ইউজার লগইন

কলকাতা সিনেমা নিয়ে কথাবার্তা কিস্তি দুই

এই সিরিজের প্রথম পোস্টটা লিখছিলাম পাচ মাস আগে। তারপর চলে গেলো কত সময়, কলকাতার সিনেমাও কিছু দেখলাম নতুন কিন্তু তা নিয়ে লেখা হলো না। কাল রাতে পোষ্টটা লেখার প্ল্যান মাথায় আসে। কালকেই লিখে ফেলতাম কিন্তু পিঠে ব্যাথায় পর্যুদস্ত আর এক বন্ধুর সাথে ফেসবুকে আলাপ করতে করতে সময় চলে গেলো। আমার এরকম প্রায় হয়। ব্লগে লিখতে বসে অন্য ট্যাবে ফেসবুক চালু থাকে। দেখা যায় ফেসবুকে আজাইরা লাইক আর গুতাগুতি করতে করতেই সময় শেষ। ফেসবুকের চেয়ে সময়ের অপচয় আর কিছুতেই হয় না। খুব মেজাজ খারাপ লাগে কিন্তু ঘুরে ফিরে মোবাইলে কিংবা ল্যাপটপে তাই খুলে বসে থাকি। আগের মতো স্ট্যাটাস দেই না, গানও তেমন শেয়ার করি না তাও ফেসবুকেই বসেই থাকি। তবে বন্ধু সোহেল বাসায় তাই ও আমার সামনে বসে ওর ফেসবুক চালানো দেখি, মজা লাগে। আমার রিয়েল লাইফ ফ্রেন্ডরা তেমন একটা ফেসবুকে নাই। ফেসবুকে তাদের ইচ্ছা করেই রাখি নাই। কিন্তু আমাদের পুরা সার্কেল ফেসবুকে কি করে তা নিয়ে ধারনা পাওয়া যায় সোহেলের ফেসবুক দেখলে। যেমন আমাদের ব্যাচের ছেলেমেয়েরা খুব পেরেশান ছিলো এই দুইদিন মোবারকরে নিয়ে। মোবারক কে? আমি ভালো মতো চিনি না। আমাদের সাথে নাকি কলেজে পড়ছিলো। কিন্তু কোনভাবেই মনে পড়ছে না ওর কথা। আন্দামানে যে জাহাজ প্রায় ডুবতে বসছিলো ও ছিলো ঐ জাহাজের সেকেন্ড অফিসার। অনেক কষ্টে তারা প্রানে রক্ষা পেলো। তা নিয়ে সবার ফেসবুকে আল্লাহকে ধন্যবাদ বন্যবাদ দেয়া এই ট্রেন্ড চলতেছিলো। আরেক ট্রেন্ড হলো আমাদের ক্লাসের অনেক মেয়েই মা হচ্ছে তাদের সন্তানের ছবি আপলোডে ফেসবুক মুখরিত। আরেকটা জিনিস দেখলাম যে লোকজন জব সুইচ করতেছে সমানে তা নিয়ে স্ট্যাটাস। আমার বেশীর ভাগ বন্ধুই চিটাগাং ইপিজেডের বিভিন্ন অফিসের অফিসার। তাদের অল্প বেতনের চাকরী, তাদের ভেতরে দ্রুত উন্নতি করাদের নিয়ে আলাপ, বেকার যারা তাদের হতাশা এই নিয়েই চলছে ফেসবুক। চিটাগাংয়ের গল্প শুনতে আমার সব সময়ই স্বর্গীয় শান্তি লাগে, ফেসবুকেও তা। যা হোক বন্ধুরা আছে সবাই খারাপ না। খালি আমরা কজনাই কিছু আর করি না। ইস এই রোজায় যদি চিটাগাং যেতে পারতাম কি অসাধারণ সময় কাটতো। তবে আবার আরেকদিক থেকে মনে হয় কিছু করি না খামাখা বেকারের ট্যাগ নিয়ে ঘুরতে ভালো লাগে না আর!

