স্যাটডে স্যাটারডে!
পোষ্টটা লেখার মোটেও নিয়ত ছিলো না। তাও সাড়ে নয়টায় কিছু অংশ অনিচ্ছাতেই লিখছিলাম। কিন্তু কারেন্ট চলে গেলো মনে মনে শুকুরাল হামদুলিল্লাহ জানালাম। যাক পোস্টটা আর লিখতে হলো না। ঘন্টা খানেক পর কারেন্ট আসলো, ভাত খেলাম দেখি ফেসবুকে সময় কাটে না তাই লিখেই ফেলি। আর যাই লিখি তাই দেখি মানুষ পড়ে এ বড়ই আজব জায়গা ব্লগ। তার সাথে এবিতে পোষ্ট দেয় না কেউ। খালি আমি এই মশার কামড়, কারেন্ট যাওয়ার ঝক্কি, স্লো পিসির তান্ডবের ভিতরেও লিখে যাচ্ছি। ল্যাপটপের আশা এখনো ছাড়ি নাই কিন্তু সবাই আমার সাথে সহমত জানালো কিন্তু চেষ্টা তদবির করলো না। আপসোসের জিন্দেগী। কি আর করা এই জন্যই মুরুব্বীরা বলেছেন নিজের বুদ্ধিতে ফকির হওয়া ভালো। বুয়ার রান্না আজ অতি জঘন্য হইছে। তেল লবনের সাগরে তিনি ভাসিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু আল্লাহর কি কুদরত তাও পেট উপচিয়ে খেলাম। মুরুব্বীরা এই জন্য আরো বলে খিদে লাগলে নাকি বাঘে ধান খায়। তবে বাঘ কখনো সত্যি ধান খায় কিনা তা আমার জানা নাই। তবে খিদের জ্বালায় অস্থির মন আমার এখন সব খায়। আমার ব্লগের ভাইয়েরা ও ভগ্নীরা সব সময় বলে আমার যত্ন নিজের রাখতে। কিন্তু এই রান্না খায়া আর কোন যত্ন কাজে দিবে?
আজ সকালে আমি কিছুই খাই নি। এক গ্লাস পানিও না। ভোরে একদফা উঠে নামায পড়লাম তারপর আবার ঘুম থেকে উঠে ব্রাশ করেই দেখি কারেন্ট নাই। এমনিতে ওলো তে আজ মেয়াদের শেষ দিন। নেটে বসে অনেক কিছু নামাবো এই প্লান। সব জলে গেলো। যে পাঞ্জাবী আর জিন্স পড়ে ঘুমিয়ে ছিলাম তাই পরে বেড়িয়ে পড়লাম। বাংলাদেশী জাতীয় পোষাক লুংগি আমি পড়তে পারি না তাই পড়ি ও না। তাই যে ড্রেস পরে বাইরে রাস্তা ঘাটে ঘুরে বেড়াই সেটা পড়েই বাসায় থাকি। বাড়ীতে গেলে হয় গ্যাঞ্জাম আম্মু খালি বলে ট্রাউজার পড় আর আমি বলি ভালো লাগে না। তাও বাড়ীর জন্যই আমার তিনটা ট্রাউজার আছে তা শুধুই বাড়ীতে গেলেই পড়ার জন্য। এই গত তিন বছর ধরে আমি অনেক না খেয়ে থাকি। ইচ্ছা করে হোক অনিচ্ছায় হোক। আমার এক বন্ধু ছিলো নাম এহতেশাম। সে আমাকে বলতো আপনার এই না খাওয়ার ভাব, জীবনের প্রতি উদাসীন ভাবের সাথে আহমদ ছফার খুব মিল। আমি কইতাম আপনার মাথা গেছে। কোথায় ছফা আর কোথায় আমি? খালি না খেয়ে থাকলে আর হাটাহাটি করলেই যদি সাহিত্যিক হওয়া যেতো তাহলে তো ভালোই হতো। তবে আমি হাটি