ইউজার লগইন

কোথায় হারিয়ে গেল সোনালী বিকেলগুলো সেই ............

অনেকক্ষন যাবৎ আমি ডাক্তারের চেম্বারে বসা। ডাক্তার আমাকে মুখে কিছু না বললেও তার চেহারায় চিন্তার ছাপ স্পষ্ট। তিনি বার বার রিপোর্ট দেখছেন আর জিজ্ঞেস করছেন, আপনার সাথে কি আর কেউ আসেননি? আমি ছোট্ট করে "না" বলার সাথে সাথে তিনি দ্বিগুন মনোযোগ সহকারে আবার রিপোর্ট দেখতে শুরু করেছেন। আমি অনুমান করতে পারছি রিপোর্টে ভাল কিছু আসেনি তবে সেটা কতোটা খারাপ তা ধরতে পারিনি। অনেকটা সময় নিয়ে এরপর তিনি আমাকে যা বললেন তার অর্থ হচ্ছে, আমার ফুসফুসে ক্যান্সার ধরা পড়েছে। এটা এতো খারাপ স্টেজে চলে গেছে যে ভাল হবার সম্ভাবনা খুব কম। রেডিওথেরাপি নেয়া যেতে পারে কিন্তু তাতে খুব বেশী একটা লাভ হবে বলে মনে হচ্ছে না। কথাগুলো রোবটের মতো শেষ করে তিনি একটা প্রেসক্রিপশন লিখে দিলে আমি চেম্বার থেকে বের হয়ে গেলাম। ধানমন্ডি থেকে আমার বাসা বেশ দূর। অন্যান্য দিন সিএনজি নিলেও আজ রিকশা করে বাসায় ফিরতে খুব ইচ্ছে হলো। রিকশায় উঠে বসামাত্রই হঠাৎ রাতুলের কথা মনে পড়ে গেল। হয়তো শারীরিক অসুস্থতাই আমার মানসিক এই দুর্বলতার কারন। নইলে আজ এতদিন বাদে কেন আমার রাতুলের কথা মনে পড়বে?

পুরানো সব স্মৃতি মনে পড়ে যাওয়াতে বুকটা কেমন হু হু করে উঠলো। রাতুল, আমার প্রথম প্রেম, আমার ভাল লাগা প্রথম পুরুষ। যার সাথে পাঁচটি বছর আমি হেসে-খেলে, খুনসুটি করে, একসাথে বেড়ে উঠেছি। মনে পড়ে গেল প্রেমের সেই প্রথম দিনগুলি। যখন সবার সামনে হাত ধরে হাটঁতাম আর মনে করতাম সবাই কেমন ঈর্ষাতুর চোখে আমাদের দেখছে। এটা ভেবে নিজেরাই আবার অনেক বেশী খুশী হয়ে যেতাম। সবসময় মনে হতো রাতুল বুঝি আমার শরীরের একটা অংশ। শরীরের কোন অংশকে বাদ দিয়ে যেমন কিছু কল্পনা করা যায়না ওকে বাদ দিয়েও তেমনি আমি কিছু কল্পনা করতে পারতামনা। কখনো ভাবিনি ও হারিয়ে যাবে। ভালোবাসা একটা সময় অভ্যস্ততায় রূপান্তরিত হয়, এই কথাটা কখনোই স্বীকার করতামনা আমি। আর তাই খুব বড়াই করতাম নিজেদের ভালোবাসা নিয়ে। মনে পড়ে একদিন জলি আপু বলেছিলো, এরকম থেকেই যদি বিয়ে করতে পারিস তাহলে তোদের জন্য একটা গিফট আছে আমার কাছে। কথাটা শেষ করার আগেই রাতুল বলেছিল, তাইলে এখন এইমুহুর্তে গিফটটা দিয়ে দেন। জলি আপুর উত্তর ছিল, ওভার কনফিডেন্স ইস নেভার গুড। পরবর্তীতে আমি কথাটা হাড়ে হাড়ে প্রমান পেয়েছি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে। রাতুল হয়তো খুব সাধারন একটা ছেলেই ছিল কিন্তু ও আমার কাছে ছিল অসাধারন, অসামান্য। তাই যখন কোন সিনিয়র কোন কারনে রাতুলের উপর রাগ করতো বা ওকে উলটাপালটা কিছু বলতো আমি খুব তর্ক করতাম তাদের সাথে। আর আমার এমন রাগ করা দেখে শুধু সিনিয়ররাই না ও নিজেও খুব হাসাহাসি করতো। একদিনতো মিতা আপুর সাথে প্রায় ঝগড়াই করে ফেললাম, কেন মিতা আপু ওকে ফাঁকিবাজ বললো সেটা নিয়ে। মলয়দা একদিন ওর সাথে প্ল্যান করছিল কিভাবে অনার্সে থার্ড ক্লাস পাওয়া যায়, সেখানে আমাকে দেখতে পেয়েই মলয়দা ভুত দেখার মতো চমকে উঠে বলছিল, "আমি কিন্তু কিছু বলিনাই, আমি কোন প্ল্যান করিনাই। যা বলার সব ও বলছে আর ওই সব প্ল্যান করেছে। আমি যাই তোর গুন্ডা চলে আসছে", রাতুলকে কথাটা বলে তড়িঘড়ি করে তিনি চলে যাওয়ার সাথে সাথে আমাদের সে কি হাসি! দিনগুলি সেসময় ভালোই কাটছিলো। সমস্যা শুরু হল যখন আমরা দুজনই পাস করে বের হলাম তারপর।

