আত্মমগ্ন কথামালা- ৮
কোনো কিছু ভুইলা থাকার সবচাইতে ভালো উপায় হইলো নিজেরে ব্যস্ত কইরা ফেলা। মাথার ভিতর গাদা খানিক উলটা পালটা চিন্তা ভাবনা দৌড়াইতেছে বেশ কিছুদিন ধইরা। তার উপর কালকে বাংলাদেশের হাইরা যাওন। যতই ভাব ধইরা এই সেই ইত্যাদি বলতেছি, হাল্কা হাল্কা মন খারাপের ভাবটা যাইতেছে না। সো, সারাদিন নিজের অগোছালো ঘরটারে (কি কায়দা! নেট জগত এইভাবে ঘিরা ধরছে বুঝি নাই। এইখানে ঘর লিখতে গিয়া পয়লা লিখে ফেলছি ব্লগ
) আরো অগোছালো কর্লাম
তারপর সেইটারে নাম দিলাম ঘর গুছানি। প্রত্যেকবার ঘর গুছাইলে প্রায় আট-দশ কেজি ধুলা বাইর হয়। আর হাজার খানেক পুরানা স্মৃতিমাখা জিনিস খুইজা পাই। তখন গুছানি থামাইয়া স্মৃতি রোমন্থনে নামি। ভালাই লাগে। ফাইনালি ঘর থাকে আধা-গুছানি আধা-লন্ডভন্ড
আম্মু দেয় ঝাড়ি
সেই ঝাড়ি খাইয়া দৌড়ের উপ্রে বাকি কাজ সারি। ফলাফল? দর্কারী জিনিস পাতি একবারে খুইজা পাওনের বারোটা। তয়, যেই হেল্পটা হয় সেইটা আনবিলিভেবল। সাম্প্রতিক মন খারাপের মেঘটা পাতলা হইয়া ওঠে। সেইখানে পুরানা দিনের আনন্দ, দুঃখ গুলা জায়গা লয়।
তো একখানা সিরিজ শুরু করবো বইলা যেই ভাবটা মাথার ভিতরে আছিলো, সেইটায় কোনো উৎসাহ পাইতেছি না।
কালকে একজনেরে কইতেছিলাম জীবন মানেই হইলো কম্প্রোমাইজ। সেই কম্প্রোমাইজের বিষণ্ণতা কাটাইতে নিজের সাথে অভিনয় করা জরুরী। যাতে অন্য কেউ বুঝতে না পারে তুমি বিষণ্ণ
যদিও অভিনয় জীবন উপভোগ করি না, তবুও কি আর করা? শুরু হউক অভিনয়। কাইটা যাউক দিন গুলা 
আপাতত আদিওস...





মন্তব্য করুন