বীর বিক্রম কর্নেল হুদার জীবন যুদ্ধ ও সেই সময়ের সহজ পাঠ!
রক্তস্নাত মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত হয়ে বিজয়ের ষোলো সতেরো বছর পরে আমার জন্ম। আমার প্রজন্মের ছেলেরা তিন চার টাইপের হয়। কিছু আছে যারা এইসব নিয়ে ভাবে না, কিছু আছে যারা আওয়ামীলীগ বিরোধিতা করতে যেয়ে মুক্তিযুদ্ধকে নিছক ভারত-পাকিস্তানের ব্যাপার মনে করে, তাদের ভেতরে আবার কিছু আছে যারা আরো খারাপ ভাবে মুক্তিযুদ্ধকে রায় দেয় এক পাকিস্তান থাকলেই ভারত টাইট থাকতো এই ভেবে, আর কিছু আছে আমার মতো যারা মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে শিহরিত হয়, নির্মম গনহত্যায় তীব্র ঘৃনা পোষন করে, মনে প্রানে গনহত্যার সহায়তাকারীদের বিচার চায়, একেকজন বীরের সাহসিকতাঁর গল্পে নিজে পুলকিত অনুভব করে, স্বাধীন দেশে বারবার সেই সময়ের মানুষের ত্যাগের গল্প মনে রাখে। আর সর্বশেষ টাইপ হলো যারা এইসব নিয়ে ভাবেই না। খালি ভালো মোবাইল, ভাল পর্ন, ভালো চাকরী যুতসই গার্লফ্রেন্ড এসব নিয়ে ভেবে বেড়ায়। এদের সংখ্যাই অনেক। এরা হেফাজতকে সমর্থন দেয় আবার হুজুগে পড়লে শাহবাগে যায়, দেশপ্রেম জাতীয়তাবাদ কে গালাগাল করে বেড়ায়। আবার ঠেকায় পড়লে দেশ কত মহান তাও প্রমানে ব্যাস্ত হয়ে যায়।
আমি খুব আবেগপ্রবন, তা নতুন কথা না। তবে দেশ নিয়েও আমার অনেক অযৌক্তিক মাত্রা ছাড়া আবেগ। আমি এই আবেগকে মুল্যই দেই। সবাই যখন এই আবেগকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দেয়, তখন আমার মনে হয় আমার পরিচয়, জীবনকাল, বেচে থাকার সাথে এই আবেগ জড়িয়ে গেছে নিবিড় ভাবে। এর থেকে আমি নিজেও মুক্তি চাই না বরং মনে তীব্র অহংকার কাজ করে। যে আমি এই জিনিসটা ধরতে পেরেছি যত্ন করেই। তাই 'আগুনের পরশমনি' দেখলে আমার চোখে পানি চলে আসে, 'ওরা এগারোজনের' অযথা গোলাগুলিতেও শিহরিত হই, 'গেরিলা' সিনেমায় পাশবিক অত্যাচার দেখে মন বিষিয়ে উঠে। আর তো মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যা পাচ্ছি তাই পড়ছি সমানে। বেশীর ভাগ বই ই পড়া শেষ। আরো পড়বো সামনে। আমার যাপিত জীবনে ভাবনা চিন্তায় মুক্তিযুদ্ধের সময়ের সেই জানা অজানা গল্প গুলো বারবার মাথায় ভীড় করে। অনলাইনে ক্রমাগত একাত্তরকে নিয়ে অপপ্রচার শুনতে শুনতে মনে হয়েছে যে মুক্তিযুদ্ধকে ওউন করা কতো জরুরী! নিজেদের আত্মপরিচয়ের সাথে জড়িত এই জায়গাটুকু, তখন থেকেই আরো বারবার বেশী করে মনে হয়েছে।
বীর বিক্রম কর্নেল হুদা কে নিয়ে তাঁর স্ত্রী- নীলুফার হুদা দারুন স্মৃতি কথা লিখে গেছেন। বইটার নাম "কর্নেল হুদা ও আমার যুদ্ধ"। প্রথমা থেকে প্রকাশিত। বইটা পড়ে রীতিমত আমি মুগ্ধ। অল্প কথায় কর্নেল হুদার জীবন কালের ভিতর দিয়ে সেই সময়, রাজনীতি, আগরতলা মামলা, মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা পরবর্তি সময়ের অস্থিরতা, পচাত্তরের কালো অধ্যায় ও হুদার নির্মম নিহত হবার পরবর্তী সময় পর্যন্ত সরল ভাবে বিস্তৃত হয়েছে। একজন সাধারন বাঙ্গালী নারীর মত করেই তিনি সেই সময়ের কথাগুলো সত্যভাষনে বলে গেছেন। বইটা ফেরত দিয়ে দিলাম তাই হুবহু লাইন বলা সম্ভব না। তাও বইটা পড়ে কি মনে হলো তাই বলছি ছোট করে!
