জোৎস্না জড়ানো শিহরণ - ৩
জোৎস্না জড়ানো শিহরণ - ১
জোৎস্না জড়ানো শিহরণ - ২
অনুসূয়া চোখ দু'টোকে ছোট করে উদাসীন সুরেশের দিকে তাকিয়ে দেখে কিছুক্ষণ, “কিছু ভাবছো সুরেশবাবু?” চতুর্দিকের সোফার মাঝখানের কাঁচের ছোট টেবিলটায় তাকিয়ে থাকা সুরেশের কোন উত্তর না পেয়ে সে আবার বলে, “কিছু কি বলবে?” এবার সুরেশ কিছুটা নড়ে উঠে এবং ধীরে ধীরে বলে, “না, আমি ভাবছিলাম,” কথা শেষ না করতে দিয়ে অনুসূয়াই সুরেশের কথাটা শেষ করে, “তুমি স্ট্রেইট, এরকম অদ্ভূত কাজ-কর্ম করো না।” সুরেশ মাথা নীচু করে চুপ হয়ে যায়।
অনুসূয়া এবারে বলে, “আমি যদি স্ট্রেইট না হতাম, তবে এতদিন ধরে প্রদীপের সাথে সংসার কিভাবে করে যাচ্ছি, একটু বলতো। তার'পর আমার একটা মেয়ে আছে। একটু থেমে অনুসূয়া বলে, ঐ দাবাড়ু মেয়েটার প্রস্তাব শুনে আমার ভেতরটা সত্যি একটু নাড়া খেয়েছে। সেটাই শুধু তোমাকে বললাম। মেয়েটার কথাগুলো যে আমাকে ভাবাচ্ছে না, তা নয়। অবশ্যই ভাবাচ্ছে। বেশ ভাবাচ্ছে। মানুষের ভেতরটা যে অদ্ভূত রহস্যময় সেটাও আমাকে জানিয়ে দিয়ে যাচ্ছে। ও-হ্যাঁ, মেয়েটা অবশ্যই বাই, বাই-সেক্সুয়াল। কারণ, আমার স্বামী আছে জেনেও সে আমাকে অফার করেছে।"
এসব কিছু শুনে একদম স্তব্ধ হয়ে পড়ে সুরেশ। যে কথা অনুসূয়াকে বলবে বলে মনের গভীরে গোপন রেখেছিল, সে কথা বলবে কি বলবে না, তা নিয়ে গভীর দ্বন্দ্বে পতিত হলো। বলে ফেলবে কি? কি ভাববে অনুসূয়া? যদি হাসিতে ফেটে পড়ে? কিন্তু হঠাৎ করে সে বলেই ফেলে অনুসূয়ার দিকে সরাসরি তাকিয়ে, “তোমাকে নিয়ে জোৎস্না ছুঁতে যাওয়া আমার ঠিক হয় নি।” অনুসূয়া চোখ তুলে তাকায়। এমন কিছু শুনবে তার অপেক্ষায় ছিল সে। তা বুঝতে পেরে সুরেশ আরো নরম কোমল হয়, “তোমাকে কিছু কথা আমার বলার ছিল।” অনুসূয়া গভীরে প্রবেশ করে তার গভীরতা মেলে ধরে। ঘনিষ্ঠ জনের মত তার চোখ-কান সজাগ করে।
- আজ যে আমি এখানে এসেছি, সেটা শুধু তোমাকে দেখার জন্য, অনুসূয়া।
- তোমাকে দেখেই সেটা আমি বুঝতে পেরেছিলাম।
- তাই?
সুরেশ কিছুক্ষণ চুপ করে থাকে। কী বুঝে তারপর বলে, 'হুম'।
এবারে সোফা ছেড়ে উঠে সুরেশ বড় সোফায় বসে থাকা অনুসূয়ার পাশে যেই বসতে যাবে, অনুসূয়া তখনই সোফা ছেড়ে উঠে দাঁড়ায়।
- সুরেশ বাবু, অনেক কথা হলো, এবার উঠা যাক্ কি বলো?
