ইউজার লগইন

ইন্টারভিউ

লিফটের ঝকঝকে কাঁচে নিজের চেহারাটা নিবিড়ভাবে একটু পর্যবেক্ষণ করে নিই। সঙ্গের মানুষগুলোকে খানিকটা উপেক্ষা করেই গালের হনুর ওপর উঁকি দিতে থাকা ব্রণটাকে একটু টিপে দেখি। নাহ্ এখনো শক্ত হয়ে আছে। কিছু বলা যাবে না। বললে রক্তারক্তি কাণ্ড ঘটে যাবে। অবশ্য আমি জানি, ব্রণগুলো ঠিক ইন্টারভিউএর দিন ছাড়া আর কোনোদিন ওঠে না। তাই এ নিয়ে আফসোস করে লাভ নেই। স্বাভাবিক প্রাকৃতিক নিয়ম হিসেবে মেনে নিয়ে অগ্রসর হতে হবে।
চুলগুলো একটু ঠিক-ঠাক করে নিলাম। এরপরে হয়তো আর সে সুযোগ মিলবে না। এসব কর্পোরেট হাউজের ভাবগতিক সবসময় বড় দুর্বোধ্য আমার কাছে। হয়তো কোনো মিটিং রুমের মতো জায়গায় ঘন্টাখানেক সটান বসে থাকার পর ডাক আসবে জনাকয়েক লোকের সামনে নিজেকে উপস্থাপন করার। আরেকবার চুল ঠিক করে নেবার সুযোগ না পাওয়ার আছে প্রচুর সম্ভাবনা।
উঠছিলাম বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানীতে চাকুরীর ইন্টারভিউ দিতে। অবশ্য অর্থনীতি নিয়ে আমার মোটেও উচ্চতর পড়াশোনা বা কাজ করার নেই কোনো পূর্বাভিজ্ঞতা। ওরা এইচআর/পিআর বিভিন্ন শাখায় এক্সিকিউটিভ/ অফিসার/ ম্যনেজার নানানরকম পোস্টে লোক চেয়ে বিজ্ঞাপন দিয়েছিলো। সেখান থেকে দেখে দেখে যেটায় যেটায় ক্রাইটেরিয়া মেলে এ্যপ্লাই করে দিয়েছিলাম। এরপর সেটা ভুলে-খেয়ে-হজম করে-বের করে দেয়ার পর একদিন সকালে যখন বেলা করে পড়ে পড়ে ঘুমাচ্ছি তখন ক্রিং ক্রিং...
হ্যলো...
-হ্যাঁ?
আপনার নাম আজাদ?
-হ্যাঁ।
আপনি কি বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানীতে কোনো চাকুরীর জন্য এ্যপ্লাই করেছিলেন?
-না।
তাহলে আপনার সিভি আমাদের কাছে এসেছে কিভাবে?
-চিন্তার কথা। এখন কি সেটা চিন্তা করতে হবে নাকি আমি ফোন রাখবো?
আমি কোম্পানীর এইচআর ডিপার্টমেন্ট থেকে মালতী বলছি।
-খুব ভালো কথা। মালতী, আমি একজন এইচআর-উওম্যানকে চিনতাম, তার নাম করবী। তিনি অবশ্য কোম্পানীতে না, বাংলাদেশে চাকুরী করতেন।
মানে?
-মানে আপনে যেমন আপনার প্রতিষ্ঠানের নামের শেষ অংশ বললেন, আমিও তেমন উনার প্রতিষ্ঠানের নামের শেষ অংশ বললাম। কেয়ার বাংলাদেশ থেকে শুধু বাংলাদেশ।
ভালো। আমি কেন আপনাকে ফোন করেছি শুনতে চান?
-চাই মানে? রীতিমতো কৈফিয়ত দাবি করতে চাই, এমন ভরসকালে একজন মানুষকে ফোন দিয়ে ঘুম থেকে উঠিয়ে নিজের পরিচয় দিতে উদগ্রীব হয়েছেন, আপনার ঘটনাটা কি?