কর্নেল হুদা তেমন কিছু অফিসারদের ভেতর একজন যারা পাকিস্তান আর্মির ডিসিপ্লিনে থেকেও মনে প্রানে বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদী চেতনা লালন করতেন। ছেষট্টি সালে তিনি কলকাতা থেকে বেড়াতে আসা উচ্চ বংশের মুসলিম মেয়ে নীলুফারকে বিয়ে করেন। পাক ভারত যুদ্ধের কারনে নীলুফার আর কলকাতায় ফিরতে পারেন নি। এই বিয়েতে নীলুফারের বাবা মায়ের খুব একটা সায় ছিলো না। পাকিস্তানে সংসার শুরু করার বছর দুয়েক তিনেকের মাথাতেই অন্য অনেকের সাথে তিনিও আগরতলা মামলায় অভিযুক্ত হয়ে পাকিস্তান থেকেই গ্রেফতার হন। লেখিকা জানাচ্ছেন '‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা’র প্রকৃত নাম ছিল ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য।’ কিন্তু পাকিস্তানিরা এই নাম বিকৃত করে ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা’ হিসেবে প্রচার করে। এখনো এ মামলার প্রসঙ্গ এলে অনেকে ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা’ বলে থাকেন। যাঁরা এর সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তাঁদের এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের জন্য ষড়যন্ত্র শব্দটি খুবই পীড়াদায়ক। কারণ, যাঁরা ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তাঁরা কেউ ষড়যন্ত্রকারী ছিলেন না। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়েই তাঁরা কাজটি করেছিলেন।' এই মামলার সুত্রেই তিনি আবার ঢাকায় ফেরত আসেন। চমৎকার ভাবে সেই মামলার শুনানী চলার সময়কার দিনগুলোর বর্ননা আছে। বঙ্গবন্ধু কিভাবে সাহস দিচ্ছেন মিসেস হুদাকে তার অসাধারন বিবরনী আছে। আদালতেই কিভাবে শেখ হাসিনার বিয়ের মিস্টি বিতরন হয় তা জেনে ভালো লাগবে। আছে বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের অপথ্য স্নেহের গল্প। সামান্য পরিচয়েই কিভাবে তারা একে অন্যের সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে গেছে তার বিবরন । মামলা থেকে মুক্ত হয় সবাই গনআন্দোলোনের মুখে, কিন্তু সেনাবাহিনীর চাকরী থাকে না হুদার। একটি বনেদী পরিবার অভাবে পড়ে কি অবস্থা হয়ে তখন দিন পার করছিলো তার বিবরন আছে যথার্থ রূপেই। কর্নেল হুদা কিছুদিন কন্ট্রাক্টরির চেষ্টা করেন তার পরেই আসে উত্তাল মার্চ। তিনি আগেই আচ করতে পেরে যান পাকিস্তানী মিলিটারীরা আসছে। স্ত্রীকে নিরাপদে সরে যেতে নির্দেশ দেন। সীমান্তের কাছে থেকেও কি