আই উইশ আই ওয়াজ ইনভিজিবল!
১.
একজন বন্ধু লিখেছেন, আই উইশ আই ওয়াজ ইনভিজিবল!
পড়ে মনটা খারাপ হয়ে গেলো। সবার মনের আশা একই রকম থাকে কেন? আমার তো সেই কবে থেকে ইচ্ছে করে অদৃশ্য হয়ে যেতে। ইচ্ছেগুলো পূরণ হয় না। শুধু বিভিন্ন রকম ফর্ম পূরণ হয়, বছরজুড়ে।
দেউলিয়াত্ব ক্রমে খুবলে খাচ্ছে শরীর। মনটাকে তো খেয়েছে সে প্রক্রিয়াটির শুরুর দিনে। আর মগজ খেয়েছে অনেক আগে। বালুমানবকেই মনে পড়ে আজকাল শুধু।
২.
চলছে জীবন নিজের গতিতে। আশপাশে কত কিছু ঘটে যায়। একটা আড়াই বছরের বাচ্চা তিনতলা থেকে পড়ে যাবার সময় তাকে ধরে ফেলে কয়েকজন কারখানা শ্রমিক। ইন্দোনেশিয়ায় বন পুড়ানোর কারণে সিঙ্গাপুরের বাতাসে কার্বনের মাত্রা বেড়ে যায়। জীবন বাজি রেখে যে শ্রমিক বড় বড় ইমারত নির্মাণ করে, সে কোনোদিনও পায় না ওই ইমারতে বসবাসের আস্বাদ। অথচ তারপরও প্রতিটি মানুষের কাছে তার জীবনই মুখ্য। নিজের জীবনটাকে পৃথিবীর সবকিছুর চেয়ে ভালোবাসে এমন মানুষের সংখ্যা কত পৃথিবীতে। হাতে গুণে কি শেষ করা যাবে?
৩.
পামগাছেরা পৃথিবীর প্রতিটি মহাদেশে জন্মায়, অ্যান্টার্কটিকা বাদে। আর আপেলের ২৫ শতাংশ বাতাস বলেই ওগুলো পানিতে ভাসে। আমি কাঁচা আনারস হাতে নিয়ে বসে থাকি কারণ ওগুলো বিষাক্ত। একসময় আনারস নাকি খুব বিরলপ্রজ ফল ছিলো তাই ওটিকে ফলের রাজা বলা হয়। এইসব পড়ি আর ফল কাটি। এই একটা কাজেই শুধু এখন আমি আগ্রহ পাই।





মন্তব্য করুন