অমঙ্গলের মঙ্গলবার সাথে মামা কে নিয়ে কিছু কথা
আমার জন্মবার মঙ্গল বারে। সেই থেকে মঙ্গলবারটা আমার প্রিয়। যদিও মুরুব্বীরা বলে গেছে যে বার হিসেবে মঙ্গল ওতো শুভ নয়। ছোটবেলা থেকে সেই অশুভ ভাব আর কাজ কারবার করতে করতে যখন বড় হচ্ছি তখন থেকেই আম্মুর মনে ছিলো খুব শক্ত ধারনা ছিলো অশুভ কিছু আছে আমার সাথে তাই নেয়ামুল কোরান দেখে অনেক দোয়াই আমার জন্য করতেন। আমার এইসব নিয়ে কোনো ভাবনা ছিলো না। বার তো বারই। সব দিনই আল্লাহর। তবে এই ব্যাপারে আবীরের ছিলো দারুন এক্সপিরিয়েন্স। কোন এক বড় হুজুর তার মাকে বলছে আপনার ছেলের জ্বীনের সমস্যা আছে। তাই সেই আমলেই ১০-১৫ হাজার টাকা খরচা করে তাবিজ পানি পড়ার আয়োজন চলে। কোমড়ে গলায় বিশাল বিশাল তাবিজ কবজ বাধা এখনো। আমার এই সব তাবিজ কবজে মোটেও বিশ্বাস নাই, করিও না কোনোদিন। কামরুলের এক বন্ধু ছিলো সোহেল নাম তার। সেই ছেলেটাকে নাকি কে তাবিজ করছে অনেক রোগে শোকে ভুগবে তারপর মরবে। তাই নাকি সে ছোটোকাল থেকেই রোগে শোকে ভুগে এসএসসি এক্সামের আগেই মারা গেলো। আমার এই সবে তেমন কিছু যায় আসে না কারন তাবিজে যদি কাজই হতো তবে ইরাক আফগানিস্তান ফিলিস্তিনে এতো লোক মরতো না। এমেরিকাকে তাবিজ করে তাদের মেরিন সেনাদেরকে প্রতিবন্ধী বানিয়ে রাখতো পীর আউলিয়ারা। তবে এই দেশের যেকোনো মানুষ খুব এইটাতে ফেইথ রাখে তা যে শ্রেনীরই হোক। দেলোয়ার সাহেবের মুখে গল্প শুনি তার এক বন্ধুর স্ত্রী মরন পথ যাত্রী। ডাক্তার বলে দিছে আর কোনো আশা নাই। তাকে নিয়ে দেলোয়ার সাহেব মিরপুরের একজনের কাছে গেলো। আর সেই মহিলা দিব্যি সুস্থ হয়ে এখন দারুন আছে। আর মোহাম্মদপুরে তো প্রসিদ্ধ হাটা বাবা। পাকিস্তান আমলে নাকি ব্যাংকে চাকরী করতো। পুত্র শোকে কাতর হয়ে কথা বন্ধ করলো তো করলোই। মুখে রা নাই। তিনিও হাটে তার পিছনে তার মুরীদরাও হাটে। তার পিছনে হাটলে নাকি বরকত হয়, অনেক সুফল পাওয়া যায়। তার এক ভক্ত প্রায় তিনকোটি টাকার এক জমি বাড়ী সহ তার নামে লিখে দিছে। নুরজাহান রোডের যেখানে তার আস্তানা সেখানেই উনি থাকে। খিদে লাগলে খায় আর রেস্ট নিতে চাইলে রেস্ট নেয় আর সারা সময় হাটে। উনার সমন্ধে গুজব এই রকমের চালু আছে যে উনাকে নাকি মানিকগঞ্জে কেউ দেখছে আবার কেউ দেখছে চাদপুরে কিন্তু সেই দিনই ঢাকায় এসে উনি দেখে উনি ঢাকায়। উনার হাটার যা স্পীড তাতে মানিকগঞ্জ তো দূরে থাক, সাভার যেতে লাগবে একদিন!
