আমার অপদার্থতাকে মাহাত্ম্য ভেবো না!
আমি মানুষটা বড়ই অসামাজিক। এইটা আদর করে বলা না। অনেক সামাজিক মানুষেরা নিজেকে আদর করে অসামাজিক ডাকে। এইটা তেমন আদুরে অসামাজিক ডাক না। বাস্তবিক অর্থেই অসামাজিক ও সামাজিক ভদ্রতা হীন মানুষ। এইটার প্রাকটিসে থাকতে থাকতে আমার কাছে এইটা নিয়েই একটা নিজের ভেতরে অহমবোধ আছে। এবং চরম দুর্দিনেও আমি ইহা মেইনটেইন করছি দারুন ভাবে। বন্ধুরা এইটাকে ধরে নিছে আমার এটিচিউড হিসেবে। আর আত্মীয় স্ব্জনেরা ধরছে ইহা আনস্মার্টনেস সেচ্ছাচারিতা হিসেবে। তাও আমি আমার এটিচিউড নিয়ে সন্তুষ্ট। মাঝে মাঝে নিজের উপর গ্লানির একটা জায়গা তৈরী হয় খানিক সময় পরেই মনে হয় আমি আমার মতোই। কারোর মতো বা আলগা ভাব দেখানোর সময় অনেক আগেই পেরিয়ে আসছি।
অসামাজিকতার কিছু বর্ননা দেই এবার। যেমন কারো বাসায় দাওয়াত খেতে আমার ভালো লাগে না। এমনিতেও কারো বাসায় যেতেই আমার ভালো লাগে না। যদিও ভালো মন্দ খাওয়ার জিহবার আকর্ষন আমার কম নাই। পকেটে টাকা থাকলেই কাদের চাপ, আল মাহবুবের গ্রীল, সেলিমের কাবাব, স্টারের ঝাল ফ্রাই, নান্না-মামুনের বিরিয়ানী সব খাই এবং খাওয়াই। আর বন্ধুরা তো খাওয়ায় অকাতরে। যদিও শাহবাগ নিয়ে মনোমালিন্যের কারনে এক বন্ধু আমারে খাওয়ানো বন্ধ রাখছে। যাই হোক কোনো সামাজিক দাওয়াত আমার একেবারেই ভালো লাগে না। ভাই ভাইয়ার বিয়ের পরে প্রচুর দাওয়াতে আমাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য ব্যাপক টানা হেচড়া চলছে। আমি একেবারেই যাই নি। অচেনা স্ব্ল্পচেনা মানুষদের বাসায় গিয়ে খাবো, কে কি জিগেষ করে তার কি উত্তর দিবো এই টেনশনে যেতাম না। এমন কি বাসায় কেউ দাওয়াতে আসলেও একটু পালিয়ে থাকার চেষ্টা করতাম। ভাইয়া এতে বিরক্ত হতো, মেজাজ খারাপ করতো। আম্মু ভাবতো কথা বলে না লজ্জায় এ কেমন ছেলে! তবে সমস্যা হলো আমি কথা বলতে পারতাম ঠিকই কিন্তু একটু ডিসকমফোর্ট লাগতো, মাথা নিচু করে কথা বলতাম এই কারনে অনেকের কাছে এবনরমাল লাগতো। কিন্তু আমি চিন্তা করতাম আমি তো এমনি। একটু তোতলামী থাকার দরুন ছোটো থেকেই হয়তো আমার এই হীনমন্নতা শুরু। তবে এই কথা না বলা হীনমন্নতাকেই এখন আমার