বেরঙ্গীন দিন যাপন!
পোষ্ট দেয়ার মতো তেমন কোনো ইস্যু নাই। গল্প কবিতা গবিতাও আমার দ্বারা হয় না। কখনো চেষ্টাও করি নাই। অথচ বেশীর ভাগ বয়স্ক ব্লগাররাই কত অসাধারন সব গল্প কখনো না কখনো লিখবেই যার সৌভাগ্য আমার কখনো হয় নি। আমার খুব ভালো বন্ধু নুর ফয়জুর রেজা। সে গত চার মাসের সামহ্যোয়ার ব্লগার। তাকে দেখে হিংসা হয়। আসক্তির মতো সে ব্লগিং করে। যা আমরাও করছি। ব্লগের বাইরে দুনিয়ার কথা কিংবা ফেসবুকে সময় নস্টের কথা ভাবতেই পারতাম না। কিন্তু এখন ফেসবুকেই বেশী ভালো লাগে। লাইক ডিস্ট্রিবিউশন ও স্ট্যাটাস শেয়ারের মধ্যেই আনন্দ খূজে পাই। সেই রাত জেগে ব্লগিং করে ঘুম থেকে উঠেই পিসির সামনে দৌড়ানো ভার্চুয়াল কিবোর্ড দিয়ে মন্তব্য করা, ছাগু তাড়ানো কত কিছু করতে হয় এই সামু আসক্তিতে। আমি অবশ্য তেমন যুতের কোনো ব্লগার ছিলাম তাও যারা ভালো লিখতো ভালো ভাবতো তাদের সমমনা বন্ধু ছোটভাই ছিলাম এই টুকুতেই আনন্দ। সেই সময়টাকে খুব মিস করি। এখনো নানান ব্লগে কত অজস্র ব্লগার যাদের কাউরেই আমি চিনি না তখন নিজের কাছেই খুব খারাপ লাগে। সময়ের সাথেই সাথেই কত কিছুই বদলে যায়। এখন এবিতে পোষ্টাই মাঝে মধ্যে কমেন্ট করি এইটাকে ব্লগিং বলা চলে না। স্রেফ সেই সময়ের কিছু কাজের রিপিট করি মাত্র। তবে ভালো হোক মন্দ হোক অনেক পোষ্ট দেই যা সামুতে একেবারেই দিতাম না। নিজের দিন যাপন গ্লানি পরাজয় হতাশার কথা অকপটে লিখে ফেলি। তবে এখন সময় পেলেই সামুতে লগ ইন করি। প্রিয় বন্ধু নুর ফয়জুর রেজার পোষ্ট গুলাতে কমেন্ট করে আসি। বন্ধুর জন্যই এই হারানো জিনিসের প্রতি ভালোবাসা। তবে সব চেয়ে ভালো লাগে যখন লগ ইন করি নিজেকে ২০০৭ সালের শান্ত মনে হয়।খুজতে থাকি পুরানো ব্লগারদের। মনে হয় রাশেদ ভাই, বিমা ভাই, মানুষ ভাই, নাদান ভাই, মুকুল ভাই, মনের কথা ছায়ার আলো আরও যারা ছিলো এদের নতুন লেখা কমেন্ট পড়ার জন্য কি আকুতি। তখন তো নেট এতো দারুন স্পীডের ছিলো না। ইস্নিপ্সের একটা গান শোনার জন্য ৩০-৪০ মিনিট ওয়েট করা কোনো ঘটনাই ছিলো না। একেকটা জিনিস ফলো করতে করতে সময় চলে যেতো অফুরান। কি আর করা এই সব যাবর কেটে কোনো ফায়দা নাই। কারন সব ভালো কিছুই চলে যায় যেতেই থাকবে। আর ব্লগ নিয়ে বলতে শুরু করলে কত নাম কত মানুষ কত কিছুর কথা বলতে হবে সেই ঝামেলায় গেলাম না আর। জাহান্নামে যাক। ব্লগিংরে সিরিয়াসলি নেয়ার কিছু না নিলেই বিপদ।