তবে হায়দার বাবার নিজেরই পারসোনাল হাইজিনের ঠিকঠাক নাই উনি আমার জন্য কি করতে পারবে? তাও তার পিছনে অনেকেই হাটে। ইদানিং চার পাচটা বাইক নিয়ে তরুন সমাজ তাকে স্কট দেয়। দুইজন মুরুব্বী আছেন যারা ট্রাফিকের মতো সিগনাল লাইট হাতে রাস্তা ক্লিয়ার করেন। মানুষজন খুব আগ্রহ ভরে তার হাটা গাড়ী থামিয়ে বা রিক্সা থেকে নেমে দাঁড়িয়ে দেখে। আমি মাঝে মধ্যে ভাবি জীবনটা এই হায়দার বাবার মতো হলেও খারাপ হতো না। মুরীদ নিয়ে হাটতাম আর হাটতাম। মাঝে মধ্যে ব্যস্ত রাস্তার ফুটপাথে বসে জিরিয়ে নিতাম। কিন্তু জীবন মানেই গতিশীল তা হায়দার বাবার মতো মানসিক ভাবে প্রতিবন্ধী মানুষদের জন্য বোঝা সম্ভব নাই। আমরা হাটবো একা একা, মন খারাপ থাকবে আনন্দ থাকবে তার ভেতর দিয়েই বেচে থাকতে হবে। এই সভ্যতা বিবেক বুদ্ধি আমাদেরকে শিখাইছে আলোকিত চেতনার অধিকারী হতে। নিজের শ্রমের সাফল্যই শুধু ভোগ করতে। কোনো বাবার পিছনে হেটে বা সিন্নী দিয়ে সাফল্য আসবে না জীবনে। তাও মানুষের মন তো তাই সব জায়গাতেই অল্প পুজিতে রহমত আর বরকতের নেশায় ডুবে থাকে।
তবে আমার যাপিত জীবনে কোনো বাবা বা পীর আউলিয়ার দরকার নাই যিনি আমাকে উদ্ধার করবে কারন আমার মামা আছে। তিনি একাই জেসন স্থেহাম আবার একাই নিকোলাস কেইজ যিনি সব কিছু থেকে দারুন ভাবে বাচিয়ে আমাকে রাখেন। শত জনমেও এরকম মামা লোকজন পায় না আমি যেমন মামা পাইছি। মামা কি পারে না সেইটাই বড় প্রশ্ন। আর যা পারে তার ফিরিস্থি শুনলে খালি মুগ্ধ হবেন। অসাধারন বাশী বাজাতে পারে, হারমোনিয়াম বাজাতে পারে, হালকা দোতারা বাজতে পারে, উদাস করা মন নিয়ে দারুন লালন গীতি গাইতে পারে, কোনো একটা কাজ একবার দেখলেই শিখতে পারে, দারুন রান্না করতে পারে বিশেষ ভর্তা ভাজি রান্না, হাটতে পারে অনেক দূর, বাংলা সিনেমা নিয়ে দারুন গল্প জানে, সিনেমার গান সহ যেকোনো আধুনিক গান দারুন মনে রাখতে পারো আরো কত গুন। এই সব তো বললাম খালি আরো আছে যা মনে পড়তেছে না। আমার আম্মুর এই ছোট ভাইটা আম্মুর যেমন আদরে আমরা দুই ভাইও বলা যায় ব্যাপক ফ্যান। শুধু আমরাই না আমার খালতো বোনেরাও মামা বলতে অস্থির। আমি আগে ভাবতাম মামা ভাইয়ার সমবয়সী বলেই হয়তো ভাইয়ার সাথে বেশী খাতির। কিন্তু আমিও যখন থেকে মেশা শুরু করলাম বন্ধুর মতোন করে তখন মামাও আমার আত্মার আত্মীয়। আগে মামা ছিলো আমার টিউটর। চিটাগাংয়ে আসলেই মামা আমাকে অংক করাতে