গল্প: যেভাবে প্রতিনিয়ত নিজের চারপাশে বিশৃঙ্খলার জন্ম দিয়ে যাচ্ছে মানুষ
ইস্ট ওয়েস্টে পড়ুয়া তিতলীর সাথে ঢাবিতে পড়ুয়া সায়ানের পরিচয়টা কিভাবে হয়েছিল সেটা আর তেমন একটা মনে নেই ওদের কারোই এখন আর। সার্কেলে অনেকের অনেক বন্ধুবান্ধব থাকে। কে যে কোথা থেকে আসে আর কোথায় কার গন্তব্য তার খেয়াল রাখেই বা কয়জনা। তাই হয় রাজীবের বাসার আড্ডায় কিংবা বসুন্ধরার কোন রেস্তোরায়; হয়তো কারো বন্ধু-বান্ধব সেই সূত্রে কোন এক সন্ধ্যায়, সায়ান গিয়ে পৌঁছেছিল তিতলীর সামনে।
প্রথম দেখার কথাটি সেভাবে মনে নেই ওদের কারোই। যেমন মনে নেই প্রথম হাত ধরার কথাও। সম্ভবত সেবার সব বন্ধুদের সঙ্গে বান্দরবান ট্যূরে গিয়ে, পাহাড়ে ওঠার সময় প্রথমবার হাত ধরেছিল তিতলীর সায়ান। কিংবা হতে পারে বড়ইতলীর ঝরণা দেখতে যাওয়ার ঝিরিপথে। আবার ঢাকা শহরের রাস্তায় রাস্তা-পারাপারের সময়ও হয়ে থাকতে পারে। প্রথমবার দেখা হওয়ার সময়ই সম্ভবত ওরা দু'জন জানতো, ওদের আরও অনেকবার দেখা হবে। তিতলীরই প্রথম কথাটা মনে এসেছিল। ছেলেটাকে খুব চেনা চেনা লাগছে। সে এগিয়ে জানতে চেয়েছিল, অ্যাই ছেলে, তোমাকে আগে কোথায় দেখেছি বলো তো।
সায়ান বসে ছিল কামারপাড়া স্লুইস গেটের একটু সামনে যেখানে খানিকটা নিরিবিলিতে কিছু চায়ের দোকান ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছে তারই একটায়। এক কাপ চা হাতে। চোখের সামনে আব্দুল্লাহপুরের রাস্তা। তার ওপারে একটা জলাশয়। তুরাগ বা বালু থেকে বের হয়ে আসা কোন মরা খাল হবে হয়তো। জিওগ্রাফি সম্পর্কের সব সময়ই প্রায় নিরক্ষর সায়ানের খানিকটা আফসোস হয়, কোন নদী থেকে রাস্তার ওপারের জলের ধারাটা বের হয়ে এসেছে সেটা নিশ্চিত করে বলতে না পারার জন্য। তবে বেশিক্ষণ সে খারাপ লাগাটা টিকতে পারে না- ভটভট শব্দ করতে করতে মারুফের বাজাজ ডিসকভার ১২৫ সিসি মোটরসাইকেলটা এসে ঠিক মুখের সামনে দাঁড়ায় ওর। চোখ তুলে তাকিয়ে সায়ান দেখে ছেলেটা এক মুখ চওড়া হাসি নিয়ে তাকিয়ে আছে। চোখে চোখ পড়তেই প্রশ্ন, কিরে ষান্ডা। কি করিস এখানে বসে বসে?
