বাংলা মা
যখন এ কবিতাটি লিখছি তখন জ্বলছিলো খাগড়াছড়ি ও বাঘাই ছড়ির আদিবাসীদের গ্রাম।না খেয়ে জীবনের ঝুকি নিয়ে কোন রকম বেচে আছেন আদিবাসীরা।খবরের কাগজে ছাপা হচ্ছিলো তাদের দুর্বিসহজীবনের কথা।যত দেখছিলাম তত খারাপ লাগছিল।যতজন পরিচিত ছিল সবাইকে কল করেছি কিন্তু কাউকে পাইনি।দুচ্ছিন্তায় যাচ্ছিল প্রতিটি মুহূর্ত।এমন সময়ে একটি রাতে লিখেছিলাম এ কবিতাটি।জানিনা আপনাদের ভাল লাগবে কিনা।তবুও লিখলাম।
মাগো তুমি কি শুনতে পাও তোমার সন্তানদের আর্তনাদ,হাহাকার আর কান্নার ধ্বনি?
মাগো তুমি কি জানে তোমার সন্তানদের হত্যা করছে নিষ্টুর খুনি?
জ্বলছে গ্রামের পর গ্রাম শতশত বাড়ি,
প্রাণে বাচার তরে মানুষ ছেড়ে যাচ্ছে প্রিয় বাড়ি,
কালো ধোঁয়া মিশে গেছে আকাশে,
কান্নার ধ্বনি মিশে গেছে বাতাসে,
চারদিকে ছুটাছুটি চারিদিকে খোজাখুজি কোথায় আপন জন,
মাতা হারিয়ে ছৌট ছেলেটা কাঁদতে কাঁদতে অচেতন,
মা তুমি কোথায় আমাদের ও সাথে নিয়ে যাও,
এ বলে চিত্কার করছে ছৌট মেয়েটাও,
বড়মেয়েটা দুহাতে ছৌট ভোন আর ভাইকে বুকে জড়িয়ে,
মাতৃর মমতাদেয় ছড়িয়ে,
তবুও কান্না থামে না তাদের,
টেনেটেনে নিয়ে যেতে যেতে বলে চলো পালায় না হলে ওরা মারবে আমাদের,
তিনভাই ভোন পালিয়ে যায় অজানা ঠিকানায়,
বুদ্ধপদির গুলিবিদ্ধ লাশ পড়ে থাকে বাড়ির আঙিনায়,
ছৌট মেয়েটা তার দিদিকে বলে চলো দিদি ফিরে যায় মায়ের কাছে,
মা নিশ্বই আজ ও বেচে আছে,
হু হু হু করে কেদে উঠে ছৌট ভোন,
ছৌট ভাইটা তার দিদিকে বলে আমায় যেতে দাও দিদি মাকে একবার দেখে আছি,
হত্যার বদলা নেবো মায়ের আশির্বাদ নিয়ে আছি।
বড় ভোনটা ছৌটদের বলে
আমি তোমাদের কোথাও যেতে দেবো না আমিও তোমাদের মা।
তোমরা গেলে ওরা তোমাদের কেও মারবে আমি যে তোমাদের ছেড়ে বাচব না।
অসমাপ্ত





পড়লাম
মন্তব্য করুন