একটি সুদীর্ঘ প্রায় বাস্তব-আর-কল্পনার-দুরত্বের-সমান দিনলিপি
মাঝে মাঝে এমন হয়। সকাল-বিকাল-সন্ধ্যা শুধু লিখতে ইচ্ছা করে। অবশ্য বন্ধু-বান্ধবদের এতে ঘাবড়ানোর কোনো কারণ নেই। কেননা আমার ধারণা, আমি পৃথিবীর সবচে' আকর্ষণীয় বিষয়টির ওপরেও খুব বেশি হলে দিন দু'য়েক আকর্ষণ ধরে রাখতে পারবো। তারপরে সেটা আমার আর ভালো লাগবে না। তাই এই লিখার ইচ্ছার যন্ত্রণা থেকে হয়তো গোটা দু'য়েক অপ্রয়োজনীয় পোস্ট পয়দা হবে। তারপরে আবারো নিজের আঠালো, অন্ধকার জীবনটাতে ফিরে যাবো বলে আশা রাখি।
এই লেখার কোনো বিষয়বস্তু নেই। সারাদিন কি করে কাটালাম লিখতে ইচ্ছে হচ্ছে। ঘুম থেকে উঠেছিলাম পৌনে একটায়। ঘুমুতে গিয়েছিলাম সকাল সাতটায়। সারারাতে কোনো মুভি দেখি নি। গল্পের বই পড়ি নি বা কোনো কাজ করি নি। অকারণ জেগে ছিলাম। জানি না কেন। শরীরে আমেরিকান সৈন্যদের মতো অনুভূতি কাজ করছিলো। মনে হচ্ছিলো দিনের পর দিন না ঘুমিয়ে আমি পাহারা দিতে পারি আমার ভূগর্ভস্থ বাঙ্কার। যেখানে একটি সামাজিক গেকো আমায় আশ্রয় দিয়েছে পরম বন্ধুর মতো করে।
ঘুম থেকে উঠে ব্লগে এলাম এবং অনেকদিন পর খানিকটা জোর করেই একটা হিবিজিবি লেখা দিলাম। অনেকগুলো কাজ ছিলো হাতে। যার কোনোটাই করতে ইচ্ছে করছিলো না। যেমন মতিঝিলে গিয়ে ডলার ভাঙানো, শহীদ ভাইয়ের কাছে গিয়ে মোবিল পাল্টানো, নাজমুলের কাছে গিয়ে চুল কাটানো ইত্যাদি। তবে তিনটার সময় একটা এ্যসাইনমেন্ট আছে। সেটা এড়ানো যাবে না। আর দুপুরে খেতে হবে। না খেলে শরীরটা বাকি দিনের স্ট্রেস নেয়ার মতো জোর পাবে না। তাই ব্লগে লেখাটা ছেড়ে দিয়েই, ভাত খেতে বসে গেলাম। কোনো প্রাতঃকৃত্য বা দাঁত ব্রাশের ধার না ধরেই।
বিকালে অফিসে যেতে হবে না। যেসব দিনে বিকালে এ্যসাইনমেন্ট থাকে, সেসব দিনে যাওয়া লাগে না। সাধারণ নিয়ম। তাই মনটা ভালো বা খারাপ কোনোটাই হয়ে ছিলো না। স্বাভাবিক অবস্থায় ছিলো। সাধারণত অফিস যাওয়া লাগলে মনটা খারাপ হয়ে থাকে। ভাত খেয়ে, কাপড় পরে, বডি স্প্রে দিয়ে ঘর থেকে বের হতেই শওকত ফোন করলো। ওরও আজ ডলার ভাঙানোর কথা ছিলো। সে সুন্দর ভাঙিয়ে এনেছে। আমি ওর কাছ থেকে পাঁচশ টাকা পেতাম। সেটা দিলো। আমরা ইউনূসের দোকানে আধ কাপ করে করে চা খেলাম। ঘন দুধ-চিনি দেয়া চা। সঙ্গে গোল্ড লীফ। তীব্র রোদ আমার কাপড়ের নিচের শরীরটাকে চিটচিটে ঘর্মাক্ত করে তুলছিলো। এরই মধ্যে শওকতের সঙ্গে পরিকল্পনা হলো, এ্যসাইনমেন্ট শেষ করে বাসায় এসে-ওকে নিয়ে ঘুরতে বের হবো। গন্তব্য হবে বিভিন্ন নিষিদ্ধ এলাকা।
