শিবশবশব্দ
আবিদা তাঁর বাচ্চাটার দুই বগলের নিচে দুই হাত দিয়ে মোড়ার উপর দাঁড় করিয়ে হিস হিইইইস হিইস হিইস করছে । এইভাবে কিছুক্ষণ করার পর ফয়েরবাখ ঠিক ঠাক হিসু করে দেবে। ফয়েরবাখের স্কুল শিক্ষক মামী যে কিনা বলে যে,একদিন দেখা যাবে আবিদার এই হিস হিস শব্দে ফয়েরবাকের কোন কাজ হলো না,বাসার অন্য সবাই হিসু করে যে যেখানে আছে ভিজিয়ে দিল।আমার এইসব কথায় মন নাই। আমি কেবল ভাবছি শব্দগুনের কথা!শব্দগুন ব্যবহার করেই কি বেদেরা মানুষের শরীর থেকে বিষ বের করতো!অনেকেই হয়তো বলবেন সে-তো শব্দ নয়;মন্ত্র। আমিও বলি একই কথা। মন্ত্রতো শব্দগুনফল ধরেই মন্ত্র। মনকে ত্র মানে তরণ করে যে বার্তা পাঠানো হয়। আর সেই তরণ করা হয় শব্দ যোগে। যাই হোক শব্দের যে বিশেষ সামান্য ক্ষমতা রয়েছে সেকথা আমাদের সকলেরই জানা। এমন অনেক লোকই তো এই দেশে পাওয়া যাবে যারা তেমন কাজ কাম করেন না। কেবল শব্দ উচ্চারণ করেন আর তাতেই কাজ হয়ে যায়। পৃথিবী ধ্বংস করার জন্যে ইস্রাফিল (আঃ) এক প্রকার শব্দ উচ্চারণ করবেন। আর তাতেই পৃথিবী ধ্বংস হবে। আল্লাহ বললেন কুন সাথে সাথে ফাইয়াকুন। অর্থাৎ হও বললেই হয়ে যাবে।আর সামান্য সাপের বিষ নামবে না তা তো হতে পারে না।
আমি এই বিষ নামার ঘটনাটা জানতে পারি নাই । তখন আমি ফ্রয়েডিও স্বপ্নের জগতে ছিলাম। বাস্তবের হদিস নেয়া তখন আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না। তবে এইটুকু বুঝতে পারছিলাম আমি যেন কার বুকের সাথে লেপ্টে থাকতে চাচ্ছি আর আমাকে বুকের দিক থেকে গোল গাল দুটি বল ধাক্কা মেরে রিলিফ করে দিচ্ছে। একদিকে বিষের কারসাজি অন্যদিকে মহান লিবিডো আমি তাহলে কোন দিকে যাই বলুন?
না আমি আপাতত কোন দিকেই যাবো না। কেবল যেতে চাই পটুয়াখালীর জলিশা গ্রাম থেকে বের হয়ে উত্তরের পথ ধরে আঙ্গারিয়া গ্রামের দিকে। ঐ গ্রামটিতে যেতে আমাকে নদীর কাছে যেতে হবে। মামাতো ভাই খাইরুল এই কথা শোনার পর আমাকে জিজ্ঞাস করলো কোন নদীর কাছে যেতে চাস? আরে শালা মরি মরি। একি অবস্থা। পাতাবুনিয়া নদীর কাছে যেতে চাই। ওই নদীর কোল ধরেই আমাদের যেতে হবে লুলুবুবুর বাড়ী। আর খাইরুল যে নদীর কথা ভেবে প্রশ্ন করেছিলো,আহা সেই নদী!সেতো নদী নয়।গাঙ জেন্দা গাঙ। অই জেন্দা গাঙের কাছে গেলে মুর্দা হয়ে ফিরতে হবে।ক্ষম ক্ষম।
ধারাবাহিক





আপনার কোথাও যাওয়ার দর্কার নাই
... এবিতে বইসা লেখুন
... আমরা মুগ্ধ হই 
ঠিকাছে?
একদম ঠিকাসে
মনকে ত্র করলে যদি মন্ত্র হয়, তাহলে তন্ত্র আর যন্ত্র কিভাবে হয়? ধর্তার্তাছিনা বুজতার্লেণ?
