বুর্জোয়া জেনারেলের তথাকথিত সৈনিক জীবনে ফিরে দেখা!
বই নিয়ে আমার গত পোষ্ট ছিল কর্নেল হুদা ও তার সময়কে নিয়ে তার স্ত্রীর লেখা বই, সন্দেহ নাই বইটা অসাধারণ। তিন চার দিন আগে আমি পড়া শেষ করলাম মেজর জেনারেল মনজুর রশীদ খান (অব,) লিখিত 'আমার সৈনিক জীবনঃ পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ'। বইটা বীর মুক্তিযোদ্ধা সেক্টর কমান্ডার হুদা কে নিয়ে লিখিত বইটার প্রায় বিপরীত মুখী আরেক সেনা কর্মকর্তার বুর্জোয়া দৃষ্টিভঙ্গীতে তার যাপিত সেনা জীবনের বিবরন। এইটাও প্রথমা থেকে বের হওয়া, বইটার দাম অনেক, ৫০০ টাকা। দারুন বাধাই ও ঝকঝকে মুদ্রন, প্রচ্ছদে দেখতে আকর্ষনীয় একটা বই। ভারতে রুপীর দাম নাকি শেয়ার বাজারের কারনে হু হু করে নামতেছে। কার মুখে জানি শুনলাম ১০০ টাকায় এখন ৮২ রুপি। সমান সমান হয়ে গেলে বড়ই সুখের দিন। কলকাতার বইয়ের দাম আরেকটু সুলভ মুল্যে পাওয়া যাবে। কিন্তু বাংলাদেশী একেকটা বইয়ের যে অগ্নিমুল্য তা খুব বেশী প্যাশান না থাকলে কিনতে পারাটাও খুব কষ্ট। লোকজনের মুখে শুনি বিদেশে বইয়ের দাম কত সস্তা তা নিয়ে আলাপ। কিন্তু বাংলাদেশে আগামী দিনে ৪- ৫ ফর্মার তরুন তরুনীদের জন্য লেখা হালকা উপন্যাস চারশো পাচশো টাকাতে বেচতে দেখলেও খুব বেশী অবাক হবো না! আমি অবশ্য সারা বছরই বই টুকটাক সাধ্যমতো কিনি। বইমেলা বাদে বাংলাদেশের বই কেনাও এক কান্ড বটে! কমিশন কম তাই দাম বেশী আর বই পাওয়াটাও ঢাকার বাইরে কষ্ট অনেক। এত পাঠক আমাদের তাও আমরা সারা বছর ব্যাপী বইয়ের একটা দেশ ব্যাপী চাহিদা যোগানের বাজার নির্মান করতে পারলাম না। সমস্ত কিছু ২৮ দিনের এক বই কেনা বেচা প্রকাশের মেলার কাছেই সব দ্বায়িত্ব ছেড়ে দিলাম। যদি দেশে ৩-৪ কোটি বই পড়তে পারে জনগোষ্ঠী আছে তাহলে একটা গিঞ্জী রাজধানী শহরে ২৮ দিনের বই কেনা বেচার মেলাকে ধার্য্য করলে সহজেই অনুধাবন করা যায় আমাদের বই পড়া ও কেনার মান কত নিচে। নব্বই দশকের দিকে লেখা আহমদ ছফার এক নিবন্ধ ছিলো কলাবাগান মাঠে বই মেলা নিয়ে। সেই আমলেও একি কেস, ধানমন্ডির মতো একটা ধনী লোকদের জায়গায় মেলায় যে বই বিক্রি হয়েছিলো, ছফার ভাষ্যমতে কোনো উপজেলাতে গিয়ে বই বেচলেও এর চেয়ে তিন গুন ব্যাবসা হতো!
