কতো বারও ভেবেছিনু আপনা ভুলিয়া!
শিরোনামটার যথারীতি বিশেষ কোনো তাৎপর্য নাই। গানটা আগেই অনেকবার শুনে থাকতে পারি কিন্তু একটা অতি সাধারন রবীন্দ্রসংগীত যেমন ভালো লাগে তেমনি লেগেছে। কিন্তু সেদিন ক্লাসে যাচ্ছিলাম এমবিএ বিল্ডিংয়ের পাশে যে বিশাল মাঠ সেখানে রাস্তার এককোনায় বসে একমেয়ে তার প্রেমিকের কাধে মাথা রেখে গানটা গাইতেছে। আহা কতো অসাধারন একটা সিন। আমি কিছুক্ষণ সময় দাঁড়িয়ে রইলাম মোবাইল গুতাগুতির উসিলায় মেয়েটার গলা ভারী মিস্টি। মনে হচ্ছে শুভমিতা বা লোপামুদ্রা গেয়ে চলছে। বাসায় এসে পড়লাম সেই গানের প্রেমে। বারবার বহু শিল্পীর গাওয়া একি গানই বারবার শুনতেছি। এরকম আমার ক্ষেত্রে অনেকবার হয়। মুল গান ভালো শিল্পীর কাছে ভালো লাগে নি। মানুষের মুখে শুনে শুনে সেই গানটায় ব্যাপক আশক্তি বাড়িয়েছি। এইটার একটার বড় কারন হতে পারে রেডিও। ছোটবেলায় রেডিওতে গান শুনে মুখস্থ করতাম তো তাই আশেপাশের মানুষজন কি গান গায় শুনার চেস্টায় থাকতাম। তখন আরেকটা জিনিস প্রায় হতো আমি গায়েবী ভাবে গান শুনতাম। মনে হতো কেউ আমার প্রিয় একটা গান গাচ্ছে। যদিও বড় হয়ে জেনে গেছি ইহা ঘোর ছাড়া আর তেমন কিছু না। গায়েবী গান আসলে নিজের মনেই গেয়ে চলছে অবিরাম!
ইউটিউব খুলে দিছে তাতে আনন্দের শেষ নাই। যদিও চার মাস ধরেই ইউটিউব দেখতে পারা যায় ওলোতে। তাও সবাই তো আর দেখতে পারে নাই। আর যে কোনো অবরুদ্ধ জিনিসই মেজাজ খারাপ। যতোই নিজে দেখতে পারার সুবিধা থাক তাও অসহ্য লাগে। মেজাজ খারাপ হয় এই রাষ্ট্র আর তাদের আমলা কামলাদের উপরে। যে সহজ সরল উপমা দেয়া হয় আমাদের দেশের মানুষদের। আমি সহজ সরলের কোনো গন্ধ খুজে পাই না কোথাও। অহরহ ধর্ষিত হচ্ছে শিশু কিশোরী থেকে শুরু করে বৃদ্ধা মহিলা অবধি। এরকম দেশ দুনিয়ায় বিরল যেখানে প্রতিদিন হালি খানেক রেইপড হবার খবর পাওয়া যাবে এইভাবে। গত তেত্তালিশ বছর জুড়ে এই দেশে আমরা নাকি আগিয়েছি অনেক পথ কিন্তু হাজার কিংবা লাখখানেক রেপিস্টের হাত থেকেই দেশকে মুক্ত করা গেলো না। কতো সভা সেমিনার আইন কানুন কতো কিছুর ব্যাবস্থা তাও কিছুই হলো না। রেইপ হবার পরে ভিক্টিম এই সমাজের বিভিন্ন মাধ্যম থেকে আরো অজস্রবার রেইপড হয়। এমনকি ভদ্র সমাজে অসংখ্য মানুষ এই রেপিস্ট মানসিকতা নিয়ে ঘুরে। খালি সুযোগের অভাবে করা হয় না। আবার আমার বা সবারই অসংখ্য বন্ধু আছে যারা তীব্রভাবে বিশ্বাস করে যে সারা বাংলাদেশের নারী সমাজকে বোরখায় ঢেকে ফেললেই সমস্যার সমাধান। আমার তখন হাসি আসে ব্যাপক। আর কথাই বাড়াই না। কারন সারা বাংলাদেশে মেয়েদের