এবং না খায়া থাকি দুটাতেই শান্তি পাই। আজকেও সকালে বেরিয়ে অবশ্য হাটার ইমানি জোস ছিলো কিন্তু হাটি নাই কারন কমলাপুর বহুদুর। বাসে উঠলাম রাজধানীতে। বাসার সামনে থেকেই ছাড়ে। উঠেই মনে হলো চা খাই নাই। গলাটা ক্রমেই শুকিয়ে আসছিলো। রেডিও অন করলাম। দারুন একটা হেডফোন পাইছি বন্ধু মারফত। দারুন জিনিস। কিন্তু রেডিওতে সেই শান্তি আর নাই। আগে রেডিওতে প্রচুর ব্যান্ডের গান শুনতাম খারাপ লাগতো না। কিন্তু এখন এতো বেশী হিন্দী গান শুনায় কান জ্বালা করে। আরজে গুলার ঢঙ্গ আরো বাড়ছে। তাই ১০ মিনিট রেডিও শুনেই বন্ধ। নিজের পছন্দের গান শুনছিলাম। রিপিট শাপল দিয়ে শুনছি অনুপমের উড়ে যাক এ ঘুম আমার আর কবীর সুমনের গান। উড়ে যাক এ ঘুম আমারের লিরিক্সটা আমার খুব প্রিয়। ফেসবুকে লিখলাম। দুইজন মেসেজ পাঠাইলো শান্ত কি কোনো মেয়ের পীরিতেতে পড়লা নাকি? আমি মনে মনে ভাবলাম কই গিয়া মরতাম। মরার কোনো জায়গা নাই। সকাল থেকে কিছু খাই নাই এমনকি চা ও না, এমনকি চেহারাও ভালো না আর তেমন কিছু করিও না। এরকম ইরেসপন্সিবল ছেলের আবার পিরীতি! ইটস এ বুল শীট।
শাহবাগের রাস্তা আবার আটকানো। তা দেখে আমার সামনের যাত্রী বলে উঠলো আর কতো দিন যে নাটক চলবে সরকারের? আমার এমনিতেই মেজাজ খারাপ, গলা খাকড়িয়ে বললাম নাটক কই দেখলেন? আর আপনার কাছে যদি বিচার চাওয়াটাকে নাটক মনে হয় তাহলে আমার কাছে আপনি রাজাকার ছাড়া আর কিছুই না। লোকটা চোখ গরম করে তাকালো আর কি জানি বললো মনে মনে। আমি মনে মনে বললাম আরে শালার বয়েই গেছে তোদের চোখ গরমের। এই সব চোখ গরম নিজের বউরে গিয়া দেখায়েন। আমার কথা শুনে বাসের সবাই হয়তো ভাবলো আওয়ামীলীগের লোক। কিন্তু কেউ জানবে না যে ফেসবুকের পাতায় পাতায় আমি প্রতিদিন কিভাবে আওয়ামীলীগরে ধুই। চায়ের দোকানে এতো বেশী আওয়ামী বিরোধী কথা বলি যারা চিনে না তারা ধরে নেয় আমি পাঞ্জাবীওয়ালা জামাতি। কে কি মনে করলো তা ভেবে আমার কিচ্ছু করার নাই।
দশটায় রওনা দিয়ে সাড়ে এগারোটায় নামলাম আরামবাগ। সেখান থেকে হাটা। পকেটে ভাংতি টাকা নাই। টিকেট কত ভুলে গেছি। যেয়ে দেখলাম ভীড় কম। জামাতের হাঙ্গামায় লোকজনের বাড়ী যাওয়া ঘুরে ফেরায় চাঙ্গে উঠছে। সবাই আছে আতংকে। ৫০০ দিয়ে বললাম প্রথম শ্রেনীর অগ্নীবিনা শুক্রবার ১ টা। টিকেট ছিলো কিন্তু কইলো ভাংতি নাই। এখন এই কমলাপুরে আমি ভাংতি কই পাই? পকেট হাতিয়ে কাচিয়ে