীষণ মায়া হয় মানুষটার জন্য। কেন যেনো মনে হয় তাঁর মধ্যে মৃত্যুভয় ঢুকে গেছে। আজ পত্রিকায় এই লেখকের লেখাটা পড়ে বারবারই সৃষ্টিকর্তাকে মনে মনে বললাম, সৃষ্টিকর্তা যেনো তাঁকে সুস্থ করে দেন। পাঠকের ভালোবাসা নিয়ে, দূরে থাকা সন্তানদের ভালোবাসা নিয়ে, সান্নিধ্য নিয়ে আরো অনেক বছর বেঁচে থাকুক হুমায়ুন আহমেদ।

পোস্টটি ১২ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

মীর's picture


বাহ্ এতো দেখি চাঁদের হাট।
চলুক চলুক, পুরোদমে লেখালেখি চলুক। আপনের লেখা পড়তে পড়তে ভাবতেসিলাম, কবে যে আমি এত সুন্দর করে লিখতে পারবো!

জ্যোতি's picture


বিনয় কুমার বলা ঠিক হবে না। বিনয় দ্যা গ্রেট।আপনি যদি আমাকে বলেন এই কথা, তাইলে তব্দা খেয়ে বসে থাকা ছাড়া উপায় নেই। আমি তো দুধ ভাত।আপনার লেখা কই? মিস করি।

মীর's picture


আপনে তব্দা খেয়ে বসে থাকেন। কারণ লেখা আসলেই তব্দা খাওয়ার মতো হৈসে। যে এই লেখা লিখছে, তার লেখাটা লেখার পর তব্দা খেয়ে বসে ভাবা উচিত- আমি এইটা কেমনে লিখলাম।

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


কটঠিন ডায়লগ! Big smile

জ্যোতি's picture


আহারে আহা। মন ভরে গেলো। চাপাবাজি বাদ দিয়া পোষ্ট দেন জলদি। নাইলে মাইর

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


Sad
Smile
Sad

লেখার ৩টি অংশের সাথেই একমত।

জ্যোতি's picture


Smile

রাসেল আশরাফ's picture


এই লেখার উপরের কয়টা লাইন আমি শেষ তিন ঈদে টের পেয়েছি।

চলুক লেখা।

জ্যোতি's picture


কোথায় চলবে?যাত্রাবাড়ি?যাত্রাবাড়ির বাস থামলো কেন? ড্রাইভার রান্নাবান্নায় ব্যস্ততা কমিয়ে যাত্রাবাড়ির বাস চালানো শুরু করুক।

১০

নরাধম's picture


বাপরে, ফাটায়া দিছ একেবারে!

হুআ'র মৃত্যুভয় ঢুকে গেছে সে ব্যাপারে নিশ্চিত, সাথে শাওন এবং ছোট ছেলের জন্যও চিন্তায় পড়ে গেছে বেচারা। তাই শাওনের প্রতি যেন সবার সহানুভূতি জন্মে সে চেষ্টা ইদানিকার লেখায় আছে।

১১

জ্যোতি's picture


তুমি কই হাওয়া হয়ে যাও?কারো মাথাই ফাটাতে পারিনা, আফসুস।
শাওনের প্রতি সহানুভূতি জন্মাতে চেষ্টা করে কিনা জানিনা তবে লোকটার জন্যই মায়া হয় খুব, শাওনের জন্য না।আর বাবা তো! বাচ্চাদের জন্য এমন ব্যকুলতা থাকবেই। ছোট ছোট বাচ্চাদের কার্যকলাপ দেখে তো বাঁচার প্রতি আগ্রহ জন্মাবেই।

১২

লীনা দিলরুবা's picture


ডায়েরির মতো টুকটুক করে লেখা এই গল্পগুলো পড়তে বেশ লাগছে। টুকটুক করে চলুক সিরিজটি।

১৩

জ্যোতি's picture


ধইন্যা পাতা

১৪

গৌতম's picture


চমতকার লেখা! প্রতি সপ্তাহে অন্তত একটা এমন লেখা আসা উচিত আপনার নামে যিনি লগইন করে তার আঙ্গুল থেকে। Smile

১৫

জ্যোতি's picture


আমার নামে যিনি লগইন করে, তিনার অঙ্গুল আইলসা।সবচেয়ে বড় কথা হইলো মাথায় তো কিছু আসতে হবে।
আপনার নামে যিনি লগ ইন করে তার কাছ থেকে সপ্তাহে অনন্ত ২ টা লেখা আসা উচিত।বিরাট ফাঁকিবাজ।

১৬

হাসান রায়হান's picture


চমৎকার। নিয়মিত চলুক

১৭

জ্যোতি's picture


Smile ধইন্যা পাতা

১৮

টুটুল's picture


ভাগ্যিস বস্র মন্ত্রী মুখ খুলে নাই... উনিও যদি বলতেন যে, সপ্তাহে একদিন বস্র না পরলে কি হয় Wink

১৯

জ্যোতি's picture


ভরতেই পারেন। যে হারে কাপড়ের দাম বাড়ছে, কাপড় পরা তো বিলাসিতা হয়ে যাচ্ছে। দেখলা না! প্রধানমন্ত্রী স্যুট, বুট পড়তে মানা করছে, এভাবেই শুরু।