কলকাতার ছবি নিয়ে লিখতে বসলাম আর লেখা শুরু করলাম বন্ধু ও চিটাগাংয়ের জীবন নিয়ে। আমার এমনই হয়, লেখায় থাকে না ফোকাস থাকে না কোনো প্রাসঙ্গিক চিন্তা। যা মনে চায় অস্থির চিত্তে লিখে যাই, লেখার পরে মনে হয় এইভাবে না লিখলেও পারতাম। কলকাতার ছবি নিয়ে আলোচনায় প্রথম ছবি হাওয়া বদল। ছবিটা বিষণ্ণর খুব পছন্দের। পছন্দ করার মতো মুভি হয়তো। কিন্তু আমার মোটামুটি ভালো লাগছে। রবীন্দ্রনাথের ইচ্ছাপূরণ গল্পের কলকাতার রিসেন্ট আরবান ফিকশন স্টাইলে দেখতে খারাপ না। তবে ক্রেডিট লাইনে তারা এই ব্যাপারে কিছু লিখে দিতে পারতো। কিন্তু কিছুই নাই লেখা, লেখা আছে কাহিনী ও চিত্রনাট্য অনিকেত নাকি অনিন্দ্য বোস তার নামে লেখা। তবে ছবিটা মুলট রায়ান রিনল্ডসের দ্যা চেঞ্জ আপ থেকে কাহিনী নেয়া। দ্যা চেঞ্জ আপ ছবিটা আমার দেখা ছিলো তবে তার কথা ভুলেই গেছিলাম। আমার শুধু মনে পড়ছিলো রবীন্দ্রনাথের ইচ্ছাপুরণ গল্প। আজ থেকে প্রায় বারো তেরো বছর আগে তারিক আনাম খানের একটা নাটকও ছিলো এই গল্পের উপরে বানানো। তারিক আনাম খান আর জুনিয়র ছেলেটার অভিনয় ছিলো অসাধারণ। নাটকটা সেই কবে কার তাও আমার সেই নাটকের সিন মাঝে মধ্যেই চোখে পড়ে। সিনেমাটা সেই একুশে টিভির নাটকটার মতোও ভালো লাগে নাই। তবে ভালো সিনেমা তা দেখাই যায়। দুই বন্ধুর বদল তারপর তাদের একে অন্যের জীবনের নানান গল্প। তবে ছবিটা এই কারনেই ভালো এর গান। এই ছবির একটা গান ছাড়া সব গানই অসাধারণ। গান গুলা এতো দারুন মনে হয় গান গুলার জন্যই ছবিটা দেখি। কলকাতার এভারেজ ছবির গান গুলো এখন এতো ভালো শুনে খালি মন খারাপ হয় যে আমাদের দেশে সাম্প্রতিক কালের ছবির গান গুলা এতো লেইম। ছবিটায় রুদ্রনীল আর পরমব্রতর অভিনয় দেখতেই শান্তি। এই দুইজনের কেমেস্ট্রী এতো ভালো যে বলার মতো না। ছবিটা পরিচালনায় অভিনেতা পরমব্রত নিজেই। ছবিটাও খুব ব্যাবসা সফল। অল্প বাজেটের এক ছবি ছয় কোটি টাকার মতো ব্যাবসা করছে পাচ সপ্তাহেই। তবে আমার কাছে পরমব্রতর প্রথম বানানো ছবি জিও কাকাটাই বেশী আপন। কারন তাতে এখনকার হাওয়া বদলের মতো এতো গ্ল্যামার ছিলো না এতো ভালো গান ছিলো না তাও নীল দত্তের মিউজিক পরমব্রতর ডিরেকশন আর কাহিনীর মুন্সিয়ানাতে মুগ্ধ ছিলাম। কিন্তু জিও কাকা ফ্লপ কারন তাতে হট সিন ছিলো না, কলকাতার আরবান লাইফ মারোয়ারী ব্যাবসায়ীদের গন্ধ ছিলো না। ছিলো মফস্বলের তিন তরুনের ছবি বানানোর গল্প ও তাদের বেকুবময় নানান কান্ডকীর্তি। তবে হাওয়া বদল সফল ছবি, দর্শকেরা দেখছে, ছবি ভালো ব্যাবসা করছে, ভালো গান আছে আর কি দরকার একটা সাধারণ ছবি থেকে।

