তা - সিন
অনুগত সত্ত্বার ক্রন্দন,পরমানু সত্ত্বার ক্রন্দন-
কৃত আওয়াজ,নৃত্যরত আবহাওয়া
তরুমঠ,মেঠো ধুলো ,নোনা সাধের তট
রথ ধরে অবগুন্ঠিত ধারা,পদস্পর্শ তরঙ্গ
চুল,চাতক বেণীর বন্ধন;
ষড়ভঙ্গ চিৎ কলা ও জমিন।
মুক্ত তা-সিন হে পৃষ্ঠ;পাতাবাহারের আহার হয়ে দেখা দিতে দিতে চমৎকার চিৎকার শোনো।
জেনো,দাস আছে দরজার সাথে লেপ্টে
পাহারা প্রহারে বৃষ্টির তাপ
মুশকিল এগুনো;গুন গুন জলসার মুদ্রা
ক্রমাগত সৃষ্টির প্রহ্লাদ
পূর্ব ও পশ্চিম উত্তর দক্ষিণ অপঘাতহীন
ত্যাজ্য জলজকণা কিংবা বাষ্পীয় গতির আড়াল
সে তোমার কন্ঠের লন্ঠন ধ'রে গতিহীন জঙ্গী!
সঙ্গী;সেও বিভাজ্য গনিতের নীলাভ ছোবলে ধ্বংস
হংস ডানার আড়ালে অকৃতদ্বার প্রশান্ত প্রতিমা
বিয়োগ রোগে রাতদিন নিদ্রামগ্ন উঠনে নেমে এলো উলঙ্গ বর্ষা
অমাবশ্যা অমাবশ্যা বেশ্যার ভূষণ লঙ্গন করে খদ্দের সীমানা।
তা,অইরূপ বিক্রত কেচ্ছা শোনো পরের বাগান
মনুর অনুতে ধরুক না চালতের চাবুক
তবু প্রাপ্তীর রাত;হক্কুল এবাদ,বেদাত ও বিধাতার দ্বিতীয় কেতাব।
নির্দেশ আহা! বিদেশের দেশ,দৈব দাবারুর কিস্তি
জলশূন্য সাদা ও কালো ঘরে দেখ কীরুপ ভাসমান শাস্তি।
ইয়া রে তনু জঙ্ঘায় জীবন দু'পায়ে দুলছে
পোক্তরসে বেসরম ত্রিভুজ পোকার চিৎকার
জিভ ও উরসহীন, বাক্যের বিছানা,নিদ্রালু ছানা বেড়ে উঠে বাড়ায় ঘুমের সীমানা
তখন সুবহে সাদেকের পাশে এসে দাড়ায় দীক্ষাহীন এবাদতকারী
কোথায় জীর্ণ জগতের উদ্?
বিদ্যার ভেতর বেড়ে উঠে বর্ষাকলণী।
অরণী,তা-সিনের ভেতর ঢেলে দাও উনুনের মিমাংসিত খড়ি
ঘড়ির কাটার তালে বিগত পরাগ সঙ্গীত ধ'রো
বড়ো করে তোলো বাৎসল্য বিষ
শিষ দিয়ে দরিয়ার উজান ঠেকাও
তা, বাঁকা হরফের নকতাটুকুন আবার বাঁকাও।





আমি ইহাকে পড়িলাম কিন্তু কি পড়িলাম বুঝিলাম না জানিলাম না
প্রেম এবং ছেঁকা খাওয়ার মধ্যবর্তী অবস্থায় ছিলেন কখনও?
জীবনে যত্ত ছেকা খাইছি... ততগুলা ভাত ও মনে হয় খাই নাই

আর এর মধ্যবর্তী অবস্থানতো বুঝতেই পারেন
একটা নির্ঘন্ট দরকার ছিলো মনে হয়।
মধ্যবর্তী অবস্থানের ব্যপারগুলা মিলায় নিতে সুবিধা হতো।
মন্তব্য করুন