আত্মমগ্ন কথামালা ৯
মানুষ কি তার কামনা বাসনার উর্ধ্বে আদৌ যাইতে পারে?
আমার মনে হয় না। যতভাবেই চেষ্টা করা হউকনা কেন, মাইনষের ভিত্রে সুপ্তভাবে কামনা আর বাসনা নামের দুই ভাই কিংবা বইন (লিঙ্গভেদে!) বইসাই থাকে। সুযোগ পাইলেই চেহারা দেখায়া দেয়।
কাইল দুফুর বেলা সুন্দর একটা টাইম পাস করলাম অত্যন্ত পছন্দের কিছু মানুষগো লগে। শুধু দুঃখ থাইকা গেলো, পুরাটা টাইম পাস না করতে পারায়। ডিউটি কলড। কি আর করা।
সন্ধ্যার পর সেমি রাইতের দিকে আরো কিসু পছন্দের মাইনষের সাথে টাইম পাস করার সুযোগ হইলো। কিন্তু রাইত ঘনায়, টাইম দৌড়ায়। ভাল্লাগেনা।
রাস্তার সাইডে বইসা আড্ডাইতেছি আর হু হু কইরা বইয়া যাওয়া বাতাসের ছোঁয়া মাখতেছি এই টাইমে হঠাৎ কইরা মন খারাপ হইয়া গেলো। হুদাই। সেই জিনিস মাথার ভিত্রে এখনো বইসা বইসা টুংটাং কইরা একতারা বাজাইয়া যাইতেসে। এই মনখারাপের চাপেই কোনদিন জানি মইরা ফুটুস হইয়া থাকমু। বেল বেল বেল।
নিজের লগে কথা কইতেও আইজকাইল ভাল্লাগেনা, আবার অন্য কারো লগে ফোনে? ধুশ। তার উপর আবার কথা কইয়া সেই কথার উপর মন খারাপ হইলে কেরম লাগতে পারে? ধুশ
একলা অনেক দূর গানটা বহুত সুন্দর লাগতেছে ইদানীং, মনে হয় সোমলতা'র গাওয়া।
আর অনুপম রায়ের একবার বল, নেই তোর কেউ নেই গানটাও।





নাহ, কামনাবাসনা থেকে পার পাওয়া যায় না। পাজী দু'টা লেগেই থাকে হোক না ক্ষনিক বিরতি দিয়া।
ইদানিং মনখারাপ ব্যাপারটা এমন চেপে থাকে, আলাদা করে আর কিছু লাগে না, ভাব এমন যেন এইটাই স্বাভাবিক! গত কিছুদিন যাবত মেঘদলের "রোদের ফোটাঁ" মাথায় অনবরত ঘুরছেই, আর শুনতে গেলে অইটাই শুঞ্ছি! ত্যক্ত হয়ে গেছি তাও ঘুরেফিরে যাই ওতেই!
শূন্যতার শোকসভা, শূন্যতার যত গান,
দিলাম তোমার মুকুটে আমার যত অভিমান!
শুনে দেখি গানটা
শুভ ভাই আপনে যে কত সুন্দর লেখেন!
কিন্তু লেখালেখি কমায় দিসেন ক্যান?
আপনার উপন্যাসটার বাকী অংশ পড়বার আশা ছাড়িনাই এখনো
সোমলতার গানটা শুনে দেখতে হইব।
'একবার বল' অসংখ্য বার শোনা একটা গান। নেশার মত।
তবে, আমার অনগয়িং ক্রাশ একটাই-
মিফতাহ জামান এর অতঃপর।
কি জানি, মিফতাহ এর গানটা এখনো আমার অতটা ভালো লাইগা ওঠে নাই।
হুমমম।
মন্তব্য করুন