কবিতা: বেরসিক
বিশ্ব ইজতেমায় জু্ম্মার নামাজ পড়ে আসা এক বন্ধু সেদিন জানালেন, নামাজ শেষে ভীড় দেখে খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। এত মানুষ আর এত মানুষ, হাঁটতে হাঁটতে একবার কোনমতে পড়ে যেতে পারলেই কেল্লা ফতে। আর উঠতে হবে না। পেছনের তিন-চার মাইল লম্বা প্রবল জনস্রোত টেরও পাবে না, পায়ের নিচে কিছু পড়লো কি না!
আমি অবাক হলাম। মানুষ যেখানে ওস্তাদের কাছ থেকে রহমত আদায় করার জন্য গেছে, সেখানে একজন যদি পায়ের তলে পড়ে যায়, তাকে ধরে উঠিয়ে দেয়া কি সবার দায়িত্ব না? একটাও এমন দুর্ঘটনা ঘটলে, সেই দেশে কি আরো কোনোদিনো ইজতেমা কবুল হয় কি না কে জানে।
অবশ্য ভারতে প্রতি বছর পূণ্যস্নানের সময় পদদলিত হয়ে ৩০-৪০ জন মানুষ ইস্তফা দেয়। তবুও দেখি সে দেশে পূণ্যস্নানের বিরাম নেই। আমার মনে হয় দুই বছর এই স্নান বন্ধ রেখে সবাইকে শেখানো উচিত কিভাবে হাঁটতে হয়, কিভাবে একজন মানুষ পড়ে গেলে তাকে ধরে উঠিয়ে দিতে হয়, কিভাবে আরো একটু সহনশীল হতে হয়। এটা ভালোভাবে পরীক্ষা দিয়ে পাশ করে শেখার পরই কেবল একজন মানুষকে পূণ্যস্নানের অনুমতি দেয়া উচিত। নাহলে দিনান্তে গঙ্গার পানি আরো একটু দূষিত হওয়া ছাড়া আর কিছু হওয়া সম্ভব বলে মনে হয় না।
যাই হোক, যে কারণে ওস্তাদের রহমতের দিকে আমার খুব বেশি আগ্রহ নেই, সেটা লিখতে ইচ্ছে হলো। তবে তাকে যে আমি কোনো কিছু পাওয়ার আশা ছাড়াই ভালবাসি এতে কোনো ভুল নেই।
---
আর সি মজুমদার
থিয়েটার
অণুজীব
করিডোর
ইতিহাস
লবিরা
ভাবনায়
রয়ে যায়
বয়ে যায়
লু হাওয়া হৃদয়ে।
এফএইচ আর
শহীদুল্লাহ'র,
পুকুরে
ডুবে যায়
ছেলেরা,
মরে যায়
বার বার,
বয়ে যায়
লু হাওয়া হৃদয়ে।
সময়ের ফুটপাথে
হাঁটছি
যাচ্ছি
নীলক্ষেত পেরিয়ে
কাঁটাবন ছাড়িয়ে,
যাচ্ছি
শাহবাগ
পল্টন
মতিঝিল,
যাচ্ছি
মিলিয়ে।
সংসার এগিয়ে
গ্রাস করে চিন্তা
নেচে গেয়ে সুর তুলি
তা ধিন ধিন তা,
মাঝরাতে চোখ নিয়ে
বসে থেকে ভাবি,
লু হাওয়া
বয়ে যাওয়া
হৃদয়ের দাবি
বেরসিক প্রভু'
মেটাবে না কভু।
---





বাহ বাহ।
শুকরিয়া।
মন্ডা উদাস থাকলেই মীর এক্টা পোষ্ট নাজিল করে। এইটার রহস্য আজো বুঝলাম না।
দুইটা বিষয় ঘন ঘন ঘটতেসে।
কাল রাসেলের সাথে এফ বি তে কথা বলতেছিলাম...তখন রাসেল বললো....কোরিযাতে তার মন বসাতে পারার অনেকটা অবদান আমরা বণ্ধু ব্লগের।
আমিও মাঝে মাঝে ভাবি এই ব্লগ, আপনারা...সত্যিই আমাদের ভালো থাকার পেছনে অনেক অবদান রাখেন।
এই কথাটা আমি সেদিন একজনরে কৈতে গিয়া দৌড়ানি খাইসি।
দৌড়ানি কে দিলো?কার এত্ত বড় সাহস?