শুরুতেই বলেছিলাম সেক্টর কমান্ডার কর্নেল হুদার সম্পুর্ন বিপরীত মুখী সেনা জীবন মেজর জেনারেল মনজুর রশীদ খানদের। বয়সে দুজন সমবয়সী হবার সম্ভাবনাই বেশী। কিন্তু দুইজনের চেতনাই ভিন্ন আদলের। একজন বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ মনে প্রানে ধারন করেই তার পাকিস্তানের সেনা জীবন কাটিয়েছেন। আর লেখক পুরোপুরি পাকিস্তানী সেনা কর্মকর্তাদের মতই ছিলেন। মেট্রিকে উর্দু উনার অপশনাল থাকলেও ওতো ভালো পারতেন না আর ভাত ছাড়া থাকতে খুব কষ্ট হতো উনার। কিন্তু বাকী সব কিছুতেই তিনি পাকিস্তানী সেনা বাহিনীর সাচ্চা ইমানদার অফিসার। তার বন্ধু শাফায়াত জামিল থেকেও উনি শত গুনে বেশী কর্তব্যনিষ্ট সেনা অফিসার। তাই পয়ষট্টি সালের কমিশন্ড হবার কিছুদিন পরেই তিনি ভারত পাকিস্তান যুদ্ধে অংশগ্রহন করছেন। এবং খুব গ্লোরিফাই ভাবে তা লেখা। তবে আশ্চর্যজনকভাবে তিনি পাকিস্তানের সীমান্তে যে প্রতিরক্ষা ব্যাবস্থা খুব দুর্বল তার বিবরন দিতেও কসুর করেন নি। একাত্তরেও তিনি পাকিস্তানের হয়েই লড়েছেন। অনান্য সেনা কর্মকর্তা মঞ্জুর কিংবা তাহেরদের মতো জান বাজি রেখে শিয়ালকোট থেকে পালাতে চান নি। ঘরে বসে বিবিসি শুনেই স্বাধীনতা সংগ্রামের আপডেট জেনেছেন। বাইরে প্রতিক্রিয়াহীন ভাবে পাকিস্তান আর্মির খেদমত করে গিয়েছেন। সবাই অবশ্য একরকম হবে না। তবে তিনি ডিসেম্বরেও ভারত পাকিস্তান সীমান্তে পাকিস্তানের পক্ষে যুদ্ধ করার প্রস্তুতি নিয়ে বসে আছেন। এ যেন এরশাদেরই আরেক ভাই। যা হোক তার প্রিয় পাকিস্তান টিকতে পারলো না। জেনারেলদের হটকারীতায় পাকিস্তান আর্মির অবস্থা বড়ই সঙ্গীন। আড়াই বছর পরিবার সহ সেখানে অবরুদ্ধ থেকে তারা দেশে ফিরে আসেন। ওতো প্রকাশিত না, তাও অনুমান করি মুক্তিযোদ্ধা অফিসারদের ডাবল প্রমোশন দেয়াতে তার তীব্র ক্ষোভ আছে। পাক ফেরত মেজর জেনারেল খাজা ওয়াসিউল্লাহকে কেন আর্মি প্রধান করা হলো না তা নিয়ে হতাশা আছে। এই দেশের মানুষ হিসাবে আমি এই ব্যাপারে একটা নিজের অবস্থান জানাই। আমি মনে করি যারা মুক্তিযুদ্ধ করছে তারা নিঃসন্দেহে শ্রেষ্ঠ। তাঁদের সাথে কোনোভাবেই অন্য কারো তুলনা চলে না। সেই সময়ের সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল শফিউল্লাহকে অন্য অনেক কারনে দোষ দেয়া যায় কিন্তু আঠারো বছরে তিনি কেন সেনা প্রধান হলেন তা নিয়ে দোষ দেয়া যায় না। স্বাধীন বাংলাদেশের সেনা চালাবে মুক্তিযোদ্ধা অফিসারেরা তাই আমার কাম্য। বঙ্গবন্ধু তো মহান তাই সবাইকে আত্মীকরন করেছে আমি হলে তাও করতাম না। নতুন নিয়োগ দিয়ে নতুন ভাবে আর্মির সেট আপ গড়ে তুলতাম। নতুন দ্বায়িত্বে লেখক কাজ পান বিডিআরে। সেখানে তিনি কর্তব্যনিষ্টতা নিয়েই অরক্ষিত সীমান্ত পাহারার কাজে লেগে পড়েছেন। বঙ্গবন্ধুর সাথে মিটিং করার মুগ্ধতাও আছে। সেই আমলে বিডিআরের নিরাপত্তা চৌকী গুলার কি অবস্থা তারও বিবরন আছে। তবে বিবরন গুলো তথ্যপুর্ন হলেও আকর্ষনীয় না। পড়তে বোর লাগে। মামা বইটার তিন পাতা পড়ার পরে পড়া বাদ দিয়ে বললো আমাকে কেমনি হজম করো এই বই?
