ঢাকার কায়েতটুলিতে আগুন! [আপডেট ২]
ঢাকার আগামসি লেনের কায়েতটুলিতে আগুন লেগেছে। জানা গেছে, বৈদ্যুতিক ট্রান্সফর্মার বিস্ফোরনে এই অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত। সেখানে অবস্থিত বেশ কটি প্লাস্টিক কারখানা থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে ধারণা করা হচ্ছে। আজকে [৩ জুন, ২০১০] রাত ৯টায় আগুন লাগে, ইতোমধ্যে তা ছড়িয়ে পড়েছে প্লাস্টিক কারখানার আশেপাশের ভবনেও। ইতোমধ্যেই ২০টি লাশ পাওয়া গেছে বলে বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে। প্রতিমুহূর্তেই এই সংখ্যা বাড়ছে। মৃতের সংখ্যা অনেক হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। আহতর সংখ্যাও নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না।
ঢাকার দমকল বাহিনীর ১২টি ইউনিট আগুন নেভানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এখনো আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি।
আমরা নিয়মিত আপডেট জানানোর চেষ্টা করবো।
আপডেট:
প্রথমে ২০ জনের মৃতুর খবর দিয়ে আমরা শুরু করেছিলাম
এর পর সংখ্যাটা এক ঘন্টার মঘ্যে ছাড়িয়ে যায় ৫০
এখন রাত ১.২০ মিনিটে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৭০ ছাড়িয়েছে
আহতের সংখ্যা অগুনতি!
আপডেট ২:
মৃতের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়েছে, সঠিক সংখ্যা জানা যাচ্ছে না, বিভিন্ন সূত্র থেকে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। তবে ১০০ ছাড়িয়েছে বহুক্ষণ আগেই। কোনো কোনো টিভি চ্যানেল জানাচ্ছে মৃতের সংখ্যা দেড়শো!
উদ্ধারকাজ চলছে।
আজ সারাদেশে প্রার্থনা এবং আগামীকাল সারাদেশে জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করা হয়েছে
সমগ্র ঘটনায় আমরা গভীরভাবে শোক প্রকাশ করছি





চ্যানেল আইয়ের খবরে প্রকাশ, ইতোমধ্যে মৃতের সংখ্যা ৫০!
উল্লেখযোগ্য, প্রতি মুহূর্তেই মৃতের সংখ্যা বাড়ছে ভয়াবহ পরিমানে!
৪৫ টি লাশ উদ্ধার। ৫০ ছাড়িয়ে যাবে।
কি যে শুরু হইলো , এক রাতে দালান ধসে ২৫ জন আরেক রাতে আগুনে পুড়ে ৫০+
এই দেশে মানুষের জ়ীবনের চেয়ে সস্তা আর কিছু নাই মনে হয়।
পন্ডিতের অঙ্ক কষার গল্পটা মনে পড়ছে সাঈদ। কুকুরের ঠ্যাং এর সমান আমাদের জীবন আজ
কী হচ্ছে একের পর এক!!!
ভয়াবহ
সরকার আছে খালি বন্ধ করার তালে...
এইসব অপমৃত্যু বন্ধ করতে পারে না?
কি বলব বুঝতেছি না !!! মানুষের জীবনের মূল্য এত সস্তা হয়ে গেল কেনু ? বাংলাদেশে আমরা কি স্বাভাবিক মৃত্যুও কামনা করতে পারি না ??
গভীরভাবে শোক প্রকাশ করছি এবং তাদের আত্মার শান্তি কামনা করছি ।
১০০ ছাড়িয়েছে দেখলাম টিভিতে ।
অত্যন্ত কষ্টদায়ক একটা পরিস্থিতি। সান্ত্বনার কোনো ভাষা জানা নেই। ক্ষতিগ্রস্থ মানুষদের জন্য কিছু একটা করতে পারলে সামান্য হলেও শান্তি পেতাম।
প্রতিদিন সকালে উঠে এইসব খবর দেখতে ভালো লাগে না।।।
একদিন সকালে উঠে দেখি বুয়েটের এক তাজা প্রাণ ঝরে গেছে! আরেকদিন শুনি বিল্ডিং ধ্বসে মানুষ মারা গেছে...আজ সকালে শুনি ১৫০ লোক মারা গেছে...এই সংখ্যাটা কত হলে সরকারের টনক নড়বে?