ইন্টারনেটের একটা মীমের জেরে ইদানীং 'ষান্ডা' শব্দটি বিখ্যাত হয়েছে। কোথায় সৌদি আরবে নাকি কোন এক প্রজাতির গিরগিটির খোঁজে ব্যস্ত হয়েছে এক প্রবাসী শ্রমিক, আর তার ভিডিও ভাইরাল করে সারা দেশ মেতেছে ষান্ডা'র জোয়ারে। যে যেখানে পারছে, ব্যাবহার করে বসছে শব্দটা। শুনতেও কেমন বিচ্ছিরি লাগে সায়ানের। মুখ বেকিয়ে তাই পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিল, কেন কি দরকার তোর শুনি।
-আগে বল কি করছিস। তারপর সব খুলে বলছি।
-না আগে বল কি দরকার।
-তোকে নিয়ে ঘুরতে যাবো মীমদের বাড়ি।
-কেন?
-আজ মীমের জন্মদিন। ওর বান্ধবী তিতলীকে দাওয়াত করেছে। তিতলী আমাকে দাওয়াত করেছে। আর আমি তোকে দাওয়াত করলাম। চল এখন, ওঠ।
-আমার কাজ আছে। তুই পাইকারকে পাস কিনা দ্যাখ। ওকে নিয়ে গেলে বিনোদন বেশি পাবি।
-পাইকার যাচ্ছে অলরেডি। তিতলী ওকেও বলেছে।
-এই তিতলীটা কে? তাকেই তো চিনলাম না।
-আরে তিতলী আমাদের কলেজের ফ্রেন্ড। চিনলি না? ওই যে দেখতে ভাল, সবাই যে খালি ক্রাশ খাইতো মনে নাই?
-নাহ। কার কথা বলতেছিস? ডাক্তার হইছে যে মেয়েটা সেটা।
-না রে। তুই যার কথা বলতেছিস সে না। অন্য হাউসে ছিল। তুই মনে হয় চিনিস না।
কলেজের মেয়ে অথচ চিনতেই পারলো না সায়ান, খুব আশ্চর্য লাগলো ওর বিষয়টাতে। এ কারণেই যেতে রাজি হয়েছিল সে। পার্টিতে গিয়ে খুব বেশি মানুষের ভীড়ে না ঢুকে আলাদা একটা কোণাতেই নিজের গ্লাস হাতে নিয়ে দাঁড়িয়েছিল সে। আর তখনই তিতলীর এসে ওকে ওই প্রশ্নটা ছুঁড়ে দেয়া, অ্যাই ছেলে, তোমাকে আগে কোথায় দেখেছি বলো তো।
সায়ান জানতো, মেয়েটি তিতলী। কেউ বলে দেয় নি। তাও অনুমান করতে অসুবিধা ছিল না কোন। সে বললো, আমাকে ভুলে গেলে? কলেজে কতো একসাথে ঘুরলাম! কথাটা বলে মুখে একটা কাতর-ব্যাথাহত ভাব ফুটিয়ে তাকিয়ে থাকলো সে তিতলীর দিকে।
তিতলীর ততক্ষণে মাথায় ধুন্ধুমার লেগে গেছে। কলেজে এই ছেলের সঙ্গে অনেক ঘুরেছে- কবে, কোথায়, কখন! মুহুর্তের মধ্যে অবশ্য সামলেও নিলো মেয়েটি। নিয়ে বললো, তাই বুঝি। তা কোথায়, কবে আমরা ঘুরেছি একসাথে শুনি।
-আমার কল্পনায়।
-ওহ! এই জন্যই আমার জানা নেই বিষয়টা একদমই।
-জ্বি। আমার নাম সায়ান।
-ও সায়ান! এখন চিনেছি। সবসময় পিছনের দিকে বসতে। আর ক্লাস ফাঁকি দিতে। তোমাকে কলেজের কোন ফাংশনে পাওয়া যেতো না। ঠিক না?