২০

লিজা's picture


১; আপু, প্রথমে যাদের কথা বললেন তাদের দেখলে আমারো ভয় লাগে ।
২; আমি রাস্তা পার হবার সময় এতটাই ভয় পাই যে, ট্রাফিক পুলিশের সাহায্য নেয়া লাগে প্রায়ই ।
৩; হুমায়ুন আহমেদ এর লেখা ভালু পাই Tongue

২১

জ্যোতি's picture


আগে তেমন ভয় পেতাম না যদিও দেখলে একটু দূরে দূরে সরে যেতাম কিন্তু নিজের এই আচরনে নিজেই সংকুচিত হতাম। সেদিন আমি খুব ভয় পেয়েছি।
কেমন আছ আপু তুমি?ভালো থেকো।

২২

কামরুল হাসান রাজন's picture


প্রতি সপ্তাহে একটা করে লেখা দিতে পারেন না?

২৩

জ্যোতি's picture


এহ! আইছে আরেকজন! আপনি একটা লেখাও দিতে পারেন না? Angry

২৪

আনন্দবাবু's picture


মানুষ, সে যেই হোক না কেন, একবার তার মনে অবিশ্বাস ঢুকে গেলে তা আর কিছুতেই এবং কিছুতেই মুছে ফেলা যায় না। আমরা যাদের ঘৃণা করেই "হিজড়া" বলে ডাকি, তাদের বিষয়টাও ঠিক তাই। তারা আমাদেরকে বিশ্বাসই করে না। আমাদের ঘৃণা তারা আমাদেরকে ঘৃণা দিয়েই ফেরত দেয়। "আমি তো কিছু করি নি", এই কথা এখানে সম্ভবত অযৌক্তিক।

আমার কেন যেন ট্রাফিক কনস্টেবলদের প্রতি অনেক মায়া।

হুমায়ূন আহমেদের জন্য প্রাণভরা দোয়া। উনার "কচ্ছপকাহিনী" পড়ে সেইদিন খুব খুশি হয়েছিলাম, সারাটা দিন আমার অনেক ভালো কেটেছিল। এমন কী তার পরের দিনটাও। আর "তিন ডব্লিউ" পড়ে খুব কষ্ট পেয়েছিলাম।

২৫

জ্যোতি's picture


এবিতে আপনাকে স্বাগতম।
আপনার মন্তব্যের সাথে একমত।
ট্রাফিক পুলিশের জন্য আমারও মায়া হয়।আমার তো মনে হয় আমি হলে নিশ্চয়ই রোজ কোন না কোন ঝামেলা লাগাই দিতাম।
Sad

২৬

শওকত মাসুম's picture


চমৎকার আর সাবলীল। কেন যে তুমি বেশি লেখো না।

২৭

জ্যোতি's picture


আপনারে বিরাট ধইন্যা পাতা
কেন যে আমার মাথায় কিছু আসে না!

২৮

আহমাদ মোস্তফা কামাল's picture


আপনি নাকি লিখতে পারেন না? এরকম সাবলীল করে লিখলেন কিভাবে? উদ্ভট সব কারণ দেখিয়ে লেখা বন্ধ করে রাখার জন্য আপনার শাস্তি হওয়া উচিত! Crazy

হিজড়ারা রাস্তাঘাটে যতোটা হিংস্রতা দেখায়, বাস্তবে ততোটা নয়। আমি প্রচুর কথা বলেছি ওদের সঙ্গে। কথা বলেছি ওদের এই হিংস্র আচরণের কারণ নিয়ে। ওদের কাছ থেকেই জেনেছি - ওদের এই দলবদ্ধ হয়ে চলাফেরা করা, অকারণে গালাগালি-বকাবাজি করা - এসবই আসে তাদের নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি থেকে। স্বাভাবিক জীবন তো তাদের জন্য নয়। জন্মের পর পরিবার থেকে বিযুক্ত হয়েছে তারা, বেড়ে উঠেছে এমন এক সমাজের ভেতরে যাদের মানুষ হিসেবেই স্বীকৃতি দিতে চায় না কেউ, একা চলাফেরা করলে আক্রান্ত হতে হয় - সেক্ষেত্রে আক্রমণাত্নক না হয়ে তাদের উপায় কি? তবে, আমি নিজে তাদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করে দেখেছি ওরা কতোটা সহানুভূতি-কাঙাল!

হুমায়ূন আহমেদের সুস্থতা ও চলমানতা কামনা করি। তবে তাঁর এইসব লেখায় যেন চিরচেনা হুমায়ূনকে পাচ্ছি না! মনে হচ্ছে, তিনি যেন সহানুভূতি আদায়ের জন্যই এগুলো লিখছেন যা তিনি কোনোদিন করেন নি। মনটাই খারাপ হয়ে যায়...