- আমার যে কিছু কথা আছে, তোমাকে যে শুনতে হবে।
নিজের দু'হাতে অনুসূয়ার ডানহাত তুলে নিয়ে আলতো করে চেপে ধরে বলে সুরেশ। উপরের রুমের দরজা খোলার শব্দ পাওয়া গেল। মেয়ে স্বাতী হয়তো ঘুম থেকে উঠেছে। দেরী না করে হাত সরিয়ে নিয়ে অনুসূয়া বললো, “আজ না হয় থাক্। অন্য আরেকদিন শোনা হবে।”
- তোমাকে যে শুনতেই হবে অনুসূয়া।
- অবশ্যই শুনবো। আমি শোনার জন্য অধীর হয়ে থাকবো।
সুরেশকে বিদায় করাটা এখন অনুসূয়ার কাছে বড় বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। সুরেশের এই মানসিক অবস্থায় কিছু একটা ঘটুক, অন্যরকম কিছু - অনুসূয়া তা একদমই চাইছিল না। সুরেশও কিছুটা নাছোড়বান্ধা হয়ে উঠেছিল। কিন্তু এ সময়ে উপর থেকে স্বাতী সিঁড়ি বেয়ে বৈঠকখানায় নেমে আসে। তাই কথা আর বেশিদূর আগায় না। সুরেশকে বিদায় নিতে হয়।
এরপর কয়েকবার সুরেশ অনুসূয়ার সেল ফোনে কথা বলার চেষ্টা করে। কিন্তু প্রতিবারেই তা অনুসূয়ার ভয়েস মেইলে চলে যায়।
৬
সেদিন টেক্সাসের কেটি-র প্রিয় মামাতো বোন শ্রেয়সীর সাথে রাতে অনেকক্ষণ কথা বলছিলো অনুসূয়া। প্রদীপ পাশের ঘরে নাক ডেকে ঘুমুচ্ছে। সকালে ট্যূর থেকে ফিরেছে সে। বেশ ক্লান্ত। আজ আগে-ভাগে ঘুমিয়ে পড়েছে। শ্রেয়সীর সাথে কথা বলার সময় রাত দেড়টার দিকে একই ফোনে অন্য একটি কল এলো। শ্রেয়সীকে ধরতে বলে অনুসূয়া যেই অন্য লাইনে সুইচ করে হ্যালো বললো, সাথে সাথে অন্য প্রান্ত থেকে সুরেশের উত্তেজিত কন্ঠ শোনা গেল, “হলো কি তোমার অনুসূয়া? গত তিনদিন থেকে তোমাকে যোগাযোগ করতে যেয়ে তোমার সেলফোন বন্ধ পেলাম। আমি যে তোমাকে কিছু কথা বলার জন্য অস্থির হয়ে আছি, তুমি তো তা জানই।”
অনুসূয়া শিহরে উঠে। বলে, “একটু দাঁড়াও।” শ্রেয়সীকে পরে কথা বলবো বলে বিদায় নিয়ে সুরেশকে একটু উত্তেজিত হয়েই বলে, “তুমি কি মনে করো, আমার কোন কাজ নেই? গত তিনদিন আমি অফিসের কাজে হিমসিম খাচ্ছি। তার উপর আমার কাজিনের মেরিড লাইফে ঝামেলা বেঁধেছে। তার দরকার কাউন্সেলিং। তাকে বাদ দিয়ে আমি কি এখন তোমার সমস্যা মেটাতে নামবো?
- আমি তো আমার সমস্যা মেটাতে তোমাকে বলছি না। শুধু শুনতে বলছি।
- দেখো, এই মূহুর্তে আমার তা শোনারও ধৈর্য্য নেই। আমি বেশ চাপের ভেতর দিয়ে যাচ্ছি।
উষ্মা প্রকাশ করে অনুসূয়া।
- কিন্তু তোমাকে যে শুনতে হবে, আমি যে বলতে চাই।
করুণ এবং উদ্ভ্রান্তের মতো শোনালো সুরেশের কথাগুলো। কিছুক্ষণ চুপ করে থাকে অনুসূয়া। এবার আর সুরেশকে না বলা ঠিক হবে না।
- কখন শোনাতে চাচ্ছো, বলো?