মাঠে নামতো। আমি এতো অংক মোটেও পারতাম না তাও কোনো ভাবেই মামা ধৈর্য হারাতো না। ভাইয়া আমাকে পড়াতে গেলেই মেরে কেটে অস্থির। তার তুলনায় মামা খুব ধীর স্থির ভাবে আমাকে বুঝানোর চেষ্টা করতো তাও বুঝতাম না। জ্যামিতির এক্সট্রাগুলান মামা এতো সুন্দর ভাবে করাতো তাও এক্সামে দিতে পারতাম না। তাও মামার কোনো মন খারাপ ছিলো না। ঢাকায় এসে মামা যখন আমাদের সাথে থাকতো তখন বলা যায় ভাইয়ারই বন্ধু। আমার সাথে টিভি দেখা আর খাওয়া নিয়েই আলাপ হতো। কিন্তু ভাইয়া যখন চলে গেলো বাইরে। তখন থাকলাম আমি। মামা আমার সাথেই চায়ের দোকানের আড্ডা দিতে আসতো সেই কতদুর হেটে। মামার সাথে গল্প হতো অনেক তখন। আমি জানি আব্বু আম্মু মোটেও আমাকে এইভাবে ছেড়ে বাড়িতে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতো না যদি মামা না থাকতো। আমার মেসে থাকার দিনগুলাতেই মামাকে আমার আসল ভাবে চেনা। আমার সব কথাই মামা খুব মন দিয়ে শুনে কিন্তু আমি মামার কোনো কথাই শুনি না তেমন। আমার যত অভাব অভিযোগ তা জানাতাম শুধু মামাকেই। আর মামা তা শুনে ভাইয়া কিংবা আব্বু আম্মুকে বলতো। বাজার করা, বাসা খোজা, বুয়া ঠিক করা, যাবতীয় যা কাজ সাংসারিক আছে সব মামা করে। আমি শুধু ফ্রিল্যান্স বুদ্ধিজীবি সেজে চায়ের দোকানে লেকচার মেরে বেড়াই। মাসের পর মাস ধরে মামা শুধু আমাকে দেখে শুনে রাখছে। আমি চিটাগাং কিংবা কোথাও বেড়াতে গেলে গোপন করে রাখছে। কোনো ভুল কাজ করলে বারবার তা জানিয়ে দিচ্ছে। বলা যায় এই মেস লাইফে মামাই আমার সব। আমার বন্ধু, গার্জিয়ান, মা, আড্ডার সঙ্গী, বই পড়ার সাথী, শেয়ার করার বন্ধু, সব মামা।
এতো মামা মামা কেন শুরু করলাম। কারন মামা এখন আমার সব। আর কাল মামার জন্মদিন। মামা কোনো সময়ই তার জন্মদিনের কথা জানতে দেয় নাই। জিগেষ করলে বাংলা তারিখ বলে। বাংলা তারিখ আমি অনেক খুজে যখন জন্মদিনের উইশ করি তখন শুনি হয় চলে গেছে নয়তো দুইদিন পরে। এবার আর তাই মিস হলো না। ব্লগে জানিয়ে দিলাম জন্মদিনের শুভেচ্ছা মামা। এই অপদার্থ ভাগিনার সব দোষ ত্রুটি মাফ করে দিও। মামার কথা ভাবতে গেলেই এখন আমার চোখে পানি আসে। মামার মতো এরকম দারুন আত্মীয় আমি নিজের জীবনে তো দেখি নাই কারো জীবনেই দেখি নাই। এতো নিঃস্বার্থ আবেগময় মানুষ এই শহরে পাওয়া দুস্কর। আজ দিনটাই গেলো একা একা। চায়ের দোকানে বসছিলাম ভালো লাগছিলো না। মামী গতকালকের