এরপরের ছবি যেখানে ভুতের ভয়। সন্দীপ রায়ের বানানো। এই ছবিটা আমার হাওয়া বদলের মতোও ভালো লাগে নাই। ছবিটা মুলত তিনটা ভুতের গল্প আলাদা আলাদা দেখানো। সত্যজিতের দুইটা গল্প অনাথ বাবুর ভয় আর ব্রাউন সাহেবের বাড়ী। আর শরবিন্দু্র আরেকটা গল্প ভুত ভবিষ্যৎ তিনটাই সত্যজিতের ক্যারেক্টার তারিনী চরন নামের এক লোককে দিয়ে বলানো। সিনেমাটা ভালো লাগে না এর গল্প গুলোর কারনে। এগুলা গল্প সবারই পড়া। কিন্তু চিত্রায়নে তেমন কোনো চমক নাই। কাহিনী প্রেডিক্টেবল। সন্দীপ রায়ের কাছ থেকে আরো ভালো ছবি আশা করা হয়। কিন্তু তার শেষ দুইটা ছবির কোনোটাই ভালো লাগে নাই। ফেলুদাও এখন তিনি কেমন জানি বোরিং বানান। কিন্তু আমি ছোটবেলায় যখন ফেলুদা পড়ছি বা এখনো পড়ি কি টানটান উত্তেজনা থাকে তাতে। সিনেমাতে সেই উত্তেজনার কিছুই থাকে না।

তারপরের ছবি দত্ত ভার্সেস দত্ত। এই ছবিটা আমার বিশেষ প্রিয়। কারন আর কিছু না অঞ্জনদত্তের অভিনয়। অঞ্জনদত্তের এতো ভালো অভিনয় আমি আগে কোথাও দেখি নাই। নিজের বাবার চরিত্রে অভিনয় করা এতো পারসোনাল আলাপ সালাপ স্ক্রিনে দেখানো কম সাহসের ব্যাপার না। অঞ্জন দত্তের দাবি তিনি ষাট ভাগের মতো তাদের ফ্যামিলী তার বেড়ে উঠার গল্পই দেখাইছে। এরকম নিজের কথা দেখানোর জন্য গাটস থাকা লাগে। সৌমিত্রের নাতি রনদীপম বসুর অভিনয়, ছবির গান, সিনেমাটোগ্রাফী, নকশাল সময়ের গল্প, মৃ্নাল সেন কিংবা গৌতমের সেই সময়কে পর্দায় আনা দুঃসাহসিক কাজ নিঃসন্দেহে। অঞ্জন দত্ত ভক্ত বলে বলছি না এই ছবির গান গুলো এতো মিস্টি আর দারুন ছিলো তাতে শুধু মুগ্ধই হইছি। তবে ছবিটাতে অঞ্জন দত্ত তার বাবার পার্ভাট লাইফ দেখাতে গিয়ে একটু বেশী করে ফেলছে। ক্লায়েন্ট রুনু মাসীর সাথে তার বাবার সম্পর্ক, তার মায়ের মদ খাওয়া এইসব কম দেখালেও পারতো। আর দেখাতো পারতো সেই মেয়ের সাথে শেষ অবধি তার কি হলো সেই নিয়ে। তবে এই ছবিটা আসলেই অসাধারণ। বিশেষ করে কলকাতার সাহেবদের জীবনে যে কতো ধরনের দৈন্য থাকে কতো গল্প থাকে তার দারুন প্রেজেনেটেশন। এই বয়সেও অঞ্জন দত্ত এই ধরনের ছবি বানালো তাতে তার সেই সিনেমা নিয়ে গান রাজা রায়ের মতোই স্পিরিট দেখা গেছে। রাজা রায় অঞ্জন দত্তের এক গানের চরিত্র। যেই লোকটা সিনেমার জন্য সারাজীবন শুধু স্টুডিও দরজা ঘুরে বেড়ায়।

চারনম্বর ছবি হলো মাছ মিস্টি এন্ড মোর। অনেকেরই খুব প্রিয়। রাতিফ ভাই এই ছবি আমাকে অনেক আগেই দেখতে বলছিলো- যে আনন্দের মুভি দেখলে মন ভালো হয়ে যায়। আসলেই তাই দেখলে মন ভালো হয়ে যায়। তবে ছবিটার সমস্যা হলো এর ডায়লগ। এতো ইংরেজী ইন্ডিয়ান এক্সেন্টে বলা তা দেখলে মেজাজ খারাপ লাগে। দেখে মনে হবে কলকাতার ইয়াং জেনারেশন বাংলা বলেই না। তবে ছবিটা খুব সুন্দর, সবাইকে নিয়ে দেখার ছবি। তিন ভাইয়ের গল্প। তাদের জীবনে কলকাতা ও মধ্যবিত্ত মূল্যবোধের সাথে সাম্প্রতিক জেনারেশন ভাবনা তাই নিয়েই। মৈ্নাক ভৌমিক আগে অঞ্জন দত্তের এসিটেন্ট ছিলো। এখন সমানে ছবি বানায়। কিন্তু তাদর ছবিতে থাকে শুধু সাউথ কলকাতার গল্প। যেখানে নায়ক নায়িকা একা দামি ফ্ল্যাটে লিভ টূগেদার করে তাদের জীবনের দ্বন্দ গুলো। কিন্তু এই ছবিতে সে একটা বনেদী কলকাতার পরিবার ধরে তাদের জীবনের রোমান্টিক কমেডী স্টাইলের বয়ান দিয়ে গেলো। ভালো লাগে। তবে আরো ভালো লাগে এই ছবির গান গুলা। অসাধারণ। নীল দত্তের মিউজিক ডিরেকশন অতুলনীয়। আর লিরিক লিখছে তিন চারজন। সবাই দারুন। গুড টাইম পাস মুভি।