ঘটনা হচ্ছে আপনাকে আগামী মঙ্গলবার আমাদের অফিসে আসতে হবে, সকাল ১১ টায়। ইন্টারভিউ দেবার জন্য।
-এইটা কোনো কথা? সকাল ১১টা হচ্ছে মানুষের গাঢ় ঘুম পরবর্তী নিবিড় ঘুমের শিডিউল্ড টাইম। অনেকটা পানি থেকে ডুব দিয়ে ওঠার ঠিক আগ মূহুর্তের মতো। যখন মানুষের শরীর নিঃসাড় পড়ে থাকে কিন্তু সূর্যালোকময় নতুন একটি দিনে নতুন করে আরেকবার উদ্ভাসিত হয়ে উঠবার জন্য ধীরে ধীরে প্রস্তুত হয়। আচমকা একদিন সে সময় ঘুম বাদ দিয়ে ইন্টারভিউ দিতে চলে যাওয়া কি ঠিক হবে? নিয়ম-রুটিন বলেও তো একটা ব্যপার আছে, না কি?
হুম। সেজন্য এখন তাহলে আমাকে কি করতে হবে?
-একটু পেছানো যায় ইন্টারভিউটা? ধরেন বিকাল পাঁচটা।
তারচে' আপনি নাহয় না-ই এলেন। এত কষ্ট যখন।
-হুম্, বুঝতে পেরেছি। আচ্ছা ঠিক আছে, আপনি শুধু আমাকে বলেন আমার আগে কয়জনের ইন্টারভিউ হবে। তাহলেও আমি বুঝতে পারবো এক্সাক্ট ক'টায় উপস্থিত হতে হবে।
ঠিক ১১টায় উপস্থিত হলে তবেই আপনার ইন্টারভিউ হবে। নাহলে কিছু করার নেই।
-এত কড়াকড়ি? তাহলে আর কেমনে হয়? আমি নাহয় একদিন ইন্টারভিউ দিয়ে সটকে পড়লাম। আর গেলাম না। কিন্তু আপনারা যারা প্রতিদিন সকালে রুটি-রুজির জন্য এ কষ্ট স্বীকার করছেন বাধ্য হয়ে, তাদের কিভাবে চলবে?
কি আর করা বলেন। আপনিই কেবল বুঝলেন। এমনকি যারা এখানে নিত্যদিন এ কষ্ট করছে তারাও কেউ কোনোদিন বুঝলো না। যাক্ মঙ্গলবার আসছেন তো, না কি?
-ফিফটি ফিফটি চান্স। ঘুমের ওপর নির্ভর করছে সবকিছু।
ওকে, আশা করি দেখা হবে। বাই।
-টা টা।

কিন্তু আমি খুব ভালো করেই জানি ভাব-ভঙ্গি ধরে লাভ নেই। চাকুরী একটা সত্যিই দরকার। ফ্রি অভ কস্ট্ বাপের হোটেলে গড়াগড়ি দিয়ে আর কতদিন? মঙ্গলবার সকালে তাই খানিকটা পেরেশানি নিয়েই ঢুকলাম ৬৩ নং দিলকুশার অফিসটায়। এবং ঢুকেই চমকে যেতে হলো।
অনেক দিন পর অর্নিলাকে দেখলাম। অনেক-অনেকদিন পর। মাঝে মাঝে একটা ব্যপার হয়। ঝট করে মাথায় সবকিছু ফ্লাশ দিয়ে যায়। দিনে-দুপুরে হঠাৎ সেরকম হলো। মনে পড়ে গেল, আমার বিশ্ববিদ্যালয় বেলার হারনো সেই জীবনের কথা।
একদিন ঠিক করেছিলাম যে যাই ভাবুক, আমরা বিয়ে করবো। সে সিদ্ধান্তটা নিতে পেরে সেদিন ওর কি খুশি। আসলে একজন মানুষের সঙ্গে একটানা পাঁচ বছর, প্রতিটি মূহুর্তে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে থাকা খুব সহজ কথা নয়। সে কাজটি আমরা দু'জন এত সযতনে করেছিলাম, যে পৃথিবীর আর সব ভালবাসাকে আমাদের তুচ্ছ মনে হতো। মনে