ভুলে যাওয়া রুম নম্বর
***
ঘাসফড়িঙের দল পাখায় বয়ে নিয়ে আসে ভেজা মাটির দুঃখবোধ, ধুলো ওড়া দুপুর
অপেক্ষারা ফিরে ফিরে আসে সিগারেটের ধোঁয়া, এসফল্ট পথ আর ধুলিময় জুতোজুড়ে
সন্ধ্যা নামে। শালিকের হলুদ কাজল আঁকা চোখে আঁধারের সরোদ
হাসি আর কথাগুলো ছড়িয়ে যায় সাতমসজিদ রোডে, আলো ও আঁধারে
ভুলে যাওয়া মুঠোফোন সংকেত ও সংবাদ
নিরব পথের খুনসুটি টেনে নিয়ে যায় সিঁড়িঘরে, বিদায়ের ক্ষণ।





সো সুইট! ভালো লাগছে।
কিন্তু সাতমসজিদ রোডে কেন? ওইখানে কেডায়?
ওইখানে কেউ না
শুধু হাঁটাহাটি 
বহুদিন পর একটা কবিতা পইড়া মন ভালো হইলো। কবিতাটা আল্টিমেট হইছে এমন বলতেছি না, বলতে চাইতেছি ছাড়া ছাড়া চিত্রকল্পগুলি একটা অনুভূতি তৈরী কইরা সেইটারে নিয়া খেলা করে। ঠিক যেমন শিশুকালে বেলুন নিয়া খেলতাম...আকাশে আকাশে ওড়ানোর খেলা...আকাশে ভাসানোর খেলা।
আমি জানি না রনজিৎ দাস আপনার পড়া আছে কীনা...কিন্তু এই কবিতার গাঁথুনিতে তার উপস্থিতি টের পাই। বোহেমিয়ান কবি, যার পায়ের ছাপে কোনো নিশ্চয়তা নাই। তবে আমি হইলে কবিতার যতি চিহ্নগুলি নিয়া একটু ভাবতাম। কবিতার শেষ দুই শব্দ "বিদায়ের ক্ষণ..." এই উপলব্ধিরে দাড়ির বন্ধনে স্তব্ধ করতাম না।
ভাস্করদার কমেন্টে লাইক। শেষ বাক্যটাতে ডাবল লাইক।
আপনি বস আসলেই স্বভাব কবি। আমার ঠিক যেইখানটাতে অস্বস্তি হইতেছিলো, একেবারে সেইখানটা আপনি পয়েন্ট কইরা দিছেন। থ্যাংক্স ভাস্করদা। আমি এইটারে পরে অবশ্যই এডিট করমু...
যথারীতি ভালো লাগলো।
যথারীতি বিনয় মজুমদার...
ভালো লাগলো!
আরে শান্ত তুমি কবিতা পড়?
অফলাইনে পড়ি!
ঘাসফড়িঙের দল পাখায় বয়ে নিয়ে আসে ভেজা মাটির দুঃখবোধ - অনেক চেষ্টা কইরাও এই বাক্যের মানে বুঝতে পারলামনা। এই জীবনে মনে হয় আমার আর কবিতা বোঝা হইলনা।
তারমানে এই লাইন বুঝতে পারছেন?
পরীক্ষা লন না !
প্রথম লাইন টাই তো পার হইতারলামনা
মেজর সাব, সব কিছুর গভীরে যাইতে নাই, আরে, মূল কথা মনে হয় কেউ সাত্ মসজিদের রাস্তায় শতাব্দি বাস ধরতে না পাইরা হাটতে হাটতে বাসায় ফিরছে বকবকাইতে, আর বাদ বাকিগুলা তার আশেপাশে ঘটে যাওয়া কান্ড কারখানা।
বৃত্ত@ ঠিক ঠিক বুঝছি না? উত্তর না হইলে কিন্তু আর আসুম না কবিতা পড়তে!
কাছাকাছি গেছো। তোমারে দিয়া আমার কবিতা বুঝা হবে...
হাসান রায়হান | ঘাসফড়িঙের দল পাখায় বয়ে নিয়ে আসে ভেজা মাটির দুঃখবোধ - অনেক চেষ্টা কইরাও এই বাক্যের মানে বুঝতে পারলামনা। এই জীবনে মনে হয় আমার আর কবিতা বোঝা হইলনা।
যাক আমি তাহলে একা না। আমি কবিতা বুঝিনা বলে সবাই আমার ওপর পাট লয়। এখন এখন হুহ
কবিতা হইলো কবিতা, বাঁশবাগানের মাথার ওপর চাঁদ উঠেছে ঐ/ মাগো আমার শ্লোক বলার কাজলা দিদি কই /
হা হা হা হা...
প্রতিটা শব্দ আলাদা আলাদা করে বুঝেছি কিন্তু একসাথে করলে মানে কি দাঁড়ায় ?
আলাদা আলাদা শব্দগুলা যদি মনের ভিতর একটু হইলেও নড়াচড়া করে, তাইলেই তো আপনি বুইঝা গেছেন কবিতাটা...
রায়হান ভাই,
বোঝার বোঁঝা বহন করতে আপনের আগ্রহ বেশ অনুপ্রেরণাদায়ক মনে হইলো...
ভালো লেগেছে
সামুর আমল মনে পইড়া গেলো
ভালো থাকুন
কমেন্ট হাসতে হাসতে মারা যাব মনে হচ্ছে।
আমি কি কিছু বুঝছিলাম! কি বুঝছিলাম কে জানে!
আপনিই মনেহয় ঠিক বুঝছিলেন, বাট গেছেন তো ভুইলা
কি বুঝছিলাম বলেন তো! দেখি মনে পড়ে কিনা!
আমি কেম্নে জানুম যে আপ্নে কি বুঝছিলেন???
খুউউব সুন্দর!
কথাটা এত্ত ভালো লেগেছে যে---আমি কপি করে ফেবুর স্ট্যাটাস দিয়ে দিলাম!
আমি কেম্নে জানবো আপনি আসলেই ফেবুর স্ট্যাটাসে দিছেন?
পুরাটা আসেনি--আবার দিলাম
আরে! আমি আরো ভাব্লাম আমার ফেবু ফ্রেন্ড আরেকজন বাড়বো
আর আপনি স্ক্রীন শট দিয়া গেলেন 
ভালো লাগছে...
আসলেই?
ভাস্কর মামা যেরম স্ট্যান্ডিং অভেশন দিইয়েচে আপনাকে, এরপরে আমার মত দুইপয়সার অভাজনেরা আর কি বলপ? একটা কথাই বলি তবে দাদা, খাসা হয়েচে কোবতেটা। এগিয়ে যান। চালিয়ে যান।
ওরে আপ্নেরেও টাইনা আনতে পারছি কবিতায়!!!
আনন্দে নিজের পিঠ নিজেরই চাপড়াইতে ইচ্ছা করতেছে...
খাইছে !
হ। কাইল্কা সব্বে মিলা ডিম পরোটা খাইছে
এইটারেই কি উত্তরাধুনিক কবিতা বলে

আরে নাহ। এইটা প্রাক প্রস্তর যুগের কবিতা...
অসাধারণ কবিতা। অনেক দিন পর এত ভাল কিছু পড়লাম।
উচ্ছসিত প্রশংসার জন্য উচ্ছসিত ধন্যবাদ...
মন্তব্য করুন