সালমার হুইল চেয়ার এবং স্বপ্নময়ী সাবরিনা
(১)
সালমা আমার খালাতো বোন।থাকে কাপ্তাই শহরে।ওর জন্য অবশ্য শহর-গ্রাম,দিন-রাত এগুলোর পার্থক্য খুব বেশি নয়।কারণ গত ছয়-সাত বছর ধরে ওর জীবনটা ওদের ঘরের একটা খাটের উপরই কেটে যাচ্ছে খুবই নির্দয় ভাবে।ছোটবেলায় ও খুব দুরন্ত ছিল।শৈশবের সময়টাতে কাপ্তাই শহরের বড়ইছড়ি নামক জায়গায় থাকতো ওরা।ওদের বাসার সামনে খোলা মাঠ ছিল।বাসার পেছনে ছিল একটা চা পাতা বানানোর কারখানা।ও নিজেই এসব ঘুরে ঘুরে দেখিয়েছিল আমাদের।আবার সমবয়সীদের সাথে পুতুল খেলার জন্য দিত ভোঁ-দৌড়।আন্টি ওর দুরন্তপনায় কখনো কখনো অস্থির হয়ে উঠত।কারণ ওকে ঘরেই রাখা যেত না।কে জানে পরে আর ঘরের বাইরে যেতে পারবে না বলেই হয়তো তখন ঘরেই থাকতে চাইতো না।
ছোটবেলায় একবার ওর টাইফয়েড হয়েছিল।অনেকদিন অসুস্থ ছিল।এরপর সুস্থ হওয়ার পর থেকে হাঁটা চলা কিছুটা অসংলগ্ন হয়ে যায়।ও পা ফেলছে একজায়গায়,কিন্তু পা’টা পড়ছে অন্যজায়গায়।অর্থাৎ পায়ের উপর যেন ওর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।এরপর হাতেরেও একই অবস্থা।তখন ওর বয়স কত হবে?ছয়-সাত।ওয়ান-কিংবা টুতে পড়ত।আন্টি তো অস্থির হয়ে মেয়েকে ডাক্তার দেখাতে ব্যস্ত।চট্টগ্রামের শিশু বিশেষজ্ঞ শাহাদাত হোসেনকে দেখিয়েছেন অনেকবার।ডাক্তার অনেক টেষ্ট করিয়েছেন,অনেক ওষুধ দিয়েছেন,অনেক ব্যয়াম দিয়েছেন।কিন্তু না,অবস্থার কোনো উন্নতি তো হচ্ছেই না ,বরং অবনতি হচ্ছে।ঢাকায় তখন ইবনে সিনা নতুন ডায়াগ্নষ্টিক সেন্টার।ডাক্তারের পরামর্শে আংকেল সালমা কে নিয়ে ইবনে সিনা থেকে অনেক টেষ্ট করিয়েছে।বিষয়টা মোটামুটি ব্যয়বহুল ছিল আংকেলের জন্য।কারণ আংকেল বন বিভাগের খুব সামান্য একজন কর্মচারী।তারপরও চেষ্টা যদি মেয়ে ভাল হয়ে যায়!
