ইউজার লগইন

অনিবার্য অলসতার দিনকাল

শরীর জুড়ে ক্লান্তিময় বিষন্নতা। তাও ভাবলাম লিখে ফেলি পোস্ট। পোষ্ট লিখলেই কাজ শেষ নয়তো মনে হয় ব্লগে লিখলাম না কেনো। ব্যাসিকেলি আমি অলস লোক না। ঘুমাতে অতো বেশী ভাল্লাগে না। কেউ কোনো কাজ দিলে আর আমি তা করতে পারলে মানা করি না। নিজের পকেটের পয়সা খরচ করেও অনেকের অনেক কাজে নেমে গেছি। তাই বলা যাবে না আমি অলস। তবে আমি নিজে অনুভব করি যে আমি খুব অলস। নয়তো এই চায়ের দোকানে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকা কোনো নরমাল মানুষের জন্যে সম্ভব না। এমন না যে সব সময় অনেক লোকজন থাকে। এমন অনেক সময় গেছে যখন আমি আর চায়ের দোকানদার বাদে কাক কুত্তাও নাই। বসে আছি আছি তো আছিই একটানা একি ভাবে। এই অন্তহীণ অলস সময় গুলো আমি অন্য কিছু করলে নিশ্চই অনেক কিছু হয়ে যেতো। শুধুমাত্র বাসা থেকে পড়াশুনাটা করলেও অনেক গুলা বই শেষ করা যেতো, যা অনেক দিন আমার আলমারি হীন ঘরে ফ্লোরে পড়ে আছে।

