আমরা কি অসভ্য হয়ে যাচ্ছি !!!
যুদ্ধাপরাধীর বিচারের দাবিতে যখন সারাদেশ আন্দোলন করছে, জামাত শিবির তখন এই বিচারকে বাধাগ্রস্ত ও বানচাল করার জন্য সারাদেশে জ্বালাও পোড়াও করছে। ঢাকা ও চট্রগ্রামে যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিসংযোগ করেছে। জামাত শিবিরের আঘাতে আহত ব্যাংক কর্মচারী মৃত্যুবরণ করেছে। মোটা অংকের ঘুষের বিনিময়ে শিশু অপহরণকারীদের জামিন দিয়ে দিচ্ছি। বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতার ধোঁয়া তুলে বিচারকের এজলাস থেকে কাঠগড়া ভেঙে আসামিকে ছিনতাই করে নিয়ে যাচ্ছি। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনীতি আমাদেরকে কি আদিম বর্বর অসভ্যতার যুগে নিয়ে যাচ্ছে নাকি ? হত্যা, গুম, জখম, সন্ত্রাস, অপহরণ, রাহাজানি, চাঁদাবাজি, টেন্দারবাজি দলবাজির মতো শত বাজি তো আমাদের দেশের নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। প্রথম আলোর খবরে প্রকাশ জামিন না দেওয়ায় বগুড়ায় আদালতের কাঠগড়া ভেঙে জাতীয়তাবাদী যুবদল ও ছাত্রদলের ছয়জন আসামীকে ছিনতাই করে নিয়ে যায়।
ছাত্রশিবিরের মতো ছাত্রদলেরও কি মাথা নষ্ট হয়ে গেলো নাকি ? দেশে এ কিসের আলামত ? একি নতুন মাত্রা যুক্ত হলো ? এতো রীতিমতো আইনের শাসনের প্রতি বৃদ্ধাংগুলি প্রদর্শন। এভাবে আর চলতে দেওয়া যায় না। দেশপ্রেমী জনগণকে সাথে নিয়ে ছাত্রশিবির এবং ছাত্রদলের এইসব অন্যায়ের মোকাবিলা করতে হবে। দেশের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি আপনাদের সোনার ছেলেদের থামান। নইলে জনগণ আপনাদের মতো সন্ত্রাসের মদদ দাতা রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকেও ছাড়বে না। বিএনপির ছত্রছায়ায় ছাত্রশিবির ও ছাত্রদল রাজনীতির নামে দেশের সম্পদ বিনষ্ট করবেন, আইন আদালতে সন্ত্রাসী কর্মকন্ডা করবে আর আপনারা দলের অফিসে বসে বসে সরকারের বিরোধিতা করবেন- দেশ গেল দেশ গেল বলে চিৎকার করবেন। নিজের ঘর আগে ঠিক করেন। রাজনীতির নামে ভন্ডামী ছেড়ে দেন। আসুন দেশের জন্য কাজ করি। আওয়ামীলীগের বিরোধিতা বাদ দিয়ে জামায়াত ত্যাগ করে যুদ্ধাপরাধীর বিচারের দাবিতে শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরে আসুন। জনগণের কথা বলুন। তাতে সবার আখের ভালো হবে।
শুভ্র সরকার, জাপান।
ই-মেইল: sarkarshuvro@yahoo.com





নীতিমালাটা একটু খেয়াল করবেন
আশাকরি একটা পোস্ট সরাবেন। একজনের এতো পোস্ট প্রথম পাতাতে দেখতে ভালো লাগে না
@ জনাব রাসেল আশরাফ, একটা পোষ্ট সরিয়ে নেওয়া হলো।
প্রতিরোধের কোন বিকল্প নাই।
মন্তব্য করুন