তারও বেশ কয়েকবছর পরে আবার আন্টি মেয়ের চিকিৎসার জন্য অস্থির হয়ে উঠেন।আন্টির সাথে যখনই দেখা হতো আন্টি কান্না করে বলতেন, আমার এত সুন্দর মেয়েটা এত কষ্ট পাবে কেন?ডাক্তাররা কেউ কিছু বলতে পারে না কেন?আমার মেয়ের জন্য আমার সাধ্যের মধ্যে যা করার আমি সব করব।বলতো মা আমার মেয়েটা ভাল হবে তো?আন্টির আহাজারিতে চোখে পানি ধরে রাখা বেশ কঠিন ব্যপার ছিল আমাদের জন্য।চট্টগ্রামের ভাল ডাক্তার হিসেবে পরিচিত(আন্টি কাপ্তাই থেকে ওনার নাম শুনে এসেছে)নিউরো স্পেশালিষ্ট ডাক্তার ওয়াহিদুর রহমান(যদি না আমি নাম ভুল করে থাকি)সেনসিভে বসতেন,ওনাকে দেখান সালমাকে।তিনি সালমার আগের চিকিৎসার বিস্তারিত শুনে আবার বেশ কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা দিলেন।কিন্তু না, কোথাও কোনো সমস্যা ধরা পড়েনি।এরপর সালমার মায়ের আবেগ তাড়িত কান্না দেখে হয়তো ওনারও মায়া পড়ে গেছে সালমার জন্য।ওনি বললেন সালমাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের নিউরো বিভাগে ভর্তি করানোর জন্য।ওনার তত্ত্বাবধানে মেডিকেলের আরো কয়েকজন ডাক্তার নিয়ে তারা একটি বোর্ড গঠন করে সপ্তাহখানেক সালমাকে পর্যবেক্ষণ করলেন।যখন কোনো সমাধানেই আসতে পারছিলেন না তখন সালমাকে রিলিজ করে দিয়েছেন। সালমা এবং সালমার মা এখনো সেই ডাক্তারের আন্তরিকতার কথা স্মরন করে।
সালমা খুব সম্ভত তখন ক্লাস এইটে পড়ত।এইটের মাঝামাঝি সময় কিংবা নাইনের শুরুর দিক থেকে হঠাৎ করে সালমার স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেল।কারণ তখন থেকে আর একা একা ও হাঁটা চলা করতে পারছিল না।স্কুলে যাওয়া বন্ধ হলেও পড়ালেখা বন্ধ হয়নি।ও বাসায় পড়তো।আর পরীক্ষার সময় ওর বাবা-মা ওকে স্কুলে নিয়ে যেত।স্কুল কাছেই ছিল।তারপরও এইটুকু রাস্তা পাড়ি দিতে গিয়ে একএকটা সময় আমার আন্টির কাছেই নাকি মনে হতো কত দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে।তাহলে সালমার না জানি কত কষ্ট হতো।কিন্তু তখনও ও অনেক খুশি ছিল।কারণ শারীরিক কষ্ট পাড়ি দিয়ে ও যখন স্কুলে যেত ,ওর সমবয়সীদের দেখত তাদের সাথে কথা বলতো সত্যিকার অর্থেই তখন নাকি সে সুখী মানুষ হয়ে উঠত।সে ভুলে যেত তার বন্দী জীবনের কষ্ট।তার নিঃসংগতার যন্ত্রণা।তার সে সুখও অবশ্য বেশি দিন আর স্থায়ী হয়নি।এস এস সি পরীক্ষার আগ থেকে সা্লমা আরো বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েছিল।ও তখন নিজের হাতে আর লিখতে পারত না।হাত-পা তখন পুরোপুরিই ওর নিয়ন্ত্রনহীন।ব্যস সালমার পড়ালেখার ইতি এখানেই।
সালমা এখন ২১/২২ বছর বয়সী তরুণী।এই বয়সী মেয়েদের চোখে নানা রং এর স্বপ্ন ভেসে বেড়ায়।ওর শরীরের বেশির ভাগ অংশ অচল হয়ে পড়লেও ওর মনে কিন্তু এখনো নানা রংএর স্বপ্ন খেলে যায়।ও প্রায় সময় ওর মাকে বলে,আম্মু তুমি দেখবে একদিন আমি ঠিক সুস্থ হয়ে যাব। আমাকে নিয়ে তোমার আর কষ্ট করতে হবে না।আবার একই সঙ্গে ও ভয়াবহ রকমের দুঃস্বপ্নের প্রহরও গুনতে থাকে।এই চলনহীন জীবনের যন্ত্রণা থেকে নিজে মুক্তি পাওয়ার জন্য এবং তার বাবা-মাসহ পরিবার পরিজনদের মুক্তি দেওয়ার জন্য প্রতি মুহূর্তে সালমা মৃ্ত্যুর জন্য অপেক্ষা করে থাকে।ওর আম্মুকে বলে আমি মারা গেলে তোমাদের অনেক কষ্ট কমে যাবে।আমি তোমাদেরকে যে অনেক কষ্ট দিই আমি বুঝতে পারি।কিন্তু আমি কিছু করতে পারি না।সালমার কথা গুলো শুনলে নিমিষে চারপাশের পরিবেশ ভারী হয়ে যায়।আমরা বুঝতে পারি জীবন কী ভীষণ অমানবিক!!অথচ আমরা কী ভীষণ অসহায়!!