মধ্যপথে একজন বয়স্ক লোক ফোন করলেন। আমাকে অফিসে উপস্থিত হতে নির্দেশ দিলেন। সেটা দেয়ার এখতিয়ারও তিনি রাখেন। আমি তার কথামতো এ্যসাইনমেন্ট শেষ করে অফিসে চলে গেলাম। শওকত ফোন করে খবর জানতে চাইলে, তাকে শুধু বললাম- অফিসে আসছি। কখন বের হবো জানি না। এরই মধ্যে অনেকরকম বিরক্তিকর ফাইলপত্র এসে আমার টেবিলে জমা হলো। আমি সেগুলো ঘাঁটাঘাটি শুরু করলাম। করতে করতে এক সময় আনমনা হয়ে ভাবতে শুরু করলাম, আমি যদি একটি গ্রাম্য কিশোর হতাম; তাহলে আজকের এই শেষ বিকেলে কি করতাম?
খুব বাজেভাবে বিকেল ও সন্ধ্যে পার করে আটটার দিকে পথে নামলাম। তখন সারা শহরের মানুষের মধ্যে ঘরে ফেরার তাড়া দেখা দিয়েছে। ঘরমুখো মানুষদের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে একসময় নিজেকে আর একা মনে হচ্ছিলো না। জীবন নামক ঘানি, পিষছে সবাইকেই। কাউকে কম, কাউকে বেশি। আবার কোনোদিন কম, কোনোদিন বেশি। এইসবই কেবল তফাৎ। আর কোনো তফাৎ নেই। আমি ভাবছিলাম, আমার হয়তো আগামীকাল একটু কম-পেষা হতে হবে জীবনঘানিতে। কারণ আগামীকাল আমার সাপ্তাহিক ছুটি। এমন সময় অফিস থেকে পুরোনো বয়স্ক লোকটি ফোন করে জানান, আগামীকালের ছুটিটি বিশেষ কারণে বাতিল করা হয়েছে। সকাল-সকাল যেন অফিসে চলে যাই।
আমি জানি, অতিন্দ্রীয় একটা কিছু সবসময় আমাকে তাড়া করে ফিরছেই। আমি তাই এসবে বিচলিত হই না। শুধু কাকে কাকে ছুটি বাতিলের খবরটা দিতে হবে সেটা মনে মনে ভাবি। ভাবতে ভাবতে পরিচিত গুলশান ২ নম্বর, ১ নম্বর, হাতিরঝিলের মেঠোপথ, মগবাজারের রেলক্রসিং, পিয়াসী বারের সামনের আলো-আধারিতে ঢাকা রাস্তা ইত্যাদি পার হয়ে চলে আসি। এ সময় আমার মনের মধ্যে অজস্র অবান্তর ভাবনা জন্ম নিচ্ছিলো। সেসবের কোনো কিছুই এখন আর মনে নেই। বুদবুদের মতো ওরা জন্মায়, আবার বুদবুদের মতোই মিলিয়ে যায়। আমি আমার মতো করে পাড়ি দিতে থাকি, আমার অন্তহীন পথ।