স্টাইল। ভার্সিটিতে প্রেজেন্টেশন আমি আমার মতো করেই বলতাম তাতে স্যারদের হাসির খোরাক হইছি কিন্তু শেষমেষ স্যাররা জেনে গেছে আমি এই ভাবেই কথা বলি। যাই হোক যে প্রসংগে ছিলাম আর কি। কোনো দাওয়াত টাওয়াতে আমি নাই। মাঝে মধ্যে নেয়া হতো জোর করেই। যে ঘরে আজ খাওন নাই তাই। সবাই খালার বাসায় যেতে কতো দিওয়ানা। হুমায়ুন আহমেদের হিমু এক গোটা জীবন পার করলো খালুর বাসা খালা আর খালতো ভাই বাদলকে নিয়ে। কিন্তু আমার খালার বাসা উত্তরা আমি ঠেকায় না পড়লে যাই না। যে কয়েকবার গেছি নিতান্তই নিরুপায় হয়ে। গিয়ে টিভি দেখাই একমাত্র কাজ। আর উত্তরার যে রানওয়ের পাশে বিমান উড়ে তা দেখা। খালু আমাকে এতো আদর করে, আগে কত রাজনীতি সিনেমা নিয়ে আলাপ করছি এখন কিছুই করা হয় ৬-৭ টা গত বাধা প্রশ্ন উত্তর ছাড়া। খালা এতো কিছু রান্না করে খাওয়ায় এতো স্নেহ করে তাও আমার ভাল্লাগে না। তাই মামা একাই যায়, আমি বাসাতেই থাকি। আর উত্তরা জায়গাটা এতো বোরিং কল্পনাই করতে পারি না। অনেকে বলে উত্তরা নাকি বড়লোকের জায়গা, খুব সাজানো গোছানো। আমার কাছে মনে হয় এর চেয়ে বসিলা, আটিবাজার, কেরানীগঞ্জ এই সব জায়গা থাকা অনেক ভালো।
ইদানিং আরেকটা অসামাজিকতার রোগে পাইছে ফোন না ধরা। স্পিকারে সমস্যা এই অজুহাতে অনেকের ফোনই ধরিনা। চিটাগাংয়ের বন্ধুরা অনেকেই ফোন দেয় ধরি না। ফেইসবুকে তা নিয়ে গ্যানর গ্যানর করলে নগদে ব্লক। পুলক আমার এতো আপন বন্ধু পুলকরেও ফেসবুকে ব্লক মেরে রাখছি কারন এই গ্যানর গ্যানরের কারনে। তবে আমি ফোন না ধরলে বাশ খায় চিটাগাংয়ের আমার জিগিরের দোস্তরা। বলতে থাকে তোগো বুদ্ধিজীবি তো আমগো ফোন ধরেনা! সেরকম যুক্তিসংগত কোনো কারন নাই। কথা বলতে ইচ্ছা না করলেই আমি ধরি না ফোন। আর একবার না ধরলে ২৮ বারেও ধরি না। ইদানিং ছোটো ভাই সাইফ ফোন দেয় ফালাই রাখি ধরাই হয় না। তবে কেউ এসেমেস করলে উত্তর দেই। এই ফোন না ধরার কারনে কত বন্ধু যে হারালাম জীবনে। ফেলে আসা ভার্সিটির অনেক ফোনই ধরি না কারন যাবতীয় বিপদে পড়লেই তারা আমারে ফোন দেয়। আমি সুন্দর মতো না ধরে বলে দেই ব্যাস্ত আছি। এই সব আলগা সুপার ম্যান পীরিতি আমার পছন্দ না। আমার এই অসামাজিকতার