ইউজার লগইন

কখন তোমার আসবে টেলিফোন...

"বাংলা এখন" নামের কোনো চ্যানেল আছে তা আমার জানা ছিলো না। আজ আরো জানলাম তাদের একটা প্রোগ্রামও আছে নাম- কখন তোমার আসবে টেলিফোন। অনুস্টানটার টাইটেল অত্যন্ত খেত। কিন্তু কনটেন্ট ভালো। কি কনটেন্ট? কনটেন্ট হলো যেকোনো শিল্পী সরাসরি ফোনে দর্শকদের সাথে আলাপ করবে। দর্শক যা মন চায় প্রশ্ন করবে! আমি আজ দেখলাম সেই প্রোগ্রামের অঞ্জন দত্তের আর লক্ষীছাড়া ব্যান্ডের পার্টটা। খারাপ না। অনেকেই আদিখ্যেতা দেখিয়ে ভক্তি জানায় আবার অনেকেই চাঁচাছোলা প্রশ্ন করে। এবং শিল্পী লাইন কেটে দেয় না বাংলাদেশীদের মতো। প্রশ্নের জবাব ফোনের লাইনেই শুনিয়ে দেয়া হয়। জানি না টিভিতে এখনো হয় কিনা প্রোগ্রামটা। তবে ইউটিউবে দেখে মজা পাইলাম। সবচাইতে ভালো লাগলো শিল্পীদের উপস্থাপক বিহীন অনুষ্ঠানে স্মার্টনেস। এরকম অন্যের কথা শোনার সভ্যতা দেখে। এইটা অবশ্য প্রমানিত আমরা বাস্তব জীবনেও যেমন রুচিহীণ টেলিভিশনেও তাই। গুছিয়ে কথা বলা কিংবা টেলিফোনে কীভাবে পেশেন্সের সাথে দর্শকের সাথে কথা বলতে হবে তা আমাদের জানা নাই। যারা ভালো উপস্থাপনা করে তারা এইসব প্রোগ্রামে আসে না। আর যাদের দেখা যায় উপস্থাপনাইয় তাদের সুন্দর খোমা ছাড়া কোনো প্রতিভাই নাই। আর আমাদের দর্শকেরাও সুচিন্তিত প্রশ্ন করতে পারে না। তার কারন জানা নাই। খালি প্রশ্ন করবে আপনার প্রিয় গান গান কি, আপনাকে খুব সুন্দর লাগছে, আপনার কয় ছেলেমেয়ে, জামাই কি করে, আপনি কি আজ রোজা, আপনার প্রিয় ফল ফুল রং কি এইসব প্রশ্নই। আর আপনি যখন দেখবেন তারা মিউজিকের 'আজ সকালের আমন্ত্রনে' নামের অনুষ্ঠানটা। দেখবেন কিভাবে অসাধারণ সব চিন্তার কথা, সুরের কথা, ভালো লাগা গানের দর্শক বলছে অকপটে। আর দর্শককে অনেক সময় দেয়া হচ্ছে কথা বলার আর কি স্নিগ্ধ মেয়েটার উপস্থাপনা। কিন্তু বাংলাদেশের চ্যানেল গুলার তো মন মানে না। তারাও এখন দেখাদেখি এরকম গান বাজনার প্রোগ্রাম শুরু করছে সকাল সকাল কিন্তু প্রান নাই তাতে। সামনেই তো ঈদের প্রোগ্রাম- দেখবেন রাত জেগে কতো অখ্যাত বিখ্যাত শিল্পীরা লাইভ শুধু গেয়েই চলছে। কে দেখে, কি গায়, তার দিকে কোনো খেয়াল নাই কারোর। আর মধ্যরাতে কাদের জন্য গান গায় তারা আমি তা বুঝি না। খামাখা শিল্পীকে এতো সময় গান গাইয়ে নাম মাত্র পারিশ্রমিক ধরায় দেয় চ্যানেলগুলা। এই জন্যে একবার শাকিলা জাফর বলেছিলো রাত জেগে গান গেয়ে যে পারিশ্রমিক তার চেয়ে বাসায় ঘুমানো ভালো। কন্ঠ বিশ্রাম পায়। আর বারী সিদ্দীকির মতো শিল্পী হলে তো কথাই নাই। মদ খেয়ে মাতাল হয়ে নিজের মতো গান গেয়েই যাচ্ছে। কে কি অনুরোধ করলো টাইম নাই শোনার! আর হাল আমলের কিছু মেয়ে শিল্পী আছে যেমন তাদের দেখলেই পাবলিক ফোনে বলে খুব কিউট আর সুইট লাগছে আপনাকে। গান বাজনার চেয়ে এগুলাই এখন বড়। তাই আমি বাড়ীতে থাকলেও এগুলা অনুস্ঠান দেখি না। রাত বিরাতে আব্বু আম্মুর ঘুম নস্ট করার কোনো মানে নাই এসব ছাইপাস দেখে!