একসময় আবারো আমি মহল্লার চাএর দোকানগুলোর সামনে এসে দাঁড়াই। শওকতকে ফোন করি। আবারো আধা কাপ চা। আবারো গোল্ড লীফ। এরই মধ্যে ছেলেদের আড্ডা শুরু হয়ে যায়। ছেলেরা ঘুর ঘুর করে সমাজ-রাজনীতি-ট্রাফিক জ্যাম-বিড়ির দাম ইত্যাদির আলোচনায়। আমি অকারণে সময়ক্ষেপণ পছন্দ করি না বলে, ঠাস করে নারীদেহ নিয়ে আলাপ উত্থাপন করি। ছেলেরা হৈ হৈ করে তাতে অংশ নেয়। আমি জানি আলোচনাটা এই পথেই একসময় এসে উঠতো। আমি শুধু প্রাথমিক ধানাই-পানাইগুলো কাটিয়ে দিই। তারপরে উচ্চকণ্ঠে আলোচনা এগোতে থাকে।
এরই মধ্যে বারদুয়েক মুখের সামনে দিয়ে ঘুরে যায় বোবা ফরিদ। ফেলে দেয়া পানির বোতল, স্পীডের বোতল, কোক-সেভেনাপ-ফান্টা-স্প্রাইটের বোতল টুকে টুকে বেড়ানো যার পেশা। উস্কখুস্ক দীর্ঘ অযত্নলালিত চুল-দাঁড়ি, ময়লা চিটচিটে লুঙ্গি আর শার্ট, মুখের একপাশে শুকিয়ে যাওয়া খানিকটা লালা; কোনোকিছুর দিকেই ওর কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। একপায়ে খুড়িয়ে খুড়িয়ে হাঁটছে আর মাটির দিকে তাকিয়ে বিড়বিড় করছে।
শওকত ওকে ডাক দেয়। সে কানেও খানিকটা কম শোনে। একবার ডাক বিফলে যায়, দুইবার বিফলে যায়, তখন যার দোকানে বসেছি সেই দোকানদার ধমকের স্বরে একবার ডাক দেয়; তারপরে গিয়ে ফরিদ সাড়া দেয়। কথা বলতে পারে না। ইশারায় কি জানি বোঝাবার চেষ্টা করে। আমি বুঝি না। শওকত বোঝে। বুঝে আমাকে জানায়, অর বোতল আজকে সবগুলা চুরি করে নিয়ে গেছে কোনো এক হারামজাদা। দোকানদারকে বলে, ফরিদকে এককাপ চা দেয়ার জন্য। ফরিদ চাএর কাপ হাতে নিয়ে খানিকটা তফাতে দাঁড়িয়ে বিমর্ষ মুখে চুমুক দেয়। ওর চাএর কাপে চুমুক দেয়া দেখে আমার মায়া হয়। নিজের জন্য। আমার পরিণতি যেকোন দিন যদি ওর মতো হয়ে যায়, আমি মোটেও অবাক হবো না। জীবন খুবই আনপ্রেডিক্টেবল। কিছুদিন আগে আমাকে এ দেশের স্বনামধন্য একজন লেখক বলেছেন, আগামী দিনগুলোতে তোমার জন্যে কি অপেক্ষা করে আছে য়ু উইল নেভার নো।
সামনে দিয়ে অনবরত নানাকিসিমের লোকজন যাতায়াত করতে থাকে। ওরা অনেকটা আমার ভাবনার বুদবুদগুলোর মতো। কোত্থেকে জানি উদয় হয়, আবার মূহুর্তেই কোথায় জানি মিলিয়ে যায়। ঠাহর করতে পারি না ঠিকমতো। এসবের মধ্য দিয়ে সময় গড়াতে থাকে। আমি ভাবার চেষ্টা করি, সামনে দিয়ে যাতায়াতকারী মানুষগুলো সবাই কি জীবনে যা যা চেয়েছিলো সবকিছু পেয়েছে? আমি জানি, পায় নি। আমি জানি, আমিও পাবো না। একসময় আমি আর শওকত উঠে পড়ি। চলে যাই বেইলি রোডের দিকে।