গত মঙ্গলবার রাজধানীর বেগুনবাড়িতে ভবন ধসে ২৫ জনের প্রাণহানির ঘটনার রেশ না কাটতেই বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে পুরান ঢাকার নিমতলী এলাকার আগামাসি লেনের কায়েতটুলির সাপ মন্দির রোডে ট্রান্সফরমার ফেটে ওই আগুনের সূত্রাপাত বলে দমকল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
এলাকাবাসী বলেছে, এলাকার বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য রান্নার সময় ঘটনাস্থলের ট্রান্সফরমার বিস্ফোরিত হয়। আশপাশের কাগজের দোকান, জুতা ও প�াাস্টিক সামগ্রীর কারখানার দাহ্য পদার্থে আগুন লেগে তা আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৪৩/১- এর পাঁচতলা ভবনটি।
দীর্ঘশ্বাস! মানুষের জীবন এত খেলো কিভাবে হয়!
আচ্ছা, এই ট্রান্সফরমার বিস্ফোরণের দায় কি বিউবো/ওয়াপদা নেবে?
মানে, নিশ্চয়ই রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে অর্থাৎ নিয়মিত চেকের অভাবে এটার বার্স্ট হয়েছে। এই বিদ্যুৎ সরবরাহকারী কোম্পানীরা কি নিয়মিত ঢাকার ট্রান্সফরমারগুলো চেক করে?
টোকিওতে দেখি বছরে অন্ততঃ ছ'বার চেক হয়, অনেকে জায়গায় ঘোষনা দিয়ে ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই থাকবেনা এটা জানানো হয়, অনেকে ব্যাকআপ সিস্টেম ব্যবহার করে তাই সাপ্লাই বন্ধ হয়না। (প্লিজ কেউ বলবেননা উন্নত দেশ আর অনুন্নত দেশ, দেশ যেটাই হোক, ট্রান্সফরমার কিন্তু রিগার্ডলেসলি ফাটবেই, "কাজেই রেগুলার চেকআপের মতো রিসোর্স/বাজেট/হ্যানত্যান নাই" যদি ওয়াপদার অজুহাত হয় তাহলে বলবো বিদ্যুৎ ব্যবহার করা উচিত না)। স্মৃতি প্রতারণা করতে পারে, তবে দেশে কখনও শুনিনি যে মেইনটেনান্সের কারণে সাপ্লাই বন্ধ হবে? মেইনটেনান্স কি ঠিকমতো হচ্ছে?
ট্রান্সফরমারের লোডের অনুপাতে একটা নির্দিষ্ট লাইফএক্সপেক্টেন্সি থাকার কথা ... একবার সংযোগ দিয়ে আর ঠিকমতো খোঁজখবর না রাখার অর্থ হলে এগুলোকে কোন না কোন সময়ে বার্স্ট হবার জন্য ঝুলিয়ে রেখে দেয়া -- মাইনের মতো, আরো ভয়ংকর, শ'খানেক মাইনের বদলে এরকম একটা স্কাইমাইন যথেষ্ট! ভাবতে ভাবতে শিউরে উঠলাম।
যেটা খুব জরূরী বেসিসে করা দরকার,
১) বার্স্ট হওয়া ট্রান্সফরমারটির মডেল, ক্রয়ের সময়, রক্ষণাবেক্ষণের রেকর্ড চেক
২) ঢাকা শহরে কাছাকাছি সময়ে কেনা/লাগানো কাছাকাছি ধরনের স্পেসিফিকেশনের অন্যান্য সব ট্রান্সফরমারগুলোর জরূরী চেকআপ
এমন হতে পারে এই ট্রান্সফরমারটির মতো একই রকম ট্রিটমেন্ট পেয়েছে আরো অনেক ... এটি ফেটে হয়তো আমাদের একটা সিগনাল দিয়ে গেলো
আমাদের এলাকায় গত সপ্তাহে শুক্র-শনি ৮-৪টা লোডশেডিং ছিল, আজকে কালকেও ৮-৪টা যাবার কথা। যদিও আজকে ২.৩০তে চলে আসছে। বিদ্যুতের লাইন এর কাজ চলছে। রক্ষণাবেক্ষণ নাকি অন্য কিছু কে জানে?
