নীল রক্ত
রুম
ব্যালকনিতে আমার গাছটার সাথে আরও বেশ কয়েকটা গাছ। একটা বাগান বিলাস, বাকিগুলোর নাম জানি না। নেশাখোর ছেলেটাকে হাউস টিউটর অন্য রুমে পাঠিয়ে দিয়েছে। আহ কি আরাম লাগলো শুনে। নতুন ছেলেটাই এসব বলতে শুরু করল। একটু পর মেহেদিকে দেখা গেলো। ও মেডিক্যালে পড়ে। গদগদ হয়ে বলল- দোস্ত আমি তোর রুমে উঠেছি।
লিফট
বণিক বার্তায় গেছিলাম। এমনি এমনি। লিফট এ উঠে আয়নার দিকে তাকিয়ে যাচ্ছেতাই নাচলাম দুইপাক। পনেরো তলায় নামলাম। ওখানে একটা লোক প্রস্রাব করা নিয়ে মশকরা করতে লাগলো। ওর নাকি খুব হিসি পেয়েছে। এই কথা বলছে আর হাহাহিহি করছে। একটু পর লিফটের ভিতরে ঢুকে হিসি করে দিলো। সেই হিসি লিফটের দরজার ফাঁক দিয়ে আমাদের গায়ে লাগলো। খুব রাগ হয়ে গেলো আমার। সবকিছুর একটা সীমা আছে। সেটাই ঐ ভাঁড়টাকে বুঝিয়ে দেওয়া চাই। লিফট খুলতেই টুঁটি চেপে ধরতে উদ্যত হলাম, ওরে বাবা- ছাগলটা ফট করে একটা চাকু বের করে ভয় দেখাতে শুরু করলো। অনেক কায়দা করে ওকে ধরে ফেলে চাকুটা কেঁড়ে নিতেই কাঁচুমাচু হয়ে গেলো। কিন্তু কোনও কোথায় কাজ হবে না। সবাই মিলে ওরে আচ্ছামত ধোলাই দিলাম।
ময়ূরের ডানা
হলে খুব ফুর্তি শুরু হল। কোনও এক মহান মানুষের ওরশ। নিচে নেমে দেখি ছাল ছাড়ানো পাঠা আগুনে ঝলসানোর জন্য প্রস্তুত। আদিবাসী ছেলেমেয়েরা চারপাশে গোল হয়ে বসে প্রাং পানে উদ্যত হয়েছে। যায়গায় যায়গায় ছোট বড় আসর। গানবাজনা, স্ফূর্তি। কোনও এক ফ্লোরে দুটো ময়ূর, কয়েকটা খরগোশ। আরেক ফ্লোরে গিয়ে দেখি ময়ূরের দুটো ডানা। শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন। ডানাদুটো ওড়ার মত করে মেঝেতে পাক খাচ্ছে।





তোর এই লেখাটা থেকে আরেকটা নতুন লেখার জন্ম হয়েছে। হায় আমিও যদি এভাবে কখনও লিখতে পারতাম!
যাক, তাও ভালো। আপনার লেখা পড়েও আমি একই কথা ভাবি।
মন্তব্য করুন