'আহমদ ছফার সময়' বই থেকে নেয়া কিছু অংশ! (প্রথম পর্ব)
নাসির আলী মামুন সেলিব্রেটি মানুষ। সম্ভবত কোন বিখ্যাত কবি উনার নাম দিয়েছিলেন ক্যামেরার কবি। আল মাহমুদ থেকে শুরু করে ডক্টর ইউনুস, এস এম সুলতান থেকে শুরু করে শামসুর রাহমান, ছফা থেকে আব্দুল কাইয়্যুম সবার সাথেই উনার ব্যাপক দহরম মহরম। বাংলাদেশের জীবিত মৃত যত বিখ্যাত শিল্প সাহিত্য অর্থনীতি রাজনীতির মানুষ আছে তাদের বেশীর ভাগেরই কথামালা, ঘনিষ্টতা ও ছবির আর্কাইভ একমাত্র উনি। আহমদ ছফাও তার বাইরে না। বলা যায় ছফা ও সুলতানের সাথে তার ভাই সুলভ সম্পর্ক। তাই নাসির আলী মামুনের ব্যাবসা সফল ইন্টারভিউয়ের বই 'আহমদ ছফার সময়' গ্রন্থতেও সেই অন্তরঙ্গ আলাপের গন্ধ ও অন্য ধরনের প্রশ্নমালার ছড়াছড়ি। যদিও আহমদ ছফার সাক্ষাৎকার সমগ্র নামে একটা বই আছে। সেইটাও খুব ইন্টারেস্টিং। কিন্তু পাবলিক ভালো খাইছে নাসির আলী মামুনের বইটাই। তাই এই ২০১৩ র বই মেলায় বইটার ফোর্থ এডিশন বাজারে আসলো। যদিও বাজারে আহমদ ছফার সমগ্রর কাটতি ওতো ভালো না। তবে সন্দেশ ও খান বাদার্স মিলিয়ে বললে ব্যাবসাটা খারাপ না। সামনের মেলায় হয়তো খান ব্রাদার্স তার সেকেন্ড এডিশনে আরো কিছু যুক্ত করে আনবে বাজারে। নাসির আলী মামুনের বইটা শ্রাবন থেকে বের হওয়া। বইটার পেছনের কাভারেই লেখা ছফার বলে যাওয়া কিছু অসাধারণ লাইন। তা হলো
"একটা মানুষের মধ্যেই গোজামিল থাকে। কিন্তু যে সাপ সে হান্ড্রেড পারসেন্ট সাপ। যে শেয়াল সে হান্ড্রেড পার্সেন্ট শেয়াল। মানুষ সাপও হইতে পারে, শেয়ালও হইতে পারে, পাখিও হইতে পারে। মানুষেরই বিভিন্ন চরিত্র নেয়ার ক্ষমতা আছে। বুঝেছো, গ্রাম দেশে আগে সাপ আর শিয়াল পাওয়া যাইতো। এগুলা নাই এখন! কারন সাপ শিয়াল এরা মানুষ হিসাবে জন্মাইতে আরম্ভ করছে"।
বইটা কতো ব্যাক্তিগত অন্তরঙ্গ প্রশ্ন দিয়ে শুরু তার প্রথম প্রশ্নেই টের পাওয়া যায়। যেমন বিয়া করলেন না কেন বা মহিলাদের কাছ থেকে দূরে সইরা রইলেন...
এইরকম কথামালা নিয়ে আমি এখন আর লিখছি না। সেই কথা গুলোর এক ফাকে প্রশ্নঃ আপনার আইডেনটিটিকে আপনি চাষা বলতাছেন?
