হরতাল সংবাদ
বিরোধী দলের ডাকে সারাদেশে পূর্ণদিবস হরতাল চলছে।
যথারীতি সারাদেশে হরতাল হলেও পালিত হয় শুধুই মহানগরগুলোতে। বিশেষ করে ঢাকায়।
এবং যথারীতি হরতাল কখনো শান্তিপূর্ণ হয় না।
এবং এখন আর দেশে স্বতস্ফূর্ত হরতাল পালিত হয় না।
গত রাত থেকেই শুরু হয়েছে হরতালের প্রস্তুতি। যানবাহনে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ২ জন আহতও হয়েছে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীও প্রস্তুতি নিয়েছে পরিপূর্ণভাবেই।
হামলা গ্রেফতারও হয়েছে।
আজ সকাল থেকেই বিএনপি ছাত্রদল মাঠে নেমেছে হরতাল উদযাপনে।
শাহবাগে সংঘর্ষে আহত হয়েছেন বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাকে গ্রেফতার করেছে। একই ঘটনায় আহত হয়েছে ইডেন কলেজ ছাত্রদলনেত্রী পপি। দুজনকেই বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নিজ এলাকায় গ্রেফতার হয়েছন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। পরবর্তীতে তার বাড়িতে হামলাও হয়েছে।
এছাড়াও খালেদা জিয়ার দুজন উপদেষ্টাসহ রাজধানী থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে ৬৭ জন বিএনপির নেতাকর্মীকে।
যানবাহন যে একেবারে চলছে না তা না। তবে অনেক কম।
অফিস আদালত চলছে বহাল তবিয়তেই। তবে সবখানেই ছুটির আমেজ বিরাজ করছে।
হরতালের অর্ধেক বেলা যেতে না যেতেই হরতাল সফল হয়েছে বলে দাবী করেছেন বিএনপি মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার হোসেন।
ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ দলীয়ভাবে না, রাষ্ট্রীয়ভাবেই এই হরতাল মোকাবেলার দায়িত্ব নিয়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন আগেই ঘোষণা দিয়েছেন হরতালের নামে নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানি সমস্যার সমাধান, টেন্ডারবাজি-দখলবাজি, সরকারবিরোধী নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন-হয়রানি বন্ধ, বিচার বিভাগের ওপর হস্তক্ষেপ, প্রশাসন দলীয়করণ ও চাকুরিচ্যুতি, পক্ষপাতমূলক নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগ, ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত জাতীয় স্বার্থবিরোধী চুক্তি বাতিল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রী লাঞ্ছনার বিচারসহ ১১ দফা দাবিতে সরকারকে সতর্ক করতে এ হরতালের ডাক দিয়েছে বিএনপি।
এর সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ মাঠে নেমেছে চারদলীয় জোটের শরিক জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (ন্যাপ) সহ সমমনা সাতটি দলের নেতাকর্মীরা।
গত ১৯ মে পল্টন ময়দানে বিএনপির মহসমাবেশে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।
হরতাল উপলক্ষে রাজধানীতে বিডিআর, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন এবং র্যাবসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অন্তত ১০ হাজার সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
মহাজোট সরকারের বিরুদ্ধে এটিই প্রথম জাতীয় হরতাল। এর আগে স্থানীয় পর্যায়ে দুবার হরতাল হয়েছে।
দীর্ঘ সাড়ে তিন বছরের অধিক সময় পর দেশে সকাল-সন্ধ্যা এই হরতাল হচ্ছে। বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের আমলে সর্বশেষ ২০০৬ সালের ২১ সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগসহ ১৪ দলীয় জোট সারাদেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালন করেছিলো।





বিডিনিউজ২৪ডটকম জানাচ্ছে-
বিএনপির সহসভাপতি ও সাবেক পররাষ্ট্র সচিব শমশের মবিন চৌধুরীকে রোববার গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
রাজধানীর মহাখালীর ওয়ারলেস গেট এলাকা থেকে তাকে বেলা সোয়া ১২টার দিকে একটি সাদা মাইক্রোবাসে করে তুলে নিয়ে যায় সাদা পোষাকের আইনশৃংখলা রক্ষাকারি বাহনীর সদস্যরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, গ্রেপ্তারের পরপরই তাকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা দপ্তরে নেওয়া হয়।
বিএনপির উপদেষ্টা সাবিউদ্দিন আহমেদ বলেন, "আমরা দাঁড়িয়ে ছিলাম। রাস্তার ওপাশ দিয়ে হরতালের সমর্থনে মিছিল চলছিল। হঠাৎ একটি গাড়ি এসে আমাদের ধাক্কা দিয়ে তাকে তুলে নিয়ে যায়।"
2:30 - শ্যামলির শিশু মেলার মোড়

শুরু হইলো হরতাল উৎসব...
হরতালের সঙ্গে আমার কাজের কোনো সম্পর্ক নাই, আমার অফিস কাচারী নাই। কিন্তু তবু হরতাল শুনলেই কেমন একটা আইলসামি শুরু হয়ে যায়।
সকাল থেকে বিপুল সমারোহে আইলসেমি করতেছি।
তড়পাইতে ছিলাম হরতাল সংবাদ শুনার জন্য ......... থ্যাংকু।
কিছু তথ্য:
মহাজোট ক্ষমতায় আসার ৫১০ দিন পর হরতাল এলো।
১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় আওয়ামী লীগ ১৭৩ দিন হরতাল করে ।
আ লীগ ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর বিএনপি ৫৯ দিন হরতাল করে।
আবার বিএনপি ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় ১৩০ দিন হরতাল করেছিল।
সুত্র: আমাদের সময়
আইন করে হরতাল নিষিদ্ধ করা উচিত। প্রতিবাদের আরও হাজারো রাস্তা আছে।
আইন করে হরতাল নিষিদ্ধ করার যৌক্তিক ভিত্তি নাই মামুন ভাই।আচরন আর মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে সবার।
ভাল বুদ্ধি দিছেন!!!!!!!এখন আইন করে নিষিদ্ধ করুক আর ভোটে হারার পরে তখন কি করবে আওয়ামীলীগ?
হরতালে আমাদের অফিস করতে হল! এর চেয়ে আর কি দুঃখ হতে পারে!
এ হরতাল মানি না, মানবো না।
আমরা বন্ধুর এই দিকটি খুব ভালো লাগে। দেশের সবগুলো ইভেন্টের আপডেট জানা যায় এবিতে ঢুকলে।
আই মিস হরতাল। মাই ফেভ। কোন রকমে হরতালের রেওয়াজ যদি এদিকে শুরু করা যেতো আহহারে, মনটা ভইরা সকাল সন্ধ্যা ঘুমাইতে পাত্তাম।
মন্তব্য করুন