র সবা
ছাত্র ইউনিয়নের বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির সভা চলছে মধুর গোলঘরে। ক্যম্পাসে ছাত্রলীগের শিবির পেটানো কর্মসূচির সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততার ব্যপারে একটি সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। মিথুন সেদিন বাংলা বিভাগে গিয়ে কালা এনামুলদের সঙ্গে এক শিবির পিটিয়ে এসেছে। পিটিয়ে কলাভবনের দুইতলা থেকে স্লোগান দিতে দিতে নেমেছে, একটা-দুইটা শিবির ধড়, সকাল-বিকাল নাস্তা কর। জামাতি-শিবির-রাজাকার, এই মূহুর্তে বাংলা ছাড়।
ঘটনা রাফি, মাসুদ, অভিনু জানে। জানে অভিও। যে ছেলেটাকে পেটানো হয়েছে, ওকে পেটানোর পরিকল্পনা ছিলো মিথুনেরই। ওরা ছাত্র ইউনিয়নের ছেলে হলেও নিজেদের একটা হিটলিস্ট করেছে। সেই লিস্টে যারা যারা আছে তাদের সবাইকে ক্যম্পাস থেকে এই চান্সে পিটিয়ে বের করে দেয়া হবে। বাংলার ওসমানী মুহসীন হল শিবিরের এজিএস।
ছেলেটা ভীষন বাড় বেড়েছিলো। এই ছেলেগুলোর সুবিধা হচ্ছে ছাত্রদলের সঙ্গে কোয়ালিশন থাকার কারণে ক্যম্পাসে নিজেদের একটা শক্ত অবস্থান তৈরী করে নিয়েছে। হলগুলোতে প্রচুর শিবিরের ছেলে-পিলে ওঠানো হচ্ছিলো। বেছে বেছে বাম আন্দোলনের কর্মীদের ওপর চালানো বিদ্রূপাত্মক নির্যাতন। মুহসীন হলে যার নেতৃত্ব দিচ্ছিলো ওসমানীই। ও-ও জানে কারা ওকে মারার ফন্দি করেছিলো। সুযোগ পেলেই হায়েনাটা কামড় বসাবে এটা সবাই জানতো। এ সময় সংগঠনের ভাবগতিকের পাশাপাশি নিজেদের একটা কমিটমেন্ট দাঁড় করে ফেলেছিলো ওরা পাঁচজন। এক বছরের সিনিয়র মিথুন ছিলো দলের থিংক ট্যংক, বাকী চারজন ইয়ারমেট ছিলো স্ট্রাইকার।





মন্তব্য করুন