আরেকটা দিক হলো আমি মন রক্ষা করে কারোর সাথে কথা বলি না। যা বলার উচিত হইছে বলছি, যারে টিজ করতে ইচ্ছা করছে করছি। যা মন চায় বলে ফেলি অকপটে। গালি খিস্তি দিতেও আমার কোনো ভদ্রতা নাই। এই খারাপ মুখের কারনে কম মেয়েই মিশছে আমার সাথে। তবে ইদানিং সেই আগের মতো মুখের ইউস করি না। মনের হাউস মিটায়া যে কাউরে গালি দিবো তাও দেই না। আগে এমনি এমনি নানান গালি দিতাম তা বন্ধ রাখছি কারন গালির চর্চা করলে মুখের বরকত কমে। আর লোকজন মনে করে মেসে থাকলো বোধহয় এরকমই হয়। তবে আমি গালি দেই ওতো না বুঝেই, নিজের খেদ মিটাই। তবে গালি গালাজ এখন আগের ফর্মে করা হয় না এমনকি মনেও মনেও না। ভদ্র সুশীল লোকদের মতোই আড্ডাতে কথা বলি। তবে চিটাগাংয়ে আমি যে পরিবেশে বড় হইছি সেখানে গালি গালাজ অনেক বেশী। এতো বেশী যে ছেলে- মায়ের সাধারন কথাও বেধরক অশ্লীল গালাগালিতে ঠাসা। আমার আরেকটা অসামাজিক স্বভাব হলো ওতো জরুরী না তাও বন্ধু বান্ধবের কাছ থেকে ধার নেয়া। ধারের টাকা নিয়ে আমার অন্য বন্ধুরে ধার দেয়া। এই জিনিসটারে অনেকেই খুব খারাপ ভাবে দেখে কিন্তু আমি দেখি না। কারন বেকার ছাত্র আমি। সেই তুলনায় অনেক টাকাই পাই। তাও ধার করি শোধ দেই কারন আমি মনে করি এইটা খারাপ না। বিপদে আপদে ভরসা থাকে আর মানুষ চেনা যায়। এতো সহজে মানুষ চেনার আর কোনো ওয়ে আমার জানা নাই। আমার এক বন্ধু বলছিলো কোনো মানুষ টাকা দিয়েও যদি মহাজন সুলভ আচরন না করে বরং আগের চেয়ে আরো ঘনিষ্ট হয় তাহলে বুঝতে হবে মানুষটা আসলেই ভালো। তবে এক দুইশো পাচশোটাকা আমি ধার দিলে কোনো ভাবেই ফেরত নেই না। আর নিলেও তার উপরে আরো টাকা বাড়িয়ে ধার নেই। এই জীবনে আমার কাছে কে কত পাবে তার একটা লিস্ট আমার কাছে আছে কম্পিউটারে। শুধুমাত্র যারা বিদেশে থাকে তাদের ধারই শোধ করতে পারলাম না। এই ধার উধার করে প্রচুর বন্ধু পাইছি, প্রচুর বন্ধু হারাইছি। তবে আমি মাফ না নিলেও অনেকের অনেক টাকাই আমি মাফ করে দিছি। এখন হয়তো শত সাধলেও নিবো না। ধার নেয়া দেয়া তো দোষের কিছু না। 'টাকা পয়সা কাগজের/ ভাই বইন রক্তের'। তবে আমাকে অনেকেই এই অভ্যাসটা ত্যাগ করার বুদ্ধি দেয়। আমি শুনি না কারন ওইতো আমার এটিচিউড!