ছবি নাম্বার পাচ হলো কলকাতার মেইনস্ট্রীম কমার্শিয়াল ছবি গুলো। এরকম তিন চারটা ছবি দেখছি এক্টাও ভালো লাগে নাই তেমন। তিনটা ছবিই তেলেগু ব্লকব্লাস্টার থেকে মেরে দেয়া। তেলেগু ছবি তাও দেখা একটা আনন্দ আছে কারন তাদের ধুন্দুমার একশন, চকচকে ছবি, ভালো এডিটিং, নায়িকার নাচ গান দেখতে মন্দ না। কিন্তু তার বাংলা সংস্করন গুলো খুব হিট হলেও দেখতে অতি জঘন্য। সোহম ও পুজা অভিনীত ছবি লাভেরিয়া। এরকম ফাঁতরা ছবি খুব কম আছে। তেলেগু ছবি বাম্পার অফার থেকে মারা। আরেকটা ছবি নাম রকি। এইছবি তো আরো পেইন। মিঠুনের বলদ পোলা ঠিকমতো বাংলাই বলতে পারে না তারে দিয়া করালো। নাচ আর একশন বাদে সে যাই বলে তাই শুনলে হাসি পাই। সিনেমার ট্রেইলারে ছিলো নায়ক বলে হ্যা আমি সন্ত্রাসী। শুনলেই মনে হয় দিলদার আবার ফেরত আসছে। এইছবিটাও এতো আজগুবী কাহিনী তাও তা জুনিয়র এন্টিয়ারের মুভি থেকে মেরে দেয়া। নায়ক নায়িকা বাংলা বলে নাকি হিন্দি বলে তা বুঝতে টাইম লাগে অনেক Stare ছবিটা এই কারনে হয়তো ওতো ব্যাবসাও করতে পারে নি। আরেক ছবি জিত শ্রাবন্তীর। নাম দিওয়ানা। এইটাও যথারীতি মারা। তবে এই ছবিটা একটু দেখার মতো। কারন মুল সিনেমার চেয়েও ছবিটায় জিত ভালো অভিনয় করছে। পাচ কোটি টাকার ছবি ৪৫ কোটি ব্যাবসা করছে বুঝেন কি বক্সঅফিস এখন তাদের। আরেকটা ছবি বোঝে না সে বোঝে না। ছবিটা অনেকেরই পছন্দের। এই ছবিটাও তামিল ইলিয়াম ইপিয়াম থেকে মেরে দেয়া। এমন কি দুইটা গানও। রাজ চক্রবর্তী আগে ভালো টেলিভিশন নির্মাতা ছিলো। তখন অনেক মেধাবী ছিলো। এখন যা ছবি বানায় সব হিট খায় আর সব তামিল তেলেগু থেকে মেরা দেয়া। বোঝে না সে বোঝে না দারুন ব্যাবসা করতছে। টাকার অংকে প্রায় ১০০ কোটি ছুই ছুই। ভাবাই যায় না! তবে ছবিটায় প্রত্যেকের অভিনয় অসাধারণ। আমার ভালো লাগছে প্রসেঞ্জিতদের বানানো টিভি সিরিয়াল গানের ওপারে থেকে এসে মিমি চক্রবর্তী কি দারুন অভিনয়টা করলো। এই মেয়ে একদিন বড় অভিনেত্রী হবে।

অনেক লিখলাম আজ অফ যাই। আরো কয়েকটা সিনেমা নিয়ে বলতাম। কিন্তু খিদা লাগছে চা নাস্তা খেতে হবে!

