কবিতা : মিথ্যা কবিতা
শীতে কাবু হয়ে আছে চারিদিক। একদম চারিদিক। মাঝে মাঝে মনটা এত খারাপ হয়ে থাকে! কোনো কারণ ছাড়াই। অজস্র চিন্তা ভীড় করে আসে মাথায়। ইচ্ছেই হয় না, সেসবের কোনোটা নিয়ে ভাবতে। খালি পালাই পালাই করতে থাকি। কিন্তু পালিয়ে আসলে যাবো কই? যেখানে যাই, পৃথিবী ধাওয়া করে। সে সবসময় হাতে একটা ইট নিয়ে প্রস্তুত। আমার মাথায় আঘাত করার জন্য। সেটাও কোনো কারণ ছাড়াই।
বন্ধুত্ব একটা দারুণ ব্যপার। ভালো বন্ধুরা আপনাকে কখনো অপ্রস্তুত হতে দেবে না। যদি কোনো কারণে তাদেরকে আপনার জন্য চূড়ান্ত অপ্রস্তুতও হতে হয়, তাও চেষ্টা করবে আপনাকে সেটা কোনোভাবে বুঝতে না দিতে। যদি আপনি কষ্ট পান? তখন যে ওদের আরো কষ্ট হয়। আমার কপালটা খুব ভালো। এমন বন্ধু আমার কোটি কোটি আছে। আছে আসলে দু'একজনই। কিন্তু তারা দু'একজনই কোটি কোটি মানুষের সমান।
আচ্ছা, একটা বিষয় আছে। সামু ব্লগ ১৯ তারিখে বাংলা ব্লগ দিবস পালন করতেসে। এবি সেটাতে অংশ না নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে আমি ব্লগটাকে অভিনন্দন জানাই। শেখ হাসিনা একজন দুর্বল প্রধানমন্ত্রী। প্রতিবেশি রাষ্ট্রকে আমাদের সঙ্গে মিথ্যাচার আর ভন্ডামী করতে দেখে, তার কিছু বলার সাহস হয় না। এই দুর্বল প্রধানমন্ত্রীর দেশে সাহসী কিছু মানুষ আছে। তারা সবাই মিলে সাহসী একটা ব্লগ চালাচ্ছে। দেখলে দুর্বল প্রধানমন্ত্রীকে দেখে সৃষ্ট হতাশা কেটে যায়।
এখন আমার কবিতাটা লিখে ফেলি। এই কবিতার সঙ্গে প্রথম প্যারায় বর্ণিত মানসিক অবস্থার মিল আছে। তাও ভালো লাগে, মিথ্যা স্বপ্ন দেখতে।
নর্থ ক্যারোলাইনার সেই বাসাটায়
এখনো তুমি আর আমি গিয়ে
পৌঁছাই নি,
টেক্সাসের অ্যাবানডানড্ হোমগুলোয়
পানির ড্রামভরা কোনো ট্রাক নিয়ে যাই নি, একটা ব্যাটারীও নিয়ে
যাই নি,
নর্থ ডাকোটা যাবার প্রস্তুতি নিচ্ছি
উত্তুরে হিমবাহ অধ্যূষিত একটি
তৃতীয় বিশ্বের দেশে বসে;
তবে কখনো যদি এসবের কোথাও
নাও যাই, আমার কোনো
অসুবিধা হবে না,
আমি মৃতপ্রায় কংক্রীট, যানজট ও
ধুলাবালিতে ভরপুর এই শহরেই
আরো এক হাজার বছর বেঁচে থাকতে চাই,
সভ্যতাগুলোর উত্থান-পতন বা
প্রযুক্তিগুলোর মাত্রা পরিবর্তন
দেখে যেতে চাই এবং সেটা
গ্যাস-পানি-বিদ্যূতের সমস্যাসংকুল,
উচ্চ দ্রব্যমূল্য ও নিম্ন নিরাপত্তা সুবিধাসম্পন্ন
কে এস দাস লেনের ভঙ্গুর কোনো দালানে
বসে হলেও আপত্তি নাই।
শুধু শর্ত হিসেবে তোমার উপস্থিতিই
সর্বক্ষেত্রে হবে প্রযোজ্য।
---





একদম মনের কথা। এইসব বললে বলে পাগল, ঢঙ্গী! আমার জায়গা ছাড়া অন্যা সবখানে দম বন্ধ লাগে, এটা বলায় যুক্তি দেখাতে বলা হয় যে "কেন? কি কারনে?" আরে, সবকিছুর কি কারন থাকে নাকি! কোন কারন ছাড়াই আমি সব সিস্টেমেটিক্যালি চলা, নিরাপত্তার আশ্বাস ওলা জায়গা থেকে আমার স্থানে ফিরতে চাই!