হতো কেউ জানেই না কিভাবে ভালবাসতে হয়। আমরা ঠিক করেছিলাম; শুধু বিয়ের আগের অনিশ্চিত সময়ে প্রেম করলেই চলবে না, বিয়ের পরেও প্রেম করতে হবে। নিশ্চয়তার মুখে দিনে-দুপুরে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে প্রেম করতে, সত্যি সত্যি একজনের ভেতর আরেকজন ডুবে থাকতে কেমন লাগে সেটা চেক করে দেখতে হবে।
আমি বয়সে বছর দুয়েকের ছোট হওয়ায় ওর বাসায় মানলো না কোনভাবেই। দুর্ভাগ্যবশত সেই সালের শুরুর দিকে আমার ছাপোষা পত্রিকার চাকুরীটাও ছুটে গেল হাত থেকে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স কমপ্লিট করে বেরিয়ে বেকার হয়ে পড়লাম। ও আগে থেকেই চাকুরী করতো। আমার চাকুরী চলে যাওয়ার পর থেকে হঠাৎ করেই ওর চাকুরীর ব্যস্ততা বেশ খানিকটা বেড়ে গেল। অনেক দিন হয়েছে আগের মতো প্রতিদিন দুপুরে ভাত খেয়ে আইবিএর দেয়ালে হেলান দিয়ে সামনের দিকে দুই পা মেলে বসে থাকি না, এ সময় সেটা একপ্রকার বন্ধই হয়ে গেল।
এরমধ্যে শেয়ার বাজারে ভয়ংকর এক কেলেংকারী ঘটে যাওয়ায় আমার মতো অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীই ধরাশায়ী হয়ে পড়লেন। আমার এর-ওর কাছ থেকে ধার-দেনা করে যোগানো পাঁচ লাখ টাকা তো স্রেফ উবে গেল প্রথম তিনদিনের ধাক্কায়। কোনকিছু বুঝে ওঠার আগেই একদিন দেখলাম যৎসামান্য লাভ আর অনেক কষ্টার্জিত মূলধন, দুইটাই গায়েব। একদম ভোঁ ভোঁ।
এ খবরটা যেদিন মেয়েটিকে আমি দিই, সেদিন সে স্বাভাবিক ব্যবহার করেছিলো। আমরা একসঙ্গে বেইলী রোডে এসে ফুচকা খেলাম। বেশ খানিকক্ষণ রিকশায় মালিবাগ, মৌচাক, মগবাজার এলাকায় ঘুরাঘুরি করে ওকে বাসায় পৌছে দিয়ে আসলাম। এরপর থেকে আস্তে আস্তে আমাদের মোবাইলে কথা বলাও কমে যেতে লাগলো। সে সময় অকারণেই আমাকেও খুব অভিমান পেয়ে বসে। নিজেকে সবার কাছে অপাংক্তেয় মনে হতে শুরু হয়। শুধুমাত্র অর্নিলার নির্লিপ্ত আচরণ আমার কাছে সারা পৃথিবীর সম্মিলিত নিরাসক্তি হয়ে ধরা দেয়। অনেকদিন অভিমান করে থাকবার পর একদিন ঠিক করেছিলাম, অনেক হয়েছে এবার ফিরে যাই।
বেশ ক'দিন পুরোনো নাম্বারটায় খুঁজে না পেয়ে, একদিন ওর বাসায় ফোন করলাম। জানলাম ওরা নাকি সেগুনবাগিচা ছেড়ে জিগাতলা চলে গেছে। ঠিকানা পেলাম না। ফেসবুকে ঢু দিই না অনেকদিন। সেখানে গিয়ে দেখলাম মেয়েটির প্রোফাইলই নেই। আস্তে আস্তে চারিদিক থেকে একটা শীতল আতংক চেপে ধরতে শুরু করে আমাকে।
