রিক্যাপচারিং পাস্ট -২
মনে কেনো পড়বে না! পড়তেই হবে। একাশি সালের ঘটনাও মনে আছে। এরও আগে কোথায় ছিলাম সেসবেরও কিছু কিছু মনে আছে। কিন্তু এমন মনে পড়ায় চলবে না। আমার চাই প্রতিটা দিনক্ষণের হিসাব। চব্বিশ ঘন্টার হিসাব। ষাট মিনিটের হিসাব। সেকেন্ডের হিসাব না হলেও চলবে। থাক..মিনিটের হিসাবেরও দরকার নেই।
ক্লাস থ্রিতে যে স্কুলটাতে ভর্তি হলাম সেটা বিশেষ পছন্দ হয়েছিলো। সরকারী প্রাইমারী স্কুলের বেহাল দশার থেকে সেটা হয়তো উন্নতর ছিলো। অবশ্য এটা এখন মনে হতেই পারে। এর তিনবছর পরে সে স্কুল যখন ছাড়লাম - আর কখনই যাওয়া হয়নি, অথচ বড় হতে হতে দেখলাম চারদিকে কেবল রঙহীন প্রাইমারী স্কুলের ছড়াছড়ি। সম্ভবত এর আগের স্কুলটার তুলনায় সবুজ, সুন্দর আর খোলামাঠের হওয়ায় ভালো লেগে গেছিলো।
শৈশবে স্কুলের প্রভাব শিশুদের উপরে থাকে ভয়াবহ, হাড়ে হাড়ে টের পাই এখনও। আমার সে স্কুল যেন অর্ধশতাব্দী পূর্বের সকল উপন্যাসের স্কুলের সাথে মিলে যেতো। স্পষ্টতই মনে আছে সে সময়টা ছিলো ফ্লাশি...মানে দ্যুতিময়, এখন তেমনই মনে হয়। আমার চারিধারে সবকিছু আলোকিত মনে হতো, সূর্যের কিরণ সম্ভবত অনেক প্রগাঢ় ছিলো। বাতাস বোধহয় আরো একটু স্বাদের ছিলো, নিশ্বাস নেয়া যেতো ক্লেদহীন। হয়তো এসব কিছুই তেমন ছিলো না - তবে এখন যখন সে বছরটা দেখি - এমন সতেজ বর্ণচ্ছটায় উদ্ভাসিতই দেখি।





এটি সম্ভব! চেষ্টা চলুক। সিরিজের দিকে দৃষ্টি রাখলাম।
অবশ্যই সম্ভব। যেখানে কিছু মনে পড়বে না সেটুকু বানিয়ে লিখে দেবো।
এরে কৌশিক, চুরামি করে স্মৃতিচারণ করলে কিন্তু সিরিজে মাইনাস দিমু
আপনি দেখি পুরোনো দিনে ফিরিয়ে নিচ্ছেন! চলুক। দৌড়াক।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
প্রাইমারি স্কুলের কথা মনে পড়ল। জীবনের প্রথম ক্লাসে কেউ নিয়া গেছিল কিনা মনে নাই। তবে পিঠাপিঠি বড় বোনের সাথে একই ক্লাসে বসছিলাম মনে আছে।
এই ঘটনা বেশীরভাগ পুলাপাইনের মনে হয় হইছে...যাদের বড় বুইন আছে..
জীবনের প্রথম স্কুলে গেলাম। ক্লাসে ঢুকলাম। কিছু বান্দরপোলা আমারে ইটা মারা শুরু করলো। এমন ভয়ানক অভ্যর্থনা পাইয়া কাইন্দা কাইটা অস্থির হয়ে সেইযে চলে এলাম সেই স্কুলে আর যাইনাই। পরে অন্য স্কুলে ভর্তী করানো হয়।
বান্দরে আপনারে ছাড়ে না গো সখি।
সেই শিশুকালেই দেখি ছেলেদের কাছে আপনের হেভি ডিমান্ড!
অখনো ডিমান্ড হাই !!!
ইটা মারলে ডিমান্ড কেম্নে হাই হয়!
সুখু তুমি ওগো কথায় কান দিওনা, বন্ধু হৈয়াও দেখোনা বিলা করে
ইমোশনালি আবেগতাড়িত হইয়া ইটা মারছে
পাঁচ বছরের একটা শিশুর লগে এমন অবিচার হৈছে আর লুকজন এখানে ডিমান্ড খোঁজে
কাল্কে না আইসা কবিরা গুনাহ করছেন, আর এখন ছগিরা গুনাহ করেই চলছেন, গুল্লির ইমো বাদ, আপনার লাইগা কামান খুঁজতাছি।
বঊরে ডরাই তাই
ছুটির দিনে বাইরানর পারমিশন নাই 
কথা সইত্য @ জ্বিন লীনা।
আপনি আমারে জ্বিন লীনা জ্বিন লীনা কন কেন? আমার লাইগ্যা কি আফনার আলত্রাসুনু লাগছিল
ছুটির দিনে বাইরনর পারমিশন নাই কিন্তু সেলফোন রিসিভ করার উপ্রেও ট্যাবু
কলির যুগ 
জেবীনের ভাবি ছুটির দিন জামাইর ফোন নিজের কাছে রাখে
লীনা বুঝে নাই যে, পুলাপাইন চিঠি লিইখা সেইটা ইটের লগে বাইন্ধা মারছিলো, যাতে মিস না হয়। চিঠি দেয়ার এইটাই নিয়ম
কি ভয়ংকর অবস্থা! আপনার রিভোল্ট করা উচিত ছিলো বস! খালি একবার যদি খবর দিতেন......ওবামা ভাইরে...
কৌশিক ঝাতির প্রশ্নের উত্তর দেন
আপনি যখন বলছেন উত্তর দিতে তো হবেই।
১৮'র পরে ২৮ পর্যন্ত প্রেমে কোনো খরচ হয় নাই, খালি উপার্জন....
তারপর থাইক্কা শুধু ব্যয়.....বউয়ের পিছনে ব্যয়, প্রেমের প্রোডাক্ট মাইয়ার পিছনে ব্যয়......
ব্যাখ্যা পছন্দ হৈছে

এই নেন পুরস্কার
বান্ধাইয়া রাখার মতো মন্তব্য @@@@ লল
চাই চাই। হিসাব বের করতেই হবে।
প্রেমের হিসাব কি আবার? হিসাব করে প্রেম হয়?
বাহ, দারুণ আইডিয়া তো কৌশিক! এখন তো আমারও রিক্যাপচারের সাধ জাগছে!
রিক্যাপ করে ফেলেন বস, ক্যাপিং সবসময়ই আরামের..
পপকর্ণ সহকারে গ্যালারীতে বসলাম। তাড়াতাড়ি পর্ব চাই।
আপনার জন্য তিন এসেছে মার্কেটে। হাহাহাহা। পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
কমেন্টগুলি পড়ে দারুণ মজা পেলাম
ঠিক, মন্তব্যগুলো চমৎকার...
মন্তব্য করুন