লোহার বর্ম পড়িয়ে রাখলেও রেপিস্টের হাত থেকে মুক্তি নাই। রেইপ চলবে আগের চেয়ে বেশী মাত্রায়। বাংলার পাঠশালা নামের একটা পাতি বাম সংগঠন আছে যারা একবার এক আলোচনাতে টিচার নাসিমা আখতার হোসেইন বলছিলেন এখন যতো হিজাব বোরখা দেখি বাংলাদেশে যখন এরচেয়েও বেশী ধর্মপ্রবন ছিলো তখনও এই মাত্রায় ছিলো না। আমি তা শুনে মনে মনে বলছিলাম দেশে এইসব যতো বাড়বে ততো রেপিস্ট বাড়বে ততো রেইপ বাড়বে। ইহাই বাস্তবতা। যাই হোক এই ব্যাপার নিয়ে ভাবতে ভালো লাগে না বেশী। মনে হয় কি জীবন যেখানে বোনের রক্তাক্ত লাশ নিয়ে ভাইদের ঘুরতে হয় বিচারের আশায়। তবে অনেকে আবার ইহার সাথে ধার্মিকদের মিলিয়ে ধর্মের ব্লেইম দেয়। আমি এর কোনো কারন দেখি না। কারন একজন রেপিস্ট আর যাই হোক ধর্ম মানার লোক না। স্বাধীনতার এতো বছর পরেও যদি আমরা আমাদের মা বোনদের গনিমতের মাল ভাবী এরচেয়ে লজ্জার আর কিছু হয় না। প্রত্যেকটা ধর্ষন একেকটা বিশাল লজ্জা প্রতিটা পুরুষের জন্য। সেই লজ্জা যারা পায় না তারাই আগামী দিনের রেপিস্ট!
অনেক সিরিয়াস কথা বললাম এখন আবার নিজের দিনলিপিতেই ফিরে যাই। আবির চলে গেলো। আমি আর পুলক ওকে সহ তিনজন মিলে দারুন এক রিক্সা ভ্রমন দিলাম। তিনজনে রিক্সা চড়াকে অনেকে খুব দিনহীন ব্যাপার মনে করে। আমার কাছে ব্যাপারটা খুব মজা লাগে। কারন আমার স্কুল কলেজের বেশীর ভাগ যাতায়াতই তিনজন মিলে রিক্সায়। রিক্সা চাপা থাকলে কস্ট হয় এই যা। কিন্তু তিনজন মিলে আড্ডা দিতে দিতে যে সুন্দর একটা জার্নি হয় তা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। আমি যখনি তিনজনে রিক্সায় উঠি তখনি মনে হয় হাসতে হাসতে না রাস্তায় পড়ে যাই আবার। উপরে বসে থাকতে থাকতে পা ঝিম ধরে যায় তাও মনে হয় আস্তে আস্তে যাক রিক্সা। নামলেই শেষ সব। আবীর আমি পুলক তিনজনের ওজন মিলিয়ে হবে ২১০ কেজি। তাও রিক্সা চললো ভালোই। শেষের সময় গুলো খুব দ্রুত যায় তা মেনেই পান্থপথের শুরুতেই নেমে গেলাম। শ্যামলী বাস নন এসি ভাড়া এখন ৪৮০ টাকা। আমার কখনোই অন্য মানুষদের মতো দামী বাসে চড়তে ভালো লাগে না। এসির বাতাস পশ লোকজনের সমাবেশ এইসব আমাকে আবিস্ট করে নাই কোনোদিন। বাসে উঠবো হানিফ শ্যামলীর পাগলা কিসিমের ড্রাইভারেরা মহিশের মতো চালাবে তাদের চালানো দেখে মুগ্ধ হবে ব্যাস। সারারাত জেগে থাকবো। বাসে বসেই রাত থেকে ভোর হওয়া দেখবো এরচেয়ে সুন্দর আর কিছু হতে পারে না। আর পাশে যদি বন্ধু থাকে তাহলে তো কথাই নাই। রাজ্যের সব গল্পে মুখরিত হবে পুরা ছয় সাত ঘন্টা। ছয়বছর আগের কথা আমি আর কামরুল একবার ঢাকায় আসতে