ইউজার লগইন

আহসান হাবীব'এর ব্লগ

তোমায় পাবার আশায় তোমায় ভুলে থাকি

আহসান হাবিব
হাসনাবাদ আর্মি ক্যাম্প
২/৮/২০২১
গান/ তোমায় পাবার আশায় তোমায় ভুলে থাকি।

তোমায় পাবার আশায় তোমায় ভুলে থাকি
বিরহে তুমি বুঝবে সখা ভালোবাসা খাঁটি নয়কি ফাঁকি।
তোমায় পাবার ছলে তোমায় ভুলে থাকি

স্রোতের নদী বাঁধতে গেলে ফুলে ফেঁপে উঠে
কঠিনতম বাধ দিতে পারলেই স্রোতের গতি ঠেকে
যতই আমি বাঁধ দিতে যাই ততই আমি হারিয়ে যাই
ততই ভালোবাসা কি যে মধুর দেখতে পেয়ে আতকে উঠি একি।
বিরহে তুমি বুঝবে সখা ভালোবাসা খাটি নয়কি ফাঁকি।

দু-চার ঘন্টা যদি থাক দুরে কি যে ব্যাথা হয় বুঝাবো কি করে
মোবাইল স্ক্রিনে বারবার দেখি তোমার SMS এলো নাকি
কল বা SMS না পাই যখন, মর্ম যাতনা বাড়ে তখন
আমিই তখন লাজ লজ্জা ভুলে আবেগ গুলো লিখতে থাকি।
বিরহে তুমি বুঝবে সখা ভালোবাসা খাঁটি নয়কি ফাঁকি।

আমার না হইতেই ঘর ভেংগে গেলো

গান/ আমার না হইতেই ঘর ভেংগে গেলো
আহসান হাবিব
হাসনাবাদ কোরানটাইন বিল্ডিং
৩১/৭/২০২১

গান/ আমার না হইতেই ঘর ভেংগে গেলো

আমার না হইতেই ঘর ভেংগে গেলো ভুল বুঝারই ফলে
কোথায় যাব কোথায় রবো বাসা বাধবো কোনবা ডালে।

ছোট্ট ছোট্ট ভুলের মাশুল আজ পাহাড় সমান ভারি
আমিও কভু ছাড় না দিছি সেও করেছে আড়ি
এখন অন্তর জ্বালায় জ্বলছি আমি সে বা আছে কোন হালে
জানি সেও তো জ্বলছে মর্ম জ্বালায় এই ছিল মোদের কপালে
কোথায় যাব কোথায় রবো বাসা বাধবো কোনবা ডালে।

সকাল বেলা নীড় ছেড়ে যায় সকল প্রাণী খাবার অন্বেষণে
সন্ধায় আবার নীড়ে ফেড়ে আপন জনের টাণে
আমার আপন জন হাড়িয়ে গেলো,ফিরতে নারে
এ জনম কালে।
এ তো আমরা চাইনি কভু তবু কেন এমন হলো মোদের কপালে।
কোথায় যাব কোথায় রবো বাসা বাধবো কোনবা ডালে।

হেলায় ফেলায় যায় যে বেলা

আহসান হাবিব
হাসনাবাদ কোরানটাইন বিল্ডিং
৩১/৭/২০২১

হেলায় ফেলায় যায় যে বেলা সাঙ্গ হবে ভবের খেলা
আজ না হয় কাল বাজবে বাঁশি এই তো ধরনীর খেলা।
হেলায় ফেলায় যায় যে বেলা।

এতসাধের বাগান খানি রয়ে যাবে আছে যেমনি
তুমি শুধু থাকবে নাকো যতই আশা করে থাকো
আদরের ছেলে আদরের মেয়ে, স্বরণ করবে মাঝে
মাঝে দুএক বেলা।
হেলায় ফেলায় যায় যে বেলা।

তোমার যাবার পথের বাহন, যার যার বেলায় আছে যেমন
হয়েছে কি জোগার বাহনের খরচ, যার জন্য যেমন ফরজ
না হইলে পথের ধারে রবে পড়ে অনন্ত বেলা।
হেলায় ফেলায় যায় যে বেলা।

সকাল দুপুর গেল চলে গোধুলী চলছে এখন

গান/ সকাল দুপুর গেল চলে গুধুলি চলছে এখন
আহসান হাবিব
২৬৬/৩ শীতল ছায়া সোসাইটি
মানিকদী, ঢাকা সেনানিবাস