আচরনের জন্য দুঃখ প্রকাশ করলো। তাও আমার মন সায় দেয় নাই। এক কাপ চা খেয়েই এসে পড়ছি। বাসায় এসে ভালো লাগছিলো না। এই পিসিতে বসা কমাতে হবে। কারন বই পড়াই হচ্ছে না। তাই পড়া শুরু করে শেষ করলাম কামাল ভাইয়ের একলা থাকার গল্প। দারুন লাগলো। কী যে অসাধারন লাগলো তা বলার মতো না। একটা কাজে বের হলাম টুটুল ভাইয়ের সাথে দেখা হলো কথা হলো হালকা। শ্যামলী থেকে বাসায় আসার রিক্সাভাড়াও চায় ২০ টাকা চায়ের দোকান কত দূর সেইখানেও চায় ২০ টাকা। তাই চায়ের দোকানেই গেলাম। সাইফ আসলো। তার বন্ধু আমার ছোটভাই সৌম্য আছে বড় বিপদে। তার গার্লফ্রেন্ডের বিয়ে হয়ে যাচ্ছে দ্রুত। কিছুই করার নাই। আমাকে সাইফ তার সাথে ধানমন্ডি ১৫ তে নিয়ে যাওয়ার জন্য রিক্সায় উঠালো। রিক্সায় উঠে মনে হলো কাউরে সান্তনা জানাই কোন মুখে নিজেই তো সারাদিন অযথা বিষন্নতায় ভুগি। নামলাম তাই শংকরে। পত্রিকা দেখলাম। আনন্দলোক, কালিওকলম, জিরো টু ইনফিনিটি ম্যাগাজিনগুলো কিনে হাটতে হাটতে বাসায় আসলাম। টাকা ছিলো লম্বা পথ তাও মনে হলো চল্লিশটাকা রিক্সা ভাড়াটা বাচাই। বাসায় ফিরে এইপোষ্টে লেখায় হাত দিলাম। কারেন্ট চলে গেলো আবার শুরু করলাম। গত তিন চার ঘন্টা ধরে এই পোষ্ট নিয়েই বসে আছি। আমি আসলে একা ভাবলেই একা কিন্তু কোনোভাবেই একলা থাকা না। কারন আমার দারুন মামা আছে, স্নেহময়ী মা আছে, ভাইভাবীর অকুন্ঠ আদর ভালোবাসা আছে বাবার যত্নশীল শাসন আছে। এই সব ভুলে একা আছি তা চিন্তা করাও অন্যায়। আর বাসায় বন্ধু হিসেবে মামা তো আছেই ছায়ারমতো। আমার দারুন এই মামার জন্য সবাই দোয়া করবেন। কারন মামার মতন ভালো মানুষ আমি খুব কম দেখি এই সমাজে!





মামা ভাগিনা যেখানে আপদ নাই সেখানে
মামারে জন্মদিনের শুভেচ্ছা দিও ভাগিনা
শান্ত মামার কথা ক ইতে গিয়া খালাত বোনেদের কথা আনল কেন বুঝলাম না

কারন খালাতো বোনেরাও তো মামার আপন ভাগ্নি তাই!
অনেক দিন আগে নারু বলছিলো বিষণ্ণতা একাথাকা লাগ্লেই কষ্টকর কিছু কাজ শুরু করবা একদম ঘাম ছুটানো মার্কা। দেখবা সব বিষণ্ণতা পালায়ে যাবে। আসলেই লাগে তা।ক দারুন নি:শর্তপূর্ন ফায়দা লোটার মানসিকতাহীন রঙ্গিন সম্পর্কগুলোর মাঝে প্রতিনিয়ত আছি সেগুলোরে ছাপায়ে কেন যে বর্নহীন বেরঙ্গি রং-কে নিজের করে ফেলি!
শুভজন্মদিন মামা। শান্তটা যে উঠতে বসতে কত্তো বলে আপ্নার কথা। এবির মামুই বানায়ে ফেলছে
হ সব একাকার করে ফেললাম!
