বিপদসঙ্কুল বর্তমান, বালকবেলার স্মৃতিরে এলোমেলো করে দিয়ে যায়...
১.
সনাতন হতে হতে আমি গণিত ভুলেছি,
প্রকৃতিরে সর্বময় জেনে ভুলেছি অতীত।
তবে জানালায় মৃত্যুর সমন ঝুলতে দেখে
ভবিষ্যত ভাবি; নিয়মের ব্যতিরেকে,
লুকিয়ে লুকিয়ে, নিরাপত্তার সংকেত শিখি।
আমরা যদি রক্ষার নিয়ম শিখে যাই,
তাহলে কী কামে লাগে বলো দারোগা পুলিশ!
২.
গঙ্গীমার গল্প শুনাইছিলো সাদেকালী
চেটানো পাজরে তার মিলেছিলো রূপসী মায়ার
তরুণীরা। লোভ জয় করে সাদেকালী
ফিরে আসে মর্ত্তধামে; সে আবার ফসলের মাঠে যায়
নদী গহ্বরে সে সাহস করে নাই যৌবন বিলাইতে...
যেহেতু দুয়ারে কানতেছিলো সুর্য্য বানু।
বালকের স্মৃতিগুলি পুরাতন হলে,
দেখে নদীর বিদীর্ণ জলে ভাসে
ক্ষমতা অথবা অক্ষমের বিকীর্ণ ধরেরা
করোটির ভারে ডুবে গেছে মস্তিষ্ক, নয়ন
আর স্মৃতি। স্বপ্নে তার সাদেকালী হাসে...
"কইছিলাম না গঙ্গীমা টোপ ফালায়
কলিজার লোভে..."
৩.
যদি জিগাও, "গন্তব্য কতোদূর?"
আমিও লজ্জিত হবো সাদেকালীর মতোন
যেহেতু গণিত শিখি নাই উভয়েই।
তবে জানা আছে শয়তানের সাথে
চলে না আত্মার বেচাকেনা।
আমি বড়োজোর মিথ্যামিথ্যি বলতে পারি
"দুই ক্রোশ গেলেই পাবেন বলধারা বাজার,
তারপর মসৃণ মেঠোপথ সোজা হেটে গেছে
সাদেকালীর উঠানে, সেইখানে সুর্য্যবানু
লালটিপ পরা কিশোরীর সাথে চুরি করে
এক্কাদোক্কা খেলে।"
বাস্তবিক এতো সুখে কখনো ছিলো না তারা।





আহ দারূণ...
ভাল লাগলো।
চমৎকার
সনাতন হতে হতে আজ আমিও গণিত ভুলেছি । বাস্তবিক এত ভালো হয়না লেখা ।
"বাস্তবিক এতো ভালো হয় না লেখা" এই বাক্যতে লেখা ভালো হয় না বললেন? সমস্যাগুলি ধরাইয়া দিলে উপকৃত হইতাম।
ধন্যবাদ।
ভালো লেগেছে।
বাস্তবিক এতো সুখে কখনো ছিলো না তারা।
ভাস্করদার কবিতা পড়লে কবিতা লিখতে ইচ্ছে করে যদিও সেই ক্ষমতা প্রকৃতি আমাকে দেন নাই। কবিতা লিখতে গেলে খালি অ-কবিতা বের হয়
পড়বার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ...বড় হইয়া কবি হওনের শখ ছিলো, মধ্যবয়স পার হইতে হইতে মাঝেসাঝে সেই বাসনা পূরণ করতে কবিতা লেখার চেষ্টা করি। পাঠকের প্রেরণা আমারে শেষ বয়সের সম্ভাবনা দেখায়।
মন্তব্য করুন