ছিলাম। আমি আর কামরুল এই ভলিউমে আলাপ শুরু করলাম যে পিছনের যাত্রী বিরক্ত হতে হতে টায়ার্ড হয়ে খেকড়ে উঠলো ভাইয়েরা আস্তে আলাপ করেন একটু ঘুমাতে দেন। আমার খুব মেজাজ খারাপ হলো। আমার মেজাজ খারাপ আমার পাশের মধ্যবয়স্ক ভদ্রলোক আচ করতে পারলো। উনি বললেন বাবারা তোমরা কথা বলো। খারাপ কাজ তো করতেছো না। তোমাদের সময়ইতো হলো রাত জেগে যেখানে খুশি আড্ডা মারার। তুমরা কথা বললেও ঘুমাবো না বললেও ঘুমাবো। এই অচেনা ভদ্রলোকের কথাটা শুনে খুব শান্তি পাইছিলাম। আবির যখন বাসের টিকিট কাটছিলো তখন মনে হলো উঠে পড়ি। পকেটে আমার পুরা মাসের হাত খরচের টাকা। আগের দিন থাকলে উঠেই পড়তাম। কিন্তু এখন হলাম বেকার টাইপের ছাত্র। এইসব ছেলে মানুষির দিন এখন আর নাই। আর আমি এখন আর চিটাগাং যেতে চাই না কারন সবাই জব টব নিয়ে ব্যাস্ত। তার ভেতরে আগমনে হুদেই তাদের পেরেশানি। আর সেই চার পাচ জনকে নিয়েই আড্ডা মারবো। আর বন্ধুরা বলবে বেকার শিরোমনী ঢাকা থেকে চিটাগাং। তাই যতোই ভালো লাগুক এই অসময়ে যাবার কোনো মানে নাই। পান্থপথে প্রচুর আদিবাসী যাত্রী নানান বাসের। আদিবাসীদের দিকে কিভাবে জানি তাকায় সাধারন পুরুষেরা। দেখলেই আমার মেজাজ খারাপ লাগে। মানুষ হিসেবে আমরা কাউকেই মানুষের মতো করে দেখা শেখলাম না। বাস ছেড়ে দিলো। ভেবে ছিলাম কান্নাকাটি আসবে আসলো না কারন পুলক ছিলো। প্রেস্টিজ ইস্যু। আমি আর পুলক হিন্দী ছবি নিয়ে গল্প করতে করতে বাসার দিকে ফিরতেছি। কোলাভেরী ডি খ্যাত ধনুশের নতুন হিন্দী ছবির টাইটেল ট্রাকটা কতো অসাধারন সিনেমাটা কেমন ব্যাবসা করতে পারে তা নিয়ে বলতেছিলাম। পুলককে বলতেছিলাম ' আপনাকে বলছিলাম না অয়ন মুখারজীর ছবি ইয়ে জাওয়ানি হে দিওয়ানি মুক্তির এক সপ্তাহ আগেই যে সব গান গল্পের যে প্লট রনবীর কাপুরের এখন যা ভ্যালু তাতে ১০০ কোটির উপরে খুব সহজে ব্যাবসা করবে ছবিটা। পুলক তখন আমাকে বলছিলো আশিকী টুয়ের চেয়ে কম করবে ব্যাবসা। আমি বললাম রাজ কাপুরের নাতী অন্য জিনিস সময় হলেই দেখবেন। আমি রনবীর কাপুরের ভক্ত না ওতো। আমি অয়ন মুখার্জীর ভক্ত। রানী মুখার্জির এই কাজিনটা কামের আছে। আমি যখন থেকে তার ওয়েক আপ সিড ছবিটা দেখি তখন থেকেই ফিদা। তখন থেকেই শুনছি তার পরের ছবি রনবীর কাপুরকে নিয়েই বিগ বাজেটের। যদিও ওয়েক আপ সিড ছবিটা হলিউড থেকে অনুপ্রানিত তাও এইছবির গান থেকে শুরু করে সবই আমার ভালো লাগে। সেই আমলে এই ছবিটার ডায়লগ টায়লগ সব না দেখেই বলে দিতে পারতাম। আমার এক বান্ধবী ছিলো তোফা সে আমার এই প্রীতি দেখে তোহফা দিয়েছিলো সিঙ্গেল ডিভিডি এই ছবিটার। আমার