আজ সারা সকাল আমি বাসায় ছিলাম। দেরীতে মানে নটায় ঘুম থেকে উঠলাম। কোনো ব্যাস্ততা নাই, চায়ের দোকানই নাই তাই দারুন একটা সকাল। বসে বসে নেটে পত্রিকা পড়লাম। চা বানালাম। দেখি চা পাতি দিয়ে চা বানানো এখনো ভুলি নাই। মামাকেও খাওয়ালাম খারাপ না সাথে বিস্কুট। এই ফেসবুক ব্লগে লোকজনের মতামত কথাবার্তা হজম করলাম। তারপর আবার চা বানালাম। এবার হলো আর দুর্দান্ত। মনে হচ্ছে আমি সেই ২০০৩ সালের শান্ত। তখন বাইরে চা খাওয়া যাবেনা বাসায় চা মাত্র দু তিন কাপ। তাই এতো কড়া চা বানাতাম চা খেতেই লাগবে ৩৩ মিনিট। ব্যাপক তিতা! চা বানিয়ে কিছুসময় গান খোজার চেষ্টা করলাম। দেখি ইন্টারনেটে গান এতো কম। কত অজস্র গানের লিঙ্ক আমি খুজি কিন্তু পেয়ে উঠি না। আর আগে ইউটিউবের কারনে গান খুজে না পেলেও ভিডিও দেখে কাজ চালাতাম। কিন্তু মুসলমান মুমিনদের দেশে ইউটিউব বন্ধ এ বড়ই মুসিবত। এই চিন্তা ভাবতে ভাবতেই পুলকের ফোন। 'শান্ত ভাই আপনারে না দেখলে ভালো লাগে না, কতো অজস্র সকাল আপনি চায়ের দোকানে এসে কল দিয়ে ডাকদিতেন, দিনগুলো মনে হয় সব চলে গেলো নান্নূও নাই আপনেও নাই'। আমি আবেগপ্রবন মানুষ অতি সহজেই প্রভাবিত হই। বের হলাম হাটতে হাটতে আসলাম দেলোয়ারের দোকান। দেলোয়ার চায়ের দোকানদার ছিলো তার আগে ছিলো ড্রাইভার। মধ্যে কিছুদিন তিনি হোটেলের ব্যাবসা করছেন। কিন্তু এখন তিনি লেগুনা সার্ভিসের ধান্দায় বিজি। নান্নুর দোকান অফ তাই তিনি আমাদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে বন্ধ থাকা দোকান খুললেন। আমি আর পুলক অনেক দিন পর তার দোকানে বসে চা গিললাম। তবে ভালো লাগছিলো না। প্রথমে ভাবলাম চলে যাবো। পরে ভাবলাম দেরী করে আসছি বসি। দেলোয়ার সাহেবের বয়ান শুনলাম। তার পালায়া বিয়ে করা এবং সাভারে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকার দিনগুলোকে নিয়ে ভালোই বললেন। আসলে প্রত্যেক মানুষের বারবার বলার মতো কিছু স্টোরী রেডি হয়। প্রথমবার যখন শুনবেন দারুন লাগবে কিন্তু বারবার শুনতে শুনতে আপনিও স্টোরীটার একজন ভক্ত হয়ে যাবেন। পুলকের বাসা থেকে কি মসলা জানি ভাঙ্গাইতে হবে। আমি বললাম চলেন দুজনে মিলেই চলে যাই। বাশবাড়ীর যে বস্তি তার অপোজিটেই দোকান। বাশবাড়ীর বস্তিটা এক আজব জায়গা। দিন যতো যাইতেছে এই বিশাল বস্তিটা ততো ছোটো হচ্ছে। চানমিয়া হাউজিং কিংবা হাউজিং লিমিটেডের এই যে এক্সটেনশন তা হচ্ছেই বাশবাড়ী বস্তি উজার করে। সেই উজার করার জন্য বস্তি আগুনে পোড়ানো