উত্তরঃআমার পরিবার চাষা। আমার পক্ষে এটা ওভারলুক করা কষ্টকর, রঙ ছড়িয়ে কিছু বলতে চাই না। আমার পূর্বপুরুষেরা সরাসরি কৃষি উৎপাদনের সাথে যুক্ত ছিল। এই পরিচয় আমার অহংকার।
এরপর প্রশ্ন শুরু হয় এস এম সুলতান নিয়ে। তা নিয়ে আরেক পর্বে লেখা যাবে। আমি চলে যাই এখন, উপন্যাস নিয়ে প্রশ্নটায়। প্রশ্নঃ বাংলাদেশের উপন্যাস নিয়ে আপনার অহংকার করা কথাবার্তা আমাদের জানা আছে।
উত্তরঃআমার ধারনা ইলিয়াস ভাই খুব বড় মাপের লেখক। পশ্চিম বাংলার যে কোন লেখকের চাইতে আমরা ভালো লিখি। আমাকে বলতে হবে লেনিনের কবিতাটা, দেশ পত্রিকা লোক পাঠাইছে। টেন থাউজেন্ড দিলেও ছাপব না। আমি কেয়ার করি না। সেভেন্টি ওয়ান থেকে আমি বলেছি তোমাদের কাগজে লেখব না। তোমরা মুসলিম বিদ্বেষী পত্রিকা।
নিজের লেখা নিয়ে ছফার এই আত্ম অহংকার নতুন কিছু না । নানা সময় নানা ভাবে তিনি তা করেন। তা যে খুব যুক্তি মেনে তাও না। তাও আমার ভালো লাগে ছফার এই নিজের লেখা নিয়ে কনফিডেন্স দেখে। আবার অনেকে তা যখন রেফারেন্স দেয় তখন তা বিরক্ত লাগে। কারন দোষে গুনে উনি একজন মানুষ। পরের প্রশ্ন,
প্রশ্নঃ এইভাবে বলতেছেন আপনি?
উত্তরঃহা। সেভেন্টি ওয়ানে আমি বেরিয়ে আসছি ওদের অফিস থেকে। এরপর কমরেড মুজফফর আহমদ তার বাড়িতে নিয়া রাখছে। মাসে ৫০০ টাকা করে স্টাইপেন্ড দিতেন যতদিন কলকাতায় ছিলাম। আমি যেইটা মনে করি, বাংলাদেশে মহৎ সাহিত্য সৃষ্টি হচ্ছে। আমরা তো পৃথিবীর দিকে যাচ্ছি- গো। পৃথিবীর বাইরের লোক আমার কথা শুনছে। লেনিনের কবিতাটা এখানে ছাপা হয়েছে। ক'দিন পর হয়তো নিউ ইয়র্ক থেকে বের হবে। আমাদের ক্ষেত্র অনেক প্রসারিত। কিন্তু প্রশ্নটা হচ্ছে কলিকাতার যে প্রাক্টিক্যাল কায়েমী স্বারথবাদী, কলিকাতার বই প্রকাশক, তাদের এদেশীয় যারা পার্টনার, যেমন শামসুর রাহমান- এদের সবাইকে কলিকাতার আনন্দ পুরস্কার দেয় তাদের বানিজ্যিক স্বার্থ রক্ষার জন্য। যেমন ধরো কায়সুল হক একটা বলদ। বলিও, আমি কইছি।
ছফার এই যে মুখের উপরে কথা বলার জেদ, তা হয়তো ষোলো আনা সত্য না তাও যে উনি তা বলেই গেছেন জীবনজুড়ে এই জিনিসটা আমার দারুন লাগে। ওঙ্কার- এর চিত্রনাট্য তৈরী করার জন্য সত্যজিৎ রায় অনেকদিন আগ্রহী ছিলেন। তার দুই প্রশ্নের পরের প্রশ্ন হলোঃ সত্যজিৎ রায়ের সাথে আপনার যোগাযোগ ঘটছিল কিনা?
উত্তরঃউনি নিয়ে গেছিলেন। সত্যজিতের সাথে আমার দেখা হয় নাই। কিন্তু শুনেছি ওঙ্কার-এর জন্য তার আগ্রহ ছিলো। সুতরাং এগুলা নিয়া উই ক্যান ক্রিয়েট মিরাকল। পশ্চিম বাংলা নয়, এশিয়ার মধ্যে আমাদের একটা মুলব্যান স্থান আছে।
প্রশ্নঃ তাইলে আপনি বলতেছেন আমাদের সাহিত্য কোনোমতেই নিম্নমানের না, আন্তর্জাতিক মানের।
নিশ্চয়ই। আমাদের যথেষ্ট ভালো লেখক আছে। সেগুলা পশ্চিম বাংলা কাউন্ট করে না। ওরা আমাদের মুরুব্বী সাজতে চায়। আমাদেরকে উপেক্ষা করে।
প্রশ্নঃ প্রবনতটা সব বড় দেশের আছে...