পিসিতে তখন ডিভিডি রম নাই। পরাগের কম্পিউটারে সেইভ করে তা পেন্ড্রাইভে এনে দেখছি। ঠিক তেমন ভাবেই আবাল নায়ক ইমরান খানকেও আমার খারাপ লাগে না। তার প্রথম ছবি যেটা আব্বাস টায়ারওয়ালার বানানো তা একটি অতি সাধারন সিনেম্যাটিক গল্প হলেও জানে তু ইয়া জানে নার ছবিটা ভালোই লাগছিলো। এ আর রেহমানের কম্পোজ করা গান গুলা তো অসাধারন। তারপর তিনি অনেক আজাইরা ছবি করছে যার কয়েকটা ভালোই লাগছিলো। ব্রেক কি বাদ, দিল্লী বেলী আরো কয়েকটা। এই শুক্রবার দুপুরে ভাত খেতে খেতে দেখলাম মতরু কি বিজলী কা মানডোলা। ফ্লপ খাইছে যদিও বিশাল ভরদ্বাজের বানানো পংকজ কাপুরের অসাধারন অভিনয়, মোটামুটি যুতসই গল্প তাও দর্শক টানতে পারে নি। আমার ধারনা ছবিটা যদি এই মে জুনে মুক্তি দিতো তাহলে আরো ভালো ব্যাবসা করতো। কারন এরচেয়েও বহু বহু আজাইরা ছবি হিট খায় এই সময়ে আর এটাই পারলো না। খারাপ লাগে নাই ছবিটা। তবে হিন্দী ছবির এতো প্রভাবের কারন তাদের হলে গিয়ে ছবি দেখার অভ্যাস। আমাদের দেশে এখন কোনো ছেলে যদি সিনেপ্লেক্স বলাকা বাদে অন্য কোনো হলে যায় তাহলেই সে খেত। একটা হলমুখী দর্শক থাকলে ভালো ছবি হবেই। কারন আর কতো কাল অখাদ্য কুখাদ্যর যুগ বয়ে বেড়াবে এই দেশ। কমলেশ্বর ঋত্বিক ঘটকের জীবন নিয়ে একটা ছবি বানালো। নাম ভুমিকায় অভিনয় করছে শ্বাশত, দারুন ট্রেইলার। দেখার অপেক্ষায় আছি। তেমন ভাবে আছি ইরফানের খানের ছবি লাঞ্চ বক্স দেখার আশায়। উড়ান খ্যাত বিক্রমাদিত্যের ছবি লুটেরা দেখারও আশা ছাড়ছি না। আর মাসালা নানান টাইপের ছবিতো আছেই।
এই লেখাটা লেখছিলাম দুপুরে খাওয়ার পর না ঘুমিয়ে বসে বসে। কারেন্ট চলে গেলো। যথারীতি সেইভ করা নাই তাই রাত জেগে আবার লেখা। যেটুকু সময় পিসিতে দেই তা যদি বই পড়াতে দিতাম তাহলে ভালো পাঠক না হতে পারার কষ্টটা গুচতো। তবে ইদানিং বই পড়াতে একধরনের আলসেমী লাগে। মানুষ কতো কি পড়ে ফেললো আমার এখনো কত বই পড়া বাকী তা ভাবলেই অস্থির লাগে। যারা সত্যিকারের পাঠক তারা আমার মতো অলস না। তবে আমি আশাবাদী টানা চার পাচদিন পাবলিক লাইব্রেরীতে গেলেই আবার পাঠ অভ্যাস উদ্ধার হবে। পত্রিকা গুলোও পড়ে আজকাল কোনো মজা পাই না। আশরাফুল কেলেংকারীর পর থেকে খেলার পাতাতেও যাওয়া হয় না আর। আর বিনোদনের খবর পছন্দ করি সেখানে ভর্তি হলো নোভা মা হবেন, বিপথে প্রভা, আরেফিন রুমির ২৮ নাম্বার প্রেম এইসব খবর পড়তে গা জ্বলে। ভাগ্যিস পত্রিকায় সম্পাদকীয় আর দেশের খবরাখবর পাতা গুলো জ্যান্ত আছে নয়তো পড়ার কিছুই খুজে পেতাম না আর। আব্বু আম্মু আসতেছে ঢাকায়। বড়ই খুশি খুশি দিন!