মানুষ মরে গেলে পঁচে যায়, বেঁচে থাকলে বদলায়, বার বার বদলায়। এই কথাটাকে আক্ষরিক অর্থে সত্যি প্রমান করে রাতুল একেবারে আমূল বদলে গেল। আমার রেজাল্ট ভাল থাকার কারনে ও আমাকে নিয়ে রংবেরঙ্গের স্বপ্ন দেখতো। ওর সাথে সাথে আমিও নিজের অজান্তে সেই স্বপ্নে প্রজাপতির মতো ডানা মেলে উড়ে বেড়াতাম। কত কি পরিকল্পনা! এতোদিনের সেই চিরচেনা মানুষটা হঠাৎ করেই বদলে গেলো যখন আমি পাস করার পর খুব ভাল একটা চাকরী পেলাম। আমি তাকে আগের মতো সময় দিতে পারতামনা এটা সত্যি, কিন্তু ভালবাসার কোন কমতি ছিলনা। ও সেটা বুঝতে চাইতোনা, তার মনে জন্ম নিতো নানারকম সন্দেহ। যার ফলশ্রুতিতে একদিন আমাকে চাকরি ছেড়ে দিতে বললো। আরো জানালো, ওর সাথে থাকতে হলে আমাকে নানারকম শর্ত মেনে চলতে হবে। কিন্তু ভালোবাসা কি কখনো শর্ত মেনে টিকে থাকে? স্বাধীনচেতা আমি ওর সেই আব্দারগুলো মেনে নিতে পারিনি। আমার চোখে তখন নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার স্বপ্ন, একটা কিছু করে ফেলার তীব্র আকাংক্ষা। ফলে ব্যক্তিত্বের সংঘাত অনিবার্য হয়ে উঠলো আমাদের মাঝে। অনেক চেষ্টার পর আমি বুঝে গেলাম রাতুলকে বোঝাতে পারবনা, আমার সাথে ওর চিন্তা- ভাবনা, মন- মানসিকতার বিস্তর ফাড়াক। তাই দুইজন মিলে সিদ্ধান্ত নিলাম আমরা আর এক সাথে থাকবোনা। সম্পর্ক! নিজেদের বিভিন্ন সমস্যার কারনে বলির পাঁঠা হতে হয় যাকে সবসময়।