(২)
সাবরিনা সুলতানা এক স্বপ্নময়ীর নাম।আমার মোবাইলে সাবরিনার নাম্বারটা “সাবরিনা*ড্রীম” নামে সেভ করা।কেন জানি প্রথমবার ওর সাথে কথা বলার পর আমার মনে হয়েছে যে মানুষ অন্যের স্বপ্নকে সত্যি করার জন্য কাজ করে সেই তো স্বপ্নময়ী।সাবরিনার সাথে আমার যোগাযোগ হঠাৎ করেই।আজাদী পত্রিকায় লিখালিখি করতো সাবরিনা।সেই সূত্রে নামটা আগে থেকেই জানা।একদিন ফেসবুকে দেখি কী প্রানোচ্ছ্বল একটা মানুষ!তার নিজের কথাগুলো পড়তে পড়তে কোনো উদ্দেশ্য ছাড়াই আমি তাকে সালমার কথা বলি।সালমার কথা আমি এরকম অনেককেই বলেছি আগে।ওমা,পরদিন ফেসবুক খুলে দেখি আমার জন্য সাবরিনার রিপ্লাই ম্যাসেজ।ও সালমার কথা বিস্তারিত জানতে চেয়েছে।সালমার পড়ালেখা।বর্তমান শারীরিক অবস্থা,সবকিছু।এভাবে দু’তিনবার সাবরিনার সাথে সালমাকে নিয়ে কথা বলার পর ও আমার কাছ থেকে সালমাদের বাসার মোবাইল নাম্বার নিয়ে সালমার আম্মুর সাথে যোগাযোগ করে।সেদিনই আন্টি আমাকে ফোন করে বলে, ও কে মা?আমার মেয়েটার এমন অমানবিক কষ্ট ও এত সহজে বুঝল কিভাবে? আমি এতদিন আমার মেয়েটার কষ্ট দেখছি এই প্রথম মনে হলো কেউ একজন আমার মেয়ের মতো করেই তার কষ্টটা কে অনুধাবন করেছে।
এরপর সাবরিনা নার্চারে সালমার চিকিৎসার কথা বলেছে।কিন্তু কাপ্তাই থাকার কারণে এবং হঠাৎ করে কিছু সমস্যা দেখা দেয়ায় নার্চারে আর সালমাকে দেখানো হয়নি।সালমার শারীরিক অবস্থার বিবরণ শুনে সাবরিনার ধারণা সালমার অসুখটাও হয়তো “মাস্কিউলার ডিস্ট্রোফি”।
দিনের পর দিন সালমা ঘরবন্দী শুনে সাবরিনা সালমার জন্য বেশ উন্নতমানের,আধুনিক এবং টয়লেটের ব্যবস্থা আছে এরকম একটি হুইল চেয়ার কিনে দিয়েছে।সাবরিনা বলেছে আমার স্বপ্নের বি-স্ক্যান(বাংলাদেশ সিস্টেম চ্যানঞ্জ এডভোকেসি নেটওয়ার্ক) থাকতে এরকম কোনো সালমাকে ঘরের ভেতর বন্দী জীবন কাটাতে দিব না।বিধি বাম হলে যা হয়,সালমাদের ছোট্ট ঘরে হুইল চেয়ার মুভ করা যায় না।সালমা অপেক্ষায় থাকে কখন গ্রামের বাড়ি যাবে।কখন এই হুইল চেয়ারে বসে সেও পাখির মতো উড়ে যাবে।গ্রামে অবশ্য গিয়েছিল সে।এবং অনেক বছর পর সে অনেকটা সময় খোলা আকাশ দেখেছিল। তার চোখে মুখে তার খুশির ঝিলিক কারোরই চোখ এড়ায় নি।কিন্তু বাসায় আসার পর আবার সেই বন্দী জীবন।সালমার প্রতি সাবরিনার এমন ভালোবাসায় আমরা খুবই অবাক হয়েছি।কারণ এমন দরদ নিয়ে নিজে থেকে কেউ অন্যের জন্য কিছু করতে এত মরিয়া হতে পারে এই বিশ্বাসটাই অনেকটা ঠুনকো হয়ে গিয়েছিল আমার কাছে।হুইল চেয়ারটা পাওয়ার পর সালমার সে কি আনন্দ!কতবার যে সাবরিনা আপুর কাছে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে।সাবরিনা আপুকে একটু দেখার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে!