আরো কিছু আছে এমন। যেমন কেউ আমার কথা হজম করতে না পারলে তার ছায়াও মারাই না, কারো গরম কথা আমি সহজে হজম করি না, অনেক সময় আবার বন্ধুদের মন রক্ষা করতে গিয়ে মিথ্যা বলি, ভনিতা করে কোনো সম্পর্কে যাই না, সরাসরি বলে দেই, মাঝে মধ্যেই অন্যের নানান ব্যাপার অতি আগ্রহে আলোচনা করি। এইসব সবই কোনোটাই ভালো গুন না। তাও আমি এইসবরে ভালো গুন মনে করে মনকে জাস্টিফিকেশন প্রবোধ দেই। কিছুটা গ্লানি আর আত্মস্লাগা থাকলেও খুশী হই আমি আমার মতোই আছি।
এতো কথা বলার কারন একটাই নিজের এই এটিচিউডের নার্সিজম করতে করতে মাথার বুদ্ধি লোপ পাইছে। গত ১২ দিন ধরে আমি ভেবে ভেবে- গতকাল ভাবীর বাসায় গেছি। ভাবীর মা বিদেশে থেকে আসছে সেই কবে যাওয়াই হয় নাই। এমন না যে আমার খুব কাজ ছিলো। কিন্তু বন্ধুরা ছিলো তাই যায় নাই। আর ঐ যে কোথাও যেতে ভালো লাগে না তাই যাওয়াতে আলসেমী। এমনিতেই সেই বাসায় আমি কম যাই। আমি তো আর পুলকের মতো ফ্যামিলী বয় না। যে আত্মীয় স্ব্জনের জন্য জান কোরবান করবো। আমি বরং এর থেকে পালিয়ে বেড়াই। কিন্তু অনেক দিন পর গিয়ে খালি মুগ্ধ হইছি এবার। বাসায় আংকেল আন্টি ছিলো যে সমাদরটা করছে আমার । মিথ্যা বলছিলাম যে নাস্তা করে আসছি তারপরেও এক বাটি নুডুলস মিস্টি চা চকলেট খেতে খেতে দিশেহারা। আন্টির সাথে শাহবাগ আন্দোলন, দেশের রাজনীতি পড়াশুনা, শহরের অবস্থা, নানান কিছু নিয়ে যখন কথা বলতেছি তখন মনে হচ্ছে বন্ধুর সাথে আড্ডা মারছি। তার ফাকে অনেক দিন পর টেলিভিশন দেখতেছি তাও আবার দেখি নুরুলকবীরের টকশো। আহ কি শান্তি কত দিন শুনি না তার এই মুক্তিযুদ্ধের চেতনার যে চার মুলনীতি তার থেকে আওয়ামীলীগ কত দূরে তার বয়ান। দেখলাম নুরুলকবীর আগের মতোই আছে সেই পুরানো কথাগুলোই বারবার বলা। রিয়াজুদ্দিন সাহেব বাংলাদেশের রাজনীতি খুব উদ্বেগে আছেন, নুরুলকবীর তেমন হাইপারে নাই উনি বলতেছে ইহাই চেনাজানা রাজনীতি। তবে নুরুলকবীর খুব কড়া ভাষাতেই জামাতকে নিষিদ্ধ করার সাইডে বললেন। ভালো লাগলো। আংকেল আসলো এসে আমারে অতি বাম আর অতি ডান নিয়ে আলাপ আলোচনা শুরু হলো। যে ডে কেয়ারে আমার ভাতিজি থাকে তাদের ক্যালেন্ডারে ভাতিজির ছবি দেখলাম। খুজে পেতে কষ্ট হয় নাই। তবে ডে কেয়ারের মালিকেরা সব আফ্রিকান। এতো কালা কালা লম্বা গব্ধুদের দেইখা পোলাপাইন ভয় পায় না কেনো বুঝলাম না। এই দেশে তো চশমা চোখে থাকলেই ছোট বাচ্চারা ভয় পাই। তাও আবার আপাগো যা চেহারা! আংকেল বাড়ীর গেট বানাচ্ছে সেই কারনে গ্রীলের এক মিস্ত্রি আসলো। মিস্ত্রি এসে নাস্তা পানি যা দিছিলো সব শেষ করলো দুই