আত্মমগ্ন কথামালা (মৃত্যু)
আয়নাতে দেখি দু'টো অপরিচিত চোখ তাকিয়ে রয়েছে
সকালের জুতো গুলো চিত্কার করে বলে চিনি না তোমাকে
শার্ট বা টি-শার্টেরা, মনিবের গন্ধ ভুলে যাওয়া কুকুরের মত
দুরে দুরে সরে যেতে চায়
গলার স্বরে শুকনো পাতাদের প্রতিধ্ধনি
চমকে দেয়
দুপুরের রোদ-বিকেলের প্রলম্বিত ছায়া-রাতের নিঃশব্দ ঘেরা অন্ধকার
ধুলিকনার চুমুতে শিহরিত, মৃত এবং উত্থান রহিত দেহের প্রতিটি কোষ |





বাপ্রে!!!
এতো কঠিন লেখা হইলেতো বুঝা দায় !!
ব্যাখার দাবী রাখে পাঠক !!
শিরোনামটাই কি সব কিছু ব্যাখা করে না???
বাহ ভাল্লাগলো। পরিবর্তনটা কি রাতারাতি?
পরিবর্তনটা রাতারাতি না...
অনেকটা সময়কে অল্প কিছু পংক্তিতে ধরার চেষ্টা...
মরন রে তুহু মম................ :(
মন খারাপের কি আছে???
আমার ধারণা মৃত্যু খুব আনন্দের একটা অনুভূতিই হবে...
আংকেল, কেডায় মর্লো, আপ্নে নি? কুলখানি চল্লিশা বার্ষিকী- কুনটার মেনু কী কন, সুবিধামতো দেশে যামু
অফটপিক- লেখা কইলাম বানাম্ভুল ধরার মতো ভালো হইছে
আন্টি, মরলে কয়েকজনরে খবর দিয়াই মরমু...
ভানাম্বুল তো অবশ্যই ধৈরা দিবেন, কারণ আমি ভানামে কুবই কাচা ;)
আজ আমি ধরি

জুতো গুলো চিত্কার = জুতোগুলো চিৎকার
দুরে দুরে = দূরে দূরে
ধুলিকনার - কনফিউজড
আমার দোষ না এইগুলা :( সব গুগল ট্রান্সলিটারেটরের দোষ ;)
মরণের চিন্তা কেন এতো দ্রুত??
দ্রুত???
এত কঠিন মন খারাপের লেখা কেন?তবে কবিতাটা জটিল সুন্দর।
কি জানি, ইদানিং...নাহ ইদানিং না, আমি সবসময়েই একটু বিষন্ন... :(
কার সাথে ঝগড়া হলো আবার ? ঃ)
ঝগড়া করবার মত কেউ নেই গো তানবীরা... :)
কবিতাটা ভালো লাগলো।
কিন্তু বানানের ব্যাপারে আপত্তি জানায়ে গেলাম।
এতো সুন্দর লেখায় এতোগুলো বানান ভুল থাকলে খুব কষ্ট লাগে। আর কবিতায় বানান ভুল হলে অর্থই তো পাল্টে যায়।
একটু খিয়াল কইরা... অনুরোধ
নজরুল ভাই একটা বাংলা স্পেল চেকারের অভাব খুব বেশি অনুভব করছি :( খুবই বেশি :(
আমি খুব মজা পাইতাছি বানান ভুল ধরাধরি লৈয়া... কারণ এই জায়গাটায় আমি মহাঁ কাঁচাঁ ;)...
শেখার কোন শেষ নাই ... শেখার চেষ্টা... ... .... কর্তে হপে :)
আমার এই সমস্যাটা সেই প্রাগৈতিহাসিক আমল থেকে...
নুশেরানটির অপনা স্পেল চেকারটা সাইটে ঢুকাতে পারেন নাকি দেখেন...
বিয়া শাদি না কইরাই লুকজনে আইজকাল মইরা যাইতে চায়... আফসুস...