ভালও থাকেন আপু
কইরা দিলাম আপনের মামার লাইগা দোয়া।
থ্যাঙ্কস আপনি আসলে কোনোভাবেই কুলাঙ্গার না!
আজকের লেখা টা খুব খুব খুব ভাল লাগলো পড়তে।
এরকম মামা থাকার মজাই আলাদা।
মামার জন্মদিনে অনেক অনেক শুভকামনা।
থ্যাঙ্কস বর্ণ!
ভালো থাকেন আপ্নিও!
ভোরে ঢাকায় আসার পথে একটানে পড়লাম লেখাটা । কি ভালোবাসা, শ্রদ্ধার অনুভুতির প্রকাশ ! শাস্ত ছেলেটা এত মায়াময়,আবেগীই থাকুক সারাজীবন । আর মামার মত অসাধারণ মানুষের মমতা, ছায়ায় কাটুক জীবন ।
মামার জন্মদিনে মামার জন্য শুভকামনা, জন্মদিনের শুভেচ্ছা ।
থ্যাঙ্কস আপু। আপনেই একটা মানুষ যিনি সিরিয়াস ভাবে ব্লগ পড়ে শেয়ার দেয় কমেন্ট করে। আমরা তো সব ফাকি বাজ। এই ধারা অব্যাহত রাইখেন!
অনেক অনেক শুভকামনা। শরীর মন ভালো হয়ে যাক!
যেই লক্ষী ভাইগ্না, তার মামা তো এরকমই হবে
মামাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।
তা না হয় বুঝলাম। কিন্তু পোস্ট কেমন হইছে?
১০০ তে ১১০
ভাতৃস্নেহে অন্ধ প্রতিদান!
ভালো কথা। হাটা বাবার সাথে থাকলে কী হয় বলে লোকে প্রচার করে? তারে তো আমাদের এদিকেও দেখি। এই যুগে ভদ্রবেশী লোকেরা সব মনেহয় পাগল হয়ে গেছে।
বিপদ থেকে পরিত্রান, আয় রোজগারে বরকত এই দুইটার কথাই শুনি। আরো অনেকে বলে চারপাচ রকমের বিপদ একি সাথে পড়ার পর উনার পিছে ১০-১৫ দিন হাটলেই কিভাবে জানি টেনশন থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। আমি তখন বলছিলাম রোদে হাটলে ক্লান্ত লাগে ভালো ঘুম হয় তাতেই টেনশন মুক্তি।
উনার বেড়ীবাধ উনার প্রিয় জায়গা তাই ওদিকে দেখবেনই। আশে পাশে ধুলা বেশী যেসব রাস্তায় সেসর রাস্তাতেই আমি উনাকে বেশী দেখি। এই পোষ্ট দেয়ার পর আমার এক বড় ভাই বললো উনি নাকি আগে মিরপুরে একাই হাটতো। কেউ হাটতো না। মোহাম্মদপুরে আসার পর থেকে তারে নিয়া নাকি অনেকে ব্যাবসা করতেছে। তার ছেলে মেয়েরাও নাকি হাজির হচ্ছে!
মামা, ভাইগ্না দুইজনের জন্যই শুভেচ্ছা।
থ্যাঙ্কস বন্ধু! তুমিও ভালো থাকো!
এইটাতো আমার কথা ছিল, তুমি জানলে কিভাবে!!!!
আমি হাটা মা হতে চাই। এই জীবন চাকরি আর ভাল লাগে না
(
মামার জন্মদিনে অনেক অনেক শুভকামনা।
চাকরী না করলে কিভাবে চলবে দিদি? সেলিব্রেটি ইমেজ ধরে রাখতে হলে জব করতেই হবে!
ভালো থাকেন আপু। আপনার জন্যেও শুভকামনা!
চমৎকার লাগলো পড়তে
আমার জীবনেও মামাদের ভূমিকা অনেক।
থ্যাংকস ভাইয়া!
জয় হোক মামাদের!
মামাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছ

থ্যাংকস আপু!
মন্তব্য করুন