-একদম ঠিক।
-সেই কলেজের পর বোধহয় আজ দেখলাম তোমাকে আবার।
-হবেই। আমি আসলে কোন ফাংশন-টাংশনে যোগ দিই না। আজও মারুফ জোর করে ধরে নিয়ে আসলো।
সেই যে মারুফ জোর করে ধরে নিয়ে গিয়ে তিতলীর সামনে পৌঁছে দিয়েছিল, তারপর ওদের আর খুব বেশি কিছু মনে নেই। মীমের জন্মদিনের পার্টিতে ফোন নাম্বার আদান-প্রদান হওয়াটাই ছিল সবচেয়ে বড় প্রপঞ্চ। এরপর থেকে একে অপরের সঙ্গে সারাটা দিন কথা না হলে যেন ওদের চলছিলোই না একদম। কানে লুকিয়ে রাখা যায় এমন হেডফোন দিয়ে দুইজনই ২৪ ঘন্টা ফোনে জুড়ে থাকতো একে অপরের সঙ্গে। সিআইএ, কেজিবির স্পেশাল অপারেশনে এজেন্টরাও অতো নিশ্ছিদ্রভাবে জুড়ে থাকতে পারবে না কখনো যেমনটা ওরা করে দেখিয়েছিল! আর ওদের মেসেজবক্স ভর্তি হয়ে ছিল প্রেমালাপ, স্বপ্ন, কল্পনার আকাশে মুক্ত বিহঙ্গের মতো ওড়াওড়ি দিয়ে। সঙ্গে ছিল ছবি। সায়ান তিতলীকে সারাদিন ছবি পাঠাতে বলতো। শুধু ওর মুখের। আর কোনকিছুর না। আর তিতলী সারাদিন নিজের সেলফি তুলে পাঠাতো সায়ানকে।
প্রথম ছয়মাস কেটেছিল ওদের এক পলকে। আর পরের ছয়মাস আরও দুই পলকে। পরের সময়টুকু একটু লম্বা ছিল কেননা ততদিনে প্রথম প্রেমের জোয়ার থিতিয়ে এসেছে। তাই টুকটাক লড়াইয়ের চারা তখন কেবল মাথা তুলছে দু'জনের ভেতর। সেটা সামলাতে খানিক সময় বেশি লেগেছিল। কিন্তু ভালোই সামলে নিয়েছিল নিজেদের প্রথম দিকের ছোট-বড় ধাক্কাগুলো ওরা।
এক বছর পর যখন দুই দুই চার হাত এক হলো, তখন শুরু হলো তাদের জীবনসমুদ্রের পথে নিজেদের পথচলা। খুব ঘুরতো দু'জন। প্রথমদিকের সে সময়গুলো ছিল অসাধারণ। একবার ঝড়ের ভেতর কক্সবাজারে আটকা পড়েছিল ওরা। বেড়াতে গিয়েছিল দুই দিনের জন্য। উঠেছিল কলাতলী বীচের রামাদা হোটেলে। ভাগ্যের কি লীলা, একদিন পর থেকে শুরু হলো প্রবল জলোচ্ছ্বাস। সঙ্গে আট নম্বর, নয় নম্বর মহাবিপদ সংকেত। বঙ্গোপসাগরের পেটে নাকি নিম্নচাপ থেকে একটা বড়সড় ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়েছে। তাই সবকিছু বন্ধ। ওরা ছয় দিনের জন্য আটকা পড়ে গেল। হোটেলের বারান্দা থেকে উত্তাল সমুদ্র দেখে কাটলো দু'জনার সময়।
আরেকবার শ্রীলংকার নুয়ারা এলিয়া থেকে ওরা ট্রেনে চেপে রওনা হয়েছিল এল্লার পথে। দু'পাশের অপার্থিব সৌন্দর্যে অবশ হয়ে পড়েছিল ওরা। হাত ধরে বসে থাকতে থাকতে কখন আট ঘন্টা কেটে গিয়েছে টেরই পায় নি কেউ। নিজেদের অনন্ত গভীরে ডুবে গিয়েছিল ওদের দু'টি প্রাণ।