কুচিয়ে ১৮০ পেলাম তাই দিলাম শোভন চেয়ারের কাটলাম। পাচ টাকা আর ফেরত দিলো না। ভাংতি নাই কোথাও ভাংতি নাই। আনন্দলোক কিনলে ভাবলাম ভাংতি হবে তাও হলো না। জানা গেলো না শুভশ্রীরে নিয়া ফিচারটায় কি লিখছে? হাটতে থাকলাম আরামবাগের দিকে। মাথায় বুদ্ধি খেললো বাসে উঠে পড়লাম। অনেক গাই গুই করে কন্ডাকটরই ভাংতি দিলো। কিন্তু অসহ্য জ্যাম। শনিবারে এতো জ্যাম আসে কিভাবে? আড়াই ঘন্টা বাসে বসে বসে পাঞ্জাবী পিঠ ঘামে ভিজিয়ে শিয়া মসজিদ নামলাম। তখন মনে হলো খুব যে খারাপ লাগলো তা না জার্নি টা! বাসে অনেক মেয়ে উঠছিলো। বংগদেশের পুরুষদের আমি বুঝি না আসলেই। একজন মেয়ে যদি তার সামনে দাঁড়িয়ে থাকে এমন ভাবে তাকায় যেনো জীবনে মেয়ে দেখে নাই। আর সেই মেয়ে যদি পাশে বসে তাহলে সোনায় সোহাগা। আমার সামনের সিটে এক মেয়ে বসলো মহিলা সিট ফীল আপ হয়ে যাওয়ার কারনে। ভদ্রলোক চেহারা ভালো, ভালো জামা কাপড় পরা এমন নড়াচড়া করতেছে যেনো গায়ে তেলাপোকা। আল্লাহর কাছে কুটি খানেক শুকরিয়া যে নারী হয়ে জন্ম নেই নাই। এই কুরুচির চাহনী টলারেট করাই মুশকিল!
চায়ের দোকানে এসে দেখলাম দোকান অফ। মাদ্রাসার পাশে এক দোকানে বসলাম। দোকানদারের নাম জানি না তবে আগে উনি দর্জির কাজ করতো। প্রসিদ্ধ নাম ব্রামনবাইড়ার চিটার। সেই দোকানে বসে সাইফ অনিক পুলক আমার জন্য বসে আছে। বড়ই ভালো লাগলো দেখে। এই জগতে এমন ভালোবাসা কয় মন্ত্রীরা পায়? দিনের প্রথম চা খেলাম। চিটার সাহেব খুব খুশি তার দোকানে আমার আগমনে। কোনো ভাবেই বিল নিবে না। কিন্তু আমি তো বিল দিবোই। হেটে হেটে বাসায় আসলাম। বাসায় এসেই গোসল। সারাদিন যে বিশ্রী ঘামছি। গোসল করে ভাত খেলাম। ভাত খেয়ে বদরুদ্দীন ওমরের বইটা পড়ছিলাম। দু পাতা পড়েই আর ইচ্ছা করতেছেনা। মোবাইলে ফেসবুক চালাতে চালাতেই ঘুমিয়ে পড়লাম। ঘুম থেকে উঠে দেখি পাচটা। বুয়া এসে রান্না বান্না শুরু করছে আবার ঘুমালাম এবার দেখি ৬টা ২০। ঘুম থেকে উঠেই কেনো জানি বিষন্নতা ভর করলো। বাইরে বের হয়ে চায়ের দোকানে গেলাম। দেখী মামী বলতেছে শান্ত মামা কই থাকেন আমগোরে এতীম রাইখা দিয়া? আমি চিন্তা করলাম আমি আবার কারে কি করলাম! চা দোকান ভর্তি মানুষ। সবাই পকপক করতেছে। সন্ধ্যার ঘুমের বিষন্নতায় আমার কথা বলতে ইচ্ছা করতেছে না। সবাই খালি জিগায় শান্ত ভাই মুড অফ কেন? আমি কিছু বলি না হাসি দেই। পোলাপানরে বুঝাই কেমনি যে সব দিন