বাজাইরা হিন্দী সিনেমা লইয়া আজাইরা আলাপ~
কালকে থেকে আমার মন ভালো। কেনো ভালো জানি না। অকারনেই মন ভালো। সবাই আমার এতো বিষণ্ণতার গল্প শুনতে শুনতে নিশ্চই টায়ার্ড। কিন্তু সত্যি গত দেড় দিন ধরে আমার মন ভালো। সেই খুশিতে চার দিন ধরে হাটি না। এতো হেটে ঘেটে ওজন কমলো মাত্র তিন কেজি। সাইফ বললো ভাইয়া জিমে চলেন আজ থেকে। এডমিশন ফি ১৫০০ মাস প্রতি ১০০০। যদিও ওতো ভালো কোনো জিম না তাও টাকাটা আমার কাছে বেশি লাগলো। মাসে সাড়ে তিন হাজারটাকা হাত খরচ পাওয়া ছেলের জন্য জিম আসলেই একটু বেশী খরচা। তাও যদি বাবা মার সাথে থাকতাম তাহলে একটা ব্যাবস্থা হতো। এই মেসে বুয়ার আসাআসির ঠিক নাই, রান্নার অবস্থাও খুব ভালো না সেখানে জিম করে ফায়দা কি? তাও আমার মনে গোপন খায়েশ গত চার পাচ বছর ধরে। যে জিম আর পলো টিশার্ট পড়ে ঘুরে বেড়ানোর। যার থেকে আমি অনেক অনেক দূরে। মাসকেল টাস্কেল দেখিয়ে ঘুরে বেড়ানোর খুব সখ। কিন্তু কতো কিছুই তো পাওয়া হয় না তাই এই চাওয়া টুকুও হারিয়ে গেছে। তবে লোকজন আমাকে বাসায় বসে বসে ব্যায়াম করার বুদ্ধি দেয়। কিন্তু আগ্রহ পাই না। আর আমি সিরিয়াসলি পুশ আপ টুশ আপ দিতে পারি না ভালো। বা হাতের দিকে আমার জোর অত্যন্ত কম। শরীরের ফ্ল্যাক্সিবিলিটিও নাই। আর ছোটোবেলা থেকেই কারন ছাড়াই আমার হাত পা কাপে সেইটার কারন হতে পারে নার্ভের কোনো সমস্যা। তাই আমার জিমখানার অধ্যায় অকালেই প্রয়াত। গত তিন চারদিন ধরে হাটছিও না। শনি থেকে আবার শুরু করবো হাটা।
এই সপ্তাহজুড়ে প্রচুর ছবি দেখলাম। বাংলা হিন্দী ইংরেজী মিলিয়ে। এরকম সপ্তাহ খুব কম গেছে। আসলে টিভি নাই কিছু তো দেখতে হবে তাই দেখা। আমি কোনো কালেই সিনেমা দেখার ওতো লোক ছিলাম না। তাও এখন মনে হয় সিনেমার চেয়ে টাইম পাস এন্টারটেইনমেন্ট আর হয় নাই। এই টাইম পাসের উসিলায় সিনেমা দেখার কারনে আমার বই পড়া কমে গেছে। আসলে ব্যালেন্সিং করাটা খুব টাফ। কারন নেটে কতো সময় দেবো? কতক্ষণ বই পড়বো আর কতোটুকুই বা সিনেমা দেখবো? তবে সব চেয়ে জরুরী কাজ হলো বই পড়া। আর এই কাজের সময়টাই সব চেয়ে কম দিতেছি। ফেসবুকে অযথাই বসে থাকা আর তাতে সময় নস্টের চুড়ান্ত। আমার এক বন্ধুর কথা মনে পড়ে যায় ও বলছিলো ফেসবুকে সেইদিনই বসবো যেদিন আর করার মতো কিছুই থাকবে না। ইস! যদি ওর মতো হতে পারতাম। তবে যেখানে যাই যে অবস্থাতেই