আমার এক বন্ধু আছে পাতি টেলিভিশন স্টার। কলেজ ফ্রেন্ড। বেশি খাতির নাই। রাস্তা ঘাটে দেখা হলে প্রায় কথা হয় হায় হ্যালো, এতোটুকুই। সে দীর্ঘদিন মঞ্চের সাথে যুক্ত ছিলো। সাত দেশ নাকি ঘুরছে, এক ইন্ডিয়াতেই গেছে এগারোবার। কিন্তু মঞ্চের ছেলে যে এতো বলদ হয় আগে জানি নাই। যাক ভালো বন্ধু বান্ধব উন্নতি দেখে আনন্দ পাই। কিন্তু পোলাটা যে সিক তা আমার জানা ছিলো না। সাম্প্রতিক কালে সে টিভিতে চান্স পাইতেছে সমানে। মেগাসিরিয়াল করতেছে কোন চ্যানেলে জানি সাথে টেলিভিশনে, এবার মেইন হিরো হিসেবে নাটক যাবে নাদিয়ার বিপরীতে। বাহ ভালোই! গাজী টিভিতে একটা ক্রাইম ফিকশন ধাচের ধারাবিক নাটক করে তার কথা আগেই জানতাম। সেই নাটকে সে বেশীর ভাগই সন্ত্রাসী বা অপরাধী চরিত্রে অভিনয় করে সে। এবং প্রমিত বাংলায় ডায়লগ দেয় 'এর পরিনাম কিন্তু হবে ভয়াবহ, ভালো হচ্ছে না মোটেও'। আমি আজ পর্যন্ত কোনো ছিচকে সন্ত্রাসীকেও এইভাবে প্রমিত বাংলায় কথা বলে চাদাবাজী করা তো দূরে থাক চা চাইতেই দেখি নাই। তাকে মওকা পেয়ে জিগেষ করলাম তুই এইভাবে নাটকে কথা বলিস কেনো? তার জবাব দোস্ত আমার ভাষায় সমস্যা তো তাই কাটাতে এই অপশন। তারপর পকেট থেকে বের করলো মোবাইল। নিজের গার্লফ্রেন্ডের ছবি দেখালো। ভালোই খারাপ না। তারপর দেখানো শুরু করলো বিভিন্ন মডেলের খোলামেলা সব ছবি আমার চোখ ছানাবড়া এইসব কি? আরো বলা শুরু করলো কোন নায়িকার সাথে অভিনয় করে তার কি মনে হয় তা নিয়ে নিম্নরুচির বেহুদা উত্তেজক সব কথাবার্তা। শুনে গা গিনগিন করতেছিলো। কি শিল্পী আর তার কি রুচি যে সহশিল্পী নিয়া কি বাজে মন্তব্য এরাই নাকি করে আবার অভিনয়। আমি দ্রুত পালালাম। নিজেকে থ্যাঙ্কস দিলাম যে টিভি প্রডিউসার হবার খুব সাধ ছিলো ছোটোবেলায়, তা হইনি বলে। এরকম নিম্নরুচির চটি পাঠকদের সাথে পাচ মিনিট বসাই আনহাইজিনিক। আল্লামা শফী থেকে পাতি টিভি অভিনেতা ডিফারেন্স অতি সামান্য!