পচাত্তরের কালো দিন গুলোর কথাও আছে তবে ঢাকার অনেক বাইরে থাকার কারনে তিনি তেমন নতুন কিছু জানাতে পারলেন না। সাতই নম্ভেবরে অরাজকতা বিপ্লব পরিস্থিতিতেও তিনি র্যাঙ্ক বেজ পড়ে ঘুরেছেন। ডাকাতির হাত থেকে অনেক কিছু রক্ষা করেছেন, এইসবই তার সাহসের গল্প। সাতাত্তরে তিনি রাঙ্গামাটির পদাতিক বিগ্রেডে কমান্ডার ছিলেন। বই পড়ে বুঝতে পারি সেটেলারদের রক্ষা করাই ছিলো তাদের প্রধান কাজ। কিভাবে পাহাড় জঙ্গল কেটে আদিবাসীদের জমি দখল হচ্ছে তার হালকা বিবরনও আছে। তবে তিনি জিয়ার মতোই উপজাতি সিস্টেমে বিশ্বাসী মানুষ। অবচেতন মনে উনার মুক্তিযোদ্ধা অফিসারদের প্রতি কিছুটা বিদ্বেষও আছে। তাই জিয়া হত্যাকান্ডের উসিলায় তিনি মেজর জেনারেল মঞ্জুরকে একহাত নিয়েছেন। কিন্তু জিয়া হত্যাকান্ডের ধোয়া তুলে যে তেরো জন সামরিক মুক্তিযোদ্ধা অফিসারকে ফাঁসীতে ঝুলানো হলো প্রহসনের বিচারে তা নিয়ে একটা লাইনও লিখেন নাই। একজন তাহের কিংবা মঞ্জুর যত বিনাবিচারেই মারা যাক আর যত অপরাধই থাকুক তাঁদের মতো শ্রেষ্ঠ সন্তান পাক ফেরত মনজুর রশীদ সাহেবরা তিন জীবনে হতে পারবেন না। যারা যুদ্ধ করে নি দেশের জন্য তারাই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিশাল বিশাল মহীরুহতে পরিনত হয়েছে সময়ের ব্যাবধানে। ক্রমে ক্রমে নানা ঘটনায় মুক্তিযোদ্ধা অফিসারদের হত্যা করে কোনঠাসা করে দিয়েছে!
তবে এই বইয়ের সব চাইতে ভালো অংশ হলো এরশাদের আমল নিয়ে তার জবানী। কর্নফুলী পেপার মিলসের এক দুর্নীতি তদন্তে তিনি এরশাদের খুব ঘনিষ্ঠ বান্ধবীর জামাই, জোট সরকারের জ্বালানী মন্ত্রী মোশারফের বিরাগ ভাজন হন। বদলি হয়ে যায় নিমিষেই। এরশাদ মার্শাল ল র আমল নিয়ে দারুন সব কথা আছে বইতে। যেমন এরশাদের সেনা বাহিনীতে স্থায়ী প্রভাব বিস্তারের জন্য ভুমিকা ছিলো মেজর জেনারেল আবদূর রহমানের, তার সাথে এরশাদ কেমন করে চোখ উল্টাইছে তার গল্প আছে। এরশাদের এই ডানহাত কিছুটা এরশাদের গুনেই গুনান্বিত। দুটো বিয়ে করে সুখী হন নি এবং ফ্রান্সে রাষ্ট্রদুত অবস্থায় অকাল প্রয়াত। সাভারে তিনি তখন দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন তখনই তিনি এরশাদের সামরিক সচিব নিযুক্ত হন। একই মানসিকতার দুই লোককে আল্লাহই মিলিয়ে দিয়েছে ভালোই। যদিও তিনি তেমন ভাবে এরশাদ সমর্থক হিসাবে পরিচিতি লাভ করেন নাই।