মিনিটেই। তারপর চা খেতে খেতে আজব সব কথা বলা শুরু করলো। যে এই সরকার থাকলে দেব দেবীর নামে পশু খাইতে হবে, ইসলাম থাকবে না, সাস্টের আলপনা নিয়ে টিভি রিপোর্ট দেখাচ্ছিলো তা দেখে অই মিস্ত্রি কইলো এদের বাড়ি ঘর ফ্যামিলী নাই। আংকেল কইলো ৭১,৯০,৬৯, এই সব যত আন্দোলোন আছে সব তো তরুন ছেলে মেয়েরাই করে। তুমার মতো বঊ পোলাপানওয়ালা লোকজন কি যুদ্ধে যাবে? চলে গেলো ভদ্রলোক। আমি আংকেলকে বললাম এই সব লোকরে পান কই? উনি বললো সমাজে চলতো হলে কত উজবুকরে নিয়ে চলতে হয়, সব কিছুতে রিএক্ট করলে চলে! আংকেলের মুখে কত গল্প শুনলাম পিএইচডি থিসিসের গল্প, বায়োক্যামিস্ট্রিতে এডমিশনের গল্প, কলিগদের আলাপ অনেক কিছু। দারুন লাগতেছিলো। এদিকে আমার সেই অসামাজিক সত্তা নাড়া দিয়ে বলতেছে ভাগ এখনি। দমালাম তাকে। এক বন্ধুর সাথে দেখা করার কথা তারে বললাম দুপুরর পরে। আংকেল আর আমি ভাত খেতে বসলাম এক সাথে। আন্টি দারুন সযতনে খাওয়ালো ইলিশ মাছ গরুর মাংস, সালাদ সব্জি, ভাত। এতো আদর করে খাওয়াচ্ছে আন্টি যে বাড়ীর কথা খুব মনে পড়লো। আমি আংকেলকে শুনালাম সামিয়ার কাছ থেকে শুনা ইলিশের কলকাতা হাহাকার। আংকেল খুশী মনে আমাকে শুনালো দিল্লিতে আড়াইশো গ্রাম ইলিশ খাওয়ার গল্প হাসতে হাসতে খুন। খাওয়া দাওয়া শেষে আন্টি বললো বাসায় গিয়ে কি করবা টিভি দেখো সোফায় শুয়ে থাকো। কিন্তু বন্ধু বারবার ফোন দিচ্ছিল তাই এতো সুখ সইলো না বিদায় নিয়ে আসলাম। আর ভাবতে ছিলাম কত অসাধারন মানুষ এরা কত আদর স্নেহ করে কত সমাদর আর তা বাদ দিয়ে আমি পড়ে থাকি হীনমন্য অসামাজিক নিজের তথাকথিত আমাকে আমার মতো থাকতে দেও লেভেল লাগিয়ে। এই আদর ভালোবাসা সমাদরের কাছে আমি কত ছোটলোক একটা মানুষ!





হাহাহাহ। হাসলাম মন খুলে। নিজেরে ছোটলোক আখ্যা দিয়ে যা-ই কও, তুমি আসলেই একটা মজার ভালো মানুষ। অসামাজিকতা খারাপ না তো। আমিও তোমার দলে।
আপনি অসামাজিক কেমনি? যাই হোক শুইনা শান্তি পাইলাম আপনেও আছেন আমার দলে। আপনার মতো সেন্সিটিভ,কবিতা প্রেমী, অভিধান পড়ুয়া প্রভাবশালী মানুষরে নিজের দলে পাওয়াও কপালের ব্যাপার
পড়ে মজা লাগলো। টাকা ধারের থিউরিটা ভাল হইছে। তবে বিপদও আছে। দেখা গেল মানুষজন বেশিরভাগই খারাপ।
নিজেকে নিয়ে আমারও একটা কিছু লিখতে ইচ্ছা হয়। আত্মসমালোচনা ধরণের
আপনার লেখার অনেক সাব্জেক্ট আছে ওইসব নিয়েই লিখেন। আমার লেখার বিষয় নাই তাই খালি নিজের কথাই লিখে বেড়াই। ভালো থাকবেন ভাইয়া!
আমি তো সর্বক্ষেত্রে আপনার সঙ্গে নিজের মিল পেলাম।
ধন্য হলাম জেনে যে প্রিয় লেখকের সাথে আমার এত মিল!