সালমারা গত তিন-চারমাস ধরে কাপ্তাই শহর ছেড়ে চট্টগ্রামে বাসা ভাড়া নিয়েছে।সালমা চট্টগ্রামে এসেছে শুনেই সাবরিনা ওকে দেখতে গেছে।নিজের গাড়িতে করে ওকে নতুন শাহ আমানত ব্রিজ দেখিয়ে এনেছে।আর ওকে দিয়ে এসেছে রাশি রাশি স্বপ্ন।
সালমাকে একটা কম্পিউটার কিনে দেবে বলেছে।আবার কম্পিউটার শেখানোর ব্যবস্থাও করে দেবে বলেছে।সালমা যেন স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে পারে সে চেষ্টাই করে যাচ্ছে সাবরিনা।
যে কাজটা আমাদের করার কথা,সে কাজটাই সাবরিনা করছে কোনো রকম স্বার্থ ছাড়া একদম নিঃস্বার্থ ভাবে।সাবরিনা অবশ্য আমাকে বলেছে ও যে কাজটা নিঃস্বার্থভাবে করছে তা কিন্তু না।সালমা কম্পিউটার শিখে যখন অন্যদেরও শেখাবে এবং উপার্জন করে হাসিখুশি থাকবে তখন সবচেয়ে বেশি খুশি হবে সাবরিনা নিজে।সালমাকে খুশি দেখা, ভাল দেখার জন্যই তার সব চেষ্টা,সব কাজ।সালমা ভাল থাকলেই নাকি ওর সব চেষ্টা সার্থক হবে।কি অদ্ভুত মানুষ!কি অদ্ভুত কথা!একটা মানুষ এত স্বপ্নময়ী হয় কিভাবে!!
মাসখানেক আগে আমি সালমাকে দেখতে গিয়েছিলাম।ও আমাকে জিজ্ঞেস করেছে,আপু সাবরিনা আপু বলছে আমি অনেক কিছু করতে পারব,আমি নিজে কম্পিউটার শিখে আবার অন্যদেরকে শেখাতে পারব।আমি উপার্জন করতে পারব।এটা কি সম্ভব আপু? আমি বললাম,সাবরিনা যখন বলেছে তখন তুমি নিশ্চয়ই পারবে।কারণ সাবরিনা মিথ্যা বলে না।সালমার চোখে মুখে আবার স্বপ্ন খেলে যায়।
ইদানীং সালমার কোনো সমস্যা দেখা দিলে আন্টি আমাকে ফোন করবে।কথা বলার এক ফাঁকে আন্টি কান্না শুরু করবে।আন্টির কান্নার সংক্রামক একটা সময় আমাকেও কাবু করে ফেলে।আমি আন্টির সাথে কথা শেষ করে নিজেকে সামলে নিয়ে স্বপ্নকন্যাকে ফোন দিই।স্বপ্নকন্যাকে সব কথা বলার পর আমার কিছুটা হাল্কা লাগে।আর স্বপ্ন কন্যা সালমার জন্য কিছু একটা করতে মরিয়া হয়ে উঠে।
সপ্তাহখানেক আগে সাবরিনা আমাকে ফোন দিয়ে বলেছে,সে সালমার জন্য একটা ল্যাপটপ কিনেছে।আমার মনে হয়েছে সালমা যেন সত্যি নতুন এক স্বপ্নের মাইল ফলকে পা দিতে যাচ্ছে।সালমার স্বপ্ন,সালমাকে ঘিরে স্বপ্নময়ী সাবরিনার স্বপ্ন যেন সত্যি হয়,সেই বিজয়ের অপেক্ষায় প্রহর গুনছি আমি এবং আমরা।
