এক স্রষ্টা-এক বিশ্ব-এক জাত '' মানুষ''
বাউল কথাটির উৎপত্তি নিয়ে বিভিন্ন মতভেদ রয়েছে । ''বাউল'' শব্দের অভিধানিক অর্থ ধর্মীয় সংকীর্নতা ও সংস্কার হইতে মুক্ত সাধক সম্প্রদায়বিশেষ।কারও মতে সংস্কৃত 'বাতুল'শব্দ হতে বাউল শব্দের উৎপত্তি কারন তারা বাতাশের হিসাব করে[[বাতাশের হিসাব মানে কি তা ৪নং ষ্টেপে বলা আছে]]।
কারও মতে বাউল আউল শব্দ হতে আসছে, মুসলিম সম্প্রদায়ভুক্ত বাউলরা আউলিয়া স্বরুপ।মুসলিম বাউলরা বে-শরাহ ফকির/সাধক। বে-শরাহ মানে শরীয়ত বা সামাজিকতা বহির্ভুত যেমন নামাজ রোজা হ্জ্জ যাকাত ইত্যাদি বিধি নিষেধ পালন করে না তারা নিজেকে জানার মাধ্যমে আল্লাহকে জানতে চায়।বাউল হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যেও দেখা যায় অনুরুপ ভাবে তারা হিন্দু ধর্মের আনুষ্টানিকতা মানে না তারাও নিজেকে জানার মাধ্যমে ঈশ্বরের খোঁজ করে।
বাউলরা বিশ্বাস করে মানুষের জাত এক 'মানুষ'। একমাত্র সৃষ্টির বা বংশ বিস্তারের তরে নারী ,পুরুষ এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়।বাউলরা বিশ্বাস করে,মানব দ্হেতেই সাধন ভোজন ধর্ম কর্ম । দেহের উর্ধে কিছু নাই । আল্লাহ বা ইশ্বর দেহতেই বিরাজমান। বাউলরা বিশ্বাস করে,যা আছে বিশ্বভান্ডে তা আছে দেহ ভান্ডে ।বাউলরা আরএক অর্থে দেহ তত্ববিদ।
উলেখ্য সব আউল ঝাউলই বাউল নয়।
নাকের দুই ফোঁড়া(ছিদ্র) বাউল পথের গোড়া।
আমরা শ্বাস গ্রহণ করি এবং প্রদান করি ইহা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে আসা যাওয়া করে যেমন কোন সময় নাকের ডান পার্শ্ব দিয়ে কোন সময় বাম পার্শ্ব দিয়ে কোন সময় উভয় দিক দিয়ে সমান ভাবে আশা যাওয়া করে ।
ইহাই হল বাতাশের কর্ম
ইহার উপর ভিত্তি করে বাউল সাধকেরা..........
অনেক বিষয়ে অবগত হতে পারে
দু এক ক্ষেত্রে বিকলাঙ্গ ব্যতীত পৃথিবীতে সকল মানুষ হাত দিয়ে খায় পা দিয়ে চলে মুখ দিয়ে কথাবলে চোখ দিয়ে দেখে কান দিয়ে শোনে নাক দিয়ে নি:শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহন প্রদান করে এমন কি একই ভাবে মায়ের গর্ভে যায় এবং জন্ম গ্রহন করে , কি কাল কি সাদা, কি হিন্দু কি মুসলমান, কি বৌদ্ধ কি খ্রিষ্টান, কি অন্যান্য ধর্মাবলম্বী,
তাহলে আমাদের মধ্যে কোন ভেদ নাই
আমরা সবাই এক
যদি এমনটি হতো মসলমান হাতে খায় - হিন্দু পা দিয়ে খাচ্ছে, আবার বৌদ্ধ কান দিয়ে কথা বলে - খ্রীষ্টান চোখ দিয়ে কথা বলে,
মুসলমান নাক দিয়ে কথা বলে - হিন্দু চোখ দিয়ে শোনে ইত্যাদি
তাহলে সে ক্ষেত্রে না হয় আলাদা আলাদা জাত ভাবতাম
কিন্তু আমরা জগতের সকল মানুষ একই নিয়মের অধীন...
ইশ্বরের / আল্লাহর রং ও এক
অতএব আমাদের ধর্মটাও এক মুক্তির পথও এক
মানব ধর্ম ।
প্রতিটি ধর্মে ধ্যান উল্লেখ যোগ্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয ।
ধ্যানে বাড়ে জ্ঞান ,ধ্যান হল , একাগ্র চিন্তা স্রষ্টা ও তার সৃষ্টি বিষয়ে। এ চিন্তা বিভিন্ন ভাবে শুয়ে বশে উল্টাপাল্টা হয়ে ইচ্ছা মত,
আবার অনেকে আসন গ্যারে বসে ধ্যান করে বা করেছে,এটা মুখ্য বিষয় না বিষয় হল একাগ্র চিন্তা স্রষ্টা ও তার সৃষ্টি বিষয়ে।
কিঞ্চিৎ ধ্যানে শিব মহাদেব
একাত্ববাদের জনক নবী হযরত ইব্রাহিম (আ:) প্রায় নির্জনে একা চাঁদ তারা আকাশের পানে চেয়ে থাকতেন আর ভাবতেন ।
নবী রাসূল মুসা (আ:) তুর পাহারে ধ্যান করেছিলেন টানা ৪০ দিন মতান্তরে বেশি বা কম।
নবী রাসুল হযরত মহাম্মদ (সা:) ধ্যান করতেন হেরা পর্বতের গুহায়
কোন কোন সময় তার স্ত্রী বিবি খাদিজা (রা:)তাকে খাবার দিয়ে আসতেন।এ বিষয়ে তিনি বলেন, স্রষ্টার সৃষ্টি নিয়ে এক প্রহর ধ্যান করা ৭০ বৎসরের এবাদত অপেক্ষা উত্তম...[আল হাদিস] এবাদত হল , পূর্ণ বিশ্বাসের সাথে আল্লাহ ও রাসূলের হুকুম ও আহকাম মান্য করা ।
যিশুও ধ্যান করেছেন ....
গৌতম বুদ্ধ ধান করতেন....
মহাবীর নানকও ধ্যান করতেন....
স্বামী বিবেকানন্দও ধ্যান করতেন....
এক কথায় সকল মহামানবই ধ্যান করতেন ,,,,,
কারন অধ্যাতিক জ্ঞান ধ্যান যোগেই আসে...
সবায় যদি ধ্যান করে জ্ঞানী হয় তাহলে
সেই জ্ঞানের চর্চার এত প্রকার ভেদ কেন???...





যত ভেদ তত ব্যবসা
~
dhonno bad....
অনেক কিছু জানা হল বাউল সম্পর্কে, ধন্যবাদ!
লিখতে থাকুন! ও হ্যা, এবি ব্লগে স্বাগতম!
হা অাসলাম
হ, ধ্যানই জ্ঞান
লিখতে থাকুন, এবি তে স্বাগতম।
অনেক কিছু জানা হইলো...
স্বাগতম এবিতে
এবি তে স্বাগতম।
স্বাগতম এখানে
Welcome sir.
মন্তব্য করুন