থাকি মোবাইলে নেট চালানো ছাড়া করার কিছু করার পাই না। এইতো যেমন কাল ক্লাস শেষে পারভীন আপুর কারনে পাবলি লাইব্রেরীতে গেলাম। কবিতা পড়ার অনুষ্ঠান। আমি একদম শেষে দশ নাম্বার কবিতা পড়ার সময় ঢূকলাম। শুনেই বুঝলাম রুদ্রর কাছে লেখা তসলিমা নাসরিনের চিঠিটা পড়ছে। চিঠিটা আমার মুখস্থ ছিলো এক কালে। আমার বন্ধু রাজু ছিলো রুদ্রর কবিতার খুব ভক্ত। তাকে শুনানোর জন্যেই মুখস্থ করা। খুশী হয়ে ও ৫০ টাকা দিছিলো। জীবনের অন্যতম সারপ্রাইজ ইনকাম। শুনলেই মন খারাপ হয়। আরো দুইটা চিঠি শুনলাম প্রায় কান্না পায় পায় অবস্থা। মোবাইল ইন্টারনেট ছিলো তাই বেচে গেছি নয়তো বড়ই আবেগে ডুব সাতার খাইতাম। আমার মনে পড়ে পাচ ছয় বছর আগে সামহ্যোয়ারের আমলের কথা। বাড়ীতে গেছিলাম আম্মুকে নিয়ে। ওই দশ বারোদিন মন খালি সামুতেই পড়ে ছিলো। কিন্তু কোনো উপায় নাই এখন তো বাড়িতে গেলেও মোবাইলে শুয়ে শুয়ে পোস্ট লেখি কি অগ্রগতি!
যাই হোক কি শুরু করলাম! লেখতে বসছি সিনেমা নিয়ে, সিনেমারই কোনো খবর নাই। সিনেমা দেখলাম প্রথমে রেস টু। আব্বাস মাস্তানদের ছবি। ছবিটা একটা বালের ছবি তবে ইন্টারটেইনিং। ব্যাবসাও করছে ভালো। উইকিপিডিয়ায় দেখাচ্ছে সেমি হিট একশো কোটির কাছাকাছি ব্যবসা। লাট লাগ গাইই গানটাতো বড়ই হট। ওভারওল সিনেমার গান ওতো আশানুরুপ কিছু না। কাহিনী টুইস্ট আছে, তবে প্রেডিক্টবেল আর একশন ভালো। সব মিলিয়ে একটা ঝকমারি চকচকে আর সেকেন্ড ক্লাস মাসালা এন্টারটেইনমেন্ট মুভি। নায়িকাদের পুরা সিনেমাতে কিছুই করার ছিলো না। খালি ছোটো খাটো জামা আর দামী সাজগোছ করে ঘুরে বেড়ানো। দীপিকারে আমার খারাপ লাগে না। নিজেরে রনবীর কাপুর ভাবলে দীপিকারা মানানসই। সারা ছবিতে সাইফ আলী খানের অভিনয়ই চোখে পড়ার মতো। তবে জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ আর জন আব্রাহাম দুইজনকেই এই ছবিতে কাস্ট করা হইছে তাদের শরীর ও শরীর দেখানোর জন্য। পরিচালকের উদ্দেশ্য সফল। তবে দুইজনের অভিনয়ের নাম গন্ধতেও নাই। পত্রিকায় ইন্টারভিউ দিয়ে জ্যাকুলিন অবশ্য বলছিলো এই ছবির জন্য সে কতো কি শিখছে? শিখছে খালি হট কস্টিউম ক্যারি করতে পারাটাই। যাই হোক কোনো কাজ কাম না থাকলে আড়াই ঘন্টা ধরে এই ছবিটা হয়তো সহ্য করা যাবে। কিন্তু কতোজন তা পারবে তাই প্রশ্ন? তবে চলছে হলে গান গুলা হিট তাই হয়তো ছবিটাও হিট!
