সমুদ্র-দর্শন
কখনো মনের কোণে স্বপ্ন কি বুনেছি আমি হতে এক তুখোড় নাবিক?
আকাশের নীল ছুঁয়ে দিতে দিতে—সফেন সমুদ্রজলে
ডুবিয়েছি ক্লান্ত পা—খুব ভোরে, কুমারী আলোতে!
অথবা ভূমধ্যসাগর-নোনাজল-উঁচু উঁচু ঢেউ,
ছুঁয়েছে কি আমায় এসে, হাত ধরে টেনে নিয়ে গেছে রহস্য-অতল?
দেখেছি অবচেতনের খুব কাছ ঘেঁষে
যৌবনা জলপরী ক্রীড়ারত যেন;
লজ্জার ঈষৎ ব্রীড়া কম্পমান জলের ডগায় ছুঁড়ে দিতে দিতে!
অথবা নিমগ্ন কোন নীলকণ্ঠ—সমুদ্র মন্থনে!
জীবনের প্রতি পলে কত কিছু দেখা হল,
শেখা হল তার চেয়ে হয়তোবা কিছু কম,
রেখাগুলো ক্রমে ক্রমে ঘনীভূত হতে হতে
অবশেষে খুঁজে নিল প্রিয় কিছু অবয়ব!
আবার তা কোথায় হারালো...
তবু আমি বারবার অবশ্যম্ভাবী ফিরেছি তোমারই কাছে—
তোমার চোখের মত এত নীল ধরে রাখা সমুদ্র আমি তো দেখিনি!





দারুণ ! শেষ পংতিটা আরো ! সুন্দ্র কবিতার জন্য ধ্ন্বাদ !
ধন্যবাদ, এটিএম কাদের, পাঠ করবার ও মন্তব্য করবার জন্য। অনুপ্রাণিত হলাম!
কিছু কিছু কবিতা পড়লে মাথায় কিছু শব্দ ঢুঁকে যায় । অবচেতনেই । আর দিনভর অনুরণিত হতে থাকে সে শব্দ । আজকে সারাদিন মাথায় ঘুরবে ' কুমারী আলো ' । ধন্যবাদ কবি ।
ধন্যবাদ শিবলী,
খোলস পাল্টালে সাপ যেমন নতুন হয়। মাঝে মধ্যে পুরনো শব্দও তেমনি আমাদের মনে নতুন টঙ্কার তুলে নাচের মুদ্রার মতো ফুটে ওঠে। আর তখনি বৈচিত্রে ভরে ওঠে চারপাশ। শব্দের খেলায় আমি নবীশ, তবু স্বপ্ন দেখি, একদিন বাজাবো, শব্দকে ভীষণ বাজাবো!
চমৎকার!
মন্তব্য করুন