আমার বচন আমার বাণী
মুখবন্ধঃ বিটলামী করি সেটা জানি। কোন একদিন হয়তো বিটলামির জন্যে বিখ্যাত হয়ে যেতে পারি। বিখ্যাত হলে হয়তো বানী টানী দিতে হতে পারে। তখন হয়তো ব্যস্ত থাকবো, সময় পাবো না। তাই বানীগুলো আগেই লিখে রেখেছি। তারমধ্যে থেকে নির্বাচিত কিছু প্রকাশ করছি আজ। এ বানীগুলো নানা ঘটনার পরিপ্রেক্ষিত থেকে শিক্ষা লাভ করার উপলব্ধি দ্বারা প্রাপ্ত।
তথাকথিত পৈত্রিক ধর্মের সমালোচনা করা হলো "প্রগতিশীলতা" আর বন্ধুর ধর্মের সমালোচনা করা হলো "সাম্প্রদায়িকতা"।
সুযোগের সদ্বব্যবহার করিয়া ঘোলা পানিতে মৎস্য শিকারের ন্যায় আনন্দ আর কিছুতেই নাই।
চোখের পর্দা থাকলে রাজনীতি করা যায় না।
অন্যায় করে অপরাধ করে ক্ষমা চাইলেই যদি সৃষ্টিকর্তা তাদের ক্ষমা করেন, তাহলে সে সৃষ্টিকর্তার মহানত্ব নিয়ে আমি সন্দেহ প্রকাশ করলাম
কিছু কিছু মানুষের জন্মই হয়েছে অন্যকে শিক্ষা দেয়ার জন্যে, তারা যদি নিজেদের অতীত থেকে কিছু শিখতো ......।
জীবন মানেই হারিয়ে ফেলা জিনিসকে খুঁজে যাওয়া
দুই নৌকায় পা (এনালগ ভার্সন) যতগুলা নৌকা ততগুলা পা (ডিজিটাল ভার্সন)
বাঙ্গালীর ধর্মানুভূতি হলো গরীবের সুন্দরী বিধবা। সর্বদা আক্রান্ত
বিপদে পড়লে কেউ কাউকে সাহায্য করে না
বরং বেশির ভাগ মানুষেরই চেষ্টা থাকে বিপদগ্রস্ত
ব্যক্তিকে এড়িয়ে চলার
সবাই নিজের স্বার্থ দেখে এ ভেবে, তার কারণে যাতে
আমার কোন বিপদ না হয়।





কেমনে কি হইলো বুঝলাম না। নিজের বক্তব্য কোট হইলো ক্যান??? রিভাইজড কমেন্টঃঃঃ
"বাঙ্গালীর ধর্মানুভূতি হলো গরীবের সুন্দরী বিধবা। সর্বদা আক্রান্ত"-----ব্যাপক অব্জার্ভেশন, তানবীরা আপু। "বাঙ্গালীর জাতীয়তাবাদ" ও কিন্তু একই কারনে আক্রান্ত।
যা বলছো শর্মি, শরীরে কাপড় না থাকুক, মাথায় ছাতা চাইইই
"জীবন মানেই হারিয়ে ফেলা জিনিসকে খুঁজে যাওয়া"---
আহা! এটাতো প্রায় কবিতা!
এটা হলো দুঃখ লব্ধ অভিজ্ঞতারে শর্মি। ঐ কামাল ভাই এক লেখায় বলেছিলেন, অতীতের জিনিসই খালি আনন্দময় মনে হয়
বাণী পছন্দ হয়েছে, এইটা সিরিজ হোক।
আবার কিছু বাণী পেটে জমুক তারপর আবার দিবো
বাণী ভাল্লাগছে।
তাহলে আমাকে মনে রেখো
ব্যাপক !!
চলুক ক্যাপ্টেন
দোয়া রাখবেন দাদাভাই
নো চিন্তা বাজি আপনি বিখ্যাত হন। আমি আছি
আর কয়দিন
হুমায়ূন আজাদের গুলির চাইতে পলিটিকালি কারেক্ট হইছে...ঐ লোকের অনেকগুলি প্রবচন আমার ভীষণ রেসিস্ট অথবা সেক্সিস্ট লাগে...
এ মনিহার কোথায় রাখি?
চোখের পর্দা থাকলে রাজনীতি, ওকালতি, ব্যবসা, কর্পোরেট বা মিডিয়ায় কাজ করা যায় না।
দারুন...চলুক
~
পর্দাটা কেটে ফেলার উপায় কি ভাইজান?
ল্যাসিক করাইয়াও মনে হয় এই পর্দা কাটা সম্ভব না।
সাধারনতঃ জন্মগত ভাবে পর্দা কাটা থাকে। তবে,রাজনীতি,ওকালতি, ব্যবসা,কর্পোরেট বা মিডিয়ায় জয়েন দিয়ে পর্দা কাটানো যেতে পারে। তাতেও না কাটলে যেকোন রিয়ালিটি শো তে +দান করলে অবধারিতভাবে পর্দা কেটে যাবে
~
হাসেন ভাই হাসেন। মানুষের দুঃখে চোখ টিপি দিয়ে হাসেন
একদম খাঁটি কথা। হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছি জীবনের এই কঠিন সত্যি।
আর কি বলবো, একটা গান শুনো
খাটি কথা। সবগুলাই কার্যকরী অবস্থাভেদে।
অবস্থাভেদে
হুমম, তাইই
ব্যাপক চিন্তার ফসল। না মাইনা উপায় নাই। মুখস্ত কইরা রাখতে হইব। সেরাটা তো দিলেন মন্তব্বে, “শরীরে কাপড় না থাকুক, মাথায় ছাতা চাইইই”
ইটা সিরিজ করা উচিৎ।
মন্তব্য করুন