সকাল দুপুর গেল চলে গুধুলি চলছে এখন
হারকিন বাতি কুপি জ্বালাও রাতে হবে হবেই প্রয়োজন।
হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান হলো হারকিন বাতি কুপির উদাহরন
যার যা নিয়ে চলিবে পথ যখন আসিবে সখের মরন।
সকাল দুপুর গেল চলে গুধুলি চলছে এখন।।

গোধুলিতে এসেও মনে হয় আমার ধর্ম সত্য অপরের সব মিছা
বানিয়েছেন যিনি পারেন নিশ্চয়ই তিনি দিতে একই পথের দিশা।
আরো আছে নাস্তিক যত, চলে আপনা আপনা মত
হবে কি তাদের মরন আসিবে যখন।
সকাল দুপুর গেল চলে গুধুলি চলছে এখন

কত রকম খেলা তোমার বুঝার সাধ্য কি বল আমার
সাজাও সযতনে বাগান, আবার ইছামত দেও টান
ভাংগ তুমি গড়ও তুমি, ইচছা মত, চাও যাহা যখন যেমন।
সকাল দুপুর গেল চলে গুধুলি চলছে এখন।

হয় যদি সে পথ

আহসান হাবিব
হাসনাবাদ আর্মি ক্যাম্প
২২/৭/২০২১
আমি হইতে পারি মেঠো পথ বা পায়ে চলার পথ
হয় যদি সে পথ ওগো বন্ধু তোমার চলার পথ।
আমি যুগের পর যুগ বসে থাকবো চলার পথের ধারে
চেয়ে থাকবো পথের দিকে তোমার আসার তরে
আজ না হয় কাল আসবে তুমি আশায় রবো হইবো না কভু ব্যর্থ মনোরথ।
হয় যদি সে পথ ওগো বন্ধু তোমার চলার পথ।

ফুল ফুটিলে ভ্রমর আসে মধু খাবার তরে
তুমি ফুল হয়ে ফুটবে কখন, আমি চেয়ে রবো তোমার ফুটার তরে।
কত ফুল ফুটে নিত্য চিনবো কেমন করে
তোমার চুলের বেনীর গন্ধে চলেছি কত দিগংগনার পথ।
হয় যদি সে পথ ওগো বন্ধু তোমার চলার পথ।
খেয়ার নেয়ে হয়ে আমি করবো পারাপার
কোন বা নায়ে আসবে তুমি জানবো কেমনে উপায় কি চেনার
আলতা রাঙা পা তোমার শতদল হেন কত হেরেছি হইয়া ভীষণ মনোরথ।
হয় যদি সে পথ ওগো বন্ধু তোমার চলার পথ।

ঐ রেলস্টেশনে শুয়ে আছে যে মানুষগুলা

আহসান হাবিব
হাসনাবাদ আর্মি ক্যাম্প
১৭/৭/২০২১
গান/ঐ রেলস্টেশনে শুয়ে আছে যে মানুষগুলা
ঔই রাস্তার ধারে পথের পারে
ঔই রাস্তার ধারে পথের পারে, ঐ রেলস্টেশনে
শুয়ে আছে যে মানুষগুলা
আমার তোমার না হইলেও ওরা, এই দেশের সন্তান,
এই দেশের মাইয়া, দেশের পোলা।
ঐ রেলস্টেশনে শুয়ে আছে যে মানুষগুলা

ওরা ভিক্ষা করে,না খেয়ে থাকে, দ্বারে দ্বারে ঘুরতে থাকে
ঠেলা টানে মজদুরি করে, ওরা কাউকে না বকে কাউকে না মারে
কিন্তু এই দেশটাকে ভালোবাসার বেলায় ওরা সমান সমান বিন্দু মাত্র করে না হেলা।
ঐ রেলষ্টশনে শুয়ে আছে যে মানুষগুলা।

আমি তুমি জন্মেছি সোনার চামুচ মুখে দিয়ে
ওরা জন্মের পরে পায়নি খেতে, শুধু কেঁদেছে চিৎকার দিয়ে
ওরা অবহেলিত অনাকাঙ্ক্ষিত আনন্দের ফসল
তাই তো ওরা না খেয়ে থাকার দল,
সবাই ওদের ফেলে গেলেও ফেলেনি বাংলাদেশ করেনি হেলা।
ঐ রেলস্টেশনে শুয়ে আছে যে মানুষগুলা