এখানে আবার যৎসামান্য প্রাণের উচ্ছ্বাসের দেখাও মিলে যায়। এ যেন রথ দেখতে এসে কলা বেচা। তবে ব্যবসায় লাভ হয় অতি অল্প। কিছু ছেলে রাস্তায় দাঁড়িয়ে বিড়ি ফুঁকছে বুক ফুলিয়ে, কারণ ওরা নতুন ফুঁকতে শিখেছে। কিছু মেয়ে বন্ধু-বান্ধব নিয়ে আড্ডা দিচ্ছে, কারণ ওরা নতুন আড্ডা দিতে শিখেছে। ভিকারুন্নেসার পরে ফুটপাথে কয়েকটা জোড়া বসে আছে, কারণ ওরা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে অক্ষম। ব্যস্। রাজধানীর প্রাণের স্পন্দন শেষ এখানেই। আর খানিকটা স্পন্দন হয়তো চোখে পড়বে ক্যম্পাসে গেলে। সেখানে প্রাণের চর্চা হয়, স্পন্দনতো থাকবেই। কিন্তু সেখানকার চর্চাগুলো যে পরবর্তী জীবনে খুব বেশি কাজে লাগে না, তা বোঝা যায় বাইরের পুরো দুনিয়াটার প্রাণস্বল্পতা দেখে।
আমি এসব দেখতে দেখতে মিন্টু রোডের অন্ধকার রাস্তা দিয়ে, রূপসী বাংলার রূপ অবলোকন করতে করতে, সাকুরার সাইনবোর্ডের ঠিক নিচে এসে ডানে মোচড় নিই কোনো কারণ ছাড়াই। বাংলামটর মোড় পার হওয়ার সময়েও ভাবতে থাকি, কোথায় যাবো? কিন্তু সার্ক ফোয়ারায় পৌঁছুনোর পর আর মন টানে না। ধুত্তোরি। ঘুরে-ফিরে কি লাভ? তখন ঢুকে পড়ি এফডিসি'মুখী রাস্তাটায়।
রাজধানীটা খুব যে সুন্দর, তা কিন্তু নয়। কতই বা আর রাত তখন? দশটা বা এগারোটা। এরই মধ্যে চারিদিক কেমন অন্ধকার-অন্ধকার হয়ে পড়েছে। নিউএজ অফিসের সামনে গিয়ে মনে পড়ে, আজ সন্ধ্যায় একবার এই রাস্তা দিয়ে পার হয়েছি। আমার ইচ্ছে করে না, আবারো একই রাস্তা দিয়ে যেতে। আবার ঘুরতেও ইচ্ছে করে না। উল্টোপথটাকেও আমার বহুল ব্যবহারে জীর্ণ মনে হয়। ইচ্ছে হয় ওখানেই থেমে যেতে। কিন্তু মাঝপথে থামার কোনো উপায় আমার জানা নেই। ক্লিশে জীবনের ঘানি টানতে হবে শেষ পর্যন্ত, তখনকার অনুভূতিটা আমাকে যেন সে কথাই আরেকবার বুঝিয়ে দিয়ে যায়। আমি ধীরে ধীরে পুরোনো পথ ধরে ঘরে ফিরি।
ঘরে ঢোকার আগে মহল্লার দোকানে নেমে আধা কাপ চা খাই। চা শেষ হবার পর তুষার, অনুপেরা এসে আবারো চা খাওয়ার অনুরোধ করে। তাদের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করি। আর সিড়ি ভেঙ্গে দোতলায় ওঠার সময় মনে মনে নিজেকে ধন্যবাদ দিই- দুপুরে পেটপুরে ভাত খেয়েছিলাম বলে। নাহলে শরীর আর মন এই স্ট্রেসটা নেয়ার জোরটুকু পেতো কোথায়?