একই রকম থাকা যায় না। আজকে পুলকের মন কেনো জানি ভালো। সন্দেহ করলাম কুমনার সাথে হয়তো ঘুরছে হলোও তাই। মেয়েদের আমি বুঝি না আসলে যে ছেলে তাকে পছন্দ করে সারাদিন ঘুরে ফিরে তাকে আস্কারা দিবে কিন্তু প্রপোজ করলে বলবে আমি এঙ্গেজড। যাই হোক সবাই দেখি আজ খুব আনন্দে আছে। লম্বা বন্ধে খুশি। আমি চা খেলাম দুই কাপ। হাটা দিলাম আল্লাহর নামে। অযথাই অনেক দূর হেটে আবার বাসায় আসলাম। বাসায় এসে ভালো লাগছিলো না। পোষ্ট লিখা শুরু করলাম কারেন্ট গেলো। রাত দশটাতেই কারেন্ট যায় নিয়মিত এখন। বাইরে গেলাম সুচনার অপোজিটে দাড়ালাম। দেখলাম এক গ্রুপ বিয়ের গেস্ট ব্যাপক সাজ সজ্জায় গন্ধ ছুটিয়ে চা খাচ্ছে আর কিসব গল্প করছে! গল্পের বিষয় কোন নায়িকার সাথে কোন নায়ককে বেশী ভালো লাগে বলিউডে? তারপর গেলো হিন্দী গান কোনটা বেশী জোস। বয়সে আমার সমানই হয়তো এই বালক বালিকাদের মনে মনে অভিসম্পাত দিতে দিতে আসলাম বাসায়। কারেন্ট আসলো লেখলাম পোষ্ট।
এতো বিশাল একজন সায়েন্টিস্ট মারা গেলো আজ। যার দেশ প্রেম আসলেই মাস্টারপিস। পারিবারিক ভাবে উর্দুতে কথা বললেও ফেসবুকে জানলাম উনি অন্তরে বাহিরে বাঙ্গালী। শ্রদ্ধা জানাই জামাল নজরুল ইসলাম স্যার কে। এই বিনিয়োগহীন গবেষনার স্পন্সরহীন একটা দেশে উনি যেই সার্ভিসটা দিলেন তা কয়জন দেয়? কে জানে বিদেশে আরো কিছুদিন থাকলেই হয়তো উনিই নোবেলও পাইতেন। আজ আবার ছিলো কবীর সুমনের জন্মদিন। শ্রদ্ধা জানাই এই প্রিয় শিল্পীকে। অনেক বছর আরো বাচতে হবে স্যার। লড়াই কেবল শুরু!





অনেক কথা লিখে ফেলসো। পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল বেশ কিছু কথা লেখা যাবে কমেন্টে। এখন মনে পড়তেসে না।
আরজে'রা এত বেশি কথা বলে আর ঢঙ্গ করে যে রেডিও শুনা বাদ দিসি অনেক দিন। কে নাই আরজে!! দেবাশীষ বিশ্বাসও এখন আরজে
বাসের ৯ সিটের নিয়ম তুলে দেয়াই ভালো। আর না হয় হাফ-হাফ হোক।
জামাল নজরুল ইসলাম স্যার কে শ্রদ্ধা। আর কবীর সুমনের জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা।
ভালো হইছে। কথা কম কম বলাই ভালো। আরজে হইতে এখন মনে হয় শুধু এটম চকলেট খেলেই হওয়া যায়! নয়সিট থাকুক তাহলে কিছু মেয়ে অন্তত বসতে পারে। আর নয়সিট তুলে দিলে দেখবা সারা বাস জুড়ে পুরুষেরা সব বসে আছে মেয়েরা সব দাঁড়িয়ে!
ভালো থাকো। রাত জাগিয়ে তুমাকে এই বদখত পোস্ট পড়ালাম। থ্যাঙ্কস বন্ধু!