যারা তোমাকে ভাল ভাবে চিনে না তারা তো বুঝবে না অসামাজিকতার আড়ালে লুকিয়ে আছে ভাল/সুন্দর মনের একটা মানুষ। যাক তবুও ভাল তুমি আমার মত অলস না
লেখা যথারীতি ভাল হয়েছে
থ্যাঙ্কু আপু। আপনাগো স্নেহ পায়া আমি তো গাছে উঠতেছি নামার কোনো আলামত নাই!
আমার দশা দেখি । একসময় দাওয়াত পাইলে কি খুশি হইতাম, আর এখন ভয় পায়। আসা যাওয়া কিছু নেয়া- ফতুর
ফোন ধরতে এখন আসলেই বিরক্ত লাগে........।
আমাকে আমার মতো থাকতে দেও ......পারা যায়না
মোবাইল কোম্পানীতে জব করে যদি মোবাইল না ধরেন তাহলে তো বিপদ!
কেউ থাকতেও পারবে না নিজের মতো অন্তত এই দেশে
১। অনেকে নাক উচুও ভাবে

২। হীনমন্নতাকেই ---- হীনমন্যতা
৩। গ্যানর গ্যানরে - ঘ্যানর ঘ্যানরে ---- যাই দেখে আসি আমারে কি করেছো
৪। দেখেছোতো কত কিছু মিস করো
এতো বিশাল পোস্টে ভুল তো থাকবেই। থ্যাঙ্কস আপু। এই কারনেই আপনারে ভালো পাই!
শিরোনামটা সুন্দর!!
ফসিলসের রুপমের এক গানের লাইন!
একজনকে ফোন করি আর যখন ফোন ধরে না, রাগ লাগে খুব। তোমাকে যারা ভালোবেসে ফোন করে তাদেরও নিশ্চয়ই মন খারাপ হয়। ভালোবাসার মূল্য দিতে হয়, বুঝলা?
তবে আমিও বলি তোমাকে যারা চিনে তারা জানে মায়াময় একজন মানুষ তুমি। নিজরে কথা অকপটে কত কি বললা! সেটা কজন পারে! আমিও পারি না মোটেও। তোমার লেখা পড়ার মজাই আলাদা।
থ্যাঙ্কস আপু। নিয়মিত যে ভাবে আপনি অনুপ্রেরনা দেন তাতে বারবার মুগ্ধ হই। অনেক ভালো থাকেন। চেষ্টা করবো ফোন ধরার। অনেক অনেক শুভকামনা!
পাছে লোকে যাই বলুক, নিজেকে নিজের মতই চলতে দেয়া উচিৎ। কাউকে খুশি করার জন্য নিজের মনের বিরুদ্ধে কিছু করার প্রয়োজনীয়তা আছে বলে মনে করিনা। তোমার সহজ সরল জীবনযাপন বড় ভাল লাগে। ভাল থেকো!
দেখা যাক কত দূর পারি। দোয়া কইরেন ভাইয়া!
টাকা ধার দেয়া ভালো। টাকার দরকার পড়লেই তোমার কাছ থেকে নিবো।
তবে অসামাজিক হওয়া, ফোন না ধরা ঠিক না। কত জরুরি কথা থাকতে পারে, কেউ বিপদে পড়তে পারে।
আত্নসমালোচলা ভালো হইসে।
তুমার মতো সজ্জন বন্ধু পাঠক পায়া আমি খুশী। বাপ মায়ের সাথে থাকো কত টাকা পাও, টাকা ধার দিও চাহিবা মাত্র!
মজা পেয়েছি লেখা পড়ে, ধারের থিয়োরি ভাল লাগল! ফোন ধরার থিয়োরি ঠিক নাই
থ্যাঙ্কু আপু। পাত্থর মোবাইল দীর্ঘজীবি হোক!
আমিও একজন গর্বিত অসামাজিক অপদার্থ!
তাও তুমি অনেক সামাজিক আছো! আরো সামাজিক হও!
মন্তব্য করুন