এর মাঝে বেশ কিছুদিন কেটে গেল। হঠাৎ একদিন আমার মোবাইলে রাতুলের ফোন। বহু কাংক্ষিত সেই ফোন! যার জন্যে মোবাইলের স্ক্রীনে তাকিয়ে পার করেছি ঘন্টার পর ঘন্টা। খুশীতে পাগলপ্রায় আমি কোনরকমে অস্থিরতাকে গোপন রেখে শুধু বলতে পারলাম, হ্যালো। অন্যপাশ থেকে সেই পরিচিত গলা, "জান, তোমাকে ছাড়া আর থাকতে পারছিনা। প্লীজ চল সবকিছু ভুলে আবার নতুন করে শুরু করি।" কথাটা শেষ হওয়ার সাথে সাথে আমার গাল বেয়ে অশ্রুধারা নেমে এলো। এই একটা ফোনের জন্যইতো এতো অপেক্ষা! এতো অস্থিরতা! বহু প্রতিক্ষীত সেই ফোন এলো তাও প্রায় ছয় মাস বাদে। রাতুলের সাথে আমার ঝগড়া আগে নিত্যনৈমিত্তিক একটা ব্যাপার ছিল। তবে কোনদিনই ঝগড়া করে আমরা একদিনের বেশী থাকতে পারিনি। একদিনকেই যে মনে হতো এক যুগ! সেইবার প্রথম আমরা কেউ কারো সাথে কথা না বলে কাটিয়ে দিলাম ছয়মাস! ফোন পেয়ে সেদিন আমি খুব খুশী। নিজেকে মনে হচ্ছিলো এই পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী একটা মানুষ। আমাকে বললো, সে অনেক চিন্তা করেছে। আসলে স্বাধীনতা দুজনেরই প্রয়োজন। ও যেমন আমার উপর কোন কিছু জোড় করে চাপিয়ে দিবেনা, কোন কাজে সিদ্ধান্ত নিয়ে দিবেনা তেমনি আমাকেও তাই করতে হবে। কারো প্রতি কারো কোন বাধ্যবাধকতা থাকবেনা, দুইজনই নিজেদের ইচ্ছামতো জীবনযাপন করবো। তাহলেই সম্পর্ক সুন্দর থাকবে। কথাটা শুনে সেদিন মনে হয়েছিল রাতুল যেন একদম বদলে গেছে, ঠিক আমার মনের মতো।

এরপরের কয়েকটা দিন আমাদের খুব ভাল সময় কেটেছিলো। একে অন্যকে অনেকদিন পর কাছে পাওয়ার অন্যরকম এক আনন্দে। কিন্তু ধীরে ধীরে আমি আবিষ্কার করলাম রাতুলের বদলে যাওয়া। যে বদলানোতে আনন্দ ছিল না, ছিল অশনীর সঙ্কেত। আমি ক্রমশই বুঝতে পারলাম ও নেশায় আসক্ত হয়ে পড়েছে। নেশার করাল থাবা তাকে ক্রমাগত গ্রাস করছে আর সেও অন্ধকারের দিকে এগিয়ে চলেছে দিনের পর দিন। আমি এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করতেই এড়িয়ে গেল। ততোদিনে আমি বুঝে গেছি রাতুল এখন একটি দিনও নেশা না করে থাকতে পারেনা। ওর এই ভিন্নরূপে আমি খুব অস্থির হয়ে পড়লাম। নেশা ছেড়ে দেবার জন্য ওকে অনেক বোঝালাম। সব শুনে সে বললো, "আমাদের রিলেশনের শর্ত হচ্ছে আমরা কেউ কারো স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করবোনা, কেউ কারো উপর নিজের সিদ্ধান্ত জোড় করে চাপিয়ে দিবোনা। আমিতো এটা মেনে চলছি। তুমি এত পজেসিভ যে তুমি এটা মানতে পারছোনা।" আমি উত্তরে বললাম, "নেশার সাথে স্বাধীনতার কি সম্পর্ক আছে আমি জানিনা, নেশা করতে নিষেধ করা যদি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ হয় তবে আমি সেটা করবো আর তোমাকেও তা শুনতে হবে।" তখন ও আমাকে বলে, "কেন তুমি আমার কাছ থেকে আবারও কোন কিছু প্রত্যাশা করছো আর কেনই বা আমি তোমার কথা শুনে এগুলো সব বন্ধ করবো? আজকে যদি আমি তোমাকে বলি চাকরিটা ছেড়ে দাও তুমি কি সেটা শুনবে?" আঘাতটা এই দিক থেকে আসবে এটা বুঝতে পারিনি আমি আর তাই অপ্রত্যাশিত এই আঘাতের জন্য তৈরী ছিলামনা মোটেও। কোনমতে বলতে পারলাম, আমার চাকরি আর তোমার নেশা কি এক হলো? ও জানালো, ওর কাছে দুটাই সমান। আমি সেদিন আর কথা বাড়াইনি। বারবার মনে হচ্ছিল এরকম মানুষকে যুক্তি দেখিয়ে লাভ কি যে ইচ্ছে করেই কিছু বুঝতে চাইবেনা। এরপর আমার অনেক অনেক অনুরোধ, অনুনয়ও যখন রাতুলকে এই অন্ধকার পথ থেকে ফেরাতে পারছিলনা তখন দুজনের মধ্যে দুরত্ব ক্রমেই বাড়ছিল। ও যেন আরো বেশী ডেসপারেট হয়ে উঠলো আমার নিষেধের কারনে। একদিনতো বলেই ফেললো, "তোমাকে ছাড়তে পারবো কিন্তু অভ্যাসটা ছাড়তে পারবোনা। আমি আর পারছিনা তোমার সাথে খাপ খাওয়াতে। তুমি কি আমাকে মুক্তি দিবে?" সেদিন আমি বুঝে গেলাম আর চেষ্টা করা বৃথা। তবে রাতুল শুধু নেশা করার জন্যই এমনটা করেছিলো না প্রতিশোধ তোলার জন্য এই ব্যাপারে এখনো আমার মনে সন্দেহ রয়ে গেছে। খুব কষ্ট পেয়ে সেদিন আবার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম ওর কাছ থেকে সরে আসার।