রোজা এসেই পড়লো। একটু পড়েই সেহেরী খেতে হবে। ইচ্ছা করেই আজ তারাবী পড়া হলো না। এতো লম্বা নামায পড়তে ইচ্ছা করে নাই কোনোকালেই। আগে ধারনা ছিলো তারাবী না পড়লে রোজা হবে না। তাই মসজিদে গিয়ে বসে থাকতাম। আমি আর আমার দুই বন্ধু মিলে সটান হয়ে মসজিদের বারান্দার শুয়ে গল্প করা। আর নামায না পড়ে যতো ধরনের আড্ডাবাজী সম্ভব সব করা হতো। তখন খুব হালিম খাওয়ার চল চট্টগ্রামে। আমি প্রচুর হালিম খেতাম ও খাওয়াতাম আফজল হোটেলে। দিনগুলো খুব মিস করি। এখন তো চায়ের দোকানেই কাটবে তারাবীর সময়। সেই বোরিং আড্ডা আর ফেসবুকে টিপেই হয়তো সেই সময় কাটবে। সকালে আবার কবে নান্নুর দোকানে চা খাবো তা তো জানি না। তবে তা নিশ্চই রোজা আর ইদের পরে বাড়ী থেকে ফিরেই। ক্লাস চলবে চারটা থেকে। জ্যাম টেম ঠেলে সপ্তাহে তিনদিন ফিরতে হবে ভাইয়ার অফিসে। কারন ইফতারীর ব্যাবস্থা সেখানেই। ভাগ্যিস ভাইয়ার একটা অফিস ছিলো সেইজন্যে নানান উসিলায় ভালো মন্দ খেতে পারি। অফিসের ইফতারীও আকর্ষনীয়। তাও যে কেউ যদি দাওয়াত দিতে চান দিতে পারেন। বিনা অযুহাতে আমি হাজির হবো ইনশাল্লাহ। প্রিয় বড় ভাই মুফতি মাহমুদুর রহমান চলে যাচ্ছে রংপুর। এবি ব্যাংকের সেখানে পোস্টিং। এতো চেষ্টা তদবির করে এতোদিনে হলো কাজটা। উনি অসাধারণ ডাউন টু আর্থ মানুষ। এতো ভালো পজিশনে উনার জব এতো বড়োলোকের ছেলে উনি তাও তার জীবন এতো সাধারণ দেখলেই শান্তি লাগে। প্রত্যেক মানুষের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার থাকে অনেক দিন মেশার ফলে। মুফতি ভাইয়ের কাছ থেকে আমার শেখা হলো কিভাবে মাটিতে পা রেখে চলতে হয় আর কিভাবে বিনয়ী বিনম্র ভাবে মিশতে হয় যেকোনো মানুষের সাথে। উনি চলে যাবে হয়তো কালই বিশাল একটা পার্টি হবে তার সাথে সাথে মন খারাপও হয়তো হবে। কারন কলকাতার অভিনেতা হারাধন তো কবেই মারা গেছে গতবছর, এখন ছড়ার সে হারাধনের ছেলেরা একে একে চলে যাচ্ছে চায়ের দোকান ও এই পরিচিত সার্কেল ছেড়ে। তাও সময় যাচ্ছে খুব দ্রুত। আজ রোজা শুরু নিমিষেই হয়তো দেখবো ঈদ আবার কোরবানীর ঈদ বছরটাও শেষ হয়ে যাবে এই করে করেই!

