সুখী দেশের সুখী নাগরিক
সকাল ৬ টায় ঘুম থেকে উঠিয়া কোনরকমে গোসল সারিয়া, ৮টার মধ্যে অফিসে ঢুকি, তারপর আমার আর আমার মস্তিস্কের উপর দিয়ে কি যায় তা আমি বিনে কেউ জানেনা, এরপর বাসায় ফিরি রাত ৮ টায়। তখন মাথা উচু করে রাখার শক্তি থাকেনা, তারপর ফ্রেশ হওয়া, বাজার করা, রাতের খাবারের ব্যাবস্থা করা, কালকের কাজগুলো কিভাবে করা যেতে পারে তা নিয়ে ভাবা, প্রগ্রামিং এর বইনিয়ে বসা, দুই ঘন্টা ঘামে ভিজে যাওয়া, তারপর হঠাত ঘড়িতে দেখি রাত ১২:৩০ বাজে, সাথে সাথে প্রেমিকার ফোন তার সাথে ঘন্টা খানেক কথা বলা, তারপর নিজের মনের শান্তির জন্য পড়া, হঠাত দেখি ভোর ৩:৩০ । আর ঠিক তখনই মনে পরে যায় আমার হারিয়ে যাওয়া ভালোবাসার কথা, যাকে আমি হারিয়েছিলাম আমার টাকা পয়সা নাই, আর গায়ের রং কালো বলে । পুরোনো সুখ স্মৃতি স্মরণ করতে করতেই সকাল ৫:৩০ বাজে । তখন হঠাত ঘড়ি দেখে মনে হয় উফ কাল সকালে আবার অফিস । ঘুমাই আবার উঠেই অফিসে !!! এই হচ্ছে আমার মত একজন নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষের দৈনন্দিন জীবন। আমি জানি আমার মত এমন বা এর চেয়েও খারাপ অবস্থা এ দেশের অধিকাংশ মানুষের, তারপরও নাকি আমাদের দেশ বিশ্বের ১১ তম সুখী দেশ?
এটাকে সুখ বলবো নাকি প্রহসন বলবো বুঝতে পারছি না !!!





ট্যাগটা বেশি ভালো হইসে।
এরপর থেকে গল্পটাও ভালো করার টেরাই করুম
এত সুখ সইবো কেমন করে?
সইতে কইছে কেডা? আমার মতো দু:খ প্রকাশ করেন
আমি কৌতুহ্ল নিয়া রিপোর্টটা ঘেটে দেখেছিলাম। তাঁরা যে সূত্র ব্যবহার করেছে তাতে যে দেশের "Ecological Footprint" যত কম সেই দেশ তত উপরের দিকে র্যাঙ্কিং পাবে।
রিপোর্টে আরো বলা আছে, "Countries that do well on the HPI suffer many problems. Many high-ranking countries are tainted by important human rights issues. Though one would expect the infringement of rights to negatively impact on the wellbeing of some people in the country, the HPI does not set out to directly measure those rights. Furthermore, because it is likely that people directly affected by extreme human rights abuses represent a minority, the population average well-being score may not fully reflect this harm
(even when inequality is accounted for).
অথচ আমাদের মিডিয়ায় এগুলির কিছুই আসে নাই, মাত্র ২৭ পাতা রিপোর্ট পড়ার সময় নাই তাদের।
~
ভাই এইডা ভীনামালিকের বিয়ের খবর হইলে দ্যাখতেন আলু পুরাডাই ছাইপ্পা দিতো
এত সুখ সইবো কেমন করে?
৫।৩০ টায় ঘুমিয়ে ৬টায় উঠতে পারলেতো সুখ আর সুখ
হ সুখ না ছাই ? প্রজেক্ট ম্যানেজার যখন কয় আজকে ইত্যাদি ইত্যাদি করা লাগবে তখন সুখ বাইর হইয়া যায়
এতো সুখেতো ভাই আপনার অসুখ করবে। মাত্র ৩০ মিনিট ঘুমানো কোনো রকমেই স্বাস্থ্যসম্মত না। আপনার ঘুমের পরিমাণ একটু বাড়িয়ে দিন দেখবেন সুখ বেড়ে যাচ্ছে।

----------------------------------------
ধন্যবাদ , মনে রাখবো
বিশ্বের ১১তম সুখী দেশের মানুষের লেখা পড়ে তো মনে হচ্ছে দেশ ১১তম হলে কি হবে আমরা কিন্তু ১নম্বর সুখী মানুষ।

না ভাই প্রহসন বলে দুঃখ পাওয়ার দরকার নাই।
সুখী ভেবে তৃপ্তির ঢেকুর টুকু তুলি...
আপনার মুখে ফুল চন্দন এর সাথে যদি আরও কিছু লাগে তবে সেগুলোও পরুক, অনেক অনেক ধন্যবাদ
এবি তে সুস্বাগত।
পড়তে থাকুন, লিখতে থাকুন। ভাল থাকুন।
এত কম ঘুমিয়ে সারাদিন কাজ করেন কেমনে?
মন্তব্য করুন