সময়ের স্রোতে বালির প্রলেপে কেটে গেছে প্রায় দুই বছর। এর মাঝে একবারও রাতুলের সাথে দেখা এমনকি কথাও হয়নি। খুব সন্তর্পনে এড়িয়ে যাই সেইসব জায়গাগুলো যেখানে গেলে ওর সাথে দেখা হওয়ার নুন্যতম সম্ভাবনা থাকে। আজ এতোদিন বাদে কেন আমার রাতুলের কথা মনে পড়ল? এখনও কি আমি দুর্বল ওর প্রতি? ও আমাকে পজেসিভ বলতো, কিন্তু ভালবাসার প্রতি আমার পজেসিভনেসটা সে কখনো ধরতে পারেনি। আমি যে রাতুলকে চেয়েছিলাম, তাকে আমি পাইনি। আমি বেঁচে ছিলাম তারই মধ্যে, তা ও বোঝেনি। আজ আমার খুব ইচ্ছে হলো একটা ফোন করে ওকে বলি, তুমি আমার কাছ থেকে মুক্তি চাইতে, তাইনা রাতুল? আমি তোমাকে সারাজীবনের জন্য মুক্ত করে দিলাম!

পোস্টটি ১৮ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

মীর's picture


ঝরঝরে গতিশীল লেখার হাত লেখকের। ভালো লাগলো পড়তে।
আর গল্পটা তো, এককথায় দারুণ!

প্রিয়'s picture


ভালো কমেন্ট করার হাত আপনার। Smile

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


সুন্দর লেখাগুলো সব কেন যে এমন মন খারাপ করা হয়..। Sad

প্রিয়'s picture


Sad Sad

সামছা আকিদা জাহান's picture


আপনি লিখেছেন কোথায় হারিয়ে গেল সোনালী বিকেলগুলি সেই----

আর আমি বলছি , দিঙ্গুলি মোন সোনার খাঁচায় রইল না---
ঝরঝরে লেখা প্রানবন্ত গল্প। ভাল থাকুন।