আর কতজনে তো কতো কথাই বল্লো, এবি'কে নিয়ে এই র্যালির ব্যাপারে, মজাই লাগলো। কেউ কোনদিন কোন মিডিয়াতে এবি'র নামও মুখে নেন না, যেন অছ্যুত কিছু! কিন্তু এই ইস্যুতে এবি'কে নিয়ে যা হুল্লোড় হলো! ভালোই হলো! লোক দেখানি কাজ করতেই হবে এমন কোন কথা নাই!! এবি'র অবস্থান কি এবি'র সবাই জানি, আর আশা করি যারা এবি'কে জানেন তারাও জানেন।
সারা দুনিয়াটাই তোমার স্থান জেবীন।
জেবীন আপু, যে কাজ নিয়ে গেছেন, সেইটা ঠিকঠাকমতো শেষ করেন। তারপরে অবশ্যই ফিরে আসবেন। নিজের শহর, নিজের জায়গা ছাড়া কি মানুষ কখনো বাঁচে নাকি? কিন্তু এখন যেহেতু একটা এ্যসাইনমেন্ট আছে, সেইটাও তো কমপ্লিট করতে হবে। তাই না?
যাই হোক্ আমার কাছে এবি'র স্বতন্ত্র ভঙ্গিটাই ভালো লেগেছে বেশি। আমি টুটুল ভাইকে একবার বলছিলাম, এবি'তে লিখে লিখে কয়জন দেশের প্রথম কাতারের সাহিত্যিক হইতে চায় জানি না। কিন্তু এখানকার ব্লগাররা সবাই যে এখানেই ব্লগিং করতে চায়, সেইটা আমি নিশ্চিত জানি।
আর সেটা ঠিকমতো করার জন্য, অন্য কারো এই ব্লগটাকে নিয়ে কোথাও কিছু বলার কিংবা ব্লগের যেকোন রকম প্রচারণার খুব যে বেশি দরকার আছে, সেটা আমার মনে হয় না।
আর বাংলা ব্লগ দিবস নিয়ে আমার কোনো আপত্তি নাই। আমাদের দেশে অনেকগুলা দিবস আছে। তালিকায় নতুন আরেকটা যোগ হইলে খুব বেশি ক্ষতিবৃদ্ধি হবে না। কিন্তু এটা নিয়ে রাজনীতি হইতে দেখতে আমার আপত্তি আছে। আজকে আ'লীগ ক্ষমতায়। তারা জাতীয় শোক দিবস পালন করেছে ১৫ আগস্ট। কিন্তু এরপর বিএনপি ক্ষমতায় এসে সেই দিনটা পালন করা বন্ধ করে দেবে। এই যে আমাদের দেশে বিদ্যমান ক্ষমতার পালাবদলজনিত কিছু গতানুগতিক সংকট, সেগুলো একদিন বাংলা ব্লগগুলোতেও দেখা দেবে না, তার নিশ্চয়তা কি?
যাক্ এসবই আমার নিজস্ব মত। এবি যদি ব্লগ দিবস বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট পক্ষে যায়ও শেষতক, তো সেটার পেছনে ব্লগটার নিশ্চই কোনো যুক্তি থাকবে। আমি সেই যুক্তি শোনার জন্য আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করবো।
আপাতত ভাষণ এইখানে বন্ধ করে রায়হান ভাইকে যেইটা বলতে চাই তিনি,
-এই লাইনের লেখিকাটিকে প্রচুর সান্তনা-টান্তনা দিয়ে দিলেন, একদম মন থেকে। এতে আমার কোনো অসুবিধা নাই; কিন্তু আমি যে পোস্টের শুরুতে মন খারাপ মন খারাপ মন খারাপ বলে এত চিল্লাচিল্লি করলাম, সেইটা নিয়ে ভাই আমার কিছুই বললেন না!!!