তুমিও যেমন অহংকারী আমিও কম কিসে

আহসান হাবিব
হাসনাবাদ আর্মি ক্যাম্প
১৪/০৭/২০২১
গান/তুমিও যেমন অহংকারী আমিও বা কম কিসে

তুমিও যেমন অহংকারী আমিও বা কম কিসে
ভালোবাসার জায়গা নাই হেতা যদিও মরে বেবুজ মন ভালোবাসারই বিষে।
মনে মনে মন পুড়ে যায়, দর্শন গন্ধ না পাই
এই বুঝি ফোনটা বাজলো বলে ব্যাকুল মনটা সদাই
এপাশ ওপাস কোন পাশেই খবর নাই অহংকারেরই বসে।
তুমিও যেমন অহংকারী আমিও বা কম কিসে।।

গর্বের অহংকারে পাহাড়ে চড়বে নামতে পারবে না
অহংকারে তেতুল মিলবে কমলা জুটবে না
ছাড় দেয়ার অভ্যাস না গড়লে ভালোবাসা গড়ে না।
তাই বলি ব্যক্তিত্ব রাখ অহংকার ছাড় ভালোবাসায় হও বিলিন হারাও মিলেমিশে।
তুমিও যেমন অহংকারী আমিও বা কম কিসে।।

সেকেন্ড মিনিট ঘন্টা চলে যায় বছরের পর বছর
ভিতরে ভিতরে পুড়ে সারা তবু কেউ না নেয় কারো খবর।
টাকা আছে সন্মান আছে, আছে অহংকার, শুধু ভালোবাসাটাই হলো মিছে।
তুমিও যেমন অহংকারী আমিও বা কম কিসে।।

ওইরাত ছিল শুধু ভালোবাসার রাত

আহসান হাবিব
হাসনাবাদ আর্মি ক্যাম্প
১৩/০৭/২০২১
গান/ ওই রাত ছিল শুধু ভালোবাসার রাত।

ওইরাত ছিল ভালবাসার, কথা বলার, কাছে আসার রাত,
সে যে এসেছিল দক্ষিণা বারান্দায় যেন হুরপরি, দিয়ে ছিল সাথ।
ওইরাত ছিল শুধু ভালবাসার রাত।

আকাশেতে ছিল না পূর্নিমা, ছিল তারা নিহারিকা ছিল আবছা আলো আধারি
বাতাসে ছিল সুনসুন সুর, পাতায় পাতায় কি যে হিল্লোল, ছিল জোনাকির সারি
তারি মাঝে দুটি কপোত কপোতি যেন হারিয়েছিল করেছিল নিশব্দ কত বাত।
ওইরাত ছিল শুধু ভালবাসার রাত।

পাশে বহা পদ্মা, ধলেশ্বরী, বুড়িগঙ্গা বলেনি মোদের কিছু
উজান ভাটি ছিল না তাদের কি যে শান্ত আজি, ছিল পাহাড়ায়, ছিল মোদের পিছু পিছু।
জান হে বন্ধু, ওহে প্রিয়তম প্রকৃতিও চায়,মোদের মিলন হায়, রই যেন জনম জনম সাথ সাথ।
ওইরাত ছিল শুধু ভালবাসার রাত।

কেন য ঘুম আসে না

আহসান হাবিব
হাসনাবাদ আর্মি ক্যাম্প
৩/৬/২০২১

কেন যে ঘুম আসে না,এত রাত হয়ে গেল
, হাজার স্মৃতি মনে আসে,শুধু দু চোখে ঘুম আসে না।
ঘুৃম আসে না, ঘুম আসে না,দু চোখে ঘুম আসে না।

শুয়েছি সেই সে কখন, সারা দুনিয়া করেছি ভ্রমণ
শুধু এপাশ ওপাশ করে বেড়াই, কোন কিছু খুঁজে না পাই
কি খুজি কারে খুজি, মনে হয় এই পেয়েছি
কি করে পাব তারে, কি খুজি নিজেই জানিনা।
ঘুৃম আসে না, ঘুম আসে না,দু চোখে ঘুম আসে না।