পোস্টটি ১৭ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

জ্যোতি's picture


ফেসবুক আসলেই নাখাস্তা জিনিস । হুদাই অন করা থাকে । বিনা কারণে তাকায়া থাকি Angry
সিনেমা একটাও দেখি নাই । অবশ্য অনেকদিন তেমন সিনেমা দেখাও হয় না । যদি আবার দেখা হয় তাহলে তোমাদের সিনেমা পোস্ট থেকেই লিস্ট নিতে হবে Smile

আরাফাত শান্ত's picture


বালের এক ফেসবুক তাতেই পড়ে থাকি Sad

নিভৃত স্বপ্নচারী's picture


কতদিন ছবি দেখা হয়না! Puzzled
ভাবছি কিছুদিন রেস্ট নেব। তারপর, তোমার আর মাসুম ভাইয়ের পোষ্ট থেকে একটা লিস্ট করে ধুমাইয়া একটার পর একটা ছবি দেখব Smile

আরাফাত শান্ত's picture


দেখা শুরু করেন!

সামছা আকিদা জাহান's picture


আপনার লেখা কেমন হয়েছে তা পুরানো কথা। আমি সিনেমার কথা বলি। ভারতীয় বাংলা সিনেমা দেখার ইচ্ছে আবার নতুন করে শুরু হয়েছে ---- ইচ্ছে ---দেখবার পর থেকে। এর পর দেখেছি অনেক যা দেখেছি তাই ভাল লেগেছে। ভূতের ভবিশ্যত, ইতি মৃনালিনী, বোঝেনা সে বোঝে না, বেড্রুম,গয়নার বাক্স,আলিক সপ্ন,তিনকন্যা, হেমলক সোসাইটি,নাম মনে পরছে না এমন অনেক। এর মধ্য উল্লেখযোগ্য টাবু আভিনীত বাংলা মুভি নামটা মনে নেই। ভাল বদলিয়েছে টালিউড তাদের সিনেমা। ধন্যবাদ। নিজের প্যাচাল পারলাম।

আরাফাত শান্ত's picture


গয়নার বাক্সো ছাড়া সবই দেখছি। নিয়মিত ব্লগে আইসেন!

লীনা দিলরুবা's picture


তালিকার "দত্ত ভার্সেস দত্ত" টা শুধু দেখেছি। ভালোই লেগেছিল। বাচ্চা ছেলেটা সৌমিত্রের নাতি ! কি সুন্দর দেখতে! অভিনয়ও করে ভালো।

ক্লায়েন্ট রুনু মাসীর সাথে তার বাবার সম্পর্ক, তার মায়ের মদ খাওয়া এইসব কম দেখালেও পারতো।

তোমার মধ্যে কিছু মারাত্মক ট্যাবু আছে। এর আগেও দেখেছি, কলকাতার সিনেমার কিছু জিনিস তুমি নিতে পারো না। চলচ্চিত্র যদি জীবনের প্রতিচ্ছবি হয়, তাহলে তুমি কোনো জিনিসকেই অস্বীকার করতে পারবে না। যদি করো, তাহলে সত্যের অপলাপ হয়। অঞ্জন দত্তের মোটামুটি জীবন কাহিনি এই সিনেমাটি। তুমি তাঁর জীবনে জড়িয়ে থাকা সত্যকে অস্বীকার করবে কীভাবে? যেখানে তিনি নিজেই এই সত্যকে বাইরে বের করে এনেছেন।

আরাফাত শান্ত's picture


ভালো একটা পয়েন্ট ধরছেন আপু। আসলে আমি সিনেমায় বাস্তব সমাজ দেখতে চাই।কিন্তু বাস্তবতার নাম করে কিছুটা অতি রঞ্জিত বাস্তবতা দেখতে ভালো লাগে না। আর কলকাতার সিনেমায় এমন সমাজ দেখি, এমন সাউথ সিটির গল্প দেখি তা আসলেই বাস্তব কিনা তা আমি বুঝি না। তাই প্রশ্ন তুলি। তবে আমার আরেকটা সমস্যা হলো নৈতিকতার। অনৈতিক জিনিসকে অযথা প্রমোট করা দেখতে ভালো লাগেনা!

শুধু আমি না এই প্রশ্ন আনন্দবাজার পত্রিকাতেও তুলছে যে নিজের ব্যাক্তিগত পারিবারিক গল্প এভাবে না দেখালেও হতো!