পরের ছবি নোওটাংকি সালা। ছবিটা আসলেই ইন্টারেস্টিং। তবে তার জন্য রোহান সিপ্পি রমেশ ছিপ্পি দের অবদান খুব একটা বেশি না। কারন ছবিটা ২০১০ সালের এক ফ্রেঞ্চ কমেডি মুভি অনুমতি নিয়ে মেরে দেওয়া। ছবিতে ক্রেডিট লিস্টে তাও দেখায় কিন্তু এতো অল্প সময়ের জন্য তা কেউই টের পাবে না এমন করে। ছবিটা খুব মিস্টি ছবি। এক ছেলে আত্মহত্যা করতে যায়। এক ইয়াং থিয়েটার ডিরেক্টর কাম এক্টর তাকে বাচায়। চায়নিজ এক প্রবাদ মেনে সেই ছেলের সব কিছুর দ্বায়িত্ব নেয়। তাকে তার থিয়েটারে ঢুকায় অনেক কস্টে স্রষ্টে আর যে মেয়ের কারনে ছেলেটা আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলো তাকে বুঝ দিতে এসে নিজেই তার প্রেমে হাবুডুব অবস্থা। ফালাক সাব্বির রাশীদ খানদের মিউজিক ভালো। পুরান দিনের দুই একটা গান রিমেক করে ঢূকিয়ে দিছে। সাডি গালি আজা গানটাতো খুবই হিট ছিলো। আয়ুস্মান খুরানা ছেলেটার মধ্যে ম্যাজিক আছে। গত বছর এক ভিকি ডোনরে গান গেয়ে আর অভিনয় করে সমানে সব এওয়ার্ড বগল দাবা করছে। ছেলেটার ক্যামেরা প্রেজেন্স তার উপস্থাপক জীবনের মতোই ঝকঝকে। তবে এই ছবিটার তার গলার গাওয়া গানটাই ভালো। নয়তো এই ছবিতে আমাকে মুগ্ধ করছে কুনাল রয় কাপুরের অভিনয়। দিল্লী বেলীর থেকেও তা দারুন। একেকটা ডায়লগ, তাকানো, অংগভংগি সব অসাধারন। আর ডায়লগ গুলাও খুব রসাত্মক। ছবির ফাস্ট হাফ অত্যন্ত দারুন। সেকেন্ড অংশ প্রেডিক্টবেল এবং গতানুগতিক হিন্দী ছবির। ছবিটা ভালো ব্যাবসা করতে পারে নাই। কারন কমান্ডো ছবির অহেতুক একশনে এতো সিম্পল প্রেডিক্টেবল স্মার্ট কমেডি মুভি পাবলিক হয়তো হজম করতে শিখেই নাই। তবে আমার ধারনা আয়ুস্মানের জায়গায় রনবীর বা ইমরানকে দিয়ে ছবিটা করালে ভালো ব্যাবসা করতো। অবশ্য থ্যাঙ্কস রোহান সিপ্পির প্রিয় বন্ধু অভিষেকরে দিয়ে করায় নাই। করালে পুরাই ঠাডা পড়তো।
এরপরের ছবি স্পেশাল ছাব্বিশ। আমার দেখা বছরের অন্যতম সেরা হিন্দী মুভি এইটা। ছবির গল্প হলো আশির শেষের দিকে কিছু নকল সিবিয়াই অফিসার মন্ত্রী- বড় ব্যাবসায়ীদের বাড়িতে তল্লাসীর নামে টাকা পয়সা নিয়ে গায়েব হয়ে যেতো সেরকম এক গ্যাং নিয়ে। ছবিটা দারুন। নিরাজ পান্ডে তার আগের ছবি এ ওয়েডনেসডের মতোই খুবই চমকপ্রদ স্ক্রিপ্ট ও ডিরেকশন দিতে ভুলে নাই। ছবিটার প্রডাকশন ডিজাইন অসাধারন। পুরাই