সামরিক সচিব হিসাবে তার যে জীবন তার বর্ননাটা খুব মজার। কিভাবে বিভিন্ন লোক এরশাদের সাথে বিদেশ সফরের জন্য লবিং করতো, এরশাদ কাদের কথা বেশী শুনতো, বিরোধী দলের হরতালের দিনে কিভাবে ঢাকার বাইরে জনসভার আয়োজন করতো তা পড়লে মজা লাগে। তবে বলা যায় এরশাদ একটা বলয়ে আবদ্ধ ছিলো। মওদুদ, মাহমুদ, দুইটা মঞ্জু, আনিস, জাফর এরাই এরশাদের বেসামরিক পলিটিক্যাল থিং ট্যাং। বিরোধী দলের অব্যাহত আন্দোলনের এরশাদ খুব কনফিডেন্ট থাকতেন। ভাবতেন তাকে কেউ সরাতে পারবে না। ঘটনা দুর্ঘটনা আর আন্দোলনে এরশাদের পতন যখন সময়ের ব্যাপার তখনও তিনি আশ্রয় খুজছেন। ইত্তেফাকের মঞ্জুকে দিয়ে আওয়ামীলীগের সাথে লিয়াজো রেখে চলছেন এই সব কথা গুলো খুব দারুন ভাবে আসছে। তবে আওয়ামীলীগ এরশাদের কাছের হলেও একবার তিনি বেইমানী করেছেন তাই খুব একটা লাভ হয় নাই। ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আন্দোলনে এরশাদ ক্রমশই একা হয়ে পড়েছেন আর উনার সব আত্মবিশ্বাস ভেঙ্গে পড়ছেন। দেশের তীব্র অরাজক পরিস্থিতিতেও তার সুবিধাভোগী বলয়ের সাথেই তিনি রয়ে গেলেন। কিন্তু সেইসব মন্ত্রীরা বিপদের দিনে এরশাদে কাছে নেই। এমন কি আর্মিও এরশাদের সাথে নেই। নবম পদাতিক ডিভিশন নামানোর স্বপ্ন তিনি শেষ দিন পর্যন্ত দেখতেন। এরশাদের পতন হলো, লেখক অস্থায়ী রাষ্ট্রপ্রতিরও সামরিক সচিব ছিলেন। কাছ থেকে দেখেছেন নব্বইয়ের নির্বাচন ও বিচারপতি সাহাবুদ্দিনের কর্তব্যনিষ্টাময় সাদামাটা জীবন। তবে এরশাদ সেধে নিজের জেল খাটা নিশ্চিত করেছেন। তাকে বলা হয়েছিলো ক্যান্টর্মেন্ট নিরাপত্তা দেবে আপনি চুপ থাকেন। কিন্তু ছাগল এরশাদ নির্বাচনে অংশগ্রহনের ঘোষনা দিয়ে দেশ ব্যাপী দাবী তাকে জেলে পাঠানো হোক তা প্রতিষ্ঠা করলেন। লেখক মনজুর রশীদ বিরানব্বই সালে অবসর নেন।
এই মুলত বইটার বিবরনী। নাম দিয়েছেন তিনি সৈনিক জীবন অথচ তার কোনো কথাতেই তিনি সৈনিক না। পুরা জাদরেল পাকিস্তানী বাংলাদেশী এক জেনারেলের জীবনের গল্প। মুক্তিযোদ্ধা সেক্টর কমান্ডারদের নিয়ে উনার মতো রিপ্যাট্রিয়ট অফিসারদের যে কমপ্লেক্স ছিলো তা ষোলো আনা উনার ভেতরে বিদ্যমান। সামরিক আইনে জিয়া এরশাদ এতো মানুষ মারলো বিনা বিচারে তা নিয়ে তাদের কোনো ভাষ্য নাই। ভাষ্য না থাকার কারন পরিস্কার। প্ল্যান ওয়াইস মুক্তিযোদ্ধা অফিসারদেরকে কোনঠাসা করার প্ল্যানের সৈনিক না হলেও বেনিফিসিয়ারী তো উনারাই। তাও বইটা খারাপ না। এরশাদের আমলের কথা বার্তা পড়তে অনেক ইন্টারেস্টিং লাগে!