হয়। ছাত্রলীগের যুবলীগের উঠতি নেতাদের দিয়ে দখল নেয়ানো হয়। খুব দ্রুত গজিয়ে উঠে একেকটা সাততলা বিল্ডিং। এইভাবে চলতে চলতে এককালের বিশাল বস্তি এখন খুবই সরু একটা তিন সারি ঘর নামের কলংকে পরিনত হইছে। ছোটোবেলায় সিনেমায় দেখতাম নায়ক মান্না জসিমরা বস্তিতে থাকে। বস্তি বাচাতে গিয়েই নায়িকার বাবার সাথে তার লড়াই। কিন্তু বাস্তবে লড়াই নাই কোনো নায়কের। নাই কোনো সিনেম্যাটিক নায়িকাকে বিয়ে করে বিশাল অট্টালিকায় থাকার গল্প। যেখানে ছিলাম আর কি মশলা ভাঙ্গাতে গিয়ে দেখি পাশে লেইদ মেশিনের ওয়ার্কশপ। দশ বারো বছরের শিশুরা কাজ করছে আর আলুর দম কিনে খাচ্ছে। অথচ আমি আর পুলকের কত রাজকীয় খানাদানার আয়োজন। পুলক আমার জন্যে জিলাপী আর গরম সিংগারা আনছে তা খেতে খেতে আমি দিশেহারা। এই শিশুদের কি পরিমান ভারী কাজ করতেছে, কি নির্মম পরিশ্রমের একেকটা দিন খাচ্ছে নোংরা ভাবে বানানো আলুর দম। আর আমি সারাদিন বসে বসে ফেসবুকে ডায়লগ কপচাই, কি এক এমবিএ নামের ছাতা মাথা করি আমার কি আয়েশী জীবন। রিক্সা দিয়ে আসছি, হলুদের গুড়ার গন্ধ সহ্য হয় না বলে নিরাপদে ছায়াতে বসে খাচ্ছি অন্যের টাকায় কেনা মচমচে জিলাপী আর সিঙ্গারা। নিজেরে বড়ই দিনহীন মনে হলো ব্যাপারটা ভেবে। কিন্তু ভেবে কি লাভ? আমি কি করেছি তাদের জন্য। অনেকে রাজনীতি করে, অনেকে জনসেবা করে, ছোটো ছোটো অনেক কিছুই করে। আমি কিছুই করি না খালি নিজের অলসতার দিন যাপন করি আর বড়ো বড়ো লেকচার দিয়ে বেড়াই। এমনকি আমার বড় ভাইয়ের এক বন্ধুর মতোও হলাম না। যিনি বাপের উপরে প্রেশার হবে ভেবে ইন্টারের পরে পড়াশুনা আর না করেই ভাঙ্গানোর দোকান খুলে বসছিলেন। এসব হাজারো চিন্তা মাথায় নিয়ে হাটতে হাটতে যাই শিয়া মসজিদের বাজারে। শিয়া মসজিদের বাজারটা অতো হাই ক্লাসের বাজার না। মিডলক্লাসের বাজার হলো কৃষি মার্কেট কিংবা টাউন হল। পুলক সময় বাচানোর জন্যেই এই বাজারে। বাজারে রিপন সাহেবের দোকান। পুলকের পছন্দের গল্প তার কেন্দ্রীয় কলেজে পড়ার আমলে এই দোকানে বসেই দিন গেছে। তার ফিরিস্তি শুনি মন দিয়ে। আবার যাই দেলোয়ারের দোকানে। সেখানে ছোটো ভাই সাজ্জাদের বন্ধু কবি ফয়সাল মাহমুদ নিয়ে আলোচনা হয়। আমারে জিগেষ শান্ত ভাই কবিতা বুঝায়া দেন তো দেখেন ফেসবুকে কি লিখে আমার বন্ধু! আমি আর কবিতার কি বুঝি তাও বুঝে নেই সাম্প্রতিক ছ্যাকা খাওয়ার গন্ধ তার কবিতার রন্ধ্রে রন্ধ্রে। তাও টাকে তুষ্ট করতে বলি অসাধারন হচ্ছে লিখে যেতে বলেন।