ক্লান্তিকর আর কষ্টের ভেতর দিয়ে দুই ছেলেমেয়েকে সাথে নিয়ে তিনি কলকাতায় যান তার মর্মস্পর্শী বয়ান দিয়েছেন বইতেই। মুক্তিযুদ্ধের একদম শুরু থেকেই কর্নেল হুদা সক্রিয় কমান্ডার হিসেবে জড়িয়ে যান। তার কমান্ডিং এলাকাতেই বীর শ্রেষ্ঠ নুর মোহাম্মদ শহীদ হন তার ছোট্ট বিবরন আছে। আছে যুদ্ধের কিছু খন্ডচিত্র। অসীম সাহসী মানুষ যিনি কখনোই কাদেন না, শহীদ হওয়া যোদ্ধার লাশ দেখে তিনি থরথর করে কেদে উঠেন। শুকনা খাবার ও লেপ তোষক যখন স্ত্রী পাঠায় রণাঙ্গনে, ধমকের সুরে তা প্রত্যাখান করেন। অনেকেই উনাকে যুদ্ধে যেতে নিষেধ করেন তিনি বিনা টেনশনে তা নাকচ করেন স্ত্রী ও দুই সন্তানকে আল্লাহর ভরসায় রেখে তুমুল প্রতিরোধ যুদ্ধে অংশগ্রহন করেন। বিজয়ের উল্লাসের গল্প আছে। বিজয়ের পরেও তিনি কত স্থির যে কারো কাছ থেকে কিছু উপহার ও খাবার আসলেও নিতে মানা করে দেন।
যুদ্ধের পর শুরু তাদের নতুন জীবন যুদ্ধ। আর্মির বদলীর চাকরীতে তিনি নানান দ্বায়িত্বে দিন কাটান। তবে বেতন কম আর অনেক জায়গাতেই গলিত লাশের গন্ধ। সে এক যন্ত্রনাদায়ক পরিবেশ। অবৈধ্য অস্ত্র উদ্ধারের দ্বায়িত্ব পেয়ে আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহকে ধরেন। তা নিয়ে বঙ্গবন্ধুর জবাব দিহির ভিতরে পড়ে যান। কিন্তু আকাশের সমান বঙ্গবন্ধুর হৃদয় তিনি জয় করে নেন সততা ও কর্তব্য পালনের অঙ্গীকারের ভেতর দিয়ে। জিয়ার সাথে তাঁদের পরিবারের ঘনিষ্টতা ছিলো তারও বিবরন আছে। জিয়ার সানগ্লাস পড়া ইংরেজী বচন বলা নিয়ে রসিকতাও আছে। তবে ডালিমের চাকরী যাওয়া নিয়ে কর্নেল হুদা যে খুব টেনশনে ছিলেন সেই সময়কার গল্প আছে। ডালিমের প্রতি একটা সিমপ্যাথী সুলভ আচরন হুদার পরিবারের ছিলো। খুনী ডালিমই এক বিখ্যাত তান্ত্রিক ডেকে আনে যে বলে দেয় ডালিম অনেক নাম করবে আর হুদা অনেক দূরে চলে যাবে। দূরে বলতে যে দুনিয়া থেকেই বিদায় নিবেন তা বুঝতে পারেন নি মিসেস হুদা। সময় চলে যায়। পচাত্তরে দুষ্কৃতিকারী মেজরদের হাতে সপরিবারে খুন হন বঙ্গবন্ধু। এই ঘটনায় কর্নেল হুদা খুব ভেঙ্গে পড়েন। মুজিব বিরোধী বিভিন্ন অফিসারদের কথা শুনেন। কিন্ত নিজে কিছুই বলেন না। খুনের পরে ডালিমের অঝোরে কান্নার গল্পটাও আছে। শেখ রেহানারা নাকি বেড়াতেও এসেছিলেন ডালিমের বাসায়। ডালিম নাকি হুজুগের বসেই কাজটাতে জড়িয়ে যান। ডালিম নাকি জানতেন গ্রেফতার করা হবে জাতির পিতাকে। কর্নেল হুদা বারবার বলতে থাকেন সেই সময়ে যে কোনো দেশেই মুক্তিযোদ্ধারা