তুমি আমার দিন থেকে রাত
কি যে হলো আমার। কিছুতেই মন বসে না। অস্থির সারাক্ষণ। তোমাকেই ভেবে কেটে যায় আমার সারানিশি,সারাবেলা।অপেক্ষায় পথ চেয়ে থাকি , তোমার দেখা পাই না।অভিমান থেকে রাগ হয়, কান্না পায়। কিছু্ই বুঝ না তুমি। তুমি জানো না তোমাকে ঘিরে আমার পথচলা, আমরা ভাবনারা ডানা মেলে। কিছুই বুঝ না তুমি। বুদ্ধু কোথাকার। ক্ষনিকের দেখা যখন পাই কি ভিশন খুশিতে আপ্লুত হই, স্বস্তির নিশ্বাস ফেলি। আবেগকে জড়ো করে, মনে আনন্দ নিয়ে, কষ্ট, অভিমান ছড়িয়ে দেয়ার মনের আয়োজনকে আলিঙ্ঙ্গন না করে তুমি চলে যাও। কি নিষ্ঠুর তুমি। বলতো কেমন করে ভালোবাসব তোমাকে? কি চাও তুমি? কি? আমি যে বুঝতে পারি না গো।তোমার হঠাৎ চলে যাওয়া বুকের ভিতরটা কখনো দুমড়ে মুচড়ে ফেলে। তুমি তো বুঝ না।কেমন করে বুঝবে?তুমি তো বুদ্ধু।
আমার সোনার বাংলাদেশের খাম্বায় খাম্বায় তোমার মিতালী তোমার। তোমার ওযাট, ভোণ্ট সব ঝিমিয়ে আছে। জ্বলে উঠতে না উঠতেই নিভে যাও তুমি। লজ্জা করে না অপদার্থ? জানো, তোমার অভাবে আমার কবিতার বইগুলো অন্ধাকারে পড়ে থাকে, স্পর্শ পায় না আমার। আমার ভালোবাসা গভীর আবেগে স্পর্শ করতে পারে না কোন এক যুবকের মনের গহীনে।ভালোবাসি বলব বলে যেই ভা বলি তুমি ভেঙ্গে দাও আমাদের সেতুবন্ধন।প্রচন্ড মাথার যন্ত্রণায় কুকড়ে থাকি আমি। কিছুই যায় আসে না তোমার আমার এই নির্মম কষ্টে, তাই না?
তবু বলি,লক্ষীসোনা, চাদের কণা আমায় ছেড়ে আর যেও না।





বিদ্যুৎ ভাইরে তুম্রা দেখি মেলা ভালা পাও
ভালা পাইতে আর পারলাম কই? জায়গা তো। সকাল থেকে এইমাত্র চেহারা মুবারক দেখলাম। বাসায় গিয়া দেখমু....হেতে নাই।
পোস্টে ক্লিকাইলে মন্তব্যে আইয়া পড়ে...নিচের থেইকা পড়া শুরু করলে মজাক কি কিছু থাকে আর বাকি?
টুটুল্ভাই কুনো কামের না
এরপর আইপিএসের প্রেমে পড়তে হইবো...
লাভ কি ভাস্কর দা? আই পি এস চার্জ দিবেন কি দিয়া?কালকে সন্ধ্যায় আইসক্রিম খাইতে জান যাইতেছিলো, দারোয়ান রে পাঠাইলাম দোকানে, আইসা কয় দোকানদার ফ্রিজ খুলব না, দুই ঘন্টা পর আইসক্রিম খাইতে হইব। মনের দুখে চুল টাইনা ছিড়মু নাকি ভাবছিলাম।
বিদ্যুৎ ভাইয়ের হৃদয় বইলা কিছু থাকলে এই প্রেমপত্র পড়ার পর আর কোত্থাও যাইত না।
বিদ্যুৎ ভাই এর হৃদয় নাই গো মানু। তোমার মত মন কি তার আছে?নাই। আফসোস।
দেশে বিদ্যুৎ নাই, আইপিএসও চার্জ হওয়ার সুযোগ পায় না, তাই জেনারেটারের উপর ভরসা করতে হয়। আগে গরমের জন্য ঘুম হইত না এখন কখন বিদ্যুৎ আসবে আর তখন গিয়া জেনারেটর বন্ধ করতে হবে এই জন্য ঘুমানো যায় না।
অনুযোগ ভালু হইছে।
ভালোই কইছেন। ঘুম, খাওয়া সব বন্ধ। কিচ্ছু ভাল্লাগে না।অনুযোগ কেন , পিটাইলে ও কাজ হইবো না।
কিছুই বলার নাই...থাকুম্না...যামুগা
কই যাইবা। তাইলে আমারে যেফত দিলা কেন?গিয়া দেখমু তুমি নাই। তুমি ও বিদ্যুৎ ভাই এর মতো দুষ্টু হয়েছো?