সে সময়গুলো ধীরে ধীরে গ্রাস করে নিল দৈনন্দিনের ঝামেলাবহুল জীবন। চিন্তায়, মননে দু'জনের অনন্ত অমিল। আশায় প্রাপ্তিতে চূড়ান্ত গরমিল। ধীরে ধীরে হারিয়ে গেল ঘুরতে যাওয়ার আনন্দ। পাশে থাকার উচ্ছ্বাস। ওদের আর কারোই কাউকে অতো ভাল লাগতো না। নিজেদের বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হতো, কিন্তু কেউ ওদেরকে দেখে বুঝতে পারতো না। নিজেদের ভঙ্গুর যৌথজীবনকে খুব সুন্দর করে ঢেকে রেখেছিল তিতলী আর সায়ান। এমন না যে ওরা কেউ কোন চেষ্টা করে নি। দু'জনেই চেষ্টা করেছিল একাধিকবার কিন্তু কোন চেষ্টাতেই দীর্ঘমেয়াদী ফল হয় নি।
তারপর একসময় দিন এলো যখন, একসাথে ঘুম থেকে ওঠা হয় শুধু, কোন স্বপ্নের দুয়ার খুলে দেখা হয় না। একসাথে খাওয়া হয় কিন্তু কথা হয় না একটাও। কারো মনের খবর থাকে না কারো কাছে। শুধু যার যার নামমাত্র কাজগুলো ওরা ঠিক ঠিক করে রাখে, যাতে কারো ব্যাপারে কেউ কোন অভিযোগ না করতে পারে। তারপরও হয়তো ছোটখাটো কিছু এদিক-সেদিক হয়ে যায়। হয়তো তিতলী ভুলে যায় বুয়াকে ভরসকালে আসতে বারণ করার কথা বা সায়ান ভুলে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় তিতলীল ছবিতে লাভ দেয়ার কথা, দু'জনেই দু'জনকে দোষারোপ করে। সাদাসিধে দায়িত্বপালনের দিনগুলো হয়ে ওঠে আরও নীরব। আর এভাবেই চলছিল দু'জনের সংসার। অনেকদিন ধরে।
মাঝে মাঝে বিদ্রোহ করে উঠতো যেকোন একজন বা দু'জনেরই মন। ছেড়ে চলে যেতে চাইতো ওরা সবকিছু। আবার মাঝে মাঝে মনে হতো এভাবেই চলুক, অর্ধেক জীবনতো গেছেই ইতোমধ্যে। যেকোন কারণেই হোক, শেষতক ওই মানসিক যাতাঁকলে পিষ্ট জীবনেই যেন অভ্যস্ত হয়ে পড়েছিল ওরা।
সেদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে কথাগুলো ভাবছিল সায়ান। তিতলী তখনও ঘুম। বুয়াকে আসতে বারণ করা হয়েছে। সকালের নিরিবিলি সময়টা ভাবনার কাজে লাগাতে সবসময়ই ভাল লাগে সায়ানের। খুব কম দিনই যদিও সেটা করতে পারে সে। বেশিরভাগ দিন মাথায় এত জট লেগে থাকে যে খুলতে গেলে আরও জট লেগে যায়। সেসব জট নিয়ে পর্যুদস্ত হয়ে বসে থাকাটাই ওর নিত্যদিনের নিয়তি। তবে সেদিনটা ছিল ভিন্ন। মাত্র ক'দিন আগে তিতলীর জন্মদিন ছিল। উপহার, কেক, সাজগোজ সবই হয়েছিল কিন্তু ওই যে, প্রাণ ছিল না কোনকিছুতেই। কি করে বিষয়টা ঠিক করা যায় ভাবতে গিয়ে মঙ্গলের কথা মনে পড়লো সায়ানের। তিতলী আর সায়ানকে অন্নপূর্ণার চূড়া দেখাতে নিয়ে গিয়েছিল অমায়িক লোকটা। ভোরবেলা নিজ দায়িত্বে এসে ঘুম থেকে উঠিয়ে।