সব মিলিয়ে খারাপ নাই
সো ভালোই থাকেন।
ভালো কাটুক দিন..
কম কম দেখি কেন ব্লগে? ব্যাস্ত নাকি?
ভালো যাক দিন। আনন্দে থাকো!
কতদিন দুপুরে ঘুমাইনা, তবে মাঝে মাঝে দুপুরে ঘুম থেকে উঠি
ভালোই চলছে....চলুক....আব্বু আম্মু আসছে...... আনন্দে কাটুক রাত-দিন।
ভালো থাকেন।
লিখতে থাকেন।
আপনিও ভালো থাকেন ভাইয়া। আনন্দময় হোক প্রতিটা মুহুর্ত!
অতি সত্য কথা। ভাল লেগেছে লেখা।
তোমার লেখার প্যারাগুলি আরও ছোট করলে পড়তে সুবিধা হয়।
থ্যাঙ্কস বস। ভালো থাকেন!
আপন মনে সাবলীল ভাবে নিজের কথাগুলি লিখেন, পড়লেই মনে হয় যেন নিজেও দেখতে পাচ্ছি এমন একটা ফিলিং তৈরি হয়। অনেক ভাল লিখেন, আমার তাই মনে হয় যদিও আমি লেখার কিছুই বুঝিনা, কিন্তু ভাল লাগলে বার বার পড়ি।
লিখতে থাকুন। লিখলে মন অনেক ভাল হয়।আর ভাল লেখা পড়লে অন্যদেরও ভাল লাগে।
লেখা দিয়ে হয়ত দেশ বদলানো যাবেনা, কিন্তু মানুষের মনে প্রাভাব বিস্তার করা যায়।
আমি তাই মনে করি।
অনেক ভাল থাকুন!
থ্যাঙ্কস ভাইয়া। আপনাদের অনুপ্রেরনাতেই তো এতো আব্জাব লিখে বেড়াই দেদারসে। ভালো থাকবেন ব্লগে নিয়মিত লিখবেন!
জলি এলএলবি দেখলাম। মজাই লাগলো। পঙ্কজ কাপুরের কারণে চবিটা দেখতে চাইছিলাম। রণধিরটা দেখবো
জলি ভাই এলএলবিটা দেখি নাই। দেখবো। রনবীরের ছবি তিনদিন আগেই দেখা শেষ করলাম লিখবো!
খুব ডাউন ছিলাম। ভাগ্যিস তোমার লেখাটা পড়লাম
ডাউন কেন? ফেসবুকে যে ছবি দেখলেই মনে হয় কতো আনন্দে থাকেন!
এইসবদিনলিপি দারুণ। সিনেমা দেখা হয় না
আমার সব লেখায় আপনার আগের মতো কমেন্ট থাকে না ব্যাপারটাতে মন খারাপ হয়!
তাও যখনি আপনার কমেন্ট দেখি তখনি শান্তি লাগে
মন্তব্য করুন