শিরোনামহীন (এক্সপেরিমেন্টাল)
আমি কখনও বোগেনভিলিয়ার ছবি তুলি নাই। কেউ কেউ ভালোবেসে তুলতে পারে বোগেনভিলিয়ার ছবি। না, কোনো ঘৃণা নেই ফুলটার প্রতি। কেমন গালভরা নাম। বাগানবিলাস। খুব কাছে থেকে দেখতেও ভালো লাগে, ঐ পর্যন্তই। গাছটাতে আবার কাঁটাও আছে। দুর থেকে তাকিয়ে ঝোপাঝোপা ফুলের রঙগুলোও খারাপ লাগে না দেখতে। গাঢ় বেগুনী-লালচে বেগুনী- মৃদু বেগুনী- সাদা।
________________________________________________________
________________________________________________________
একটা এক্সপেরিমেন্ট করবার চেষ্টা করলাম।
প্রতিটা বাক্য ধরে লেখাটা শুরু থেকে শুরু করা বা শেষ থেকে শুরু করা, একান্তই পাঠকের ইচ্ছা।





এইটাও বুঝলামনা।
)
(এইবার ভাস্করদা একটা টিউটরিয়াল দিবে
বার কয়েক পইড়া বুঝছি।
ভাল লাগছে জিনিসটা
সামুতে থাকতে এরাম একটা এক্সপেরিমেন্ট করছিলাম ২০০৯ সালে। এখন খুইলা দেখি, সেইটাতে ভাস্করদাও কমেন্ট দিছিলো
http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29024363
আমি এই লেখার কিছুই বুঝি নাই।
এইটা আসলে একটা স্টেটমেন্ট, যার ভেতর দিয়ে আমি বোগেনভিলিয়া বা বাগানবিলাস ফুলের ছবি আমি কেন তুলিনাই সেইটা বলতে চাইছি

বুঝি নাই। এটা কে লেখছে? কি লেখছে?

সেইম হিয়ার ম্যান
মন্দ না
ঈমানে কইতাছি শিরোনাম দেখে মনে করছি ছবি ব্লগ। ব্লগ খোলার পর দেখি ছবি নাই ভাবলাম লোড হতে সময় লাগছে। অনেকক্ষণ পরে বুঝলাম।এইটা আমার এন্টেনার কাজ না ।
গাঢ় বেগুনী-লালচে বেগুনী- মৃদু বেগুনী- সাদা।দুর থেকে তাকিয়ে ঝোপাঝোপা ফুলের রঙগুলোও খারাপ লাগে না দেখতে। গাছটাতে আবার কাঁটাও আছে। বাগানবিলাস।কেমন গালভরা নাম। খুব কাছে থেকে দেখতেও ভালো লাগে, ঐ পর্যন্তই।না, কোনো ঘৃণা নেই ফুলটার প্রতি। কেউ কেউ ভালোবেসে তুলতে পারে বোগেনভিলিয়ার ছবি। আমি কখনও বোগেনভিলিয়ার ছবি তুলি নাই।
গাঢ় বেগুনী-লালচে বেগুনী- মৃদু বেগুনী- সাদা।দুর থেকে তাকিয়ে ঝোপাঝোপা ফুলের রঙগুলোও খারাপ লাগে না দেখতে। গাছটাতে আবার কাঁটাও আছে। খুব কাছে থেকে দেখতেও ভালো লাগে, ঐ পর্যন্তই।বাগানবিলাস।কেমন গালভরা নাম। না, কোনো ঘৃণা নেই ফুলটার প্রতি। কেউ কেউ ভালোবেসে তুলতে পারে বোগেনভিলিয়ার ছবি। আমি কখনও বোগেনভিলিয়ার ছবি তুলি নাই।
খুব একটা খারাপ লাগলো না উল্টেও, তবে যতিচিহ্নগুলো কিংবা যেভাবে বিশ্রামের নির্দেশনা আছে সে ব্যবস্থায় উলটো রাস্তায় আসলে খানিকটা আটকে যায়। সোজাসুজি আগালে তেমন আটকাতে হয় না।
এইরম এক্সপেরিমেন্ট অনেকেই করে। কিন্তু আমার কাছে মনে হয় এইসব পাজল বানানো বা গেইম খেলা ভাষা বিজ্ঞানীরা করবো...যারা ভালো অংক জানে বা অংকের অ্যানালিটিক্স ভালো বুঝে।
আর আপনের আগেরটাও হইছিলো...এইটাও হইছে। আগেরটা হইয়া যাওনের পর এইটা আর এক্সপেরিমেন্ট থাকে না। এইটা একটা কাঠামো হিসাবে দাঁড়ায়।
বেশ ভাব নিয়া কমেন্ট করলাম...যেহেতু উপরে রায়হান ভাই আমার নাম নিছে।
শুভ এই কমেন্টে মাইন্ড খাইয়েন না আবার...এইটা একেবারেই রায়হান ভাইয়ের খোঁচার জবাবে ফান হিসাবে করছি।
আরে নাহ বস। মাইন্ড খাইনাই। আরেকটা লেখা দেওনের ইচ্ছায়, এইটারে প্রথম পাতার থিকা সরায়া দিসি।
ধন্যবাদ সবাইকে...
কি জন্য ধন্যবাদ? কি অপরাধ করছে সবাই>? বুঝি নাই সেজন্য?
হা হা হা... নাহ, পাঠ করনের লাইগা
জয়িতার রিপ্লাইয়ে সামুর কালের একটা ডায়ালগ মনে পড়েছে
পোষ্ট পড়ে পাঠক বল্লোঃ ভালো লাগলো।
লেখকের রিপ্লাইঃ আদরটা করলো কে?
ইয়ে মানে আসলেইতো? আদরটা করলো কেডা?
ভাগ্যিস, দেরি করে পড়ছি, তাই জোর গলায় বলতেছি, আমি বুঝছি!
(রাসেল্ভাইর কমেন্ত কিন্তু আমি পড়ি নাই কইলাম!
)
এইটাতো না বুঝার কিস্যু নাই। তয় ঠাকুর ঘরে কে রে? আমি রাসেল ভাইয়ের কমেন্ট পড়িনাই
মন্তব্য করুন