একটি অন্ধ বালকের গল্প
অন্ধ এই বালকটি অভাবের তাড়নায় একটি হার্ডবোর্ডে “আমি অন্ধ, আমাকে সাহায্য করুন” লিখে সাহায্যের আশায় মাথার হ্যাট পেতে পথের ধারে বসে ছিল। কিন্তু পথচারীর সহায়তার হাত খুলছিল না... দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় মাত্র অল্প কিছু পয়সা সে সংগ্রহ করতে পারে।
পড়ন্ত বিকালে এক ভদ্রলোক অন্ধ বালকের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। ছেলেটাকে দেখে তার মায়া হওয়ায় সে তার টুপিতে কয়েকটা পয়সা দান করেন। সেই সাথে ছেলেটার বোর্ডের লেখাটি পরিবর্তন করে যথাস্থানে রেখে দেন।
এরপর ঘটল আশ্চর্য জনক ঘটনা
... প্রচুর লোক ছেলেটাকে দান করতে শুরু করল এবং অল্প সময়েই তার টুপিটি ভরে গেল। সাহায্য প্রাপ্তি কেমন হলো সেটা জানতে রাতে সেই লোকটি আবার এলো। অন্ধ ছেলেটা তার পায়ের শব্দে চিনতে পেরে জিজ্ঞাসা করল আপনিই তো সেই ব্যক্তি যে বিকালে আমার সাইনবোর্ডটি বদলিয়ে দিয়েছিলেন? আচ্ছা আপনি কি লিখেছিলেন?
লোকটা বলল, “আমিও সত্য কথাটাই লিখেছিলাম। শুধ আমার উপস্থাপনাটি একটু অন্য রকম ছিলো।“
ভদ্রলোক যা লিখেছিল: “আজ একটা চমৎকার দিন এবং আমি তা দেখতে পারছি না”
==============
আপনি কি মনে করেন যে, প্রথম সাইনবোর্ড লিখা এবং দ্বিতীয় সাইনবোর্ড লিখা একই ছিল?
অবশ্য, দুটাতেই ছেলেটাকে অন্ধ বলা হয়েছে। কিন্তু প্রথমটায় ছেলেটার অন্ধত্ব খুব সাধারণ ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছিল। দ্বিতীয় সাইনবোর্ডটা দেখে সেটা আসলে বোঝা গেছে ... অন্যরা কত লাকি... তারা অন্ধ নয় .. সব দেখতে পাচ্ছে। বলুনতো প্রথম সাইনবোর্ডের চাইতে দ্বিতীয়টা কি বেশী কার্যকর ছিল না?
গল্পের মোড়াল: Be thankful for what you have. Be creative. Be innovative. Think differently and positively.
এটাও একটি চেইন মেইলের অনুবাদ





সুন্দর
চমৎকার গল্প।
ভালো গল্প।
অনেক কিছু শিখলাম
ভিক্ষা করতে গেলে কাজে লাগবে ।
কবুল..........
বাহ্!
ভালোই লাগছে চেইন মেইলের অনুবাদগুলো।
চালায় যান।
ভিক্ষা করতে গেলে কাজে লাগবে ।
মন্তব্য করুন