আশির দশকের ভারতের ফ্লেভার। অক্ষয়ের অভিনয় আমার কখনোই ভালো লাগে না। কিন্তু এই ছবিতে তার গল্পের কারনেই হোক আর যেকারনেই হোক অভিনয়টা দারুন করছে। অনুপম খের, কলকাতার রাজেশ শর্মা মনোজ বাজপেয়ী এদের সবার অভিনয়ই দুর্দান্ত। তেলেগু নায়িকা কাজল আগরওয়ালের করার মতো কিছুই ছিলো না। তবে ছবিটা চমকের। শেষ পর্যন্ত দেখতে হবে এর ভিতরটা বুঝতে। দারুন এন্টারটেইনমেন্ট এবং মজার মজার সব ডায়লগ আর সিন। অনেক রিভিউওলাগো মতে এই ছবিটা নাকি এখন অবধি বেষ্ট ছবি এই বছরের। ছবিটার গানের ইউসেও খুব মিত্যব্যায়ীতার পরিচয় দিছে। হিমেশ আর ক্রিমের ডিরেকশনের গান ওতো ভালো আশা করাটা ভুল। তবে ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক আরেকটু ভালো হতে পারতো। তাও ছবিটা জোস। ছবিটা ভালো ব্যাবসাও করছে। আগামী ঈদে ওয়ান্স আপন এ টাইম ইন মুম্বাই টু যেখানে তাকে কম্পিট করতে হবে শাহরুখ দীপিকার মাসালা মুভি চেন্নাই এক্সপ্রেসের সাথে তার জন্য ভালো একটা কামব্যাক সিনেমা হলো। যদিও পত্রিকায় দেখলাম এখন থেকেই শাহরুখ ডিস্ট্রিবিউশনে সব কিছু ফাইনাল করছে। দেখা যাক কী হয়।
এরপরের ছবি শুটআউট এট ওয়াডালা। এইটা সিকুয়েল। এর আগের ছবির নাম ছিল শুটআউট এড লখন্ডোলা। আগের ছবিটা তো ছিলো সুপার হিট। এইটাও সেই পথেই যাচ্ছে। গত এক বছরে আমার দেখা অন অব দ্যা বেস্ট একশন এন্টারটেইমেন্ট মুভি একটা। মুম্বাইয়ের এক কলেজ ছাত্রের গ্যাং স্টার ও এনকাউন্টের নিহত হবার গল্প। গল্পের যে নায়ক মানিয়া সুরবে সে আসলেই ছিলো মুম্বাইয়ের মাফিয়া আশির শুরুতে। সত্য কাহিনী সাথে মাসালা ঢুকানো। কলেজ পাশ করে রেজাল্ট দেয়ার মানিয়া সুর্ভে পুলিশের হাতে ধরা খায় ভাইয়ের কারনে, জেলে যায় এবং সেখানেই তার ভাইকে মেরে ফেলা হয়। তার যার সাথে বিয়ে ঠিক সেই কংগনা রানাওয়াত কেউ হারিয়ে ফেলে। জেল থেকে পালিয়ে গ্যাংস্টার হওয়া। দাউদ ইব্রাহীম ভাইদের সাথে বিরোধ। শেষে পুলিশের এনকাউন্টার। ধুন্দুমার একশন ছবি। আশির দশকের মুম্বাইয়ের গল্প। জন আব্রাহামের এই ছবিতে অভিনয় করার অনেক সুযোগ ছিলো কিন্তু ওতো ভালো হয় নাই। কিন্তু একশনের কারনে তা মেনে নেয়া যায়। তবে অনিল কাপুর সোনু সুদ মনোজ বাজপেয়ীদের অভিনয় দারুন। অনিল কাপুরের এতো দারুন অভিনয় অনেকদিন দেখা যায় নাই। হুসান জায়েদীর উপন্যাস থেকে নেয়া