প্রায়শই শুবার পরে, মাথাটা যায়গো ভরে
কেন এ দুনিয়ায় এলাম, আসার আগে কোথায় ছিলাম।
আবার তবে কোথায় যাব,সেখানে কি বা খাবো
আজব আজব চিন্তা যত, করে আমায় ক্ষতবিক্ষত
যতই চাই মুক্ত হতে,পারি আর পারি না।
ঘুৃম আসে না, ঘুম আসে না,দু চোখে ঘুম আসে না।

বন্ধুত্বের জয় হউক

আহসান হাবিব
হাসনাবাদ আর্মি ক্যাম্প
৩১/৫/২০২১

বন্ধুত্বের জয় হউক//

বন্ধু তপন ভারসেটাইল গুনের অধিকারী। তাই রুয়েট ৮৫ সিরিজের বন্ধুরা আদর করে নাম দিয়েছি তপোবন।
সবাই এই গ্রুপে বন্ধু হলেও, কেউ হয়ে গেছে মামা, কেউ বড় ভাই, কেউ শালা কেউ দুলভাই এ এক আজব গ্রুপ।
কারো নামই মনে হয় আর অক্ষত থাকবে না। এই ভয়ে ইতিমধ্যে অনেকের চোখ ও নাকের পানি বইতে আরম্ভ করেছে।।

এদিকে ভুল বাটনে চাপ পড়ে মালেক মামার গ্রুপ থেকে নাম ডেলিট হয়ে গেছে,আর তাতেই ঘটেছে বিপত্তি। মালেক মামার নামে শোকজ থেকে আরম্ভ করে আরো কতকিছু।
মালেক মামা গ্রুপ থেকে চলে গেলে আমাদের সকলেরই ক্ষতি। মালেক মামার আশুলিয়ায় বাগান বাড়ির আম, জাম,কাঠাল সাবাড় করতে একটু সমষ্যাই হবে। তাই অত্তসব।
আমি ছাপোষা মানুষ থাকি নিরিবিলি। টুকটাক লিখি। ভাবলাম মালেক মামার পক্ষে কিছু লিখি।

এই দুনিয়া সরাই খানা

আহসান হাবিব
হাসনাবাদ আর্মি ক্যাম্প
৩০/৫/২০২১

এই দুনিয়া সরাই খানা//
এই যে দুনিয়া সরাই খানা কদিন থাকবো আর
আইতে না আইতেই যাবার জন্য হইতে হয় তৈয়ার
আমার সাধ না মিটিল আশা না পুরিলো এই রঙের দুনিয়ায়
এটা করতে বাকি ওটা করতে বাকি কোনটা করবো আর।
আইতে না আইতেই যাবার জন্য হইতে হয় তৈয়ার

শীশুকালের শিশুতোষ স্মৃতি, মনে পরে অল্প অতি
কিশোর কালটা গেল কবে টেরই পাইলাম না
যৌবন কালের রঙের ঘোড়া বানতে চাইলেও ছুটছে তেরা
যৌবনের কালের রঙিন জীবন ফুরুত কইরা হইয়া গেল পার।
আইতে না আইতেই যাবার জন্য হইতে হয় তৈয়ার

যখন পড়লাম ভবের মায়ায়, দেখি পাক ধরেছে চুলের গোড়ায়
সুরের রাজ্যে সন্তরণ করি, কি যে সাদ আহা মরি মরি
সাহিত্যের শাখায় বিচরন করি প্রেমে পড়েছি কারি কারি
আরো কত কিছু করতে বাকী কয়টা বলবো আর
আইতে না আইতেই যাবার জন্য হইতে হয় তৈয়ার

যখন চালাই সাধের গাড়ি, মনটা চায় যেন হাওয়ায় উড়ি

রঙের ঘোড়া

আহসান হাবিব
হাসনাবাদ আর্মি ক্যাম্প
২৬/৫/২০২১

রঙের ঘোড়া।

রঙের ঘোড়া বলছো তুমি, বল রং কি কভূ শেষ হয়
বয়সটা ৫৩ হলেও মনে টিন এজের বাতাস বয়।

বাদল মামার সাহস ভীষন দিল খোলে কথা কয়
আমরা তার লেজ টেনে ধরি এটা মোদের পরাজয়
মনের ঘোড়ার তেজ কমে না কভূ, সদাই যৌবন রয়
বয়সটা ৫৩ হলেও মনে টিন এজের বাতাস বয়।