হ, করতে না পারলে আর কী করবো...
আন্টি, আপনেরা আছেন কি করতে?
কেডা মইরা যাইতে চাইসে?
আয়নাতে দেখি দু'টো অপরিচিত চোখ তাকিয়ে রয়েছে
সকালের জুতো গুলো (জুতোগুলো একশব্দ হবে) চিত্কার করে বলে চিনি না তোমাকে
শার্ট বা টি-শার্টেরা, মনিবের গন্ধ ভুলে যাওয়া কুকুরের মত (মতো)
দুরে দুরে (দূরে দূরে) সরে যেতে চায়
গলার স্বরে শুকনো পাতাদের প্রতিধ্ধনি (প্রতিধ্বনি)
চমকে দেয়
দুপুরের রোদ-বিকেলের প্রলম্বিত ছায়া-রাতের নিঃশব্দ ঘেরা অন্ধকার
ধুলিকনার (ধূলিকণার) চুমুতে শিহরিত, মৃত এবং উত্থান রহিত (উত্থানরহিত একশব্দ হবে মনে হচ্ছে; যেমন হয় উত্থানহীন বা উত্থানশূন্য) দেহের প্রতিটি কোষ |
ভয়ে ভয়ে ক'টা কথা বলি। আমার ভুলও হতে পারে।
রাতের নিঃশব্দ ঘেরা অন্ধকার--- "নিঃশব্দ"কে ব্যবহার করা হয়েছে বিশেষ্য বা noun হিসেবে (একটা কিছু, যা রাতের অন্ধকারকে ঘিরে রেখেছে)। কিন্তু নিঃশব্দ হলো বিশেষণ বা adjective। এটা অন্য বিশেষ্যকে বিশেষিত করবে, যেমন "নিঃশব্দ রাত" অথবা "নিঃশব্দ অন্ধকার"। "নিঃশব্দ ঘেরা অন্ধকার" ব্যাকরণগতভাবে ঠিক হওয়ার কথা না; "নৈঃশব্দ ঘেরা অন্ধকার" হতে পারে।
শেষ চরণে ধূলিকণার চুমুতে "শিহরিত"র বদলে অন্য কোন শব্দ (আবিষ্ট, নিমজ্জিত- স্রেফ উদাহরণ দিলাম) ব্যবহার করা যায় কিনা একটু ভাববেন? মৃত, উত্থানরহিত এমন সব জড়ত্ব প্রকাশক শব্দের পাশাপাশি "শিহরিত" বেশ জীবন্ত! অবশ্য সেটা কবির ইচ্ছাকৃত হলে কাব্যমূর্খের কিছু বলার নেই।
============================================
শেষ কথা। কবিতাটা আসলেই সুন্দর হয়েছে। তাই এতো খুঁটিয়ে পড়লাম।
আন্টি,
আগে অইন্য একটা কারণে থেংকু লন...
দাবী- আমারে সিরিয়াল কী সহ অপনা স্পেল চেকারের একটা কপি মেইল করবেন...
"নিঃশব্দ" টা আমি আসলে "নৈঃশব্দ" ই লিখতে চেয়েছিলাম, কিন্তু ওই যে বললাম, গুগল ট্রান্সলিতারেসন টুলের কারণে "নিঃশব্দ"তেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে :(
একজন মৃতের আশপাশে যেই জীবন্ত এলিমেন্টস গুলো থাকে সেগুলোকেই আমি আসলে শিহরিত শব্দের সাহায্যে ধরতে চেয়েছিলাম... অন্ততঃ আপনার পাঠ থেকে বুঝতে পারছি অসফল নই...
কিছু মনে করবার প্রশ্নই আসেনা, কারণ আমি সমালোচনা খুব বেশি পছন্দ করি...
মাথার উপ্রে দিয়া গ্যাছে ।
ভাইরে এইটা মাথার উপর দিয়ে যাবার মতো কবিতা না :(
কোবতে ভালা লাগে নাই :S
মন্তব্য করুন