বেঁচে থাকেন না। আমিও খুব দ্রুত মারা যাবো। ঘটনার ঘনঘটায় নভেম্বর মাস আসে। রংপুর থেকে জরুরী তলবে ঢাকায় যান তিনি। খালেদ মোশারফ ক্যু করে মোশতাক ও মেজরদের বিদায় করেন। সাতই নভেম্বর সকালে রংপুরে আসার কথা ছিলো কর্নেল হুদার। সেই জন্যে গাড়ীর কথা বলা ছিলো স্ত্রীর। কিন্তু সেই দিন সকালেই খালেদ মোশারফ, হায়দারদের সাথে খুন হন কর্নেল হুদা । তিন মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডারের প্রান চলে যায় সহজেই। বিমানে ঢাকায় এসেই হুদার স্ত্রী জিয়াকে জিগেস করেন- কেন খুন হলেন তাঁর স্বামী? জবাবে জিয়া বলেন আমি আপনার সঙ্গে আছি, খালেদ মোশারফ তাকে মিস গাইডেড করছে বলে বলা হয়। পাল্টা প্রশ্ন করেন মিসেস হুদা যে খালেদ মোশারফকেই কেন খুন করা হল? তিনি তো আপনাকে খুন করেন নি। জবাবে চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকেন জিয়া। জিয়ার কাছে শেষ আবদারে কফিনে জাতীয় পতাকা থাকার অনুরোধ করেও পান নি। এমন কি গাড়ীও পান নি! বিডিয়ারের এক পরিত্যাক্ত বাসে লাশ বহন করে নেওয়া হয় একজন বীরযোদ্ধার। দুই অবুঝ ছেলেমেয়ের করুন সব প্রশ্নের বিবরনও আছে দারুন ভাবে। আস্তে আস্তে নিহতের স্বজনেরা শোক সহ্য করা শুরু করে। এইভাবেই বই শেষ।
বইটা নিঃসন্দেহে দারুন একটা স্মৃতিকথার বই। একজন রাষ্ট্রীয় খেতাব প্রাপ্ত তরুন মুক্তিযোদ্ধার মর্মান্তিক ট্রাজেডীর বিবরন। তবে বলা যায় এরকম ট্রাজেডীর জন্য কর্নেল হুদা সব সময়ই প্রস্তুত ছিলেন। চিঠি পত্রে ব্যাক্তিগত আলাপে তিনি সব সময়ই আল্লাহর উপরে ভরসার কথা বারবার বলেছেন। মুক্তিযুদ্ধকেই তিনি দেশ ও ইসলামের প্রতি কর্তব্যরুপে মনে করেছেন। এই অকুতোভয় বীর বর্বর পাকিস্তানীদের হাতে মরেন নি। শহীদ হয়েছেন স্বজাতির নরপশুদের হাতে। নিয়তিতে বিশ্বাস না করলেও নীলুফার হুদা বারবার জানাচ্ছেন হাত দেখার খবর, সেই তান্ত্রিকের ভবিষ্যৎবানী ফলে যাওয়ার বিষয়। বলা যায় মৃত্যুকে একভাবে বরন করেই নিয়েছেন তিনি। খুন হত্যার এই রাজনীতি তো চলছেই। জিয়া, তাহের আরো অনেকেই, কেউই এর হাত থেকে বাচতে পারলেন না। ক্যান্টর্মেন্ট থেকে বের হয়ে সেই খুন প্রতিহিংসার রাজনীতি চলছেই সারা দেশে। গতকাল সিসিটিভি দেখে মিল্কীর খুনি কে বের করা হলো, সেই খুনিকেও হাসপাতাল থেকে ক্রসফায়ারে মারা হলো। বোঝা যাচ্ছে লাশের রাজনীতি চলবেই তা যে দলেই হোক। অথচ হুদারা জীবন বাজী রেখে যুদ্ধ করেছিলেন যেই মুক্তির জন্য, তা থেকে আজো আমরা কতো দুরে!