আজ রাতে আন্টি আমাকে ফোন করে জানিয়েছে সাবরিনা,সালমাকে একটা ল্যাপটপ দিয়েছে।সালমাকে কম্পিউটার শেখানোর ব্যবস্থা করে দিবে।অনেক ক্লান্তির মাঝেও আন্টির গলাটা আমার কাছে বেশ উৎফুল্ল মনে হলো।যে সালমা দিনের পর দিন মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করেছিল সে সালমা এখন বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখছে।সালমাকে স্বপ্ন দেখতে যে মানুষটা প্রেরণা যুগিয়েছে সে স্বপ্ন কন্যার কাছে আমরা কৃতজ্ঞ।
স্বপ্নময়ী সাবরিনার জন্য অনেক শুভ কামনা।বেঁচে থাকুক,সুস্থ থাকুক স্বপ্নকন্যা।কারণ ওর সুস্থ থাকার সাথে আরও অনেক মানুষের সুস্থতা এবং উচ্ছ্বলতা জড়িয়ে আছে।





দারুন আশাবাদীতার পোষ্ট!
ভাল পোষ্ট।
আমাদের সমাজে এমন আলোকিত মানুষের সংখ্যা নিতান্তই কম, ভাল থাকুক আলোকিত মানুষেরা। ভাল থাকুক আপনার স্বপ্নকন্যা।
মানবতার জয় হউক ! সাবিরনােক শুেভচছা ! তার িমশন চালু থাকুক অননতকাল । েলখক েক Thanks.
পৃথিবীতে এখনও কিছু মহৎ মানুষ আছে, যাদের জন্য পৃথিবীটা ভাল লাগে।
আসুন, আমরা শুরু করি, আমরা জাগি, আমরা জাগলে, সবাই জাগবে, জাগবে বাংলাদেশ।
সালমার জন্য শুভকামনা
শুভকামনা অপরাজিতাদের জন্য । মনোবল দৃঢ় থাকুক , সব জয় করুক অপরাজিতারা।
দারুন ভালো লাগলো। আমার পক্ষ থেকে সাব্রিনা আপুকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
সালমা, সাবরিনার পাশাপাশি এইখানে আরেকজনের নামও নেয়া উচিত। সেটা আপনার। কারণ দুইজনের যোগসূত্রটা ছিলেন আপনি। আমাদের সমাজের অনেক সহজ সমস্যা ক্রমে জটিল থেকে জটিলতর এবং এক সময় দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে, কেবলমাত্র যোগসূত্রটায় গলদ থাকার কারণে। সালমার প্রতি আপনারও একটা দারুণ রকম নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ছিলো। যা বিরল ও অসাধারণ। তাই আপনি এখন আমার অভিবাদন গ্রহণ করুন ঝর্ণা'পু।
শুভকামনা অপরাজিতাদের জন্য । মনোবল দৃঢ় থাকুক , সব জয় করুক অপরাজিতারা।
শুভকামনা অপরাজিতাদের জন্য । মনোবল দৃঢ় থাকুক , সব জয় করুক অপরাজিতারা।
দুনিয়ার সব মানুষ ভাল পথে চলুক, ভাল কথা বলুক, ভাল কাজ করুক, খোদাকে ভয় করুক
এই কামান করি।
আমাদের সকল চেষ্টাকে বৃথা করে দিয়ে গত ০৭এপ্রিল,২০১৩ রবিবার মধ্যরাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সালমা মারা গেছে।
মন্তব্য করুন