পুকুর পাড়ে নদীর ধারে টিন এজের ভীরে হারিয়ে গেলে
নিজের বয়সটা যাই যে ভুলে, মন চায় কারো দেখা মেলে
হাওয়ায় হাওয়ায় রঙিন হাওয়ায় কত স্বপন বয়
বয়সটা ৫৩ হলেও মনে টিন এজের বাতাস বয়।

সে কি জানে

আহসান হাবিব
হাসনাবাদ আর্মি ক্যাম্প
২৯/০৫/২০২১
সে কি জানে//

আমি যার তরে থাকি জেগে সেকি এসব জানে
কে জানে কে জানে
আমি যে স্বপন দেখি, ব্যাকুল হয় যে দুটি আখি
বল, বলগো কেউ তার কানে কানে
সে কি জানে?
কে জানে কে জানে।

একটি নয় গো সাতটি আকাশ, শন শন বয় বিরহ বাতাস।
আমার হৃদয়ের গানের সুর, হারিয়ে যায় কোন সে সুদুর
তার বিরহে আমার নিঃশ্বাস, বন্ধ হয় যে থাকি থাকি।
সে কি জানে।
কে জানে কে জানে।
এই যে এই নিশুতি রাতি, সুনশান নীরবতা অতি
মাঝে মাখে ঝি ঝি পোকা, কার বিরহে গাইছে একা
যাও গো ঝি ঝি বল তারে, বিরহ আর সইতে নারে
বল বলো গো তার কানে কানে
সে কি জানে
কে জানে কে জানে।

ওরে ও সুন্দরী

আবুল হোসেন
মানিকদী
ঢাকা সেনানিবাস
২০২১.০৫.১৩
<ওরে ও সুন্দরী >

ওরে ও সুন্দরী পিছন ফিরা চা
রাগ করে আর থাকিস না কলিজা ছিড়া যা।

কি আটা আছে তোরি মাঝে, খুইজা বেড়াই সকাল সাঁঝে
যাইতে চাই দুরে যখন হেচকা টান মারিস তখন
দড়িও দিখি না সুতাও দেখিনা চেষ্টা করি খামাকা
রাগ করে আর থাকিস না কলিজা ছিড়া যা।

তাইতো সবি ছাইড়া দিছি, আছি আছি শুধু তোরি আছি
শত জনমের কথা দিলাম, তোমাতে আজ বিলিন হলাম
কলিজা ছিড়ে দেখাতে পারি দেখবি যদি আ।
রাগ করে আর থাকিস না কলিজা ছিড়া যা।

আবেগ

আহসান হাবিব
সিরাজগঞ্জ পাওয়ার প্লান্ট
বৈশাখ,০৩,১৪২১

কবিতাঃ আবেগ

এত আবেগ ঢেল না
আমি ডুবে যাব,
আর তুমি-
সেই সে ভয়ে
নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়া
আমার আবেগের সীমানা থেকে।
কিন্তু পেরেছে কি?
ভেবে দেখ।

অন্য আর একজন
চায় শুধু চায়...আবেগ।
ঢালো আবেগ
আরো ঢাল
আবেগে
আমাকে ভাসিয়ে নিয়ে যাও
ডুবিয়ে দাও
দিগন্ত প্রসারিত দু বাহু ভরে
তত টুকু আবেগ দাও
যা সমুদ্রের থেকেও গভীর
যে সমুদ্রে আমি সন্তরণ করব
কখনও ডুবে যাব।
আকাশের থেকে উঁচু
যেখানে আমি মনো হাওয়াই জাহাজে উড়ে বেড়াব।
দিগংগনা হতে দিগংগনায়।
ঝরনার চেয়েও স্বচ্ছ সরোবর
যেথায় হংস হংসী হয়ে জলকেলি করব
নিঃশ্বাসের চেয়েও হবো প্রিয়।
সেই সে তপ্ত নিশ্বাসে
আপন মনে তাপিত হব
যাপিত হব
হিমালয়ের চেয়েও শক্ত হবো।
যাতে দুজনা দুজনাকে
এমননি ভাবে বেঁধে নিব
জনম জনমতক হব নাকো...।
-সমাপ্ত-