বাসায় ফিরি। ভাত খাই বুয়ার রান্না করা খাবার দাবারে। খারাপ না খেতে। আমাদের বুয়া রান্নাটা খুব বেশী খারাপ করে না। খাই আনন্দেই। আম্মুকে ফোন দেই না। জানি নামায পড়ছে। খামাখা আমার জন্যে নামায ফেলে ছুটে আসবে আর জিগেষ করবে কি খাচ্ছিস? আমি তখন যদি বলি সাধারন খাবার দাবারের নাম। তখন আম্মু বলবে আহারে তোরে এগুলাই খেতে হয়। তাই ভালো মন্দ না খেলে আম্মুর সাথে কথা বলা এক বিপদ। যাই হোক ভাত খেতে খেতে দেখলাম জঘন্য ছবি তিনকন্যা। কলকাতার ছবি। ছবিটা একেবারেই ক্লাস ছাড়া। কলকাতার ছবি ইদানিং সমকামীতায় আটকে আছে। ব্যাক্তিগত জীবনে আমি সমকামীতাকে খুব বেশী খারাপ কিছু ভাবি না। ভিন্ন মানুষ ভিন্ন তাদের আবেগ চাহিদা তা নিয়ে অতো ভাবার কি। কিন্তু মেয়েদের গল্প বলতে গেলেই কেনো এইসব অরুন সেন জ্ঞ্যাতি গোষ্ঠীরা সিজনেফ্রিয়ার উসিলায় সমকামীতা দেখায় বা একটা চরিত্র বুঝাতেও অযথা তা টেনে আনে। এই পুরুষ মনোরঞ্জনের সমকামীতার উত্তেজনার সিন দেখতে আমার গা গিনগিন করে। যাই হোক সিনেমা কিছু অংশ দেখেই বই পড়াতে মন দেই। সিরাজুল ইসলাম সম্পাদিত দারুন একটা পত্রিকা আছে নাম নতুন দিগন্ত, যার ভক্ত আমি গত ছয় সাত বছর ধরে নিয়মিত। গত দুই সংখ্যা জমানো পড়া হয় নি। তা পড়তে মন দিলাম। এমন সময় বন্ধু সাইফের ফোন। সে এদিকেই আছে। আমারে বললো কাদেরের চাপ খাবেন নাকি খাওয়াবেন। আমি ভাবলাম যেহেতু সে আমার কাছে টাকা পায় তাই খাওয়ানোই ভালো। ক্লাস ছিলো কিন্তু এই কারনে আর যাওয়া হলো না। রিক্সা নিয়ে চলে গেলাম বারোর এ। ঢাকা শহরে অনেক রিক্সা। তাই এখন সুযোগ বেশী। দামাদামি করে খুব আনন্দে উঠা যায়। গেলাম খেলাম গরুর চাপ। বিল দিলাম আমি। সাইফরে ভুজুং ভাজুং বুঝ দিলাম। কইলাম বন্ধের দিন তোমার চলো বই মেলায় যাই। রাজী হয়ে গেলো। রিক্সা নিয়ে চলে গেলাম টিএসসি। বই মেলার দিকে যাচ্ছি তখনি বাপ্পীর সাথে দেখা। বাপ্পী দেখি সামনে যায়। তাদের সরবের বই টই কিজানি আসবে আর স্টল নিয়ে ঝামেলায় পড়ছে। বাপ্পী সাইফের বন্ধু সাথে অফিস কলিগ আর আমার সাথে পরিচয় এবির গতবারের পিকনিকের পর থেকে। মেলায় ঘুরলাম প্রচুর। ভালো ভালো প্রকাশনীতে অনেক সময় নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম। বই কিনলাম আনিসুজ্জামানের কাল নিরবধি আর আবুল হাসিমের বিভাগপুর্ব রাজনীতি। আরেকটা বই কিনতাম কিন্তু টাকা ভাংতি নাই তাদের। অনেক হাটাহাটি করে লিটল ম্যাগের এই পুলিশ ভাইদের বেঞ্চে বসে আছি। দেখি ভাস্কর দা আর রাসেল ভাই। রাসেল ভাইয়ের সাথে স্রেফ কুশল বিনিময় হয়ছিলো একটু আগেই আর ভাস্কর দাকে দেখি নি। দেখি তিনি গনসংহতির ফিরোজ ভাইয়ের সাথে কি একটা বিষয় নিয়ে আলাপ করছে তাই আর বিরক্ত করলাম না। বই মেলা থেকে আমি আর সাইফ খেলাম চা ছবির হাট হয়ে শাহবাগ। পকেটে ভাংতি টাকা নাই সাইফ আমাকে দিয়ে দিলো ১০ টাকার নোটের এক ডিব্বা। নিয়ে ভাবলাম রিক্সায় যাই। তখন দেখি একটা খালি রংধনু লোক ডাকে। উঠে পড়লাম কানে দিলাম হেডফোন। হেডফোন কানে নিয়ে পড়া হয় এখন আরেক বিপদে। এতো রেডিও স্টেশন কিন্তু কি গান শুনায় এ! অনেক কাল আগে কবীর সুমন বলছিলো পশ্চিম বাংলা বা ঢাকায় উনি যখন ডিভিডি সিডি কিনতে যায় বারবার বারবার শুধু আতকে আতকে উঠে যে এ আমি কি শুনছি? এ কেমন গান! আমারও আজকাল তেমন অবস্থা। রেডিও স্টেশনে টিউন করলেই চমকে উঠি। কী গান এসব! কত অসাধারন একটা গান ' ভালো আছি ভালো থেকো' তা ব্রাদারহুড নাকি কিসব প্রজেক্ট কোন ছাতা মাথা করে পুরা অল্টারনেটিভ রক বানাইলো। রেডিওতে চলে দেদারসে হিন্দী গান। আমি রিমোট টেপার ফাকে মাঝে সাঝে হিন্দী গান চোখের আনন্দের জন্য দেখতে রাজী আছি। কিন্তু নিজের দেশের রেডিও স্টেশনে কেনো এইভাবে যত্রতত্র হিন্দী গান বাজবে? পুরা মিউজিক জগতে হাজারে হাজারে অরাজকতা তার ভেতরে আমরা পড়ে রইলাম ক্ষীয়র জাতীয় সংগীত নিয়ে ডিবেটে। শেষে জানলাম এক সাংবাদিকের ভুল রিপোর্টিংয়ে এতো গেঞ্জাম। এসব নিয়ে যখন ভাবছি তখন দেখি শ্যামলীর গার্মেন্টসগুলো ছুটি হয়েছে প্রচুর মহিলা হেটে রাস্তা পার হচ্ছে। আমি ভাবতেছিলাম আমাদের এতো যাবতীয় সুশীল এক্টিভিজমের কোনো মানে নাই তাদের একেকটা দিনের হাড় ভাঙ্গা খাটুনির কাছে। আমি যা করি তা নিতান্তই একজন অলস লোকের যুক্তিহীন বিভিন্ন কাজ কর্ম।