২৯

জ্যোতি's picture


আপনাকে খুব চেনা চেনা লাগছে। অনেকদিন আগে মনে হয় দেখেছি কোথাও। তারপর আর খোঁজ নেই। এটা কি ঠিক?
আপনার লেখা খুব মিস করি। Sad
হিজড়াদের নিয়ে আপনি যা বললেন সেটা নিজেও ভাবি, তাই মায়া হয় খুব। সৃষ্টিকর্তা সারাজীবনের জন্য এক অভিশাপ দিয়ে কেন পাঠালো তাঁর সৃষ্টিকে তা কেবল তিনিই জানেন।
মাঝে মাঝে মানুষ সহানুভূতি চায় হারিয়ে যাওয়া কিছু হয়ত ফিরে পাওয়ার জন্য। হু.আ. এর এখনকার লেখাগুলি পড়লে খুব মন খারাপ হয়।

৩০

আহমাদ মোস্তফা কামাল's picture


চিনতে পারেন নাই??? Crazy Puzzled Stare Angry মাইর গুল্লি

লেখা দিলে তো পড়েও দেখেন না, আবার কথা বলেন! Crazy Crazy

৩১

জ্যোতি's picture


আপনাকে গুল্লি
আপনার কোন লেখাটা পড়ি নাই? বলেন দেখি! হুদাই মিছা কথা বলেন!পোষ্ট দেন জলদি।

৩২

নাহীদ Hossain's picture


কামাল ভাইয়ের সাথে একমত। ওদের সাথে স্বাভাবিক কথাবার্তা বললেও ওরা খুব খুশি হয়।

সরকার বোধহয় মানুষকে বুঝাতে চায় যে মন্ত্রী/এমপি/চেলারা চুরি করতে করতে সবকিছুই নিজের করে ফেলতে চায় তবু সাধারণ মানুষ কেন এসব দেখেও শিখে না যে চুরি বিদ্যাটাই বড় বিদ্যা!

পোষ্ট ভাল্লাগছে Smile

৩৩

জ্যোতি's picture


Smile

৩৪

একজন মায়াবতী's picture


টুকটুক গল্প ভালো পাই। Smile

৩৫

জ্যোতি's picture


তোমারেও ভালো পাই। Smile

৩৬

রায়েহাত শুভ's picture


টুকটুক ভালো লাগা রেখে গেলুম...

৩৭

জ্যোতি's picture


Smile ধইন্যা পাতা

৩৮

জেবীন's picture


কেম্নে হাসি মুখে কথা বলা যায় তাদের সাথে? কারন সবসময়ই তো তারা একটা আতংকের পরিস্থিতি তৈরী করে রাখে! Stare

হু.আ'র বইয়ের ভক্ত আমিও, মাথা খারাপের মতো পড়তাম। কিন্তু তার আচরনের কারনে ভক্তি নষ্ট হয়ে গেছে। এখন যে কলাম লিখছেন উনি, এটা কেবল অসুখে পড়েছেন বলেই, নইলে "আমি কি হনুরে" ভাব নিয়েই থাকতেন আজীবন.।।

৩৯

জ্যোতি's picture


আমার মনে হয় ভাব নিয়ে থাকলেও মানুষের ভেতর কোমলতাটা প্রকাশ পায় একসময়। আর তাঁকে যে কারণে অপছন্দ সেটা তাঁর ব্যক্তিগত চাওয়া/পাওয়া। সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টা স্বাভাবিক না কিন্তু মনের ভার আসলে যার টা সে নিজেই বহন করে।হু.আ. এর দীর্ঘাযু কামনা করি। তাঁর লেখা থেকে বঞ্চিত হতে চাই না।

৪০

নাজনীন খলিল's picture


খুব খুব ভাল লাগল লেখাটা ।
ভালো থেকো সবসময়।

৪১

জ্যোতি's picture


আপু, অনেকদিন পর আপনাকে দেখেও খুব ভালো লাগলো। ভালো থাকবেন আপু।

৪২

তানবীরা's picture


তুমিতো রান্নাবান্না কর না তাহলে এতো কম কম লেখার মানে কি? Puzzled

ভালো লেগেছে অকপট লেখাটা Laughing out loud

৪৩

রশীদা আফরোজ's picture


হিজড়াদের নিয়ে জয়িতা যা লিখলে তা মাঝে মাঝেই ঘটছে, এমন তিক্ত অভিজ্ঞতা কারো কারো জীবনে হচ্ছে। আমার জীবনে হিজড়ারা এসেছে ইতিবাচকভাবে। ফেনী রেলস্টেশনে কিছু হিজড়া থাকতো। একটা চক্র হিজড়াদের দিয়ে চাঁদাবাজি করাতো। এই হিজড়াদের সাথে রেল লাইনের পাশে বাস করা ছিন্নমূল মানুষের সম্পর্ক বেশ মধুর। কালি হিজড়া আর সুন্দরী হিজড়ার সাথে পরিচয় হয়েছিল। ওদের কখনো এক কাপ চা খাওয়াতে পারিনি, উল্টো আমাকে খাওয়ার জন্য সাধাসাধি করতো।
জয়িতা বিবি, লেখালেখি চালিয়ে যান। আমরা আছি আপনার সাথে।

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

জ্যোতি's picture

নিজের সম্পর্কে

.