মানুষ's picture


আমি দেখি ভালই সিনেমাখোর! প্রায় সব কটাই দেখে ফেলেছি। এমন কি লাভেরিয়া পর্যন্ত! অঞ্জন দত্তের মুভিটা দেখা হয়নি। মনে হয় দেখবেও না। সিরিয়াস টাইপ মুভি আজকাল ভাল লাগে না।

১০

আরাফাত শান্ত's picture


ওতো সিরিয়াস মুভি না! ভেরী গুড আরো দেখেন!

১১

রাতিফ's picture


হাওয়া বদলে দুই বন্ধুর অভিনয় এক কথায় অসাধারণ ছিলো ... রাইমা সেনের সুড়সুড়িটাও বেশ .. সস্তা বিনোদন লাগে নাই .. বেশ রাজসিক টাইম পাস বলা যায় !!

" দত্ত vs দত্ত " টা সেই রকম লাগছে .. গল্প বলার ধরনটা আমার কাছে দারুন লাগছে, direction তো অবশ্যই অন্য মাত্রার।

"ভুতের ভয়" টাইপ মুভি গুলারে আমার বরাবরই self-confused লাগে .. না হয় কমার্সিয়াল মুভি , না হয় ভিন্ন মাত্রার কিছু।

"রকি" র ট্রেইলার দেইখাই পেট ভরে গেছিলো, পুরা মুভিটা দেখার আর খিদে ছিলো না।

"দিওয়ানা" typical commercial মাসালা মুভি ... টাইম পাস।

"আবহমান" দেখছেন?

১২

আরাফাত শান্ত's picture


হুম আবহমান দেখছি। ঋতুপর্নের ছবি না?

ভালো বলছেন কথাগুলো। আপনিও লিখেন সিনেমা নিয়া Smile

১৩

জেবীন's picture


মাছ মিস্টি এন্ড মোর - দেখার ইচ্ছে আছে সেই কবে থেকে শুনে শুনেই, অনেকে বলছে ভালো লাগছে। দেখা হয়ে উঠলো না আজো

দত্ত ভার্সেস দত্ত ভালো লাগছে, এটার নাকি ৭০% উনার লাইফের, বাকিটা বানানি

দিওয়ানা, টিভিতে এড দেখেই ত্যাক্ত লাগছে দেখার শখ নাই, আর এই নায়কে দেখলেই আজিব লাগে!

১৪

আরাফাত শান্ত's picture


ভেরী গুড। আপনিও তো দেখি সিনেমা সমানে দেখতেছেন8)

১৫

শওকত মাসুম's picture


হাওয়া বদল ভাল লাগছে। দত্ত ভার্সেস দত্ত অঞ্জন দত্তের সেরা। মাছ মিষ্টি মোর একটু বোরিং লাগছে।

১৬

আরাফাত শান্ত's picture


আমার কাছে অঞ্জন দত্তের সেরা মুভি বং কানেকশন! Tongue
বোরিং আর প্রেডিক্টেবল Laughing out loud

১৭

রাসেল আশরাফ's picture


দত্ত ভার্সেস দত্ত আমার খুব ভালো লেগেছে।
মাছ মিষ্টি এবং মোর ভালো লাগে নাই বিশেষকরে স্বস্তিকাকে, ঋতুপর্নার পরে আরেকজন দিনকে দিন অসহ্য হয়ে উঠছে।
মিঠুনের পোলাটা বাংলার সানী দেওল।
সেদিন একটা সিনেমা দেখলাম ''গোলেমালে পিরীত কইরো না' সিনেমা শেষে মনে হলো কেন দেখলাম Tongue

১৮

শওকত মাসুম's picture


রাসেলের তাইলে এখনই মিস্টি ভাল লাগতাছে না, ভাল। মিস্টি ভাল লাগে না, গোলেমালের পীরিত দেখে, চিন্তায় আছি Sad

১৯

রাসেল আশরাফ's picture


আপনে খালি প্যাচান। আমি কইছি মিষ্টি ভালো লাগে না। আমি কইছি ঐ সিনেমা ভালো লাগে নাই Big smile

২০

আরাফাত শান্ত's picture


Crazy

২১

আরাফাত শান্ত's picture


Tongue

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

আরাফাত শান্ত's picture

নিজের সম্পর্কে

দুই কলমের বিদ্যা লইয়া শরীরে আমার গরম নাই!