দ্বিধা

আমার কিছু কথা ছিল
তোমাকে বলার, শুধু তোমাকেই,
শুনবে?
আমার মনের মধ্যে এক নদীর বাস,
সে নদীর দুদিকে দু'টি ধারা
দুদিকেই টানে,
কোনদিকে যে যাই! বুঝতে পারিনা।
নিজেকে বড় অচেনা লাগে
এই বদলে যাওয়া নিষ্ঠুর সময়ের ভিড়ে
নিজেকে ঠিক মেলাতে পারিনা,
হয়ত এই সময়ে বড়ই অচল!
অস্পষ্ট হয়ে যাওয়া ধূসর এ্যালবামে
হাতড়ে বেড়াই ক্ষয়ে যাওয়া অতীত,
ধ্বংশস্তুপের মাঝখানে দাঁড়িয়ে
দুমড়ে ফেলা মানচিত্র হাতে নিয়ে
ক্ষত বিক্ষত আমি মিলাতে চাই
জীবনের ভগ্নাংশের হিসাব নিকাষ,
মেলেনা, অপেক্ষার বৃষ্টিও নামেনা
কেন, বলতে পারো?
কখনো মনে হয় মনটাকে
ভাসিয়ে দেই সময়ের স্রোতে
যাক না ভেসে জোয়ারের টানে, যেদিকে খুশি!
হয়না, দ্বিধায় পড়ে যাই
কেন যে এত দ্বিধা !
তাও বুঝি না।
অনেক কিছুই করা হয়নি-
পারিনি মেঘলা দুপুরে ঝরা পাতার মর্মর
ধ্বনি মাড়িয়ে মেঘ বালিকার পিছু নিতে,
উদাসী পথে হেঁটে হেঁটে রঙধনুর
সাতরঙে নিজেকে রাঙিয়ে নিতে,
কিংবা পিচঢালা পথে হেঁটে যেতে
অচেনা রোদ্দুরে!
স্বপ্নের ময়ূরপঙ্খী নোঙর করে না
নির্জন সৈকতে,
সকাল বেলার আদুরে ঘুমটুকুও
পৌছুঁতে পারে না স্বপ্নের শেষ প্রান্তে,
আর দৃষ্টির আড়ালে গেলেই
ভালাবাসা হারিয়ে যায়
ধূসর জীবনের অদেখা দূরত্বে।
কথার পিছনে যেমন কথা থাকে
তেমনি গল্পের পিছনেও কিছু থাকে,
সে আরেক গল্প, আরেক প্রেক্ষাপট!
কখনো বলা হয় না
চেনা পথে হেটে যাই,
ভুল মানুষের সাথে,
নিয়ত নিজেকে ভাঙি
গড়তে চাই নতুন অবয়বে
আবার প্রায়শঃই ভুল করে যাই
সেই ভুলগুলো শুধরে নেই না।
কি হবে!
থাক না কিছু ভুল
ভুল হয়েই!





কবিতা ভাল।
তবে সময়টাই মন খারাপ করা,
পড়ে মন আরও খারাপ হয়ে গেল।
ধন্যবাদ বাউন্ডুলে
এত তারা! কই যে রাখি !
লেখা বড়ই সৌন্দর হইসে। যদি একটা কথা বলি, মাইন্ড কইরেন না। আমি -তুমি কথাটা যত কম ব্যবহার করা যায় ততই ভাল লাগে আমার কাছে, যেখানে আমি স্পেশাল কোন অর্থ দেয়া সেখানে ব্যবহার করার পক্ষপাতি! নীচের লাইনগুলো থেকে আমি কথাগুলো বাদ দিয়েছি, অর্থের কোন পরিবর্তন কি হয়েছে? এটা নিতান্তই আমার অভিমত! ভুল হলে বইলেন ক্ষমা চেয়ে নেব!
মনের মধ্যে এক নদীর বাস,
সে নদীর দু’দিকে দুটি ধারা
দুদিকেই টানে,
কোনদিকে যে যাই! বুঝতে পারিনা।
নিজেকে বড় অচেনা লাগে
এই বদলে যাওয়া নিষ্ঠুর সময়ের ভিড়ে
নিজেকে ঠিক মেলাতে পারিনা,
হয়ত এই সময়ে বড়ই অচল!
একটি লেখা যখন ব্লগে যায় অনেকেই পড়ে। তাদের অনুভূতি, ভাল লাগা, মন্দ লাগা জানায়। এতে করে পোস্টদাতা তার লেখা গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ যাই হোক তার লেখার মান সম্পর্কে সরাসরি পাঠকের মতামত জানতে পারে, যেটা ব্লগে যত দ্রুত সম্ভব প্রিন্ট মিডিয়াতে ততটা নয়। আর গঠনমূলক সমালোচনা অবশ্যই পজিটিভলি নেয়া উচিৎ। কারো মতামত পছন্দ না হলে অবশ্য ভিন্ন কথা। বেশিরভাগ ব্লগে কমেন্টে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় লেখা মানসম্মত না হলেও বাহাবা প্রদান করা হয়। এটা কখনোই লেখার মান বাড়াতে সহায়ক নয় বলেই মনে করি।
আমার নিজের সম্বন্ধে বলতে গেলে বলব-নিজেকে গল্পকার বা কবি ভাবার মত দুঃসাহস নেই। তবুও মাঝে মাঝে কিছু লেখার চেষ্টা করি আরকি! মনে আছে এই ব্লগে প্রথমদিকের একটি লেখায় শুভ ভাইয়ের একটি কমেন্ট আমাকে অনেক ভাবিয়েছিল, যেটা পরবর্তীতে আমার জন্য অনেক সহায়ক হয়েছিল। আপনার কমেন্টটা লাইক করলাম
, এবং সে অনুযায়ী লেখাটা ঠিক করে দিলাম। অনেক ধন্যবাদ।
অনেক ভাল লেগেছে। এমন লেখা পড়লে নিজের মাঝে উৎসাহ পাই। ভাবি আমিও যদি পারতাম এমন লেখতে।
আপনার ভাল লাগছে জেনে আমারো ভাল লাগলো। আপনি নিজেও বেশ ভাল লেখেন
কবিতা ভাল।
তবে সময়টাই মন খারাপ করা,
পড়ে মন আরও খারাপ হয়ে গেল।
আমাদের সময়টা দিন দিন শুধু খারাপ থেকে খারাপের দিকেই যাচ্ছে।

মন খারাপ করা দুপুরের যে কী নাম দেই?
আরে! সবারই দেখি মন খারাপ করা দুপুর আসে?
মন্তব্য করুন