ছবির কাহিনী আর সঞ্জয় গুপ্তের ডিরেকশনের কারনেই হয়তো টানটান একটা উত্তেজনা আছে ছবিতে। তবে ছবিতে সব চেয়ে বাজে জিনিস হলো এর গান গুলার ব্যাবহার। যতোই সানি লিউন প্রিয়াংকা সোপীদের নিয়ে নাচাক খুবই বোরিং তা। ছবির সাথে একদমই মানানসই না। তাও দেয়া কারন এই সমস্ত একশন ছবিতে আবার নায়িকাদের কোমড় দোলানো নাচ না থাকলে হিন্দী ডিরেক্টরটের পেটের রুটি হজম হয় না। আর নায়িকা হিসেবে কংগনার অভিনয় ফালতু। দিয়া মির্জা সোনম কাপুরদের মতো নায়িকা হলেও ওর চেয়ে ঢের ভালো অভিনয় করতে পারতো। তবে ছবিটা এন্টারটেইনিং। তামিল ছবির মতো আজাইরা একশন না কিংবা হলিউডের মতো ফাইনেস্ট একশন না মাইন্ডব্লোয়িং বলিউডি মাসালা একশন ছবি।
শেষ ছবি মেরে ড্যাড কি মারুতি। খারাপ না ছবিটা। তবে গানের অত্যাচার আর একটু উদ্ভট বলিউডি প্লট। তাও স্মার্ট মোটের উপরে। হুমা কোরেশির ভাই সালিম সাকিব ভালো অভিণয় করছে। একটা শহীদ কাপুর ভাব আছে তার চেহারা এটিচিউডে। তবে ছবির গান গুলা ফালতু। আর প্রোডাকশনও ওতো ভালো না। তবে হিন্দী সিরিয়ালের বড় এক্টর রাম কাপুরের অভিনয়ই এই ছবির প্রান। বস্তাপচা সিরিয়াল করলেও যে অভিনয় অনেকে ভুলে না এইটা তার প্রমান। না দেখাই ভালো আজাইরা ছবি খান।
এই পোস্ট নিবেদন করলাম মামাকে। কারন মামা ডাউনলোড না করে আনলে দেখতেই পারতাম না। আর তানবীরা আপুকে যিনি যখনই সিনেমা নিয়ে আলাপ হতো তখন আমাকে লিখতে বলতো। আর পুলককেও আমার এই সব থারড ক্লাস হিন্দি ছবি নিয়ে প্যাচাল কপচানোর সংগী। আরো লিখবো সামনে ও সমানে!





ইন্ডিয়ান বাংলা মুভি দেখলাম দুইটা। হাওয়া বদল আর বাইশে শ্রাবণ , দুইটাই বেশ ভালো। ওরা অনেক আগায়া যাইতাছে হুট কইরাই। আর আমরা বইসা বইসা সাকিব খানের পাওয়ার দেখি।
কলকাতার ছবিও সমানে দেখতেছি। হাওয়া বদল নাকি রবীন্দ্রনাথের ইচ্ছাপুরন গল্পের ইদানিং কার কলকাতা ভারসন? বাইশে শ্রাবন দারুন ছবি। দেখছি এইটা।
হুম, বলা যায়! তবে, ভালোই বানাইছে।
গান গুলা তো ছিলো জোস। দেখবো। আগ্রহ আছে! কলকাতার ছবি নিয়েও লিখবো
আই হেইট হিন্দী সিনেমা!
আমিও হেইটই করতাম। এখন দেখি সবাই গোপনে গোপনে সব হিন্দী ছবি দেখে ফালাফালা করে দেয় আর সামনা সামনি বলে হিন্দী ছবি দেখি না। আমি ওরকম হিপোক্রেট না দেখি তা স্বীকার করি। আর আমি দেখার মতো তেমন কিছু পাই না। টিভি কারডেও ডিস নাই!