বন্ধু লতার সাথে কথা হয় না অনেকদিন। দুইজনই নিজেরদের জীবনের নানান কিছু নিয়ে ব্যাস্ত। শেষ ফেসবুকে আলাপ হইছিলো বিসিএসের রেজাল্টের দিন। আজ তার স্ট্যাটাস দেখে অত্যন্ত মন খারাপ হলো।

গিয়েছিলাম পিজি তে। ডাক্তার দেখিয়ে রাস্তায় একটা কিছুই পাই না। রিকশা সি এন জি কিচ্ছু না। এত জ্যাম যে সুস্থ মানুষ অসুস্থ হয়ে যাবে। কারন শাহবাগে মুক্তিযুদ্ধ কোটা বিরোধী আন্দোলনে নেমেছে মেধাবী বিসি এস পরীক্ষার্থীরা। তাঁরা প্রকৃত মেধার মূল্যায়ন চায়। তা চাক, আমার আপত্তি নাই। আমার বাবাও সারটিফিকেট নেন্নি যুদ্ধ করার জন্য। তার কথাই হল, যুদ্ধ করেছি কি সার্টিফিকেটের জন্যে? তার সনদ টা থাকলে হয়ত আজকে আমি ল ইংলিশের মত টপ ক্লাস বিষয়ে পড়তাম ঢাকা ভার্সিটিতে। আমার টায়ার্ড লাগছিল বলে আমি অনেকখন পাব্লিক লাইব্রেরীর সিঁড়িতে বসেও থাকলাম, আম্মুকে ফোন দিয়ে কথা বলছিলাম। আবার উঠলাম এবং রিকশা নিতে গেলাম। তাদেরকে অনুরোধ করায় তাঁরা বলল রিকশা বা গাড়ি নিলে তাঁরা নাকি ভাংচুর করবে। মেধার মুল্যায়ন চায় আবার ভাংচুর করতে চায় এটা কেমন কথা এই কথা বলার কারনে তাঁরা আমাকে অত্যন্ত মেধা দেখিয়ে বলল খাঁ*** মাগী ায় তরে চু**। আমি প্রতিবাদ করলে তাঁরা আরও মেধা খরচ করে বলে মুক্তিযোদ্ধাগো লগে লগে আমারেও নাকি চ**। আমি কিছু বলার আগেই তাঁরা আমাকে ধাক্কা দিয়ে রাস্তায় ফেলে দেয়, আমি হাত দিয়ে ঠেকাতে গেলে আমার বা হাতের কনিষ্ঠা আঙ্গুল টা ঊল্টে যায়, আমার হাতে এখন ব্যান্ডেজ। তাঁরা তখন শ্লোগানে মুক্তিযোদ্ধাদের গালে তালে তালে জুতাও মারছিল। এই যদি হয় মেধা তবে বিসিএস দেইনি বলে আমি গর্বিত। মেধার নাম যদি হয় মুক্তিযোদ্ধাদের গালে জুতা মারা, একটা মানুষ (মেয়ে বললে সুবিধা নেয়া হবে) কে লাত্থি মারা রাস্তায় ফেলে, হাত ভেঙ্গে দেয়া। তবে এ দেশে আবার বৃটিশ রা আসুক, পর্তুগীজরা আসুক, পাকিস্তানি রা আসুক। সভ্য হতে এদের অনেক বাকি। স্যরি বাবা, তুমি ঠিক করোনি এই দেশের জন্যে লড়ে। ফিরিয়ে নাও তোমার যুদ্ধ, ফিরিয়ে নাও তোমার স্বাধীনতা। প্লীজ! মানসিক ভাবে এতখানি বিপর্যস্ত আগে কোনদিন হইনি।

আমি বিসিএসের যারা টিকে নি তাদের মনোবেদনা বুঝি। হতে পারে তাদের আন্দোলোনের যুকিগ্রাহ্য কারন আছে। বুঝি একটা এক্সাম নিয়ে কতো আশাবাদ মানুষের মনে। বেকারের হতাশা তো বেকাররাই বুঝে। কিন্তু এইভাবে অসভ্যতার মানে কি? এইতো চার মাস আগেই এই শাহবাগেই কতো চেতনা কতো বাংলা এক্সাম কতো কি হলো। সব ভুলে গেছি আমরা। আর ভুলে গেছি মানুষ হতে। কামরুল ইসলাম ইয়াহিয়ার ছবি একে বলেছিলেন এই জানোয়ারদের হত্যা করো। এখন বেঁচে থাকলে বিপদে পড়তেন কারন এতো জানোয়ার কে কাকে মারবে?