তন্ত্র,মন্ত্র এবং যন্ত্র এই তিনটির সম্মিলিত চর্চাই তান্ত্রিকতা। ‘তন্ত্র শব্দ ‘‘তন’’ অর্থাৎ দেহ এবং ‘‘ত্র’’ এই দুটি শব্দের মিলনে সৃষ্টি হয়েছে। ত্র-এর অর্থ হলো ‘ত্রাণ’ অর্থাৎ রক্ষা পাওয়া।তন্ত্র ও মন্ত্রের যুক্ত সমন্বয় দ্বারা কার্য সাধন করাকে তন্ত্র বলা যায় (তান্ত্রিকাচার্য্য শ্রীভৈরব শাসÍ্রী সংকলিত, বৃহৎ তন্ত্রোক্ত ক্রিয়াকা- মঞ্জরী,রাজেন্দ্র লাইব্রেরী, ১৩২,বিপ্লবী রাসবিহারী বসু রোড,কলকাতা-৭০০০০১,পৃষ্ঠা ৪৭)। মন্ত্র এবং মন্ত্র সম্পর্কিত কয়েকটি পরিভাষা এরূপ,মন্ত্র ত্রায়তে যস্মাত্বস্মান মন্ত্র প্রকীর্তিত অর্থাৎ মন্ত্র শব্দের মধ্যে মন+ত্র শব্দের শাব্দিক অর্থ এই রকম। ‘মন’ অর্থাৎ হৃদয়ের,‘ত্র’ অর্থাৎ ত্রাণ বা রক্ষা। এই প্রকার সংক্ষেপে এই বলা যায় যে-মন্ত্র তাকেই বলে, যা কারও মন ও দেহ উভয়েরই রক্ষাকারী।,,,কিছু বিশিষ্ট অক্ষর এবং শব্দের এমন সংগঠন আছে যে, যা বার বার উচ্চারণ এবং সংঘর্ষণ আবহাওয়াতে বিশেষ প্রকারের বিদ্যুৎ তরঙ্গ উৎপন্ন করে, সাধকের ইচ্ছানুযায়ী সাধনাগুলিকে ও অভীষ্ট উদ্দেশ্যগুলিকে পুষ্ট করতে থাকে।,,,। শিব ও শক্তির নৃত্য থেকে উৎপন্ন ধ্বনি অর্থাৎ কতগুলি ধ্বনিও মন্ত্র। মানুষ যা কিছু বলে,তার ধ্বনি এবং শব্দের আলোড়ন হয়ে যায়। এই আলোড়ন বা তরঙ্গ থেকে উৎপন্ন লাভাই মন্ত্রের রূপ সৃষ্টি করে (তান্ত্রিকাচার্য্য শ্রীভৈরব শাসÍ্রী সংকলিত, বৃহৎ তন্ত্রোক্ত ক্রিয়াকা- মঞ্জরী,রাজেন্দ্র লাইব্রেরী, ১৩২,বিপ্লবী রাসবিহারী বসু রোড,কলকাতা-৭০০০০১,পৃষ্ঠা ৪৭)। অন্যত্র আবার পাওয়া যাচ্ছে,‘মন্ত্রকে তন্ত্রে বলা হয়েছে দেবতা। মন্ত্র উচ্চারণ কালে দেবতা প্রথম শব্দের মধ্যেই আবরিত থাকেন। ক্রমশঃ মন্ত্রের অর্থবাচক চিন্তা রূপ নেয়। সুতরাং মন্ত্র এবং দেবতা একই জিনিস। জপেও ও প্রথম আহ্বান করা হয় বর্ণকে। বার বার মন্ত্র জপ করা হল ঘুমন্ত মানুষকে ঠেলে তোলার প্রচেষ্টার মত। দুই ঠিাঁট হল শিব এবং শক্তি। তাদের নড়াচড়াই হল মৈথুন। এর ফলে যে শব্দের উদয় হয় তাই হল বিন্দু। বিন্দু থেকে দেবতা আত্ম প্রকাশ করে,যেন সাধকের মানস পুত্রের মতন। মন্ত্রবিদ্যা এই জন্যে মূলত হল ‘চিন্তা বিজ্ঞান’।( প্রাণ মন আত্মা,নিগূঢ়ানন্দ,দে’জ। কলকাতা-৭০০০৭৩,প্রথম প্রকাশ ,এপ্রিল ১৯৯৪,পৃষ্ঠা১৮)।
ওরে মাইরাল্চে রে
.. 
না, এইবার ধর্তার্সি
আমি কি ধরতার্চি? বুঝতার্চিনা
আচ্ছা, যাও কাঁদবো না
(
ভালো না। ভালো থাকার ব্যাক্তিগত উদ্যোগ ব্যার্থ করে দিচ্ছে এই রাষ্ট্র
এরমধ্যেই ভালো থাকতে হবে ব্রাদার। বেস্ট অভ লাক।
মন্তব্য করুন