প্রিয়'s picture


ধন্যবাদ। আপনিও ভাল থাকবেন। Laughing out loud

লীনা দিলরুবা's picture


সম্পর্ক! নিজেদের বিভিন্ন সমস্যার কারনে বলির পাঁঠা হতে হয় যাকে সবসময়।

গুরুত্বপূর্ণ একটা বাণীর জন্ম দিলা... Big smile গ্রেট।

আরো লেখা চাই।

প্রিয়'s picture


ধন্যবাদ পড়ার জন্য। Big smile Big smile

প্রিয়'s picture


ধন্যবাদ পড়ার জন্য। Big smile Big smile

১০

রাসেল আশরাফ's picture


আমি তো পয়লা মনে করেছিলাম নিজের কাহিনী বয়ান করছেন পরে ট্যাগ দেখে নিশ্চিন্ত হলাম।

গল্পে হুদাই কামে নায়িকারে ফুসফুসের ক্যান্সার বানাইলেন।ওটা না বানালেও চলতো।

১১

প্রিয়'s picture


এরপর থেকে তাহলে আগে ট্যাগটা দেখে নেবেন। যাতে বুঝতে ভুল না হয়ে যায়।
আর হ্যাঁ, গল্পের নায়িকা মূলত একজন মৃত্যুপথযাত্রী মানুষ। একজন মৃত্যুপথযাত্রী'র ফেলে আসা জীবন বিষয়ে চিন্তা-ই এ গল্পের মূল উপজীব্য।
আপনার মন্তব্যের জন্য ধইন্যা পাতা

১২

হাসান রায়হান's picture


আম্মো প্রথমে ভাবছিলাম নিজের কাহিনী।
লেখা ঝরঝরে, পড়তে ভাল লাগে।

১৩

প্রিয়'s picture


ধইন্যা পাতা কিন্তু আপনে কি রায়হান ভাই? খালি মানুষের লেখায় সারাদিন কমেন্ট করেন। নিজে কোনো লেখা দেন না। আমি তো এই ব্লগে আসছিলাম আপনার আর মেসবাহ ভাইয়ের দুষ্টামীগুলো দেখে মজা পেয়ে। আর শওকত হোসেন মাসুম ভাই'ও দেখতাম অনেক মজা করতো। আপনারা তিনজনে একসঙ্গে মজা করেন না আজ ৫৩ বছর হচ্ছে!

১৪

হাসান রায়হান's picture


মেজবাহ ভাই ব্লগে নাই তাই পোস্ট দেয়ার উৎসাহ পাই না। Sad

১৫

প্রিয়'s picture


আমিও মেজবাহ ভাইকে খুব মিস করতেসি। উনি কোথায় আছেন এখন? চলেন উনারে খুঁজে বের করার এ্যাটেম্পট নেই।

১৬

ফিরোজ শাহরিয়ার's picture


এককথায় দারুন। ধন্যবাদ।

১৭

প্রিয়'s picture


আপনাকেও ধন্যবাদ পড়ার জন্য। Laughing out loud Laughing out loud

১৮

উচ্ছল's picture


লা জবাব.... দারুন গল্প....

১৯

প্রিয়'s picture


থ্যাঙ্ক ইউ ব্রো। Laughing out loud

২০

রশীদা আফরোজ's picture


লেখক বড় নিষ্ঠুর! দুঃখ পেলাম ব্যাপক।

২১

প্রিয়'s picture


দুঃখ দেয়ার জন্য আমি খুবই দুঃখিত রশীদা আপু। (কান ধরার কি কোন ইমো নাই এখানে?)

২২

তানবীরা's picture


দারুন গল্প লিখেছো দারুন। কিন্তু আমারো মনে হয় নায়িকাকে না মারলে গল্পটা আরো শক্ত হতো। খুব ভাল, আরো চাই এমন গল্প, রোজ একটা Laughing out loud