এই পোষ্টটা নিবেদন করলাম গৌতম স্যার আর ভাবীকে। তাদের আজ বিবাহ বার্ষিকী। কিন্তু চাকরীর কারনে তারা দুজন দুখানে। গৌতম ভাইকে আমি যখনি আমার কোনো লেখা নিয়ে কথা বলি তখনি তার মুখে শুনি দারুন। দারুন কি লিখি নিজেই বুঝে পাই না তখন বুঝে নি উনার স্নেহই দারুন!

পোস্টটি ১৩ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


ফার্স্ট কমেন্ট! Smile

দেখা হইল না.. Sad

গৌতম ভাই আর ভাবীয় জন্য অনেক অনেক শুভকামনা।

লীনা দিলরুবা's picture


গৌতম দা, বৌদিকে বিবাহবার্ষিকীর শুভেচ্ছা। Party

লেখার বিষয়গুলো কতবার বাঁক বদল করলো, কিন্তু এমন দিকশূন্য লেখা পড়তে গিয়ে সরলতার কাছে ফিরে আসা যায় বলে, প্রতিবারের মত এবারও তৃপ্ত মন নিয়ে মন্তব্য লিখতে বসলাম।

যেমন বললে,

আসলে প্রত্যেক মানুষের বারবার বলার মতো কিছু স্টোরী রেডি হয়। প্রথমবার যখন শুনবেন দারুন লাগবে কিন্তু বারবার শুনতে শুনতে আপনিও স্টোরীটার একজন ভক্ত হয়ে যাবেন।

। আমার কি মনে হয়, ঠিকই, প্রতিটি মানুষের কিছু গল্প থাকে, কিন্তু বারবার শুনতে গিয়ে ভক্ত না হয়ে, মানুষটি যদি পছন্দের কেউ হয়, তাহলে মনে হয় গল্পটা আমারও, আর খুব বেশি পছন্দের না হলে মনে হয়, বোরিং, এক গল্প কত আর?!

রায়েহাত শুভ's picture


তোমার এই সহজ ভাবে নিজেকে প্রকাশের ধরণটা এতো ভালো লাগে, বলে বুঝাইতে পারবোনা...

জ্যোতি's picture


গৌতমদা আর বৌদির জন্য শুভকামনা, শুভেচ্ছা ।
ভালোই কাটাচ্ছ দিন। একসময় বুঝবা কি দিন ফেলে আসছ ।
আমারো নিরিবিলি কোন জায়গা দেখলে মনে হয় চুপচাপ বসে থাকি অনন্তকাল ।
লিখো সবসময় ।

টুটুল's picture


এই পোষ্টটা নিবেদন করলাম গৌতম স্যার আর ভাবীকে। তাদের আজ বিবাহ বার্ষিকী। কিন্তু চাকরীর কারনে তারা দুজন দুখানে। গৌতম ভাইকে আমি যখনি আমার কোনো লেখা নিয়ে কথা বলি তখনি তার মুখে শুনি দারুন। দারুন কি লিখি নিজেই বুঝে পাই না তখন বুঝে নি উনার স্নেহই দারুন!

গৌতমদারে বিবাহ বার্ষিকীর শুভেচ্ছা

মীর's picture


আমি লীনা আপুর সঙ্গে একমত,

প্রতিটি মানুষের কিছু গল্প থাকে, কিন্তু বারবার শুনতে গিয়ে ভক্ত না হয়ে, মানুষটি যদি পছন্দের কেউ হয়, তাহলে মনে হয় গল্পটা আমারও, আর খুব বেশি পছন্দের না হলে মনে হয়, বোরিং, এক গল্প কত আর?

আর গৌতমদা' ও বৌদিকে বিবাহবার্ষিকীর শুভেচ্ছা Smile কিন্তু কততম বার্ষিকী সেটা তো জানা হলো না।

গৌতম's picture


বিবাহবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা জানানোর জন্য সবাইকে অনেক অনেক অনেক টু দি পাওয়ার ইনফিনিটি ধন্যবাদ। Smile ফর ইউর কাইন্ড ইনফরমেশন, এটা তৃতীয় বিবাহবার্ষিকী।

শান্তর সাথে আমার আসলে আদপে কোনো মিল নাই- বিশেষত লেখালেখিতে। তিনি যেভাবে সাধারণ ঘটনা খাঁটি ব্লগরব্লগর ভাষায় ফুটিয়ে তুলতে পারেন- সেই ক্ষেমতা আমার নাই। ফলে তাঁর লেখা পড়ে একধরনের হিংসা অনুভব করি। সেদিন কাকে যেন বলছিলাম- ছোটবেলায় ভালো কিছু দেখলে খেয়ে ফেলতে ইচ্ছে করতো। এখন কেউ ভালো কিছু করলে পেটাতে ইচ্ছে করে। মাঝেমাঝে মনে হয় শান্তকেও...।

তাঁর সাথে মিল আমার এক জায়গাতেই- আমরা দুজনেই প্রচুর চা খাই। Smile

তানবীরা's picture


আমারে বললো কাদেরের চাপ খাবেন নাকি খাওয়াবেন। আমি ভাবলাম যেহেতু সে আমার কাছে টাকা পায় তাই খাওয়ানোই ভালো। ক্লাস ছিলো কিন্তু এই কারনে আর যাওয়া হলো না।

এই বিলাসিত শুধু বাংলাদেশেই সমভব

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

আরাফাত শান্ত's picture

নিজের সম্পর্কে

দুই কলমের বিদ্যা লইয়া শরীরে আমার গরম নাই!