হ সেইটা বলে দিয়ে আরো দৌড়ানি খাই আর কি! এখনও তো একজন দৌড়ের উপ্রে রাখসে।
একবার নাম কন খালি। মীররে দৌড়ের উপর রাখে এত্ত সাহস কার?অবশ্য গুফন কেউ হইলে অন্য কথা।
কিডা দেয় তুমারে দৌড়ানি??নাম কও।
তার লগে আপনারা কেউ পারবেন্না। তিনি মহা ক্ষমতাময়ী।
মহিলামানুষ প্টানো কোন ব্যাপার??????????
ইহ্। মাসুম ভাই, রায়হান ভাই আজ পর্যন্ত পারলো না । আসছে আরেকজন।
আরে রাসেল কত কতাই কয়! নামটা কনতো মীর। রায়হান ভাই, মাসুম ভাই তো ব্যস্ত থাকে অন্যদিকে।
তিনি একটা ফুঁ দিলেই আমি উইড়া যাই। অনেকদূর গিয়া পড়ি। এরপরে বহুত কষ্ট হয় বাসায় ফিরতে। কুনোদিন যদি আমার বড় দুই ভাইরে সফল হৈতে দেখি, তাইলে আমি সাহস কৈরা তারে গিয়া মনের কথা কমু।
দোয়া দিলাম। সফল হোক তিন নাদান। আমি আবার কুনু মেয়েকে পটাইতে রাজী না।
মনে কথাটা যেনো কি?কন তো শুনি! তবে মাঝে মধ্যে আপনি মাইন্ড রিডার হয়ে যান। তব্দা খাই।
পারলাম না মানে? কার লগে, ঠিকানা দেন
আমিও তাই বললাম রাসেল আর জয়িতার সাথে। ভালো থাকার পিছনে বন্ধুদের অবদানও কম নয়
স্যারের ফোনের আশায়।
সাহস সংগ্রহের চেষ্টায় স্যার।
বুকে চারবার কুল্লু আল্লাহু বলে ফু দিয়া ফোনটা দিয়ে দেন স্যার।
ফুন কেনো আসে না!আর দেরী সয় না.... ভুলেছে কি মীর রাসেলরে?
কার মাথায় বাড়ি দেন?রাসেলের মাথায়?দেন জোড়ে।
বাড়ি দিতে চাই আমার মাথায়। কিন্তু হাতুড় খুঁজে পাচ্ছি না। লীনা'পুকে একটু বলবেন আমার হাতুড়টা ফেরত দিতে?
অ্যাঁ! আমি আবার কি করলাম
হাতুড়ইবা কবে নিলাম 
আপ্নারে আমি একদিন একটা কবিতা বলেছিলাম। ভুলে গেছেন,
লিজা

কবিতা যার লেখাই হোক আমি আহেম আহেম করি
লীনাপা, হৃদয় কেডায়?পুলিশ জানে তো?