বাসায় ঢুকে কাপড় ছাড়ার সময় একটা চিনচিনে ছটফটানি আমার পা থেকে মাথা পর্যন্ত ছুটে যায়। বেশ কয়েকবার। আমি অবগত হই, আগামীকাল কাছাকাছি সময়ে আবারো আমাকে একইরকম ক্লান্ত-বিধ্বস্ত একটা শরীর টেনে টেনে এনে ফেলতে হবে এই ঘরটায়। তারপরদিন আবার। পরদিন আবার।
ছটফট করতে করতেই আমি কিছুক্ষণের জন্য কল্পনার জগতে হারিয়ে যাই। যেটা সারাদিনে আমার সঙ্গে ঘটা একমাত্র আনন্দের ঘটনা। কল্পনায়, কোনো এক স্নিগ্ধ দুপুরে আমি আর আমার অচেনা বন্ধু স্কুল থেকে ফেরার সময় একসঙ্গে কিছুটা পথ হাঁটি। হাত ধরাধরি করে। আমাদের মধ্যে দুই-চারটা খুনসুটি হয়। সে জানতে চায়, এ্যাই তুমি এত অস্থির কেন? কপট রাগ দেখিয়ে বলে, খবরদার! আমার কথা কাউকে বললে কিন্তু আমি আর দেখা করবো না। আমার ভেতরে চিৎকার অনুরণিত হয়- বলবো, সবাইকে বলবো, সারা পৃথিবীকে বলে দেবো, তুমি আমার। আমি তোমাকে ভালবাসি। কিন্তু সে চিৎকার বের হয় না। একসময় বৃষ্টি নেমে আসে।
বৃষ্টির ঝাপটা আমাকে কল্পনা থেকে বাস্তবে নিয়ে আসে। টের পাই কোনো বৃষ্টি হয় নি, শুধু অকারণে গাল ভিজে গেছে। আমি তারপরে ক্লান্ত পাএ এক্সিকিউশনের পথে এগোই। কল্পনা কখনো বাস্তবে রূপ নেয় না, বাস্তবও কখনো কল্পনাকে ছুঁতে পারে না। আমার সীমিত ক্ষমতায় এ দীর্ঘ দুরত্ব মিটিয়ে ফেলা সম্ভব নয় বলে, আমি সব দরজা-জানালা বন্ধ করে দিয়ে ঘরের শেষ আলোটুকু নিভিয়ে দিই। তারপরে শুয়ে পড়ি বিছানায়, জেগে থাকবার জন্য।
---





শেষটা চমৎকার।
একটি সুদীর্ঘ সম্পূর্ন বাস্তব ও কিছুটা কল্পনার সমান দুরত্বের দিনলিপি। বাস্তবতা সাথে কল্পনার সব সময়ই বৈরিভাব। এরই মাঝ থেকে কুড়িয়ে নিতে হবে আশ্বাসের সুর।
এইসব দিনরাত্রি
দুঃখগুলো ক্রমে আপনাকে গ্রাস করছে। এটা ভালো লক্ষণ নয়। আপনাকে সব ঝেড়ে-ঝুড়ে উঠে দাঁড়ানোর বিনীত অনুরোধ জানাই। জীবন একটাই। সে জীবনে দুঃখ আছে, আনন্দ আছে, কষ্ট-বিরহ কত কী আছে। সব কিছুকে এত গুরুত্ব দিলে কি চলে ? ওস্তাদের কাছে প্রার্থনা-
আপনার জীবনের বেশিরভাগ সময় ভালো কাটুক।
আরেকটি অনুরোধ: সাইকেল চালানোর সময় অতশত ভাবতে নেই। এতে যে কোনো সময় ভয়াবহ দূর্ঘটনায় পড়তে পারেন। প্লিজ কু....উ.....ল ড্রাইভ।
সবশেষে, আই লাভ য়্যু ম্যান...
একটু বিষন্নতার ছায়া আছে তবুও পড়ে ভালো লাগলো আর মনে মনে বললাম ভালোই তো আছে মীর সাহেব। লেখা খুবই অসাধারন!
~
আমি সব দরজা-জানালা বন্ধ করে দিয়ে ঘরের শেষ আলোটুকু নিভিয়ে দিই। তারপরে শুয়ে পড়ি বিছানায়, জেগে থাকবার জন্য।
আরে দারুন !!
দিন যায়, রাত যায়, সব যায় ,,, আমি বসে,,, হায় !!!
মন্তব্য করুন