না না। আমাদের সাহিত্যের যে বিকাশটা হওয়া উচিত ছিলো সেটা হয় নি একটি কারনে, কলিকাতার অভিবাকত্ব।
এরপর তিনি বলতেছেন আনন্দবাজারকে তিনি বই দিবেন না, 'প্রতিক্ষণ' কে দিবেন। আমাদের টোটাল পলিটিক্সটা নাকি ভারতমুখিনতা। তার পরের প্রশ্নঃ আপনি আমাদের লেখকদের একটা অংশকে সার্টিফিকেট নেয়ার জন্য দায়ী করেন।
কি আর করা যাবে বল, রাজায় কইছে চুদির ভাই আনন্দের আর সীমা নাই। এরকম তো ব্যাপার আছেই। আমার তো পশ্চিম দুনিয়া কি কয় তা দেখা। আমরা মনে করি আমার স্বীকৃ্তি নিয়ে পশ্চিম বাংলা কি বলতে চায় সেটা আমার লুক আউট নয়। আমি পৃথিবীর গন্ধ এবং স্বাদ বুঝি। তুমি দেখবা আমি যখন আমেরিকায় যাবো তখন ওখানেও ঝড় তুলবো। তখন ওখানকার পন্ডিতদের সাথে দেখবে আমি কিভাবে মিশে গেছি। সুলতানের বিশ্বালত্ব চিন্তা করো, ৭৬-এর আগে এই জায়ান্ট কোথায় ছিলো? কেউ তাকে আবিস্কার করলো না কেন? এই আমি যাকে প্রেজেন্ট করেছি, আরেকজন লোক আসুক
সুলতানকে ছফা অনেক ভালোবাসে। সেই ভালোবাসার প্রকাশেই প্রচলিত আর্ট স্টাবলিশমেন্টের সাথে তার লড়াই করা। দাবী করতেছেন আর্ট কলেজের ছেলেরা তাকে নাকি মারতে উদ্ধত হয়েছিলো। পথ শিশুদের জন্য একটা স্কুলও তিনি চালাতেন সুলতানের নামে। তিনি মনে করেন জয়নুল আবেদীনের ন্যায্য সমালোচনা হয় নি। আবেদীন সাহেব নাকি মুর্খ সমালোচকদের খপ্পরে পড়েছিলেন। তার ভাষায় গর্দভরা নাকি উনার মাটির ও ফোকের যে আয়োজন ছিলো তা উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়েছে। যা হোক আমি অন্য কোনোদিন সুলতান নিয়ে তার ব্যাখ্যা এই বইয়ের আলোকেই লিখবো। এখন একাত্তর, জাসদ ও জাতির পিতা নিয়ে উনার কথামালা জানাই।
প্রশ্নঃ এক সময় আপনি জাসদের রাজনীতিকে সাংঘাতিক সমর্থন দিছিলেন।
হ্যা করতাম। আমি একমাত্র লোক, যে রাজনীতি ৭০ দশকে করেছি তা এখনো বিশ্বাস করি।
এখন আমার মনে হইতেছে আপনি ভুল করছিলেন।
না না। আমি ছাড়া সবাই যেমন ভুল করছে মনে করে, আমি একমাত্র ব্যাক্তি, আমি মনে করি ভুল করি নাই।
এখন আপনি বলতেছেন ভুল করেন নাই?
নিশ্চয়ই না।
তাহলে এরা এইভাবে ভাইঙ্গা খান-খান হয়ে গেলো কেন? কিছু দাড়া করাইতে পারলো না, একটা জেনারেশন শেষ কইরা দিলো ওরা।
সেইটা হলো শেখ মুজিবের অনাচার অত্যাচার। এইটার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে পারা, এইটা একটা ফরজ কাজ ছিলো আমাদের।
বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পরপর...