পরদিন ভরসকালে ওর অফিসে দৌড়ালাম। ততদিনে উন্মাদনার চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌছেছি। বার বার মনে হচ্ছে, এ জীবনে থেকে কিছু একটা হারিয়ে গেছে। অফিসটায় ওরই পূর্ব পরিচিত এক বন্ধুর কাছ থেকে পেলাম মহাখালীর নতুন অফিসের ঠিকানা। এবার দেখা হলো। দীর্ঘ এগার মাস পর। ওর মধ্যে কোনো ধরনের ভাবান্তর চোখে পড়লো না। আমাকে নিয়ে বনানীর একটা ফাস্টফুডে বসালো। ওর বাসা পাল্টানো আর নতুন চাকুরী পাওয়ার ঘটনা বিস্তারিত বললো। বাবার সাম্প্রতিক পাগলামির বিষয় নিয়ে বেশ খানিকক্ষণ হাসাহাসি করলো। অফিসের কলিগদের অনেকগুলো গল্প বললো এবং খাওয়া শেষ করে খুব সুন্দর করে বাই বলে বিদায় নিয়ে চলে গেল। আমাকে বিলটা পর্যন্ত দেবার সুযোগ দিলো না। অবশ্য সুযোগ পেলেও বিল দিতে আমি পারতাম কি না, জানি না।
অবাক হয়ে দেখলাম, মেয়েটির জীবনে যেন কোনকিছুই হয় নি। কুঞ্জবনের কোথাও একটি সবুজ পাতার বিচ্যূতিও ঘটে নি। একটা ছেলের সঙ্গে যে ও একবার পাঁচ বছর প্রেম করে বিয়ের পর আরো পাঁচ বছর প্রেমের প্রতিজ্ঞা করেছিলো, সেটা যেন বেমালুম ভুলে গেছে। কিভাবে পারলো ও? এমনকি আমি কেমন আছি সেটাও জানতে চায় নি; শুধু একবার জিজ্ঞেস করেছিলো, তুমি এত ভয়ানক রোগা হয়ে গেছ কিভাবে? খাওনা নাকি?
এরপরে মেয়েটির সঙ্গে আর কোনোদিন দেখা হয় নি আমার। ইতোমধ্যে চাকুরী-ব্যবসার প্যঁচপেচে পঙ্কিল পথে বার বার হোঁচট খেয়ে আমি প্রায় দিশেহারা হয়ে পড়লাম। সে সময় বন্ধুর মতো হাত বাড়িয়ে দিলো যাদের চিরটাকাল উপেক্ষা করেছি, আমার সেই পরিবারের সদস্যরা। আস্তে আস্তে নিজের ভেতর থিতু হওয়ার চেষ্টা শুরু করলাম আবার।
খবর পেয়েছিলাম যেদিন ওর বিয়ে হয়ে যায়। নিজের বিয়ের কার্ড পাঠিয়ে আমার সঙ্গে চূড়ান্ত নিষ্ঠুরতাটুকু না করার জন্য মনে মনে ধন্যবাদই দিয়েছিলাম ওকে। শুধু রাতে বন্ধু লিটনকে নিয়ে বড় দেড় বোতল কেরু খেয়ে ফেলেছিলাম।
এত বড় একটা ঘটনা ঘটে গেলেও কেন যেন খারাপ লাগছিলো না। কষ্টটা বোধহয় কোনো এক গহীন অতলে চাপা পড়ে গিয়েছিলো। সেটাকে তুলে আনার জন্য, এনে মুক্ত আকাশে উড়িয়ে দেবার জন্য অনেক চেষ্টা করলাম। কিন্তু কোনো কুলকিনারা করতে পারলাম না। মাঝখান থেকে সারারাতে লিটনের প্রায় আড়াই হাজার টাকা ধ্বংস হলো।
