বন্ধু , আমি আসব...
বহুদিন লেখি না। ফোনের নোটে কত লেখা জমেছে। সবাইকে বলব বলব করেও বলা হয় না। গ্রীষ্মের ছুটির আরও কত দিন আছে। পড়ার চাপ নেই একদম। কাজের চাপ আছে।আজ অসম্ভব ক্লান্ত। কাল সারারাত কাজ করে আজ সারাদিনও কাজ করেছি। ঘুমাতে এসে ঘুমাতে পারছি না। বন্ধুত্ব দিবসে কোন মজাই হয় নি। অবশ্য হবেই বা কেমন করে? বন্ধুই তো নেই।
কিন্তু নেই বললে তো ভুল হবে। ওরা সবাই আমার চারপাশে থাকে।
কারও সাথে আমার যোগাযোগ নেই। কিন্তু তাই বলে তাদের খবর জানি না তা তো না। আমার অনেক বন্ধুই এখন বন্যার ত্রাণ সংগ্রহে ব্যাস্ত। অনেকেই বিভিন্ন কাজে ভলান্টিয়ার। একদিন আমিও স্বপ্ন দেখতাম, বন্যার্তদের ত্রাণ জোগাড় করছি, অসহায়দের সাহায্য করছি, বন্ধুদের আড্ডায় একবার জোড় গলায় সবাইকে বলেছিলাম, বাংলাদেশ সুন্দর হবেই। কারণ আমাদের হাতে গড়বে বাংলাদেশ। আমরা করব সুন্দর।
বলাটা বলা পর্যন্তই ছিল। কাউকে সাহায্য করলে সে ভাবে নিশ্চই আমার কাছে কিছু চাইবে, তাই আগে আগে পাম দিচ্ছে। হায়রে কপাল আমার।
আমি পারি নি কাউকে সাহায্য করতে । কাউকে না। প্রাণের বন্ধুটাও আজকাল খুব ব্যস্ত। বললে বলে আমি সাহায্য করা আর তুই সাহায্য করা তো এক ই হল।
জানি না এক কিনা। তবে আমার বন্ধুদের সাহায্য করার এই মনমানসিকতা দেখে আমি অভিভূত বলা যায়। বন্ধু তো বন্ধুই হয়। আমি এখান থেকে দেখি ওরা নিজেকে বিলিয়ে দিচ্ছে। কতই না ভাল লাগে। আহারে আমিও যদি দেশে থাকতে পারতাম।
বন্ধুরা ভাল থাক বন্ধুদের সাথে। আমি এখন অপেক্ষায় আছি, কবে যাব আমি আমার বাংলাদেশে। হাঁটব একসাথে আমার বন্ধুদের সাথে।
আবার দেখা হবে। সকালের প্রথম রোদে, দুপুরের ঠান্ডা কফির মগ হাতে, শেষ বিকালে বন্ধুর গিটারের ভুল সুরে বেতাল গানে, অতিকাব্যিক বন্ধুর কবিতার সাথে, ঝালমুড়ি বা ফুচকার সাথে রাস্তার পাশে। আমের মুকুলের গন্ধ শেষে আমের গন্ধ আসুক,, আমি আসব। যেখানে শেষ হয়েছিল, সেখান থেকে শুরু করব আমি আবারও।। নিজেকে নিঃশেষ হতে দিব না। যার এত বন্ধু তার ভয় কিসের???





টেক্সট-এর ইনহেরেন্ট মিনিংগুলা ইস্পিশাল লোকজনদের জন্য, বুঝা যাইতেসে। যে কারণে সাধারণ পাবলিক পুরা টেক্সট বুঝতেসে না। যাহোক ব্যাপার্স না। শুভকামনা থাকলো।
লেখা খ্রাপ না বাট বেশি বেশি লিখতে হবে
তোমাকে ধন্যবাদ সুন্দর লেখার জন্য ।আশা করি ভবিষতে আরও সুন্দর লিখবে।ুনিোনতোমাকে ধন্যবাদ সুন্দর লেখার জন্য ।আশা করি ভবিষতে আরও সুন্দর লিখবে।
মন্তব্য করুন