- এখন, একটু মনোযোগ দিয়ে শুনবে?
- তুমি পাগল হয়েছো? রাত কত হয়েছে, জানো?
- কিন্তু এখন যে আমার রাত-দিনের হিসেব নেই অনুসূয়া। রাত এখন আমার কাছে দিন, দিন এখন আমার কাছে রাত।
- আবোল তাবোল বকছো! তুমি সাইকিয়াট্রিস্টের কাছে যাও।
- সাইকিয়াট্রিস্টের কাছে গেলে যদি সমস্যার সমাধান মেলতো, তবে অনেক আগেই যেতাম।
- দেখো, আমাকে এখন ঘুমুতে যেতে হবে।
- অনেক আশা করে আমি এসেছিলাম, তোমাকে শোনাবো বলে।
- এসেছো? কোথায়?
- এইতো তোমার বাড়ির উল্টোদিকে রাস্তায়, গাড়িতে বসে।
- এত পাগল তুমি? আর কি কোন মানুষ পেলে না? আমাকে কেন?
- আমি তো তোমাকে তাই শোনাতে চাচ্ছি, কিন্তু তুমি তো তাই শুনতে চাচ্ছো না।
- বিষয়টা কি একটু বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে না, সুরেশ বাবু?
- আগে আমার কথা পুরো শুনো। তারপর যদি মনে হয়, বাড়াবাড়ি হয়েছে, তবে বলো।
- ওকে, তাড়াতাড়ি বলে ফেলো।
- না, এভাবে নয়। তুমি যদি আসো, তবে আমরা কোথাও যেয়ে বসতে পারি। আজও জ্যোৎস্না রাত যে!
- সুরেশ বাবু, কোন হুঁশ আছে তোমার? আমার স্বামী ঘরে ঘুমুচ্ছে। আমার মেয়ে রাত জেগে কাজ করছে তার। আর এখন তুমি আমাকে বলছো, এই রাতে বাইরে এসে তোমার সাথে কোথাও যেয়ে আলাপ করি।
- কেন, সেদিন তো ঠিকই এসেছিলে। আমরা তো সেই শহর ছেড়ে দূরে কোথাও গিয়েছিলাম। এবার না হয়, আলাপ করতাম পাশাপাশি বসে।
- সুরেশ বাবু, তুমি ভুল করছো। তুমি যা ভাবছো, আমি কিন্তু তেমন কিছুই ভাবছি না। আমি শুধু সে রাতে একটু জ্যোৎস্নাতে প্লাবিত হতে চেয়েছিলাম, জ্যোৎস্নায় স্নানও বলতে পারো।
- আজ কেন নয়? আমি বলছি দেখে?
- তোমাকে তো বলেছি সুরেশ, আমার মেয়ে-স্বামী এখন বাসায়। এই মূহুর্তে তাদের ছেড়ে আমি এই রাতে কোথাও যাচ্ছি না। তবুও জোর করছো। এটা কি ভাল দেখায়?
- আমার তো সে জিনিসটাই ভাল লাগে। তুমি রাধার মত পালিয়ে আমার কাছে আসবে। আর আমি আমার মনের কথা তোমাকে শোনাবো। - আমিও তো বাসার সবাই ঘুমিয়ে পড়ার পর চুপি চুপি তোমার কাছে ছুটে এলাম।
- সুরেশ, আমি লাইন কেটে দিলাম।
প্রদীপ ঘুম থেকে নড়ে চড়ে উঠলো মনে হলো। কিচেনে আলো জ্বালালো কে? অনুসূয়া সেল ফোন বন্ধ করে ঘুমিয়ে পড়লো।
৭
পরদিন অফিসে লাঞ্চ ব্রেকের শুরুতে সুরেশের ফোন এলো। অনুসূয়া ফোন রিসিভ করে জিজ্ঞেস করলো, “তোমার কী বলার ঝটপট বলে ফেলো। দেখো, তোমার বিষয়টা নিয়ে আমি এখন বেশ ক্লান্ত। এটার একটা শেষ চাই।”
সুরেশ ঠান্ডা গলায় বললো, “তুমি কি আমার সাথে লাঞ্চে আসতে পারো?” আরেকটু আশ্চর্য হয়ে অনুসূয়া বলে, “কোথায়?”