ট্রান্সফর্মার যে চেক করতে হয় - আজকেই তা জানলাম। কি আর বলবো , কোন্দিন কাউকে দেক করতে দেখি নাই আজ পর্যন্ত। প্রায়ই তো ট্রান্সফর্মার বিকট শব্দে ব্রাস্ট হয় , আমরা চমকে উঠি , বিদ্যূৎ চলে যায় - কিছুক্ষন পরে আবার আসে - এটাই স্বাভাবিক ধরে নিছি।
পুরান ঢাকা নিয়ে সরকার কে স্পেশালী ভাবতে হবে , কিন্তু সরকার গুলোর কি সেই সময় আছে নাকি ইচ্ছা আছে ?
পুরান ঢাকার পুরাতন বিল্ডিং গুলা ঘিঞ্জি , দূর্বল হয়ে পড়েছে। ভূমিকম্পের পর কি হবে তা এখনই আন্দাজ করা যায়। শুধু পুরান ঢাকা না , পুরা ঢাকার অল-গলিও প্রশস্ত করা দরকার , যাতে দূর্ঘটনা ঘটলে উদ্ধার তাড়াতাড়ি করা সম্ভব।
আর আমাদের দেশে কোন দূর্ঘটনা ঘটলেই সরকারের কর্তাব্যক্তিরা ইদূর দৌড় দেন এদিক সেদিক - কয়দিন পর আবার ভুলে যান, সবকিছুই স্বাভাবিক ভাবেই চলে আগের মত করে। অথবা নতুন কোন আইন বানান - যাতে মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়ে।
বুয়েটের ঘটনার পর সরকার কি কোন উদ্যোগ নিছে ? অথচ নিউমার্কেট এলাকা থেকে গুলিস্তান পর্যন্ত যদি ফ্লাই ওভার করে দেয়া যায় তাহলে গাড়ী গুলো ক্যাম্পাস জোনে না ঢুকেই সরাসরি যেতে পারবে - অথচ সরকার এ ব্যাপারে কোন উদ্যোগই নেই নাই।
বাড়ী ধসে পড়লো - মারা গেল কয়েকজন - অথচ বেগুনবাড়ী কোন শহরতলী তে না , সবার নাকের ডগায় এরকম বাড়ী হলো - কেউ কোনদিন দেখেও নাই।
This is one Dutch news
http://www.nuvideo.nl/algemeen/38229/dodental-brand-bangladesh-loopt-op.html
দুঃখ দুঃখ আর দুঃখ
কালকে রাষ্ট্রীয় শোক দিবস পালিত হবে।
এখন তো খবর আসতাছে ট্রান্সফর্মার না, রাসায়নিক পদার্থ আগুনের কারণ
এটিএন নিউজে বললো....
আগুনের সূত্রপাত...
বিয়ে বাড়ির রান্না থেকে উত্তাপ ছড়ায় পাশেই রক্ষিত ক্যামিকেলে যেটা ফায়ারব্রিগেড এই ভয়াবহ অগ্নকিান্ডের কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। নিউজে ট্রান্সফর্মার ঠিকি আছে দেখলাম।
শহরটা মৃত্যুকূপে পরিণত হয়েছে যেন!
মন্তব্য করুন