আই লাভ হিন্দী মুভিজ .... অল ভাষা
আমাকে এরপর যে পোস্ট নিবেদন করবা একলা করবা, শেয়ার করতে আমার ভাল লাগে না।
কয়েকটা মুভির নাম টুকলাম, ডাউনলোড করতে হবে, ধন্যবাদ
অবশ্যই আপু। এইটাতো স্টারটার তাই ভাগে ঝোকে।
ডাউনলোড করার আগে আমার পরামর্শ নিতে ভুইলেন না!
না দেখাই ভালো আজাইরা হিন্দী ছবি
আমিও তো কম আজাইরা না। তাই দেখবো আর সময় পেলে তা নিয়ে আজাইরা লিখবোও!
আপনার সিনেমা দেখার গল্প শুনে পরানো দিনে ফিরে গেলাম যখন দিনে ভি সি আরে কম করে হলেও ৪-৫ ছবি দেখতাম। নতুন ছবি যখন পেতাম না তখন পুরানো হিন্দি ছবি দেখতাম। এখন সময় বয়স ও অবস্থান এসব পারমিট করে না। তবে হিন্দি , আরবি, ইংরেজী, মারাঠি কোন ভাষাতে আমার কোন আপত্তি নেই।
কিন্তু সত্যি গত দেড় দিন ধরে আমার মন ভালো। সেই খুশিতে চার দিন ধরে হাটি না।
অংকের হিসেবটা মিলল না।
খুশিতে ও মেজাজ খারাপে হাটি না তার কারন অন্য। তবে গত তিন চার দিন ধরে আমার মন ভালো
ভালো থাকেন ভাইয়া। বেস্ট অফ লাক!
আয় হায়, একটাও তো দেখি নাই।
(
সমস্যা নাই। আপনি এই সব সস্তা সস্তা ছবি দেখে কি করবেন? আপনার মতো হলিউড ইউরোপের ছবি দেখতে পারি না বা দেখা হয়নি বলেই তো হিন্দী ছবি দেখে বেড়াই!
পোষ্ট ভাল হইছে তবে ইদানিং ছবি দেখা হয়না তেমন।
বউ পোলাপান জব নিয়ে ব্যস্ত দিন আপনেগো ওতো সময় কই?
এইটা কি কইলা??!!! ইসপিশাল ছাব্বিশের গান ভালা হয় নাই কথা সত্য, কিন্তু এম এম ক্রীমের কাছ থিকা ভালো কম্পোজিশান আশা করা যায় না কথাটা মনোয় বাড়াবাড়ি হয়া গেছে ভাইটি... সুর আর জিসমের গান শুনার পর থিকা আমি এম এম ক্রীমে পুরা ফিদা...
সাইফ জিম সিন্সিয়ারলি শুরু করতে চাইলে জানায়ো... কয়েকটা ভালো ওয়েট ট্রেনিং রেঝিমে আছে... মেইল কইরা দিমু... পছন্দের টা বাইছা নিয়া কাজ শুরু করলেই হয়া যাবে
তাই নাকি? আসলে হিমেশের নাম দেখেই মেজাজ বিলা হয়ে লিখছি। এম এম ক্রিম নিয়া ওতো জানি না। জিসমের গান গুলা তো ব্যাপক হিট ছিলো। অফিসিয়াল সরি!
ওকে ভাইয়া। অনেক দিন পর দেখলাম। আপনি কেমন আছেন বড় ভাই? দাম্পত্য জীবন কেমন চলিতেছে?
আমারে অনেকদিন পরে দেখলেও তুমারে নিয়মিতই দেখতাছি.. সবপোস্ট-ই পড়ি তুমার... তুমিই একমাত্র নিয়মিত আমাদের মধ্যে...
...
দাম্পত্য জীবন খারাপ না চলতাছে... বউয়ের কল্যাণে উঠতি ব্রাম্মনের ভুড়ির মত দেখতে একটা ভুড়ি বাগাইছি... ইকদম paunchy.....
তাইলেকটা সুন্দর দেইখা মিষ্টির দুকান্দিয়া দেন!
মন্তব্য করুন