বিজ্ঞানীরা বলেন, পৃথিবীতে আমরা প্রতিনিয়ত নিজের চারপাশে বিশৃঙ্খলার জন্ম দিয়ে যাচ্ছি। নিজের ভেতরের শৃঙ্খলাকে বজায় রাখার জন্য। সায়ান তাই আরও খানিকটা বিশৃঙ্খলার জন্ম দেয়ার জন্য নিজের মোবাইলটা টেনে নিল কাছে। মঙ্গলের কথা মনে পড়ার সঙ্গে এনট্রপি তত্ত্বের কি সম্পর্ক তা ভাবার কোন আগ্রহ দেখা গেল না সায়ানের মধ্যে।
সে বরং মোবাইলটা হাতে নিয়ে বুকিং ডট কম নামের অ্যাপটা খুলে গন্তব্যস্থল হিসেবে লিখলো, পোখারা। ভ্রমণকারীর সংখ্যা, দুই। তারিখ, আগামী পরশু সকালের। আগামীকাল যেতে হবে কাঠমান্ডু। সেখান থেকে একরাত জার্নি করে যেতে হবে পোখারা। তাই সেখানে হোটেল বুকিংয়ের তারিখ দেয়া হলো আগামী পরশুর।
বুকিং ডট কমে একগাদি হোটেলের নামের ভেতর হোটেল চিনো পোখারা-কে জ্বলজ্বল করতে দেখে সায়ান বুঝে গেল বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সঠিক পথেই এগোচ্ছে সে। বুকিং ডট কম থেকে ওই হোটেলটায় টানা এক সপ্তাহের বুকিং সম্পন্ন করে সে গেল ট্রিপ ডট কম অ্যাপে। ঢাকা থেকে দুপুর বেলায় একটা বিমান ছাড়ছে। বিমান বাংলাদেশের ময়ুরপক্ষী। ছোট আকারের বোয়িং বিমান। সেটাতেই দু'টো টিকেট যাওয়ার আর দু'টো টিকেট এক সপ্তাহ পরে আসার, কেটে নিজের দুঃসাহসিক অভিযানের ইতি টানলো সায়ান। মোবাইলটা পাশে সরিয়ে রেখে টেনে নিলো গোল্ডলীফ সুইচের প্যাকেটটা।
একটা ধূম্রশলাকায় অগ্নিসংযোগ ঘটানোর সঙ্গে সঙ্গেই মনে হলো, তিতলী আবার উল্টো ক্ষেপে যাবে না তো। কে জানে কি হয়! ভাবতে ভাবতে, ভাবা বাদ দিয়ে টিকেট আর হোটেল বুকিংয়ের স্ক্রীনশটগুলো তিতলীকে পাঠিয়ে, একটা নীল রংয়ের শার্ট পড়ে আস্তে করে বাসা থেকে বেরিয়ে পড়ে সায়ান। অনেক এনট্রপি সৃষ্টি করা হলো। এবার একটু সাগরপাড়ের ঠান্ডা বাতাসে শরীর আর মন জুড়িয়ে আসা যাক।
ওদিকে মেসেজের টুংটাং শব্দে ঘুম ভাঙ্গে তিতলীর। আধ খোলা চোখে বিস্ময় নিয়ে তাকিয়ে থাকে সে স্ক্রীনশটগুলোর দিকে। এইসব পাগলামী ভাল লাগে না ওর। ছেলেটা কাছে এসে জড়িয়ে ধরে শুয়ে থাকলেই তো পারে। কি দরকার সকাল সকাল এসব পাগলামী করার। আসুক এবার। এমন টাইট প্যাঁদানী লাগাবো যে বুঝবে মজা, কত ধানে কত চাল!
ভাবতে ভাবতে চোখ বোজে তিতলী আবার। ছোট্ট আধা ঘন্টার একটা আদুরে ঘুম আর একটা মিষ্টি স্বপ্ন দেখা বাকি আছে এখনো ওর।
---





মন্তব্য করুন