দিলে বহুত দাগা পাইলাম। আর চৌক্ষে পানি আয়া পর্লো।
আমি যতটুকু জানতে পেরেছি... আমরা বন্ধুর ব্লগাররাই চায় নাই কোন দলাদলিতে অংশ নিতে। তারা তাদের মত থাকতে চেয়েছে। দ্যাটস ইট
মীর... দিন দিন ক্যামন যেন বৃদ্ধ হয়ে যাচ্ছি... সময়টা হু হু কইরা পেছন দিকে দৌড়াইতেছে.. ফুরাইয়া যাইতাছে জীবনের রং... ধুসর হয়ে যাইতেছে চারিটা দিক... ক্যান এইটা বুঝতেছিনা.. হয়তো এমনটাই কথা ছিল... আপ্নার কাছে কোন ব্যাখ্যা আছে?
@মীর, তোমার থিকা শত গুন কষ্ট লইয়া আমি দিন যাপন করি। আক্ষরিক অর্থেই শতগুন। তাই তোমার নম খারাপ নিয়া কিছু কইনাই। জানি পোলাপাইনের এরম হয় ই এই বয়সে।
কবিতাটা পছন্দ হইছে
আপনের বুড়াঙ্গুলের ছাপটা পছন্দ হইসে। আমারটা দেখবেন? এই যে
এই লেখায় তৃতীয় প্যারাটাকে অপ্রাসঙ্গিক মনে হয়েছে। কবিতার কয়েকটা লাইন দারুণ!
জ্বি গৌতমদা' ঐ প্যারাটা অপ্রাসঙ্গিকই মনে হওয়ার কথা ছিলো। প্রত্যেকটা প্যারাই আসলে ছাড়া ছাড়া। তাও প্রথম দুইটা প্যারা এবং শেষদিকের কবিতা নামক উদ্ভট অপচেষ্টাটার মধ্যে হয়তো কিছুটা নৈকট্য পাওয়া যায়। আবার না'ও পাওয়া যাইতে পারে। কিন্তু তৃতীয় প্যারায় যে সেটা নাই, তা জেনেও আমি তৃতীয় প্যারাটা লিখেছি। আর এই সুবাদে আপনে আমার ব্লগে একটা কমেন্ট করে গেলেন। সো, দেখা যাচ্ছে কাজটা খুবই ভালো হইসে। ভাবছি এখন থেকে এমন অপ্রাসঙ্গিক প্যারা প্রতি লেখায় একটা করে ঢুকিয়ে দেবো। তারপরে আপনে সেটা খুঁজে দেবেন। তারপরে সেটা নিয়েই আপনের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হবে। প্লান রেডি। যাক্ এখন আপনারে দেয়া হইলো এক বোতল সবুজ কোক ও এককেজি ফ্রেশ ধইন্যাপাতা...

সবুজ কোক?
মীর সােহব,
কেমন আছেন?
রুম্পা আপু, আপনি কেমন আছেন?

অ.ট. সেদিন লীনা আপু আপনাকে কি বললো?
কি কইলো???

আর আফনে আমার লেখায় গাল দেন না ক্যান??
মানুষের কি কপাল!
কবিতাটা জোশ!
আরো কি কি বলতে চাইলাম, ভুলে গেছি। বেশী শীতে মন হিম হয়ে থাকে।
আপনে কিরামাছুইন? খোঁজ-খবর কিছু নেন না তোহ্..ভালো ভালো।
আচ্ছা, যেহেতু জোশ কবিতা পড়সেন, এইবার আপনে একটা কিছু লেখেন। আমি পড়বো। অনেকদিন আপনের লেখা পড়ি না।
আমি তো ভালোই, তবে শীতের কারণে হাত গুটিয়ে বসে থাকি।
আপনি কেমন আছেন?দিনকাল কেমন যায়?রায়হান ভাই প্রায়ই বলে এক বালিকার সাথে আপনার যে পথে দেখা হলো আর কি এক রোমান্টিক সিন!...সেই বালিকার কথা আর লিখেন না কেন?
আমারো দারুন বন্ধু আছে!
আপনার মাছা খাওয়ানোর কথা ছিলো, মীর। মনে রাইখেন।
বানান ভুল হৈসে, মাছ হবে
মীর ভাই,
স্বপ্ন দেখিনা বহুকাল । আমাদের সব স্বপ্ন চূরমার হয়ে গেছে ৭০ এর দশকে । এখন আপনাদের দেখি, লেখা পড়ে আপনাদের 'স্বপ্ন' আঁচ করি । মনে মনে ৬০, ৭০ এর দশকে ফিরে যাই । সে স্বপ্নিল দিন গুলো নষ্টালজিক করে ছাড়ে !
মনের কথা বলেছেন ।
দারুণ লেখা, দুর্দান্ত কবিতা।
মন্তব্য করুন