বিদ্যুত দাদা-নানা-মামা-চাচা (সঠিক কোনটা কইলে সে খুশি হইব, জানি না, তাই মোটামুটি সবরকম সম্বোধন এপ্লাই করি) থাকলে মজাই লাগে। পিচ্চিগুলারে ভয় দেখাই। হু হু হা হা!
বিদ্যুৎভাই জয়িতাপুরে ছাইড়া যায়েন না !
কথা তো শুনে নাই। গেছেগা। সারাদিন দেখা পাই নাই। রাইতে ৮ টায় তারে পাইলাম।
কি ভাইবা পড়া শুরু করলাম আর শেষে আইসা দেখি কি!!
ভাবলাম একটু পচামু তাও পারলাম না...ধ্যাততেরিকাআআআআআ!!
আহারে জোনাক, তুমার লাগি সমবনদনা।বদনা তুমি ভালা পাও জোনাক? অন্য পোষ্টে পঁচাইও মাইন্ড খামু না।
নাহ!!! জমল না!!!
ভাবছিলা লাভ হিস্টোরি!!! আফসুস!!!
আদর কইরা কইলে শুনব না, মাইর দেওন লাগবো! তাইলেই সব ঠিক! ( যে কোন সময় কারেণ্ট চইলা যাইতে পারে, এই কমেণ্ট ও করণ যায় কিনা ঠিক নাই!! ... )
হা হা হা। এইটা লস হিস্টোরি। সারাদিন পরে ব্লগে ঢুকলাম।হায়রে বিদ্যুৎ!!!!!!!!!!!!!
হ, আমারো ব্লগীং, অনলাইন আড্ডা মাড্ডা ছুডাই দিতাছে বিদ্যুতাঙ্কেল.....অখন মোমের প্রেমে আছি...
মোম আমার অসহ্য লাগে। আমি অন্ধকারে বাইরে বসে থাকি। অসুস্থ হয়ে যাইতাছি এই যন্ত্রণায়।ছাতার গভমেন্ট।
কই ঢংঢাং মূলক লেখায় পচানি কমেন্ট দিবো বলে ঠিক করলাম, অম্নি এসে ভোল পালটানো হইছে!!... হবে না মূল লেখাটা চাই... আর এতো লক্ষী/পক্ষী করে আল্লাদি ডাক দিলে শর্মীলা'র জমজভাই বিদ্যুত শরমে আর দেখাই দিবে না...
শাওন@ আপ্নে মোমরানী'রে নিয়ে আছেন বেশ, তাই বলে বিদ্যুত'রে কেন আঙ্কেল ডাকলেন!!! এটা কেমন কথা!!... কেম্নে পারলেন আপ্নে জইতা'রে ঘুরাইয়া ফিরাইয়া আন্টি ডাকতে!!!... তাও আবার এই পোষ্টেই!! কথা উইথড্র করেন...
আরে ভোল পাল্টাইলাম কই? তোমার সো কলড্ ভাইয়ার দেখা তো পাই না যে তারে নিয়া আদর আল্হাদ করে কথা বলব? তোমারে পঁচানের সুযোগ দিতে না পাইরা আমি খুউপ কষ্ট পাইছি। বিদ্যুৎ তো এমনেই শরমে আছে। গেছিলো গা। মাত্র আইছে। এখন আমি কত বিজি এইটা তো তুমি বুঝই।তোমারে আর কি কমু!
এত্ত বড় কথা?বিলাই চামে আমারে আন্টি কইছে? মডু কই? বিলাইরে ব্যান করাইতে হইব। জীবনে কত কি বাকী! এখনই আমি কেম্নে আন্টি হমু? এই ষড়যন্ত্র মানি না আমি।মডু ভাইয়ায়ায়ায়া--------------
ভদ্র লোকের এক কথা, একবার যখন কৈলাছি, তখন আর ফেরৎ নেই ক্যাম্নে?
নাহয় জয়িতা আন্টিই হৈলো, বিদ্যুত আঙ্কেল হওনের সুবাদে....(এত কাহিনীর কিছুই তো জান্তাম না, এমন কি শর্মিলার কথাও
)
মোমরানীরে ভালোবাসাই লাগে, চার্জার বাত্তি তো চার্জড হওনেরই টাইম পায়না, যতটুকু সময় বেড়ায় আমাদের বাসায় বিদ্যুতাঙ্কেল সেই সময়ে...