পোস্টটি ৭ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

রাসেল আশরাফ's picture


তোমার বন্ধুর জন্য সহানুভূতি Sad

আরাফাত শান্ত's picture


Smile

সাঈদ's picture


ফেসবুকে পড়লাম তোমার বন্ধুর স্ট্যাটাস। কোন পেইজ যেন শেয়ার দিয়েছিলো।

ভালো কাটুক দিনগুলো ।

আরাফাত শান্ত's picture


ফেসবুকে তো মেধাবীরা সেই স্টেটাস গায়েব করে দিছে!

আপনারও ভালো যাক!

নিভৃত স্বপ্নচারী's picture


সার্টিফিকেটধারী হলেই তারে শিক্ষিত বলা যায়না, অন্তত আমি মনে করিনা। দরকার আত্মিক উন্নয়ন। বিসিএস এ উত্তীর্ন এইসব শিক্ষিত মানুষগুলোই একদিন আমলা হবে, তারপর দুর্নীতির মহড়া দিবেন একেকজন।
তোমার বন্ধুর জন্য সহানুভূতি।

আরাফাত শান্ত's picture


থ্যাঙ্কস ভাইয়া!

লীনা দিলরুবা's picture


পোস্ট-এর প্রথমটুকু মন ভরিয়ে দিলো, যখন দেখলাম তুমি-"আজ সকালের আমন্ত্রণে" নিয়ে কথা বলছো। অনুষ্ঠানটা আমি প্রায় রোজ দেখি। মেয়েকে স্কুলে পৌঁছে দিয়ে বাসায় ঘণ্টাখানেক থাকতে পারি, সে-সময় এই অনুষ্ঠানটা আমার সারাদিনের কিছুটা হলেও মন ভালো রাখার খোরাক যোগায়। এমন চমৎকার একটি গানের অনুষ্ঠান আমাদের দেশে কল্পনাই করা যায় না। উপস্থাপিকার সবকিছুই চমৎকার। আর যাঁরা গান করতে আসেন তাঁদের গানের প্রতি ভালোবাসাটা উপভোগ্য-এর উপরে যদি কিছু থাকে সেটি।

দ্বিতীয় অংশ নিয়ে কি বলবো বুঝতে পারছিনা। কোটা বাতিলের এই ফালতু আন্দোলনকে ধিক্কার জানাই।
আর, তোমার বন্ধুর প্রতি সমবেদনা জানাই।

আরাফাত শান্ত's picture


মনের মিল থাকলে যা হয় আর কি ভাই বোনের Tongue
আরো লিখতে পারতাম আজ সকালের আমন্ত্রনে নিয়ে কিন্তু টিভি দেখি না মেলা দিন তাই মুলত আগের স্মৃতি থেকেই লেখা। সকালে টিভিতে দেখার মতো এর চেয়ে ভালো প্রোগ্রাম আর নাই। প্রশান্তিময় সময় কাটে!
থ্যাঙ্কুস আপু Sad

জ্যোতি's picture


লতার ষ্ট্যাটাস দেখেছি এফবিতে । ভাবতে পারি না এমন জঘন্য ঘটনা। অথচ এরা নাকি মেধাবী !!ছি:

শান্ত, তোমার পোষ্ট পড়ে হালিম খাওয়ার জন্য ক্ষুধা লাগছে । এখন কি হবে Sad
ইফতারের দাওয়াত তোমার সাথে আমার জন্যও নিও

১০

আরাফাত শান্ত's picture


আপনারে বলে লাভ আছে কোনো? যাওয়ার কথা দিয়েও তো নানান জায়গা দিয়ে যান না!
ওকে মনে রাখবো আপু!

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

আরাফাত শান্ত's picture

নিজের সম্পর্কে

দুই কলমের বিদ্যা লইয়া শরীরে আমার গরম নাই!