কর্নেল হুদা যাকে খালেদ মোশাররফ এর সাথে হত্যা করা হয়েছে। বাবা বলতেন মুজিব বঙ্গবন্ধু হয়েছেন শুধুমাত্র ফজিকাতিন্নেসা তার সহধর্মিণী ছিলেন বলে। যখন টাকা নাই বেগম মুজিব আমাদের হাতে গয়না তুলে দিতেন।
এই দেশের জন্য এই দেশটা স্বাধীন হবে এই স্বপ্নও যে টানবাজারের পতিতারা দেখতো তা কি কেউ জানে। ওরাও যে প্রতিদিনের আয়ের একটি অংশ প্রতিদিন রেখে দিত সপ্তান্তে কেউ আসবে দেশের কাজের জন্য টাকা নিতে। কখনও কেউ না গেলে নিজেরাই তাদের প্রতিনিধি পাঠাত । ওদের কথা কেউ বলে না কেন? একটা লাইন কি ওদের সম্মান করে লেখা যায় না।
লাশের রাজনীতি থামে না কখনোই।
দেশের জন্য আবেগটুকু যদি বাঁধভাঙ্গা না হয়
তাইলে আবেগ থাকা আর না থাকা একই কথা।
কর্নেল হুদার এই কাহিনী জানা ছিলনা। সুন্দরভাবে তুলে ধরার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ। বইটা সংগ্রহ করার চেষ্টা করব।
হুম, এই ধরণের লেখা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, প্রজন্ম জানতে পারছে আসল সত্য। কিন্তু একবার পেছনে তাকান। আগের প্রজন্মদের সত্য-মিথ্যা উদঘাটন করা সহজ ছিল না। বিশেষ করে জিয়ার শাসনামলে এবং তারপর। কেননা, তখন এই ধরণের বই লেখা হয় নি। পুরো জাতি বলতে গেলে কম-বেশি অন্ধকারে ছিল, তা অনেক অনেকদিন ধরেই। সব কিছু দলীয় ভিত্তিতে প্রচার হওয়াতে সত্য-মিথ্যা বুঝে উঠা দুষ্কর ছিল। এখন অবস্থার পরিবর্তন হচ্ছে। নতুন প্রজন্মের জানার সুযোগ হচ্ছে। আসলে আমি আশাবাদীও হচ্ছি। এভাবেই একদিন দেশটাকে একটা নির্দিষ্ট দিকে চালিত করা সহজ হবে। আর আরেকটা কথা না বললে নয়। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াকে আরো আরো একাধিকভাবে মানুষ মারবে, তা কবর থেকে তুলে, কড়া রোদে তাঁতিয়ে সিদ্ধ করে। এর কারণে এত এত বীর সেনা অফিসারে মৃত্যু হয়েছে, যা আর কারো দ্বারা এত হয় নি। তারপরই আসছে, আগাপাছতলা ভন্ড এরশাদ। জিয়াকে মারার সাথে সাথে একপাল মুক্তিযোদ্ধা সেনা অফিসারকে মার্শাল কোর্টে মিথ্যা মামলায় মৃত্যুদন্ড বরণ করতে হয়েছে।
আপনার এই জানা এবং তার প্রচারকে শ্রদ্ধা এবং স্বাগত জানাই।
অনেক সুন্দর ভাবে একটা না জানা কাহিনী জানতে পারলাম... থ্যাংক্স শান্ত...
অসাধারণ পোষট, বইটা এখুনি পড়তে ইচছে হচছে
মন্তব্য করুন