জয়িতা গুলাচ্ছ কেনো
যাই কন, হৃদয় ভালু না লীনাপা।
সুখী হওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো হৃদয়হীন হওয়া।
তাইলে আরো চারটা লাইন নেন,
এবং দ্রুত কাজ সেরে আমার হাতুড়ি ফেরত দেন।
মীরকে

কবিতা শুইনা ভাল্লাগসে জাইনা খুশি হৈলাম। এই কবিতাটায় দুইজন ওস্তাদের স্পর্শ আছে। হাইনরিশ হাইনে আর হুমায়ুন আজাদ (অনুবাদ)। বন্ধুদের দু'টো চমৎকার লাইন শুনিয়েই যদি পাঁচতারকা পাওয়া যায় তাহলে জীবনে আর কি চাই।
তবে লীনা'পু তাড়াতাড়ি কাজ শেষ করে জিনিসটা ফিরিয়ে দিলেই বাঁচোয়া। আমার আর কবিতা লেখার অপচেষ্টা চালানো লাগে না।
আবার আহেম।
হুমায়ুন আজাদ নমস্য ব্যক্তি, তারে বড় ভালো পাই।
জিনিস ফেরত আর না দেই-ফেরত চাইবার চেষ্টায় আবার কবিতা পাবো, সুতরাং কি দিছেন না জাইনাই না দেবার সিদ্ধান্ত পাশ।
মীর, কবিতা লিখতেই হবে।আজ সারাদিন কোথাও কিছু পড়তে পারিনি। কাজ ও করিনি।কবিতায় উদাস ভাবটা মিশে গেলো।
তাইলে এই কবিতাটা পড়েন।
ফুটে গেলাম। ক্লাস আছে। টা টা
এত মানুষ ইজতেমায় ক্যান যায়?
ধাক্কাধাক্কি করে পূণ্য আদায় করতে নাকি পাপস্খলন করার মনোঃশান্ত্বনা খুঁজতে?
নাকি দুইটা দিন বউএর খপ্পর থেকে বাঁচার জন্যে?
ধর্মীয় আবেগের কাছে যুক্তি অসার । মানুষ যদি অন্তত ইশ্বরের কাছেও পাপ স্বীকার করে সান্ত্বনা পায়... তো তাতে দোষ কি ?
দাদা, আপনার শঙ্খ নদীর উৎসে" পড়ে আমিতো স্বপ্নেও ওইরকম সুন্দর দৃশ্য দেখেছি । নতুন পর্ব আর দিচ্ছেননা কেন ?
দিবে দিবে, দাদারে এত চাপ দেন কেন?
কবিতা cool হইছে । আপনি যে কত বড় মিথ্যুক!! আজকে কবিতা পড়ে বুঝলাম ।
এই কথাগুলো আমার বেশী পছন্দ হয়েছে ।
জবাব চাই ।
ভারতের পুণ্যস্নানের কথা কইলেন খালি। মক্কাশরিফেও হজের সময় চিড়াচ্যাপ্টা হয় কতোজন। হজক্যাম্পের ট্রেনিঙে আপনার প্রস্তাবটা পাঠানো দরকার।
কোবতে বুঝি না। তয় জিগাই, লু হাওয়া খাইছেন কুনুদিন? হৃদয় তক যাওন লাগে না, তার আগেই চামড়া ছিলা-বিলা হয়া যায়
সমবেদনা!
spf50+ যুক্ত সানস্ক্রিনসহ না দিলে ফায়দা নাই
হায়রে দুনিয়া। মনের কোনো দাম নাই!
মনের কথা ব্লগে ক্যান

কি বলেন "কোবতে বুঝিনা"... আরে এত্ত দ্রুত কোন কোবতে পর্তে পার্বেন? ইশ সব্বাই যদি মীরের মত ভালু লুক হইতো ... এরম কোবতে লিখতো
আমি একখান লিখছিলাম সত্যযুগে। বিমা আর ড়াষুরে নিয়া-
বিষ্টি পড়ে ঝুরু ঝুরু
আম্রা দুটি দামড়া গরু
কথা সইত্য...এরকম কবিতা যে কেন লেখে না মানুষ!
প্রশ্ন: মীর আসলে কেডায়?
আজকের কবিতা সত্যিই উপাদেয় হয়েছে
মন্তব্য করুন