যাই হোক এবার দিনলিপি উপস্থাপনের পালা। সিম্ফোনীর এন্ড্রয়েডটা বাকীতে কিনে ভালোই করছি। টাচটা দারুন। আর নানা স্মার্টনেসে মুগ্ধ হই। তবে সমস্যা একটাই টাইপ করতে। সুপ্রিয় রমজান ভাইয়ের বুদ্ধিতে মায়াবী কিবোর্ড ইনস্টল করলাম তাতে বাংলা লেখা যায়। কিন্তু টাচে টাইপের হাত খুব স্লো। নোকিয়া সি টু দিয়ে যে ব্লগ টগ সমানে লিখছি সেই তুলনায় এইটা দিয়ে দুই লাইনের একটা স্ট্যাটাস দিতেই শরীর ব্যাথা শুরু করে। জীবন থেকে ১৫ মিনিট হারিয়ে যায়। তাও হাল ছাড়ি নাই। কারন বেকারদের হাতে অফুরন্ত সময়। একদিন নিশ্চয় স্মার্ট ফোনেও হাত পাকিয়ে ফেলবো সমানে এবিতে পোষ্টাবো। যাই হোক কোরবানীর ঈদ খুব দ্রুতই এসে পড়লো। সময় কত দ্রুত যায়। চোখের সামনে দিয়ে দুটো মাস চলে গেলো আমার কোনো কিছুই করা হলো না। প্রতিবার বাড়ী থেকে এসে প্ল্যান করি হ্যান করবো ত্যান করবো আসলে কিছুই হয় না। হয়তো হবেও না সামনে আমার কিছু। লোকজন আমার এই মেজাজ খারাপ দুঃখী ভাব নিয়ে খুব তামাশা করে আমি কিছু মনে করি না। কারন অন্য সবার মতো মুখোশ বা সান্তনা নিয়ে চলি না আমি। যখন খারাপ লাগে তখন তা বলতে বাধা কোথায়। যখন ভালো দিন যাবে অনেক হাসি খুশী থাকবো তখনো ভালো থাকার কথাই বলবো। এই মোহাম্মদপুর থেকে গত দুই দিন কমলাপুর গেছি লাইনে দাড়াচ্ছি কিন্তু টিকেট পেলাম না। বাসে করে জ্যামে অতিষ্ট হয়ে বাসায় আসি গোসল করে চারটা খেয়েই ক্লাসে যাই। সেখান থেকে ফিরেই চায়ের দোকান। এই ভাবেই দিন কেটে যায়। আগামী তিন দিন ক্লাস নাই এই তিনদিনই আমার শান্তি। অনেক সময় পাওয়া যাবে। বাইরে বাইরে কোনো কাজ ছাড়া ঘুরা যাবে। টিভিও দেখা যাবে ইচ্ছেমতো। যদিও ডীসের লাইনটা ভালো না। বিলও দেই না। বাসায় থাকলে দরজা নক করলেই মনে হয় ডিসওয়ালা আসলো। বারবার বলার পরেও তিনি লাইন ঠিক করেন না। খালি বিল নিতে আসেন তাই বিল দেয়াই বাদ দিছি। দেখা যাক কি হয়। তবে সেই বেটা বেশী বিল বিল করলে বলবো লাইন কাটো দরকার নাই। বাসাটা শেখেরটেক হবার কারনেই মাইরটা খাইছি নয়তো মুহাম্মদপুরের যেকোনো দিকে থাকলে কত লাইন লাগানো যেতো বিলও নিতো হাফ। কিন্তু শেখেরটেকে লাইন একটাই তাই পড়ছি বাটে। তবে বিল দেয়া ছাড়া জিরজির করা টিভি দেখেই আমি খূশি। মামা ভাগীনা মিলে সিনেমা