বাসা থেকে বের হওয়াটা বন্ধ ছিলো ক'দিন ধরেই। সেটা নিয়ে একটা অসন্তোষ পাকিয়ে উঠতে যাচ্ছে দেখে এবার, চাকুরী খোঁজার নাম করে প্রতিদিন সকালে বের হয়ে উদ্দেশ্যহীন হাঁটাহাঁটির অভ্যাস গড়ে তুললাম। নতুন রুটিন দাঁড়িয়ে গেল দ্রুতই। প্রতিদিন সকালে নাস্তা সেরে বের হই। সারাদিন শহরময় হাঁটি। বিকেলে ক্লান্ত হয়ে ঘরে ফিরে আসি। রাতভর জেগে জেগে সিগারেট ধ্বংস করি। এভাবে একটা সুস্থ জীবন থেকে বঞ্চিত হয়ে নিজেকে খুঁড়ে খুঁড়ে ফিরতে লাগলাম অসহায়ের মতো।
অল্পদিনে আমার স্বাস্থ্যও ভেঙ্গে পড়লো। দুই গালের হনু উঁচু হয়ে বিকট দেখাতে শুরু করলো। আস্তে আস্তে শার্টগুলো ঢিল হতে শুরু করলো এবং আমি শ্রীহীন হতে থাকলাম। বাসায় অবশ্য কেউ আমার সমালোচনাও করতো না, আবার হাসি-খুশি মুখে আশপাশে ঘুরঘুরও করতো না।
মাঝে মাঝেই পত্রিকার পাতা উল্টে কোনো চাকুরীর খবর দেখলে সেখানে এ্যপ্লাই করতাম। এটা মূলতঃ লোক দেখানো। যাতে বিনামূল্যের থাকা-খাওয়ার সংস্থানটুকু হারাতে না হয়। নিজের এই স্বত্তাকে আমিই চিনতাম না। যে কিনা অজুহাতকে আঁকড়ে ধরে লুকিয়ে থাকে অন্তরালে এবং সবাইকে ভীষণ ভয় পায়। অথচ একদিন যার উজ্জ্বল ভবিষ্যতের হাতছানি, প্রেস্টিজিয়াস জব, সুন্দরী বান্ধবী, গাদাখানেক বোজম ফ্রেন্ড আর তাদের সঙ্গে উল্লাস করে সময় কাটানোর দিন, সবই ছিলো।
বিআইএফসি'তে আমাকে দেখে অর্নিলা ভুত দেখার মতো চমকে গেল। অনেকক্ষণ দু'জন দু'জনকে কিছুই বলতে পারলাম না। তারপর শুধু দুইটা মাত্র কথা বিনিময় হলো। আমি একশব্দে একটির জবাব দিতে পারলাম।
কেমন আছ?
-ভালো।
একি অবস্থা হয়েছে তোমার?

এ কথার জবাবে কিছু বলতে পারলাম না। ও আবার একই কথা জিজ্ঞেস করলো, জীবনে আরেকবার ওর মুখে আমার নাম উচ্চারিত হতে শুনলাম; একি অবস্থা হয়েছে তোমার আজাদ?
প্রশ্নটা করার সময় ওর গাল দিয়ে গড়িয়ে পড়ছিলো দু'ফোটা জল। দেখে আমার বুকটা হঠাৎ মুচড়ে উঠলো। সেদিন ওর বিয়ের খবর শুনেও খারাপ লাগে নি। আজ দু'ফোটা চোখের জল আমার ভেতর সবকিছু গুড়মুড় করে গুড়িয়ে দিলো। সেদিনও কিভাবে কিভাবে যেন ঠিকই, বুকভর্তি হু হু বাতাস সঙ্গে নিয়ে বাসায় চলে আসতে পেরেছিলাম।
---

পোস্টটি ২ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

মীর's picture

নিজের সম্পর্কে

স্বাগতম। আমার নাম মীর রাকীব-উন-নবী। জীবিকার তাগিদে পরবাসী। মাঝে মাঝে টুকটাক গল্প-কবিতা-আত্মজীবনী ইত্যাদি লিখি। সেসব প্রধানত এই ব্লগেই প্রকাশ করে থাকি। এই ব্লগে আমার সব লেখার কপিরাইট আমার নিজেরই। অনুগ্রহ করে সূ্ত্র উল্লেখ না করে লেখাগুলো কেউ ব্যবহার করবেন না। যেকোন যোগাযোগের জন্য ই-মেইল করুন: bd.mir13@gmail.com.
ধন্যবাদ। হ্যাপি রিডিং!