ঐ মিয়া, জিন্স পইড়া ঘুমাও কেমনে ?
তুমিতো আমার চাইতে অনেক বড় মাপের ঋষি। এমন সুখেই থাকো আজীবন !!
তুমি তো দেখি মহাকাব্য লেখা ধরছ!
আছ কিরাম? মাইয়ারা কেন কি করে সেসব গবেষনা করে লাভ নাই, ভগবানও বুঝেন না তাদের। ত্য বন্ধুরা যেহেতু তোমারে পিরীতিতে ফেলাইতে চাই, সেটা করে দেখতে পার। সবাই যেহেতু করে নিশ্চয়ই খারাপ কিছু না!
১. বদরুদ্দিন ওমরের কোন বইটার কথা বলছ?
২. প্রফেসর জামাল নজরুল ইসলাম পারিবারিকভাবে উর্দুতে কথা বলতেন এটা কি ঠিক? কিভাবে জানলা?
বদরুদ্দিন ওমরে বইটার বঙ্গভঙ্গ ও দেশ ভাগের রাজনীতি। খারাপ না বইটা। ওমর সাহেব মোটামুটি ব্যালেন্সিং ভাবে বিবরন দিছে দেশ ভাগের রাজনীতি নিয়ে!
জামাল নজরুল স্যারকে নিয়ে একটা লেখায় পড়লাম। উনিও খুব ভালো উর্দু গজল গাইতো। তবে উনি আর উনার ওয়াইফ নাকি খুব রাবিদ্রীক ঢংয়ে কথা বলতেন।
মহাকাব্য কই? দিনলিপি লিখি। আপনারা তো সেই আগের মতোই কিছুই লিখেন না!
অনেক দিন আপনেরে দেখি না।
মিস ইউ, শান্ত ভাই।
দেখা হবে সামনেই। এতো রাতে তুমি কি করো?
বন্ধু আড্ডা গান
এরই মাঝে প্রাণ।
এই তো জীবন।
বাস-এ উঠে উদাস হয়ে গেলেই সবচে' ভালো। এত এত লেকচার শুনতে হয়। বিনাপয়সার এসব জ্ঞানে মাথা বনবন করে ঘুরে। আর মেয়েদের যে বিপত্তির কথা বললা সেইটা তো অভিশাপের মতো লাগে!
অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম-এর জন্য শ্রদ্ধাপূর্ণ সালাম। কবীর সুমনকে শুভেচ্ছা।...
বাসে এখন হয় আমি কানে হেডফোন ঢুকিয়ে বসে থাকি নয়তো বাইরের দিকে উদাস হয়ে তাকিয়ে থাকি। লোকজনের দিকে তাকালেই বিপদ। পাবলিকের কাজ কারবার কথাবার্তা ইদানিং সবই আজিব কিসিমের।
তবুও মেয়েদের সবুর দেখে মুগ্ধ হই। এতো মানুষ স্ক্যান করতেছে বসে বসে তার ভেতরেও নিরুত্তাপ থেকে খুব স্বাভাবিক ভাবেই দাঁড়িয়ে থাকে!
একদিন তোমার সব দিনলিপি নিয়ে একটা বই হোক । জ্যামে বসে তোমার লেখা পড়তে পড়তে মনে হলো সবগুলো লেখা নিয়ে একটা বই হলে পড়তে দারুণ সময় কাটিয়ে দিতাম এখন । তবে বই আরো পরেই হোক , হৃদয়ঘটিত ব্যাপার স্যাপার আসুক ।
ল্যাপটপের আশা ছাড়বা না । আপোষহীন নেত্রী থুক্কু নেতা হও । তোমার সাথে আছি ।
শ্রদ্ধা জানাই জামাল নজরুল ইসলাম স্যার কে।
কোনো কালেই বই বের করার খায়েশ আমার নাই। ওতো বড় দৃষ্টতা দেখানোর মতো লোক আমি না। সময় আছে হাতে তাই লিখে যাচ্ছি দিনলিপি। ল্যাপটপের জন্য আপনারা যদি উদ্যোগী না হন তাহলে আমি আর কি করতে পারি? জনগনের আশাতেই তো সবাই থাকে। সাবধানে বাড়ীতে যান। জ্যাম লইয়া পেরেশানীতে পইড়েন না। ভালো থাকেন আপু!