দেখি টকশো দেখি গান শুনি খারাপ যায় না রাতের ঐ অংশটুকু। এরপর পিসিতে বসে দেশ জাতি উদ্ধারে নেমে যাই। এখন সকালে উঠি না আগের মত। তিনটার দিকে ঘুমাতে যাই। বিছানায় পিঠ ঠেকিয়ে এন্ড্রয়েড চালাই ল্যানস্পিটার এংরীবার্ড খেলতে খেলতে চারটা সাড়ে চারটা বাজে। ফজর না পড়েই ঘুমিয়ে পড়ি। উঠেই দেখি বাজে সাড়ে দশটা। আমার আম্মাজান জানে না আমার এই অধ পতন জানলে বিপদেই পড়তাম। বাড়ীতে গিয়ে এমন হলে বলবো রাতে ঘুমাইনাই তো আম্মু তাই দেরী হয়ে গেলো এমনি তে তো সবসময় আমি ভোরে উঠেই দেশ জাতি উদ্ধার করি। কত বড় মিছা কথা। মিছা কথা বন্ধুদের সাথে বলি না যা বলি মামা আম্মু আব্বুর সাথেই বলা হয়। তাও বলা উচিত না। কিন্তু এতো উচিত ভেবে লাভ কি? যখন যা ভেবে পরিস্থিতি সামলানো যায় তখন তাই বলি। আমি তো আর বড় পীর জিলানী না যে ডাকাতের সাথেও সত্য কথা বলবো। এই মিথ্যা অর্ধসত্য এই সব বলেই দিন চলে যায়। বেরঙ্গিন সব দিন গুলো। পাপের দিন গুলো! সুরঞ্জিতের মতো নিস্পাপ হতে পারলাম না আর!





আরীঈঈঈঈঈঈঈঈএ
লেখা তো চমেতকার হইছে।
থ্যাঙ্কস ভাইয়া। ভালো থাকবেন শুভকামনা!
আপনার লেখা ভালো পাই খুব!~
বরাবরের মতোই হিংসা দিলাম
আহা আপনাদের মতো প্রতিভাবানরা যখন এই বেকুবরে হিংসা করে নিজেরে তখন স্টিভ জবস বলে মনে হয়!
সিম্ফোনীর কোনটা নিছো?
এক্সপ্লোরার ডাবলু টেন চরম সেট খালি র্যামটা কম নয়তো গ্যালাক্সীর মতোই পুরা। টাচটাও জটিল। খুবই ভালো সেট কিনতে পেরে মনটা আমোদে আছে!
ভালাই আছেন সুখ দুস্ক নিয়া মিয়াভাই
আপনারে এই তল্লাটে মুসাফিরের বেশে দেইখা খুব ভালো লাগলো!
ভালো থাকেন বড়ভাই!
দিন চলুক এভাবেই। কি লাভ ভেবে এত কিছু। তবে সুরঞ্জিতের মত নিষ্পাপ হওয়ার চেয়ে পাপী হওয়াই ভালো।

আমাকে দেখে হিংসা কইরোনা। ব্লগে আসক্তি ভালো জিনিস না। কাজ-কর্মের ক্ষতি।
এতো লাভ ক্ষতির হিসাব কষে লাভ নাই। যে টুকু সময় ব্লগে থাকবেন মন দিয়া ব্লগিং করো। আর তুমি ডিপজলের সিনেমার মতোই কাজের মানুষ। কাজ থাকলে সব কিছুই বাদ দিয়ে দিবা আশা রাখি!
লেখাটা ভালই লিখেছেন। আপনার এন্ড্রয়েড ফোনখানির একখানা পূর্ণপ্রস্থ ছবি দেখিতে পাইলে মন্দ হইত না।

ব্লগে এতো রিয়েল লাইফ ফ্রেন্ডের আনাগোনা দেইখা মনটা খুশীতে ভরে উঠলো। এই সব বাল ছাল লেখা পড়তে আসেন শুধু বন্ধুত্বের কারনেই তো।
ভালো থাকো সব সময়!