বিলাইরে কইস্যা মাইনাস। আমি কুনুদিন ও আন্টি না। মডুরে কইতাছি ব্যান করে না কেন বিলাইরে? জীবনে কত কি বাকী একনই আন্টি কইলে ত যারে খুঁজি সে আইসা ভুল কইরা আন্টি কইয়া ফেলতে পারে।সত্যি কই, বিদ্যুৎ আংকেলের এত্ত কাহিনী আমি জানি না, সব জেবীন জানে।
তুমি যে মোম রাজা হইয়া গেলা!
আহারে .. ক্যান যে আমার নাম বিদ্যুৎ হৈলো না!!
আহারে! বিমার দুক্ষে চোক্ষে পানি চলে আসছে। নাম বদলাও। আকিকা দেও। একটা পার্টি হোক।
জয়িতা, সেদিন না বল্লাম একটু ব্যস্ত আছি, পহেলা বৈশাখের ঝামেলাটা শেষ হলেই আবার ফিরে আসবো তোমার কাছে। রাগ করে না লক্ষীটি। আসবো যাবো ব্যস্ত থাকবো এইতো নিয়তি।
তলে তলে বিদ্যুতের লগে এই করতাছ?? আমিও কইতাছি জয়তি ইদানিং কেমন উড়ু উড়ু কেন??

তুমি তো আচ্ছা বুদ্ধু! আরে তলে তলে প্রেম হইলে কি এইখানে দিতাম? আমার প্রেম তো হাওয়ায় ভাসে। তোমাকে বলছি না , জীবন রংয়ের খেলা। আর আমি রং এর স্পর্শ ভালোবসি।
তোমার আংরেজী নাম জয়তি বাংলা নাম জয়িতা কেন?
নারু, ইংরেজী নামের বাংলা হলো "জ্যোতি"
জয়িতা সামুতে আমার নিক ছিলো। এখনও তাই আছে।
খাইচে, কিঞ্চিত ডরাইলাম .।
সাঝু ডরাইলো কেনু?কেনু?কেন?
বিরাট আফসোস।বিদ্যুৎ ভাইরে তো মন প্রাণ দিয়া ভালোবাসি তাও বিদ্যুৎ ভাই ভালু পায় না। আসে আর যায়। কত যে বিপদে আছি এই বিদ্যুৎ ভাই এর যাওয়া আসা নিয়ে.....
আপনি এইগুলা কই থেইকা বের করেন? হাসেন কেন? কি দুঃখের দিন যে গেছে! একঘন্টা পরপর লোপশেডিং।জীবন পুরা তেজপাতা হয়ে গেছিলো।
আমাগো এইদিকে এখনো একই অবস্থা। আপনার লেখা পইড়া খুব মজাক পাইসি। আপনে এত কম লেখেন ক্যান?
আমার এখানে এখন আর এই প্রবলেম নাই। থ্যাংকস গড। পড়ে মজা পেলেন শুনে খুশী হলাম। লিখতে তো মন্চায়। কিন্তু লিখতে তো পারি না। সবাই কি সবকিছু পারে বলেন?আড্ডাইতে পারি আর প্রাণ খুলে হাসতে পারি।নিজের মনে কত কি বলি , লিখি! সেগুলো কি-বোর্ডে টাইপ করা হয় না। কেন জানি খুব ধৈর্য্য নাই আর সময় সুযোগের অভাব তো আছেই।
মনের ভাবনাগুলোর প্রতি সুবিচার করুন। প্রতিমুহুর্তে সময় চলে যাচ্ছে। আমি এই সময়গুলোকে বিদায় দিই হাসিমুখে। ওরাও আমাকে ছোট্ট একটা হাসি দিয়ে বিলীন হয়ে যায় মহাকালের গর্ভে।
প্রতিনিয়ত পরের মুহুর্তটির জন্য নিজেকে সাজানো, নিজেকে প্রস্তুত করাই বোধহয় মানুষের একমাত্র কাজ। যে কারণে ধৈর্য্য আর সময় সুযোগের শত অভাবের মধ্যেও চেষ্টা করে যেতে হয়।
অনেকগুলো কথা এমনিই বলে ফেললাম। শুভরাত্রি।
ওরে বাবারে মীর এগুলো কি লিখেছো ভাই?????!!!!!!!!!
সকালবেলা পড়ে মনটা কেমন জানি উদাস হয়ে গেল।
শুভ সকাল।
মন্তব্য করুন