বইটা পড়ব। আসলে শুধু ভাল লাগবে বলেই এই ধরনের বই পড়িনা যদি কনক্রিট কিছু না পাই। স্বার্থের গন্ধ থকলেও যদি উপন্যাস হয় সেও ভাল কিন্তু নিজের বিশ্বাস নিয়ে একটা সময়কে তুলে ধরা যেখানে কিছু কিছু পাতা থাকে অনুল্লিখিত তা খুব খারাপ প্রভাব ফেলে প্রজন্মের উপর।
রকমারী থেকে অর্ডার দিতে পারেন। তবে দামটাই বেশী!
এই বইটা কি অনলাইনে আছে?
সম্ভাবনা কম। তাও দেখেন খুজে পাওয়া যেতেও পারে!
ভালো লাগলো!
থ্যাঙ্কস!
বইটা পড়া দরকার মনে হচ্ছে.
হুমম দেখেন পড়ে কি মনে হয়!
রিভিউ ভাল পাইলাম। বইটার লিংক পেলে আরও ভাল হত
থ্যাঙ্কস। লিঙ্ক পেলাম না খুজে!
বই এর এত দাম দেখলে
মনটাই খারাপ হইয়া যায়।
অন্তহীন বেদনা!
বিদেশে বইয়ের দাম সসতা নয় খুব তবে লাইবরেরি থেকে আনতে পারবা মূলত সব বই। এখানে বই খুব কিনে না লোকে, লাইবরেরি পাস ব্যবহার করে
ধনী এলাকার লোকেরা বই পড়বে কোন দু:খে? ডিশ ছিল সব বাড়ির ছাদে
আমি দেয়াল পড়লাম। তাহেরকে ব্যাকতিগতভাবে চিনতেন বলে লেখক তাকে ভীষন মহান একেছেন তার লেখায়। মানুষ সব সময় নিজেকে লুকাতে পারে না
তাহেরকে আমিও ভালো পাই। দেখেন না প্রোফাইলে তাঁর ফডু লাগানো!
দেয়াল কোনো যুতেরই না!
বইটার গুরুত্বপূর্ণ অঙশ এরশাদ অধ্যায়। এই অধ্যায়টা তিনি লিখেছিলেন এরশাদ পতনের কিছু পরে। সাড়া জাগায় তা। বাকিটুকু ইদানীং লেখা। এরশাদ অধ্যায় বের হয় আরেক অঙ্কুর প্রকাশনী থেকে।
এই বইয়ের ইতিহাসমূল্য আছে এরশাদ অধ্যায়ের জন্যই।
এরশাদের সামরিক সচিব থাকার পার্টটাই আসল!
অংকুর আর প্রথমার টা কি একি জিনিস? নাকি অংকুরে নতুন কিছু আছে?
যে নিজের মাতৃভূমিকে পরাধীন থাকার যুদ্ধে লড়েছে, আবার নাকেখত দিয়ে এদেশেই চাক্রি করে গেছে, যদিও কাজের কাজ কিছুই না, এই ধাচেঁর লোক আবার গলা উচাঁ করে বইও লেখে!!
কিছুটা বাটে পড়েই হয়তো পাকিদের হয়ে যুদ্ধ করছে। তবে মুক্তিযোদ্ধা অফিসারদের নিয়ে উনার মনোভাব ভালো লাগে নাই!
নীলুফার হুদার বইটা আমি ঈদের ছুটিতে পড়েছি । খুবই ভালো লাগছে । তোমার রিভিউ পড়ে এই বইটাও পড়তে ইচ্ছা হচ্ছে । এখন অনেক অবসর, কিনব, পড়ব ।
থ্যাঙ্কস আপু। এরকম কমেন্ট পেলে রিভিউ লিখতে মন বসে!
মন্তব্য করুন