২৩

প্রিয়'s picture


আপনার মন্তব্যের জন্য ধইন্যা পাতা

২৪

জ্যোতি's picture


Sad একটানেই পড়লাম, বিষন্ন, মন খারাপ করা।

২৫

প্রিয়'s picture


Sad Sad

২৬

অতিথি's picture


আসলেই কি রিয়েল ঘটনা।
ভালবাসা মানে প্রিয়জনের জন্য সেক্রিফাইস, য্টোর ঘ্টঠি ছিল।

২৭

অতিথি's picture


আসলেই কি রিয়েল ঘটনা।
ভালবাসা মানে প্রিয়জনের জন্য সেক্রিফাইস, য্টোর ঘ্টঠি ছিল।

২৮

প্রিয়'s picture


আমার গল্প পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

২৯

একজন মায়াবতী's picture


গল্প ভালো লাগলো। গল্প তো না। এমন তো কতই হচ্ছে Puzzled

সম্পর্ক! নিজেদের বিভিন্ন সমস্যার কারনে বলির পাঁঠা হতে হয় যাকে সবসময়।

আসলেই।

৩০

অভি's picture


থ্যাঙ্ক ইউ। Smile

৩১

প্রিয়'s picture


থ্যাঙ্ক ইউ। Smile

৩২

প্রিয়'s picture


সমসাময়িক ঘটনাগুলো থেকেই গল্পের এই প্লটটা আমার মাথায় আসছে।

৩৩

মিতুল's picture


নীলের মধ্যেই বাস।

ওকে ছুঁতে হলে
বলয় পেরোতে হবে।
বললাম, ছুঁয়ে ফেললাম, এতো সহজ নয়,
নয় ধরাবাঁধায় কিছু।

ভালবাসায় বিষাক্ত ছোবলের নিশ্চিত নির্যাস।

৩৪

প্রিয়'s picture


উত্তম কবিতা। Smile

৩৫

মাহবুব সুমন's picture


ক্যান্সার - যক্ষা পুরন অসুখ, উত্তরাধুনিক অসুখ দরকার নায়িকার জন্য।
চোখ টিপি
হুক্কা

৩৬

প্রিয়'s picture


আয় হায়। চান্দাবাজ ভাই এতদিন পর! নায়িকারে কি রোগ দিমু কইয়া দেন। আমিতো কিছু কমন রোগ ছাড়া আর কোন রোগের নাম জানিনা। আপ্নে যদি একটু হিন্টস দিতেন তাইলে নেক্সট টাইম থিকা আমি সেই নামগুলি লাগায় দিতে পারতাম আর কি Wink Wink

৩৭

চাঙ্কু's picture


ভালুবাসা ? আফসুসিত জিনিস ।

৩৮

প্রিয়'s picture


ক্যান আপ্নের আবার কি হইলো?

৩৯

চাঙ্কু's picture


আমার কিছু হয় নাইতো। তবে সপার নাকি ভূমিকম্প হইছে Wink

৪০

প্রিয়'s picture


যখন ভূমিকম্প হইসে তখন কিছু টের পাইনাই। পরে শুনি ভূমিকম্প নাকি হইসে।

৪১

রায়েহাত শুভ's picture


ভালুবাসা খুব খ্রাপ...

৪২

চাঙ্কু's picture


এই পোষ্টের সারমর্মডা তুমিই বুঝতে পারলা জেডা।

৪৩

রায়েহাত শুভ's picture


Smile Sad

৪৪

প্রিয়'s picture


Smile Sad

৪৫

প্রিয়'s picture


আফসুসিত জিনিস ।

৪৬

প্রিয়'s picture


কই সমস্যা বুঝতে পারতেসিনা। যার কমেন্টে যেই উত্তর দিতে চাইতেসি সেইখানে না আইসা উল্টাপাল্টা জায়গায় আসতেসে। বিরক্ত লাগতেসে।

৪৭

রায়েহাত শুভ's picture


আরে ধুর। বিরক্ত হৈয়েন্না। আর বেশি বিরক্ত হয়া গ্যালে পামর ডেভুরে ঝাড়ি মারেন Tongue

৪৮

শামান সাত্ত্বিক's picture


সহজ সাবলীল প্রকাশ। ভাল লেগেছে। আরো লিখুন।

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

প্রিয়'s picture

নিজের সম্পর্কে

নিজে লিখার চেয়ে অন্য সবার লিখা পড়তেই বেশী ভাল লাগে।