আমি করতে পেরেছি এজন্যে নিজেকে কিনা প্রতিদিন নিজের গলায় মালা পরাই। শেখ মুজিবের যে অত্যাচার তার সাথে কোন অত্যাচারের তুলনা হয় না। আমি আসলে ভয়ে ভয়ে থাকতাম কখন কিভাবে এসে তূলে নিয়ে যাবে।
তার অবদানকে অস্বীকার করেন বাংলাদেশের নেতৃত্বের ব্যাপারে?
সেটাতো ইতিহাসের পাঠ, অস্বীকার করবো কেন?
জাতির জনক, এই ধরনের, বিশ্বাস থাকলে আপনার ক্ষতিটা কী?
জাতির জনক, আমি বিশ্বাস করি না। জাতির জনক! আমার জাতির জনক লাগবে কেন?
দুই প্রশ্ন পরের প্রশ্নঃ সেই কারণে তাকে বঙ্গবন্ধু বলতে চান না আপনি?
বঙ্গবন্ধু তারে আমি বলি না। বঙ্গবন্ধু শব্দটার অর্থ হচ্ছে একটা খারাপ শব্দ। কারন ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে কংগ্রেস দেশবন্ধু আবিস্কার করেছিলো
চিত্তরঞ্জন...
বুঝেছো? সেটার ইয়ে হচ্ছে বঙ্গবন্ধু আবিষ্কার হয়েছে। নকল করেছে ইয়ে দেশবন্ধুকে। কিন্তু এটা ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন ছিলো না। এটা নতুন জাতির জাগরণের আন্দোলন। শেখ মুজিবের মতো নেতাকে কে অস্বীকার করলো সেটা জানলে আমি আপত্তি করতাম না। শেখ মুজিবকে নিয়ে আমি ব্যাক্তিগতভাবে যে তিনটি লেখা লিখছি এর চাইতে ভালো লেখা আর কেউ লেখতে পারে নাই এখানে।
শেষ লাইনটার সাথে আমি একমত। ষোলো বা সতেরো আগস্ট উনি যে লেখাতে বঙ্গবন্ধু সপরিবারে হত্যার পরে লিখছেন সেরকম লেখা আমি আজ অবধি পড়ি নাই। কোনো আওয়ামীলীগ সমর্থক আবার এই পোষ্ট পড়ে সেন্ট্রিমেন্টাল হয়েন না? আমি বলি নাই; কথা গুলো বলেছেন আহমদ ছফা। উনার অনেক বলে যাওয়া কথার সাথেই আমি একমত না। অন্ধ গুরুভক্তি আমার নাই। তবে একমত উনার চিন্তার উগ্র প্রকাশের সাথে, আবেগের ন্যায্যতার সাথে, ব্যাতিক্রম ভাবনা সরাসরি বলার সাথে, নির্ভেজাল সাহসের সাথে। বইটার কমিশন বাদ দিয়ে দাম মাত্র ১৫০ টাকা। বাজী ধরে বলতে পারি ১৫০ টাকায় এর চেয়ে দারুন বই বাজারে খুব কম আছে। আরো কিছু পার্ট লেখার ইচ্ছা আছে বইটা থেকে। তিন ঘন্টা টাইপ করে খুজে খুজে লেখা অনেক কষ্ট। জানি কমেন্ট পাবো দুই তিনটা তাও লিখে যাই রাত জেগে।
এই লেখা উৎসর্গ করলাম লীনা আপুকে। উনি আমাদের ব্লগে নাই, আলাপ আড্ডাতেও নাই, তবুও উনার কাছ থেকেই দেখে আমার বই নিয়ে লেখা শেখা, উনার জন্যই হয়তো বই থেকে টুকে লেখার এই সামান্য চেষ্টা।





আহমেদ ছফার কোন লেখা আমি এখনো পড়ি নাই। পড়ার ইচ্ছা আছে। আপনার অনেক ধৈর্য তাই খুজে খুজে ওনার লেখা থেকে কিছু কথা পয়েন্ট আউট করে তুলে ধরেছেন। আপনি এই ব্লগে সুপরিচিত আর জনপ্রিয় মানুষ। আপনার লেখায় সবাই কমেন্ট করবেই। আসোলে পরিচিতি আর অন্তরঙ্গতার একটা ব্যাপার আছে। আর তাই যখন অনেক আগ্রহ আর ইমোশন নিয়ে লিখি ( যদিও আগাছা টাইপ) কেউ কোন কমেন্ট না করলেও মাইন্ড খাইনা। কারণ আমি তো এখনো এই ব্লগের খুব পরিচিত কেউ নই। এই আর কি !