- এই তো, আমি তোমার অফিসের পাশে পার্ক করেছি। তুমি নেমে এলে, আমি তোমাকে কাছাকাছি একটা ভাল মেক্সিকান রেস্টুরেন্ট আছে, ওখানে নিয়ে যাবো।
- বেশ, তুমি ঠিক কোন জায়গায় আছো বলতো?
- আমি কফি শপটার পার্কিং-এ আছি। তুমি এলে আমায় দেখতে পাবে।
খাবারের অর্ডার দিয়ে সুরেশ বলতে শুরু করে, “এই যে দেখছো রেস্টুরেন্টটা, এখানে আমার আজকেই প্রথম আসা নয়। এইখানে আমাকে আরো অনেকদিন আসতে হয়েছিল। সপ্তাহে দু'দিন – মঙ্গল এবং বৃহস্পতিবার।
"ঐ যে দেখছো টেবিলটা ওখানে এক মেয়ে এসে উপস্থিত হবে। তার মুখাবয়বে একটা সাউথ এমেরিকান ফ্লেবারই দেখি। এক ধরণের পেলব অথচ প্রচ্ছন্ন বুনো শার্পনেস তার মুখাবয়বে। যা আমি স্পেনিশদের মাঝেই দেখেছি। সপ্তাহের দু'টো দিন তার এখানে আসা চাই। আর ঐ যে দেখছো টেবিলটা ওখানে সে বসবে। সরাসরি আমার দিকে নয়। আর এই চেয়ারে বসে আমি সরাসরি তার দিকে মুখ করে চেয়ে থাকি। তা সে উপভোগ করছে। প্রথম প্রথম বিরক্ত নিয়ে তাকিয়ে ছিলো। প্রথম দু'তিনদিন খাওয়া সেরে তাড়াহুড়ো করে উঠে চলে গিয়েছে। এরপর দেখছি, আমার উপস্থিতি বা এই তাকিয়ে থাকা সে উপভোগ করছে। মিটিমিটি হাসছে। একদিন তো বিল মিটিয়ে যেই বের হচ্ছি, সেও দরজার কাছে দাঁড়ালো। চোখে চোখ পড়তেই হাসতে গিয়ে হাসিটাকে নিয়ন্ত্রণ করলো। দিন যত এগুলো, বুঝলাম, সে আমাকে ভালবাসতে শুরু করে দিয়েছে। তখনই প্রমাদ গুণতে শুরু করলাম। ভাবতে শুরু করলাম, তাকে সারা দিবো কি দিবো না। যদি সারা দিই একবার, তবে কোথায় গিয়ে যে পৌঁছবো, ভেবে কূল পেলাম না। এদিকে দিন দিন তার আবদার যেন বাড়তেই লাগলো। কেউ কারো সাথে একটা কথাও বলা হলো না, এমনকি কেউ কারো নামও জানি না, এরি মধ্যে অধিকার ব্যাপারটা যে এত তীব্র হয়ে উঠবে, আমার জানা ছিল না। তার চোখের ভাষা, মুখের ভাবে আমি তার মনের কথাই টের পাচ্ছি। কী যে মূক এবং বোবা সংলাপ! সব অর্থই বোঝা যায়। নীরবতার যে কী ভয়ানক শক্তি, তা আমি সেই প্রথম টের পেলাম।”
- তার দেখা তুমি কিভাবে পেলে?