বয়স হলে তুমিও লিখতে পারবা শান্ত
দেখা যাক কত বয়সে লিখি। আপনি লিখেন বেশী বেশী!
টাচ সেট ভাল্লাগে না।
ইদানিং সনির এক্সপেরিয়া দেখে কিনতে মঞ্চায়, পকেটে পাত্তি নাই।
টাকা জমলেই খালি গেম কিন্যা ফেলি!!
শেষ লাইনটা সেরাম হইছে!
সিনেমা টিভি সিরিজ এই সব নিয়েই ভালো থাকো। সেট কিনে কি হবে?
ভালো থাকো
'' এখন এবিতে পোষ্টাই মাঝে মধ্যে কমেন্ট করি এইটাকে ব্লগিং বলা চলে না। স্রেফ সেই সময়ের কিছু কাজের রিপিট করি মাত্র। '' --- এই জিনিসটা আমার মাঝেও কাজ করে... সামুর সেই উত্তাল দিন গুলা খুব খুব মিস করি...।
কী আর করা ভাই!
যে দিন গেছে সেদিন কি আর ফিরিয়ে আনা যায়!
টাচ স্ক্রীন কেন জানি মনে ধরে না আমার, কী'ওলা ফোনই ভাল্লাগে!
আমার বাসার ডিসের লাইনের হালও ঝিরঝিরা! ভাইয়ে উদারতা দেখায়ে ৫মাসের বিল আগাম দিয়া রাখছে, লাইনম্যান এখন ওর ফোনই ধরে নাহ!!
অপলকে মিথ্যে বলতে পারা, মুখোশ পরা আপ্নাতেই শুরু করবা বড়ো হইলে, আর তখন দারুন ব্লগ কেন কথার তুবড়িও ছুটাইতে পারবা!
টাচ আমারও ভালো লাগে না। কিন্তু এতো সস্তায় এতো দারুন ফোন আর কেউ দিবে না। ইউটিউব টা বন্ধ নয়তো এই সেট নিয়ে আরও কিছু কথা বলা যেতো।
গত ৮ মাস ধরে বিল দেই না লোক আসে কই লাইন ঠিক করেন আগে। লাইনটা একদম খারাপ। খালি কোনোরকমে বাংলা চ্যানেল আর দু তিনটা হিন্দী চ্যানেল দেখা যায়। খেলাধুলা কিছুই দেখা হয় না। গত দুই দিন ডিস নাই।
দেখা যাক আর কত বড় হই। আপনার কমেন্ট পাইলে বড় খুশি লাগে আফটার অল আপনার ঝাড়ি খায়াই তো এই ব্লগে লেখা শুরু!
লেখার ফিনিশিংটা বেশ চমৎকার হইছে।
শিরোনামটাও মনে ধরার মতো।
লেখাটায় সামুর কথা আসাতে আমিও কিছু্ক্ষণের জন্য নস্টালজিক হয়ে পড়লাম....অদ্ভুত সে সময়!!!
শেখেরটেকের ডিশ লাইনের করুণ অবস্থার কথা আমার চেয়ে মনে হয় ভালো কেউ বলতে পারবে না
...জীবনের অতি বিচিত্র এক সময়ে তারা আমারে সময়ে সময়ে অতি বিচিত্র সব যন্ত্রণা উপহার দিছে... কিন্তু আমি যত দূর জানি লাইন তো দুইটা থাকার কথা...একটা হচ্ছে স্কাই ক্যাবল, আরেকটা ভুইলা গেছি
যাই হোক দিনলিপি চলুক......চলুক ব্যাচেলর জীবনের গল্প বলা....