নিজে আর সবার লেখা পড়ে কমেন্ট না করলে
আর সবাই কিন্তু আপনার লেখায় কমেন্ট করার আগ্রহ পাবে না অতটা।
চেনাজানা মানুষজনের লেখা নিয়ে আগ্রহ বেশি থাকে। এটাই স্বাভাবিক।
কি বুঝাতে চাইলেন বুঝি নাই?
আমি মোটামুটি সবার লেখাতেই কমেন্ট করি। এখন যারা লিখে না কখনোই তাদের লেখায় কমেন্ট করবো কিভাব? বলে যান!
থ্যাঙ্কস ভাইয়া। পইড়েন!
কমেন্তের জন্য নিশ্ছয়ই লেখোনা, সো চিন্তার কি আছে ।
ধন্যবাদ ভাই। বই নিয়ে লেখা বড় কঠিন জিনিস। আমি এই কাজটা একেবারেই পারিনা। লীনা কঠিন কাজটা বড় সহজভাবে করে ফেলে।এটা ওর বিরাট গুন। যাক লীনার উপযুক্ত শীর্ষ পাওয়া গেছে এটা লীনার জন্য আনন্দদায়ক।
আহমেদ ছফার বক্তব্য অনেক স্পষ্ট। তিনি রেখে ঢেকে বলেননি কোন কথা।তার কথা সরাসরি যা মনে আসতো বলে যেতেন। তার কথা খুব ধারালো কিন্তু তার মতামত সবসময় গ্রহন যোগ্য হয়না অনেকের কাছে। কারন তিনি পাঠককে কনভিস্ট করে তার মতামত চাপাতে পারতেন তার সরাসরি বক্তব্যের কারনে। যাই হোক। লেখাটা খুব ভাল লেগেছে।
থ্যাঙ্কস আপু! কষ্ট করে এসে পড়ে যান। তাতেই আনন্দের শেষ নাই!
লেখা মোটামুটি ভাল্লাগছে। দুই জায়গায় লাফ দিছেন, এটা ভাল্লাগে নাই।
নেক্সট পর্বগুলা আরও বিস্তারিত সাথে নিজের চিন্তাভাবনা যোগ কইরা দিতে পারেন। নেক্সট পর্বগুলার অপেক্ষায় থাকলাম। ভালো থাকেন।
দেখি কি হয়!
ছফার লেখা না পড়লে লাইফে গ্রেট মিস ।
ইয়াপ!
ভালো পোস্ট । বই বিষয়ক কোন লেখা পড়লে সেই বইটা পড়তে ইচ্ছা করে কিন্তু পড়া হয়ে উঠে না। তাই ব্লগই ভরসা ।
থ্যাঙ্কস আপু। কষ্ট করে এসে পড়ে যান তাতে থ্যাঙ্কসের শেষ নাই!
তোমার বই নিয়ে লেখাগুলো ভাল লাগে। এই লেখাটাও ভাল লাগলো।
থ্যাঙ্কস ব্রাদার! ভালো থাকেন সব সময়!
দান দান তিন দান ধরে আবার বলে গেলাম তোমার এই লেখাগুলো মাষটার পিস
দান দান তিন দান ধরে আবার বলে গেলাম তোমার এই লেখাগুলো মাষটার পিস
বিশাল কমপ্লিমেন্ট
মন্তব্য করুন