কক্সবাজার ও বান্দরবানে পাহাড় ধ্বস, নিহত অর্ধশতাধিক!

ঢাকায় দু দুটো বড় বিপর্যয়ের পর এখন শুরু হয়েছে পাহাড় ধ্বস। কক্সবাজার ও বান্দরবানে ১৫ জুন মঙ্গলবার বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পাহাড় ধ্বসে পড়ে। এ পর্যন্ত অর্ধশতাধিক ব্যক্তির মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া গেছে। নিখোঁজ আছেন বেশ কয়েকজন। এর মধ্যে ৫ জন্য সেনা সদস্য রয়েছেন।
আরো পাহাড় ধ্বসের সম্ভাবনা থাকায় জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে মাইকিং করে পাহাড়বাসীদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা হচ্ছে।
একই সঙ্গে চলছে উদ্ধার তৎপরতা।
প্রধানমন্ত্রী এবং বিরোধী দলীয় নেত্রী এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। দেশের সর্বত্র শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বিস্তারিত জানতে পড়ুন এবং এখানে
এই ঘটনায় আমরা গভীরভাবে শোকাহত এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।
উল্লেখ্য ২০০৭ সালের ১১ জুন চট্টগ্রামে ঘটে বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পাহাড় ধ্বস। মৃত্যু হয় ১২৮ জনের।





কি একটা অবস্থা বাংলাদেশের। চারিদিকে কেবল মৃত্যু আর মৃত্যু। পুরো দেশটা একটা মৃত্যু উপত্যকা হয়ে যাচ্ছে দিন দিন।

দুঃখজনক
কয়েক বছর আগে চট্টগ্রামে পাহাড় ধ্বস হইছিলো। তার তদন্ত রিপোর্ট এখনো জনগণের কাছে অপ্রকাশিত। তয় তখন অনেক বিশেষজ্ঞ পাহাড় ধ্বসের কারণ হিসাবে অনিয়মতান্ত্রিক পাহাড় কাইটা মাটি বিক্রি আর রাস্তা বানানের প্রবণতারে দায়ী করছিলেন। কক্সবাজারের টেকনাফ-উখিয়াতে গাছ কাইটা বন উজার হইতেছে সমানে। পরিবেশের এইরম ক্ষতি করলে তার পাল্টা প্রতিক্রিয়া এই জাতিরে নিতেই হইবো। আরো পাহাড় ধ্বস হইবো আরো মানুষ মরবো এইটাই নিয়তি।
পার্বত্য এলাকর পাহাহাড়গুলি নষ্ট করার পেছনে সেনাবাহিনী অনেকাংশে দায়ী। আর তাই সেনাবাহিনী সদস্য মারা যাওনে টনক নড়া উচিৎ তাগো...
অপরিকল্পিত ভাবে পাহাড় কাটার পেছনে যারা আছে এখন সময় এসেছে তাদের চিহ্নিত করার।
ক্ষমতাশালী মানুষের ক্ষমতার বলিদান আর কত?
খুবই দুঃখজনক, কষ্টে নীল করে দেয়া একটা সংবাদ। পাহাড়ি এলাকায় অনিয়ন্ত্রিত বন ধ্বংস এবং খোদ পাহাড়কেই কেটে ফেলা এর জন্য মূলত দায়ী বলে মনে করি। নিজের পায়ে কুড়াল মারায় বাঙ্গালীর সমকক্ষ বোধ হয় আর কেউ নাই।
নিহত , ক্ষতিগ্রস্থ সকলের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাই। সরাসরি সহয়তা করার কোন উদ্যোগ আমরা বন্ধু থেকে নেয়া হলে দয়া করে জানাবেন।
আপাতদৃষ্টিতে এটা প্রাকৃতিক বিপর্যয় হলেও এটা আসলে মানুষেরই তৈরি করা। আমরাই আমাদের সব পাহাড় ধ্বংস করছি। পাহাড় কেটে সাফ করছি, দখল করছি, গাছ কেটে ফেলছি। উপকুলী সবুজ বেষ্টনী প্রকল্পর বারোটা বাজাচ্ছি। পাহাড় তো ধ্বসে পড়বেই। তার কী দোষ?
এখনো যদি সাবধান না হই, প্রতিবছর এরকম আরো অনেক ধস হবে। সংখ্যায় বাড়বে। পুরো দেশ সমতল ভূমি হয়ে যাবে।
আর কত মানুষ মরলে আমরা বুঝব যে আমাদের সতর্ক হওয়ার সময় উপস্থিত?
নিমতলির কেমিকেলের আগুন, ধ্বসে পড়া দালান, কাটা পাহাড়ে ধ্বস ... সবগুলাই তো মানুষসৃষ্ট।
মৃত্যুর খবরে আমরা খুব বেশি অভ্যস্ত হয়ে গেছি। শ খানেক মৃত্যুর খবর শুনলে প্রথমে খোঁজ নেই আমার পরিচিত কেউ মরছে কী না, না মরলে পাশ কাটায়া যাই।
আমরা প্রত্যেকেই সম্ভবত নিজেকে খুব সুরক্ষিত ভাবি। মনে করি অন্যরাই মারা যাবে, আমার কিছু হবে না। এই জন্য আমরা কেউ সতর্ক হই না, সচেতন হই না।
নজরুল ভাই'য়ের এই কথাগুলোই আসলে আমাদের সবার কথা
আমরা আসলেই এমন
এই পাহাড়প্রাচীর আর সুন্দরবনের গাছগুলো সমগ্র বাংলাদেশকে রক্ষা করে আসছে বহু বহু প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে। এখন পাহাড়ও যাচ্ছে, সুন্দরবনের অবস্থাও নাজুক।
গোটা বাংলাদেশ ধীরে ধীরে পরিণত হচ্ছে মৃত্যুকুপে।
আমাদের সচতেনতা ছাড়া এখন আর কিছুই প্রয়োজন নেই।
প্রধানমন্ত্রী এবং বিরোধী দলীয় নেত্রী এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। দেশের সর্বত্র শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
জন্মের পর থেকে এই লাইন দুটো টিভিতে শুনছি আর পেপারে পড়ছি। গভীর কোন চীজের নাম কে জানে
মন্তব্য করুন