আপনার স্মরন শক্তি প্রখর। কোন কালে শেকেরটেকে খালার বাড়ী ছিলো তার ডিসের লাইনও মনে রাখছেন। এখন লাইন একটাই স্কাই ক্যাবল। জঘন্য অবস্থা পুরো।
আপনার তো নষ্টালজিক বেশি হবেন কারন। অজস্র কবিতা লিখছেন কতো মানুষের কত ভালো লাগার অনুসঙ্গ আপনি। কত লোকজন চিনে আপনাকে। সেই ২০০৯ সালে সাজিয়াপুর বাসায় গেছিলাম। সবাকের সাথে দেখা। বড় খুশী। তখন সে বললো রাতিফের কারনেই আমার কবিতা লেখা। তখন আমার মনে হইছিলো কত চমতকার জিনিস লোকজন কবিতা লিখে আপনাদের জন্য। সেই সময় আসলেই দারুন।
ভালো থাকেন ভাইয়া। কস্ট করে এসে পড়ে যান সেই জন্যেই তো এতো আজাইরা জিনিস লিখে যাই লিখবো সামনেও!
শান্তর লেখা পড়ার ভালোলাগাই অন্যরকম। এত ভালো লেখ তুমি!
সামুর দিনগুলো খুব মিস করি। আবার এমন দিন যদি ফিরে পাওয়া যেত!
তুমি রিয়েলি গ্রেট । আমি ফোন দিয়ে দৃইটা কমেন্ট লিখতে আমার হাত ব্যথা করতেছে ।
এই রাত বিরাতে বড় লোক এলাকা থেকে কমেন্ট করার জন্য ধন্যবাদ। আপনাদের এই অহেতুক ভালো লাগায় মুগ্ধ হই। বেকার মানুষ সময় আছে লিখবো!
ভালো থাকেন আপু। হাতের স্পীড বাড়ান দেখবেন আইফোনে ঝড় তুলতেছেন। দেখা হবে বিজয়ে!
মোবাইলে টাইপ করে কিছু পোষ্ট করার কথা ভাবতেই পারি না !
সামনে ইচ্ছে আছে ঈদের বন্ধে বাড়িতে বসে এন্ড্রয়েডে পোষ্ট দিবো!
জনগনের জায়গা থেকে লেখতে পারাটা কিন্তু ভিষন যোগ্যতার... আর সেইটা তোমার আছে...
থ্যাঙ্কস ভাইয়া।
সুখে শান্তিতে দিন কাটান!
নিজের নাম দেখে সামুর পুরনো দিনের কথাগুলা কিছুক্ষনের জন্য মনটা উতলা কইরা দিলো। দিনে পনের ঘন্টারও বেশি ব্লগিং করছি এমন দিন গুনেও শেষ করা যাবে না। শান্তরে আমরা আদর কইরা চান্ত ডাকতাম। পুলাটা তখন বেশ ভোলাভালা ছিলো, সারাদির ব্লগে পইড়া থাকতো, সমানে কমেন্টে আড্ডাইতো। কি দিন ছিলো রে
সেই দিনগুলো সব বাঘে খাইলো। কত কত গানের লিরিক্স মুখস্ত হইছে শুধু মাত্র আপনার পোষ্ট পড়ে পড়ে। মাঝরাতে বসতে পারতাম না এই কারনে কত আড্ডা মিস করছি কি যে মন খারাপ হতো সকালে। খালি ভাবতাম টাকা জমিয়ে ল্যাপ্টপ কিনবো একদিন তখন রাত জেগে নিজের রুমে ব্লগিং করবো। সেই দিন সেই সময় গুলো আচমকাই চলে গেলো!
ভালো থাকেন ভাইয়া। হাজারো শুভকামনা!
আগে কি সুন্দর দিন কাডাইতাম !! এত স্মৃতিপার বেদানা না খাইয়া বর্তমানটাকেই এনজয় কর।
তোমার লেখা বরাবরের মতই সুস্বাদু হইছে
থ্যাঙ্কু চ্যাঙ্কস। দেশে আয়া পড়ো আর কত?
বেদানা খাই না জাবর কাটি!
মন্তব্য করুন