অনেকক্ষণ পর প্রশ্ন করে অনুসূয়া।
- সে চারমাস আগের ঘটনা। একদিন অফিসে ভাল লাগছিল না। আগে আগে লাঞ্চের জন্য বেরিয়ে আসি। অফিস বিল্ডিং থেকে বাইরে নেমে এসে দাঁড়াতেই, এই পরমাকর্ষণীয়াকে আমার চোখে পড়ে। সে রাস্তার পাশ দিয়ে বাম দিক থেকে হেঁটে আসছিল। পিংক এক ভূবন রচিত করে দিলো আমার। পিংক স্কার্ট, পরনে তার পিংক স্যূট। হাতে একটা পিংক পার্স। এমন উন্মনা কখনো হয়ে উঠিনি। যতক্ষণই সে হেঁটে আসছিল, আমি তার দিকে তাকিয়ে ছিলাম। তার ভ্রুক্ষেপ ছিল বলে মনে হয় নি। আমার সামনে আমাকে কাটিয়ে চলে গেলো। আমাকে কাটিয়ে সে চলে গেছে ঠিকই। তার নিতম্ব ঠিকই আমাকে টেনে নিয়ে গেছে তার পিছু পিছু। তার নিতম্বের দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে তারপর আমি তার পেন্টি লাইন খুঁজছি। তা থেকে কী রকম হতে পারে তার পেন্টি, তাও ভেবে নিয়েছি। কী চমৎকার এক টুকরো কাপড় অবলীলায় তার কোমল পেলব অংশটাকে জড়িয়ে আছে, এটা আমাকে আরো উন্মাতাল করে তোলে। আমি মন্ত্রমুগ্ধের মতই তাকে অনুসরণ করে এগিয়ে যাই। সে এই রেস্টুরেন্টে এলে, কোন কিছু চিন্তা না করে, আমিও এই রেস্টুরেন্টে ঢুকে পড়ি। প্রথম দু'একদিন ব্যাপারটা তার চোখে পড়েনি। তারপর সেও উপলব্ধি করে আমি তাকে অনুসরণ করছি। এখন কোনদিন আমার আসতে দেরী হলে, মেয়েটাকে ততক্ষণ পর্যন্ত খাবারের অর্ডার দিতে দেখি না। গ্লাসের আইসটি-টা স্ট্র দিয়ে টানতে দেখি। তারপর আমি এলে পর সে তার প্রিয় সালাদের অর্ডারটা দেয়।
- তোমার বউ কি ব্যাপারটা জানে?
অনুসূয়ার কথা শুনে সুরেশ কিছুটা উত্তেজনা প্রকাশ করে, “মাথা খারাপ হয়েছে তোমার? এমনভাবে বলছো যেন এই ব্যাপারে উদার হতে পেরেছো তোমরা কখনো।
- তোমরাও কি?
অনুসূয়ার উত্তরে সুরেশ থ মেরে যায়। অনুসূয়া বলতে থাকে, “না, এই জন্যই বলা, আমি বুঝতে চাচ্ছিলাম, তোমাদের স্বামী-স্ত্রীর মাঝে কানেকশানটা কেমন আছে। না কি সব ধরণের আকর্ষণই তোমরা হারিয়ে ফেলছো। সেটা ভাল নয়।"
- একজন সংসারের কর্তা হিসেবে আমার যা করার সবই করছি। কিন্তু আমি সংসারটা মাঝে আটকা পড়তে চাচ্ছি না। আমার তো নিজের বলতে কিছু একটা আছে।





দারুণ লাগছে...
সাথে আছেন। ভাল লাগছে। ধন্যবাদ।
দারুণ লাগলো, শেষ পর্বের অপেক্ষায়।
অনেক ধন্যবাদ, সাথে আছেন বলে।
চলুক। শেষ হলে একসাথে পড়ব।
অপেক্ষায় থাকলাম।
জোশ লেখা...
সাথে আছি কিন্তু....
শুনে খুশি হলাম।
দারুণ লাগছে...
নতুন নতুন চমক
সাথে আছেন বলে খুশি হলাম।
দারুন!.।
এই পর্বেতো দারুন চমক দিলেন, গতানুগতিক না এনে, তবে আপনার ২য় পর্ব থেকেই লেখাটা বেশ ভালো দিকে এনে দিছেন, এখনতো আরো একটা চমক দিলেন।
ভালো লাগছে।
আপনার মন্তব্যগুলোও দারুণ! সত্যিই অনুপ্রেরণাকে বাড়িয়ে দেয়ার মত।
অপেক্ষায় থাকবো আপনার মতামতের জন্য।
ভাল থাকুন খুব। ধন্যবাদ।
মন্তব্য করুন