জনগণ আছে সাথে । প্রভাবশালী মহল নিরবে থাকে এটাই যুগ যুগ ধরে হচ্ছে । আর হতে দেওয়া যাবে না ।
জ্যাম, গরম আর ইলমা পুরা শরীর ফেলে দিয়ে ঘুমাচ্ছে । তেজপাতা আমি ।
ভালো থেকো ।
আহারে এতো কাছে বাড়ী তাও কত বিরক্তিকর জার্নি। ব্যাথা টেথা নিয়ে বাড়ীতে ভালো থাকেন। মোবাইল দিয়ে আমগো পোষ্ট পইড়েন। প্রভাবশালী মহলের উপরে আমি আশা ছেড়ে দিছি, জয় বাংলা!
কি মন্তব্য করুম! খালি পড়ি আর ভাল্লাগে। ভাই, দৈনিক ৩-৪Ta পোস্ট দিতে পারেন না?
আপনার এই প্রশংসা গাছে উঠলাম। থ্যাঙ্কু ভাই। দুইটার বেশী দেয়া যাবে না নীতিমালায় বলা আছে তাই আমি একটা দেই। ভালো থাকেন শুভকামনা!
তোমার লেখাগুলোকে আলাদা আলাদা ভাবে "ভালো হইছে" বলার কোনো কারণ দেখি না। তোমার দিনলিপিগুলা আসলে এবোভ বেস্ট হয় সব সময়...
থ্যাঙ্কস কবি ভাই। আজকে আমার দিনটা খুব ভালো যাইতেছে। চারিদিকে শুধু প্রশংসার বানে ভাসতেছি আর আর গাছে উঠতেছি! ভালো থাকবেন ভাইয়া। শুভকামনা!
ফ্যান্টাস্টিক ফ্রাইডের পর স্যাটডে স্যাটারডে! সিরিজ চলুক এভাবেই।
বাসে চলাফেরা করলে দেখা যায় মানুষের বিচিত্র জীবন! মাঝে মাঝে খুব হাসি পায় আবার কখনো কখনো প্রচন্ড বিরক্তি লাগে মানুষের কর্মকান্ড দেখে!
এখনো কেউ ল্যাপটপের উদ্যোগ নিলো না? ধিক্কার।
লুঙ্গি আমিও পড়তে পারি না। কেন পারি না বলবো না। বিয়ের সময় একটা লুঙ্গি পাইছিলাম শশুরবাড়ি থেকে। সেইটা এখনো আছে। একমদ নতুন।
মাসুম ভাইয়ের লুঙ্গি না পরার কাহিনী জানতে মুঞ্চায়
লুংগি আমিও পড়িনা একেবারেই!
ল্যাপটপের আশা ছেড়ে দিছি। দুনিয়া বড়ই পাষানদের!
একদিন তোমার সব দিনলিপি নিয়ে একটা বই হোক । জ্যামে বসে তোমার লেখা পড়তে পড়তে মনে হলো সবগুলো লেখা নিয়ে একটা বই হলে পড়তে দারুণ সময় কাটিয়ে দিতাম এখন । তবে বই আরো পরেই হোক , হৃদয়ঘটিত ব্যাপার স্যাপার আসুক ।
ল্যাপটপের আশা ছাড়বা না । আপোষহীন নেত্রী থুক্কু নেতা হও । তোমার সাথে আছি ।
শ্রদ্ধা জানাই জামাল নজরুল ইসলাম স্যার কে।
ফুলকপি বাধা কপি বাদ দিয়ে কত ভুল করছি তা নিয়ে বলেন!
মন্তব্য করুন